শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ৭ জুন, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ জুন, ২০২০ ২৩:৪৬

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন

ঢাকায় আক্রান্ত সাড়ে ৭ লাখের বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সাড়ে সাত লাখের বেশি বলে মনে করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট। সাময়িকীটি গত শুক্রবার ‘ইনফেকশন্স আর রাইজিং ফাস্ট ইন বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া অ্যান্ড পাকিস্তান’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেছে, কম সংখ্যক পরীক্ষার কারণে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে সরকারি পরিসংখ্যানের চেয়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি হতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইসিডিডিআর,বি)-এর কর্মকর্তা জন ক্লেমেনসের অনুমান, রাজধানী ঢাকাতেই করোনা সংক্রমণের সংখ্যা ইতিমধ্যে সাড়ে সাত লাখ ছাড়িয়ে গিয়ে থাকতে পারে। তবে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অনুসারে, শুক্রবার পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃত্যু হয়েছে ৮ শতাধিক। আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্ত শনাক্তের ৯০তম দিনে এসে করোনাভাইরাস সংক্রমিত শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় ঢুকে গেছে বাংলাদেশের নাম। প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জারি করা লকডাউন গত সপ্তাহ থেকে প্রত্যাহার করতে শুরু করেছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং ভারত। দ্য ইকোনমিস্ট লিখেছে, ‘বিশ্বের মোট জনসংখ্যা এক-পঞ্চমাংশের বেশি ১৭০ কোটি মানুষকে বিধিনিষেধ মুক্ত করে দেওয়ায় বিপর্যস্ত অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরবে। দক্ষিণ এশিয়ায় রোগের বিস্তার মোটামুটি শ্লথ করতে পেরেছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো, কিন্তু থামাতে পারেনি। লকডাউন প্রত্যাহারের ফলে আবারও সংক্রমণ দ্রুত ছড়াতে পারে। দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন দেশে করোনায় মৃতদের জন্য মর্গে, কবরস্থানে ও শ্মশানঘাটে জায়গা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। নারায়ণগঞ্জের পৌর কবরস্থানে মে মাসে ৫৭৫ জনের দাফন হয়েছে। সাধারণত প্রতি মাসে সেখানে আড়াইশর কম দাফন করা হয়। তবে গত মাসে দাফন করা ৫৭৫ জনের মধ্যে মাত্র ৭০ জন করোনায় আক্রান্ত। প্রতিবেদনটিতে চট্টগ্রামে কবর খনন কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফরিদ উদ্দিনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি বলেছেন, অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। তিনি ও তার সঙ্গীরা চার দিন ধরে ঘুমানোর সময় পাচ্ছেন না। ফরিদ আরও বলেন, আমরা প্রচ- চাপে আছি। দোয়া করুন যেন সৃষ্টিকর্তা আমাদের ক্ষমা করে দেন এবং রোগটি ফিরিয়ে নেন।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর