শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ টা
আপলোড : ৬ এপ্রিল, ২০২১ ২৩:০০

বাধ্যতামূলক মাস্ক পরুন, টিকা নিন

-ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাধ্যতামূলক মাস্ক পরুন, টিকা নিন
Google News

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সুযোগ থাকলে সবাইকেই টিকা নিতে হবে। অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক মাস্কও পরা যেতে পারে। সবাই যথাযথভাবে মাস্ক পরলে ৯০ ভাগ সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে বিকল্পধারার এই প্রেসিডেন্ট বলেন, লকডাউন দিলেও সমস্যা। না দিলেও সমস্যা। তবে সবাই সচেতন হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। আমি মনে করি, পর্যাপ্ত টিকা আনা জরুরি। প্রয়োজনে ভারতের বাইরেও অন্যান্য নির্ভরযোগ্য দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে। করোনা টেস্টের সংখ্যা আরও বাড়ানো উচিত বলে অভিমত দিলেন এই মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, আমাদের দেশে জনসংখ্যার তুলনায় করোনা পরীক্ষা কম করা হচ্ছে। আরও বেশি পরিমাণে টেস্ট করা উচিত। তৃণমূল পর্যায়ে টেস্ট করাতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে সরকারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ রাখা জরুরি। বি চৌধুরী বলেন, এটা আন্তর্জাতিকভাবেই স্বীকৃত, করোনার প্রধান প্রতিষেধক ভ্যাকসিন। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত ভ্যাকসিন না আসবে ততক্ষণ মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। তবে ভ্যাকসিনের পরও মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। কারণ, এই মুহূর্তে সবাই তো আর ভ্যাকসিন পাচ্ছে না। সবার মধ্যেই হার্ড ইমিউনিটি তো আর হচ্ছে না। যাদের হার্ড ইমিউনিটি হবে না, তাদের মধ্যে জার্মটা থেকেই যাবে। তবে শতকরা ৬০ ভাগের মধ্যে টিকা হয়ে গেলে বাকি ৪০ ভাগের মধ্যে হার্ড ইমিউনিটি চলে আসবে। তিনি বলেন, যেহেতু আমাদের দেশে কম লোকের মধ্যেই ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, তাই মাস্ক পরে থাকাই উচিত। এ ছাড়া বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এমনিতেই মাস্ক পরা জরুরি। ঢাকা শহরে ধুলাবালিসহ নানাবিধ কারণে এটা জরুরি। যতক্ষণ পর্যন্ত না ৬০ ভাগ মানুষের মধ্যে টিকা না দেওয়া হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত মাস্ক ব্যবহার করাই উচিত। রোগ বিজ্ঞান বিভাগের এই অধ্যাপক বলেন, করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক হিসেবে অক্সফোর্ড টিকা ফাইজারের চেয়ে ভালো। ফাইজারের টিকা যে তাপমাত্রায় রাখা জরুরি, সেটা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে উপযোগী নয়।