শিরোনাম
প্রকাশ: ১৫:২০, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬ আপডেট: ১৮:২৯, বুধবার, ০৬ মে, ২০২৬

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

মমতা ব্যানার্জী পদত্যাগ না করলে কী ঘটবে?

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
মমতা ব্যানার্জী পদত্যাগ না করলে কী ঘটবে?

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী জানিয়েছেন যে, তিনি নির্বাচনে হারেননি এবং পদত্যাগও করবেন না। তবে পরাজয়ের পরেও কোনো মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ না করলে ভারতের সংবিধান অনুযায়ী কী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে?

ছয়ই মে, বুধবার নিয়ম অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মন্ত্রিসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আইন অনুযায়ী আজকের পরে মমতা ব্যানার্জী যেমন মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন না, তেমনই তার বিদায়ী মন্ত্রিসভারও আজকের পরে আর কার্যকর থাকবে না।

কিন্তু নির্বাচনে পরাজয়ের পরে এখনও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন নি মমতা ব্যানার্জী। বরং তিনি ঘোষণা করেছেন যে তিনি পদত্যাগ করবেন না। তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে অসৎ উপায়ে নির্বাচনে জেতার অভিযোগ তুলেছেন।

পদত্যাগ প্রসঙ্গে মমতা ব্যানার্জী বলেন, আমি কেন পদত্যাগ করব? আমরা হারিনি, তাই পদত্যাগ করবও না। পরাজয়ের প্রমাণ থাকলে আমরা পদত্যাগ করতাম। কেউ আমাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করলেও আমি করব না। আমি বলতে চাই যে আমরা নির্বাচনে হারিনি।

বিজেপি বলেছে যে, সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী করেন এমন কেউ এই মন্তব্য করতে পারেন না।

মুখ্যমন্ত্রীকে সংবিধান অনুযায়ী কি বরখাস্ত করা যায়?
ভারতের সংবিধানের ১৬৪ অনুচ্ছেদে রাজ্য মন্ত্রী পরিষদ গঠন এবং এই বিষয়ে রাজ্যপালের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রতিটি নির্বাচনের পর, রাজ্যপাল বিধানসভায় কোন দলের কতজন বিধায়ক আছেন, সেই সংখ্যার মূল্যায়ন করেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানান। এরপর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

যদি কোনো মন্ত্রী সেই সভার সদস্য না হন, তবে তাকে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হতে হবে। এই নিয়ম মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য যেমন, একই আইন অন্যান্য মন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সমান।

মমতা ব্যানার্জী যখন ২০১১ সালে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেবার তিনি বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করেন নি। তাই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করলেও তাকে ছয় মাসের মধ্যে ভোটে জিতে বিধানসভার সদস্য হতে হয়েছিল।

আবার ২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম আসন থেকে তিনি বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন, তবুও মমতা ব্যানার্জীই সেবারও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। পরবর্তীতে কলকাতার ভবানীপুর আসন থেকে উপনির্বাচনে জিতে তিনি আবারও বিধানসভার সদস্য হন।

যদি ছয় মাসের মধ্যে কেউ বিধানসভার সদস্য না হতে পারেন, তাহলে সেই মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী পদ হারান।

সংবিধানের ১৬৪(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী "রাজ্যপালের ইচ্ছা সাপেক্ষে" পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।

এখানে রাজ্যপালের ইচ্ছা বলতে কী বোঝায়?

দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর পলিটিক্যাল স্টাডিজের ডঃ সুধীর কে. সুতার বলেছেন, "রাজ্যপালের 'ইচ্ছা' আসলে নির্ধারিত হয় সংখ্যাগরিষ্ঠ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা একজন নেতার উপর অর্পিত আস্থার মাধ্যমে। প্রতিটি নির্বাচনের পর, রাজ্যপাল বিধানসভায় দলের সংখ্যা মূল্যায়ন করেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানান।"

"যদি বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ না করেন, তবে রাজ্যপাল তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে সেই মুখ্যমন্ত্রীসহ মন্ত্রী পরিষদকে বরখাস্ত করতে পারেন," বলছিলেন সুতার।

এছাড়াও, ভারতীয় সংবিধানের ১৭২ নং অনুচ্ছেদে রাজ্য বিধানসভাগুলির (বিধানসভা এবং বিধান পরিষদ) মেয়াদকাল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিধানসভার মেয়াদ তার প্রথম অধিবেশনের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। পাঁচ বছর পূর্ণ হলে এটি আপনা থেকেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

অনুচ্ছেদ ১৭২-এ বলা হয়েছে, "প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভা, যদি তার আগে ভেঙে না দেওয়া হয়, তবে তার প্রথম বৈঠকের জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে পাঁচ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে এবং উক্ত পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হলে বিধানসভাটি ভেঙে যাবে।"

নিয়ম অনুযায়ী, আজ ছয়ই মে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের মেয়াদের শেষ দিন।

আজ পর্যন্তই মেয়াদ মমতা ব্যানার্জীর
দিল্লির বিধি সেন্টার ফর লিগ্যাল পলিসির সাংবিধানিক আইন কেন্দ্রের প্রধান স্বপ্নিল ত্রিপাঠি টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে বলেছেন, এটি একটি প্রতিষ্ঠিত সাংবিধানিক প্রথা যে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেন এবং নতুন সরকার শপথ গ্রহণ না করা পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে পদে থাকেন।

স্বপ্নিল ত্রিপাঠি ব্যাখ্যা করেন, যদি এই প্রথা অনুসরণ না করা হয়, তাহলে আইনি স্থিতিতে কোনো পরিবর্তন আসে না। রাজ্যপাল তার ইচ্ছা প্রত্যাহার করে নতুন বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা নেতাকে আমন্ত্রণ জানাতে পারেন। সুতরাং, পদত্যাগ করতে অস্বীকার করাটা আইনের চেয়ে রাজনীতিরই বেশি বিষয়।

তার কথায়, সংবিধান অনুযায়ী, যে মুখ্যমন্ত্রীর আর সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন নেই, তিনি পদে থাকতে পারেন না।

সাংবিধানিক আইন বিশেষজ্ঞ এবং লোকসভার প্রাক্তন সেক্রেটারি জেনারেল পিডিটি আচারিয়া ইন্ডিয়া টুডেকে বলেছেন যে, বর্তমানে আইনে এমন কিছুই নেই যা মমতা ব্যানার্জীকে পদে থাকার অনুমতি দেবে।

তিনি বলেন, তিনি পদত্যাগ না করলেও কিছু যায় আসে না। পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী শপথ না নেওয়া পর্যন্ত রাজ্যপাল তাকে পদে থাকতে বলতে পারেন। কিন্তু সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, কোনো সরকার পাঁচ বছরের বেশি টিকতে পারে না।

আচারিয়া বলেন যে, মমতা ব্যানার্জী আজ পদত্যাগ করলেও, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ না নেওয়া পর্যন্ত রাজ্যপাল তাকে পদে থাকতে বলবেন।

তার কথায়, কার্যত, তার পদত্যাগ করার প্রয়োজন নেই। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, তিনি কেবল বর্তমান বিধানসভার মেয়াদের জন্যই মুখ্যমন্ত্রী থাকতে পারবেন। সেই তারিখের পর, তাকে আইন অনুযায়ী নিজে থেকেই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে অপসারণ করা হবে।

'আমরা হারি নি'
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের জন্য নির্বাচন কমিশনকে দায়ী করেছেন মমতা ব্যানার্জী। তিনি নির্বাচন কমিশনকেই 'মূল খলনায়ক' বলে অভিযোগ করেছেন।

মমতা ব্যানার্জী অভিযোগ করেছেন, ১০০-র বেশি আসন লুট করেছে। ওরা এমনি জিতলে আমার কোনো অভিযোগ থাকত না। ভোটে হার-জিত তো থাকেই। কিন্তু তা তো হয়নি। আমরা হারিনি। ওরা ভোট লুট করেছে।

মমতা ব্যানার্জী জানিয়েছেন, দলের সদস্যদের সঙ্গে পরবর্তী কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হবে। আমি বিজেপির অত্যাচার আর সহ্য করব না। আমি রাস্তায় ফিরব।

এদিকে, মমতা ব্যানার্জী পদত্যাগ না করার বক্তব্যের পরে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে।

বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, "তিনি যা বলছেন, তাতে নিজেকেই বোকা বানাচ্ছেন।"

মমতা ব্যানার্জীর বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলনের বিষয়ে তিনি বলেন, "তিনি কিছুদিনের জন্য আলোচনায় থাকতে চান, তাই এমন কথা বলছেন। ভারতীয় জনতা পার্টি বা সংবিধানে বিশ্বাসী কোনো দলই এমন হাস্যকর বক্তব্যের জবাব দিতে পারে না।"

অতীতে কি এমন ঘটনা ঘটেছে?
নির্বাচনী পরাজয়ের পরে ইস্তফা দিতে অস্বীকার ভারতের ইতিহাসে নজিরবিহীন। তবে একাধিক রাজ্যে বহু মুখ্যমন্ত্রীই বিভিন্ন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতে অস্বীকার করেছেন।

২০২৪ সালে আবগরি দুর্নীতিতে অভিযুক্ত হয়ে জেলে যাওয়ার পরে ইস্তফা দিতে অস্বীকার করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার বক্তব্য ছিল, সংবিধান অনুযায়ী জেল থেকে সরকার চালানোয় কোনও বাধা নেই।

২০১৪ সালে অবৈধ সম্পত্তি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী জে. জয়ললিতা।

এর পরেও তিনি ইস্তফা দিতে অস্বীকার করেন। কিন্তু দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় আইন অনুযায়ী তাকে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর পরে দলে তার নিকট বলে পরিচিত ও. পন্নিরসেলভম মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

১৯৯৬ সালে ৯৪০ কোটি ভারতীয় টাকার গো-খাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হন বিহারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ ইয়াদভ।

এরপরে বিহারের তার উপর ইস্তফা দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। লালু প্রসাদ ইয়াদভ প্রথমে ইস্তফা দিতে অস্বীকার করলেও পরে পদত্যাগ করে তার স্ত্রী রাবড়ি দেবীকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসিয়ে সরকারের উপর তার নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন।

বিডি-প্রতিদিন/শআ

এই বিভাগের আরও খবর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
মালয়েশিয়ায় ড্রোনের সহায়তায় অভিযানে ৩২ অভিবাসী আটক
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
দক্ষিণ লেবাননের দুটি এলাকা থেকে ইসরায়েলের সেনা প্রত্যাহার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
হবু স্বামীকে দুর্গ থেকে ফেলে হত্যা: ‘অপরাধী মেয়ে হলেও শাস্তি চায় পরিবার
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
৫১ হাজারের বেশি নিখোঁজ, ধ্বংসস্তূপের পাশে স্বজনদের অপেক্ষা
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
আফ্রিকার স্বর্ণে কোটি কোটি ডলারের লাভ যাচ্ছে কোথায়?
রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি
রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলো বুরকিনা ফাসো
হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও
হরমুজে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত তেলবাহী জাহাজ: ইউকেএমটিও
নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
নিজের ছবিযুক্ত বিশেষ পাসপোর্ট উন্মোচন করলেন ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

১০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

১১ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬

১৩ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা
ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা

১৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

২১ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ
ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ

২৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১
পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১

২৫ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

২৮ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন
ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন

৩৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?
রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?

৩৪ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

৫০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

৫৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

৫৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

৫৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর
ইসলামী ব্যাংকিং সম্প্রসারণ ও যাকাত ব্যবস্থাপনা জোরদারের আহ্বান পার্থর

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন
বগুড়ায় সোরিয়াসিস সচেতনতা ক্লাব উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা
সুপারমার্কেট কর্মী থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে, ড্যান বার্নের রূপকথার যাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা
কেন অনেকে তাকে ‘অহংকারী’ ভাবেন, জানালেন সাবালেঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই
প্রখ্যাত চক্ষু চিকিৎসক রবিউল হোসেন আর নেই

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী
ডাল-ভাতের বাজেট করে বিরিয়ানি খাওয়া যায় না : সংসদে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

১ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক