শিরোনাম
মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০০:০০ টা

পিরোজপুরে হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক নিহত

বগুড়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর গাড়ি বহরে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া ও পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরে রাজনৈতিক সহিংসতায় গুরুতর জখম লালন ফকির ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল রাত ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পিরোজপুরে বিক্ষোভ মিছিল করা হয়েছে। লালন উপজেলার ডুমুরিতলা গ্রামের হান্নান ফকিরের ছেলে। শনিবার রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী এ কে এম এ আউয়ালের কর্মিসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে কুপিয়ে জখম করে। পিরোজপুর সদর উপজেলার শারিকতলা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজমীর হোসেন মাঝি জানান, বাবু শেখের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল লালনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে লালনের দুই পা ও দুই হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার শরীরে অর্ধশত কোপের চিহ্ন রয়েছে।

বগুড়ায় হামলা : বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাম উপজেলা) আসনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপি থেকে নির্বাচিত চারবারের সাবেক এমপি ডা. জিয়াউল হক মোল্লাকে বহনকারী গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

গতকাল বিকালে নির্বাচনি গণসংযোগকালে কাহালু উপজেলার তিনদীঘি এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জিয়াউল হক মোল্লাসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতরা কাহালু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। জিয়াউল হক মোল্লার সঙ্গে থাকা মাসুদ রানা নামে একজন জানান, দুপুরে একটি মাইক্রোবাস নিয়ে তারা কাহালু উপজেলার কর্নিপাড়ায় গণসংযোগ শুরু করেন। বিকাল পৌনে ৪টার দিকে তারা তিনদীঘি এলাকায় পৌঁছার পর স্থানীয় বিএনপির ২০/২৫ জন নেতা-কর্মী এসএস পাইপ, লাঠি এবং রামদা নিয়ে তাদের মাইক্রোবাসের গতিরোধ করেন। এরপর তারা মাইক্রোবাসের জানালার কাচ ভেঙে সাবেক সংসদ সদস্য ডা. জিয়াউল হক মোল্লার ওপর আঘাত করার চেষ্টা করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে তিনি এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা মহিউদ্দিন মোহন ও মাইক্রোবাসের ড্রাইভারসহ চারজন আহত হন। অন্যদিকে ভাঙা কাচের টুকরায় ডা. জিয়াউল হক মোল্লার চোখের নিচের অংশ কেটে যায়।

কাহালু থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হামলাকারীদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। এদিকে ডা. জিয়াউল হক মোল্লার কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপির স্থানীয় একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। হামলা প্রসঙ্গে ডা. জিয়াউল হক মোল্লা নিজ বাসায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘হামলাকারীরা আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। রাগ এবং ক্ষোভ থেকে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ওপরের নির্দেশে এটা হয়েছে। নির্দেশ বাস্তবায়ন করেছে এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেন এবং তার অনুসারীরা। আমরা হামলাকারীদের চিনেছি। তাদের কয়েকজনের দলীয় পরিচয় (বিএনপি) থাকতে পারে।

সর্বশেষ খবর