শিরোনাম
প্রকাশ: ১৭:৫৪, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন, ২০২৫

যেভাবে মুসলিম ইতিহাসের গতিপথ বদলে যায়

উম্মে আহমাদ ফারজানা
অনলাইন ভার্সন
যেভাবে মুসলিম ইতিহাসের গতিপথ বদলে যায়

ইতিহাস শুধু অতীতের স্মৃতি নয়, বরং একটি জাতির আত্মপরিচয়ের দর্পণ। আর ইসলামী ইতিহাস—বিস্তৃত মহাসমুদ্র, যার প্রতিটি তরঙ্গে জড়িয়ে আছে ঈমান-আকিদা, ত্যাগ, সংগ্রাম ও বিজয়ের গৌরবগাঁথা। অথচ সত্যকে আড়াল করে এই গৌরবময় ইতিহাসকে বারবার বিকৃত করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। কারণ ইসলামের শত্রুরা খুব ভালো করেই জানে, ইসলামী ইতিহাস শুধু স্মৃতিচারণা নয়, বরং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার এক প্রভাবশালী হাতিয়ার।

এই ইতিহাসই একটি জাতিকে আত্মমর্যাদা, ন্যায়বিচার ও আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা নিয়ে গড়ে ওঠার পথ দেখায়। তাই শত্রুরা ইতিহাস বিকৃত করে এমন এক শূন্যতা সৃষ্টি করতে চায়, যাতে আগামী প্রজন্ম দিশাহীন হয়ে পড়ে। তারা চায়, ইসলামী আদর্শ ও মন-মানসিকতা দুর্বল হোক, যেন ইতিহাস আর কখনো উম্মাহ গঠনের অনুপ্রেরণায় পরিণত না হতে পারে। ইতিহাস বিকৃতির এ খেলায় ইহুদি গোষ্ঠী বরাবরই অগ্রগামী।

তারা ছলনা, প্রতারণা, মিথ্যাচার ও ছদ্মবেশের চরম প্রতিভূ। শুরু থেকেই তারা ইতিহাসকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এসেছে, বিশেষ করে শিক্ষাব্যবস্থার পাঠ্যক্রমে। তারা ইতিহাসের পটভূমি এমনভাবে পরিবর্তন করেছে, যেন তা তাদের সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে সহায়ক হয়।
তাদের কুখ্যাত দলিল ‘প্রোটোকলস অব দ্য এল্ডারস অব জায়ন (Protocols of the Elders of Zion)’-এ এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক চিন্তার সুস্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়।

প্রোটোকল ১৬-তে বলা হয়েছে : ‘আমরা প্রচলিত সত্য ইতিহাসের পরিবর্তে ভবিষ্যতের সমস্যা নিয়ে পাঠদান চালু করব। প্রাচীন ইতিহাস পড়ানো হলেও এমন দৃষ্টান্তই তুলে ধরা হবে, যেখানে মন্দ উদাহরণ থাকবে বেশি। আমরা অতীতের মহান ব্যক্তিত্বদের স্মৃতি মুছে ফেলব, যা আমাদের পরিকল্পনার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে, এবং এমন কিছুই রাখব না যা শাসকদের ভুলকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।’

প্রোটোকল ১৪-এ বলা হয়েছে : ‘মানব জীবনের প্রকৃত কল্যাণ ও সুখের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বিষয়গুলো বুঝতে না পারার কারণে, বহু শতাব্দী ধরে আন্তর্জাতিক সরকারগুলো যে ভয়াবহ ভুল করেছে আমরা সে ভুলগুলোর দিকেই বিশেষভাবে দৃষ্টি দেব।’

এসব ঘৃণ্য নীতিমালা শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং তা বাস্তবেও নানাভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

ইতিহাসকে বিকৃত করে, নির্বাচিত তথ্যকে আলাদা দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করে, পশ্চিমা চিন্তাধারাকে আরবি ভাষায় লিখে ইসলামী ভাবধারার নামে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বিখ্যাত ফরাসি প্রাচ্যবিদ চার্লস বেলার একটি মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক আরব সাংবাদিক তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘আপনি কোন ধরনের আরবি সাহিত্য পড়েন প্রাচীন না আধুনিক?’ তিনি জবাব দেন, ‘শুধু প্রাচীন।’ সাংবাদিক আবার প্রশ্ন করেন, ‘আধুনিক সাহিত্য পড়েন না কেন?’

উত্তরে তিনি বলেন, ‘কারণ তা আরবি হরফে লেখা হলেও মূলত পশ্চিমা চিন্তাধারার সাহিত্য।’

এই কথাগুলো নিছক ব্যক্তিগত নয়; বরং তা সচেতন দৃষ্টিভঙ্গির উৎকৃষ্ট উদাহরণ। আজকের তথাকথিত আধুনিক আরবি সাহিত্য, গবেষণা বা বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার বড় অংশই পাশ্চাত্য চিন্তাধারার ছাঁচে গড়া। বাহ্যিকভাবে তা আরবি ভাষায় উপস্থাপিত হলেও তার অন্তর্নিহিত দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্লেষণধারা ইসলামী সভ্যতার নয় বরং পশ্চিমা মূল্যবোধেরই প্রতিফলন। অথচ ইসলামী সভ্যতা ও পাশ্চাত্য সভ্যতা—এই দুটি ভিন্ন দর্শন, ভিন্ন মূল্যবোধ ও ভিন্ন সংস্কৃতির ওপর প্রতিষ্ঠিত। সুতরাং একটির মানদণ্ডে অন্যটিকে বিচার করার যে প্রবণতা, তা নিতান্তই বিকৃতি ও চরম বিভ্রান্তি।

ইসলামী ইতিহাসে প্রতিটি উত্থান-পতনের পেছনে রয়েছে সুস্পষ্ট নৈতিক ও নীতিগত ব্যাখ্যা। যে কেউ এসব গভীর মনোযোগ, চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণার মাধ্যমে পর্যালোচনা করবে, সে স্পষ্টভাবে দেখতে পাবে ইতিহাসের জোয়ারভাটা, বিজয়-পরাজয়, সমৃদ্ধি-পতন, সচ্ছলতা-দারিদ্র্য কিংবা অগ্রগতি-পশ্চাৎপসরণ এসব কিছুই একটি মৌলিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পৃক্ত। আর তা হলো, জাতি ইসলামের সঙ্গে কতটা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত কিংবা তা থেকে কতটা দূরে সরে গেছে। ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শের প্রতি আনুগত্যের পরিমাণ যত বেশি হয়েছে, উম্মাহ তত বেশি উন্নতি ও সম্মানের শিখরে পৌঁছেছে। পক্ষান্তরে যখনই এই সম্পর্ক দুর্বল হয়েছে, তখনই নেমে এসেছে বিভ্রান্তি, বিভাজন ও পতন।

ইতিহাসের দিকে তাকালেই আমরা এর প্রমাণ দেখতে পাই খেলাফতে রাশেদার যুগে ইসলামী সমাজ যেমন ন্যায় ও স্থিতির প্রতীক ছিল, তেমনি সংস্কারবাদী খলিফা উমর ইবনে আব্দুল আজিজ, প্রজ্ঞাবান শাসক হারুন আল-রশিদ, বীর নায়ক নূরুদ্দীন জঙ্গি এবং মহান মুক্তিদাতা সালাহউদ্দিন আইউবি (রহ.)-এর যুগ সাক্ষ্য দেয় ধর্মনিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে কীভাবে উম্মাহ উন্নতির শিখরে পৌঁছেছিল। এই সময়গুলো আমাদের শেখায় ইসলামের প্রতি আনুগত্য, আত্মমর্যাদা, বিজয় ও স্থিতিশীলতা। আর যেখানে ধর্ম থেকে বিচ্যুতি ঘটেছে, সেখানেই দেখা দিয়েছে দুর্বলতা, বিভ্রান্তি ও অধঃপতন।

(আলোচ্য নিবন্ধ ইসলামিক ওয়েবসাইট আলোকাহ ডটনেটে প্রকাশিত ড. ওমর বিন মুহাম্মদ ওমর আব্দুর রহমানের ইতিহাস বিষয়ক লেখার সংক্ষিপ্ত অনুবাদ)

এই বিভাগের আরও খবর
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
সিরাত অধ্যয়নের মূলনীতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি
ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের ফরজ পরিধি
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
যেসব আমলে পাপমোচন হয়
যেসব আমলে পাপমোচন হয়
শানে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
শানে মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
মহানবী (সা.)-এর নামে বানিয়ে বলার পরিণতি
মহানবী (সা.)-এর নামে বানিয়ে বলার পরিণতি
কতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ফরজ
কতটুকু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করা ফরজ
রবিউল আউয়াল মাসে সিরাতচর্চা
রবিউল আউয়াল মাসে সিরাতচর্চা
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
ইসলামে আখলাকে হাসানার গুরুত্ব
গিবত হয় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও
গিবত হয় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও
সর্বশেষ খবর
মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না : নবীউল্লাহ নবী

৩১ মিনিট আগে | রাজনীতি

চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল
চবিতে প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে মশাল মিছিল

৩৪ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

৩৭ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা
ছাদ থেকে লাফ, ফতুল্লায় নারীর আত্মহত্যা

৩৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ
এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন বিতর্কে বিজয়ী কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ

৫০ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু
নারায়ণগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা-মেয়ের মৃত্যু

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ
বাংলাদেশে ফ্যাসিস্টদের পুনরুত্থান হতে দেব না: নওশাদ

৫৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি
ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইনের গোলে টেবিলের শীর্ষে চেলসি

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন
নামাজ শেষে ঘরে বসা অবস্থায় গৃহবধূ খুন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন
আমি সব মুহূর্তের চ্যালেঞ্জ নিতে চাই: তাসকিন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়
যোগ করা সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজের গোলে ইউনাইটেডের নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জ পৌরসভায় রাস্তা বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
কুমিল্লা নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
যশোর মণিরামপুরে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন
চার বছর পর শুরু হলো জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, মুন্সিগঞ্জে উদ্বোধন

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ
সাবমেরিন ক্যাবল ছিঁড়ে ৫ দিন ধরে বিদ্যুতবিহীন মেহেন্দিগঞ্জ

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নবীনগর পূর্ব ইউনিয়ন কৃষকদলের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার
ভিয়েতনামে ১২ হাজার বছর আগের মানুষের কঙ্কাল আবিষ্কার

৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন
ঝিনাইদহে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধন

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি
নিরাপত্তা চেয়ে নারী বাইকারদের র‌্যালি

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে
মুক্তিপণের টাকা পরিশোধ করে বাড়ি ফিরেছে অপহৃত সাত জেলে

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার
গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি ওজনের কষ্টিপাথর সদৃশ মূর্তি উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ
সাবেকদের অনুপ্রেরণায় শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিতে উদ্যোগ

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বরিশালে জুলাই যোদ্ধা স্মৃতিচারণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ
জাকসু নির্বাচনে নতুন তিনটি প্যানেলের আত্মপ্রকাশ

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
কুড়িগ্রামে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১
সিলেটে তিন ভাইকে কুপিয়ে জখম, নিহত ১

৩ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

শ্রীপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
শ্রীপুরে পৌর বিএনপির কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বাগেরহাটে দুই ডাকাত গ্রেফতার
বাগেরহাটে দুই ডাকাত গ্রেফতার

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

১০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

২৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়
সাদা পাথর ফিরছে জায়গায়

১১ ঘণ্টা আগে | চায়ের দেশ

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
৪ বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন
ফেব্রুয়ারির নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না : সালাহউদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ
বাড়ছে পোশাকের ক্রয়াদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি
রণক্ষেত্র কাকরাইল, উত্তপ্ত রাজনীতি

প্রথম পৃষ্ঠা

নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক
নিঃস্ব থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার
ফেব্রুয়ারিতে ভোটে অনড় সরকার

প্রথম পৃষ্ঠা

আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র
আতঙ্ক বাড়াচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্র

নগর জীবন

যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ
যে প্রক্রিয়ায় এবার ভোট গ্রহণ

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী
বিএনপির মনোনয়ন চান তিনজন জামায়াতের হোসেন আলী

নগর জীবন

বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত
বিশ্বমানের সেবায় ঢেলে সাজানো হচ্ছে স্বাস্থ্য খাত

বিশেষ আয়োজন

আশরাফুলদের বড় জয়
আশরাফুলদের বড় জয়

মাঠে ময়দানে

ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ভিকারুননিসায় মোনালিসা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নগর জীবন

২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!
২০ পরিবারের ১১ ব্যক্তিগত সাঁকো!

পেছনের পৃষ্ঠা

বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন
বাংলাদেশিদের মন্দ বলা হচ্ছে কেন

প্রথম পৃষ্ঠা

১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড
১৪ হাজারের ক্লাবে কাইরন পোলার্ড

মাঠে ময়দানে

মিশে গেছেন মিচেল
মিশে গেছেন মিচেল

মাঠে ময়দানে

মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ
মব জাস্টিস, চাঁদাবাজি-দখল ও নির্বাচন প্রসঙ্গ

সম্পাদকীয়

মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না
মব ভায়োলেন্স করে জাপার অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না

নগর জীবন

স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা
স্ত্রী-সন্তান কারাগারে, স্বামীর আত্মহত্যা

পেছনের পৃষ্ঠা

নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র
নুরের ওপর হামলা ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র

নগর জীবন

নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না
নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না

নগর জীবন

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

নগর জীবন

দেশপ্রেমিক দলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত
দেশপ্রেমিক দলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত

নগর জীবন

যুবাদের ইংল্যান্ড মিশনের দল ঘোষণা
যুবাদের ইংল্যান্ড মিশনের দল ঘোষণা

মাঠে ময়দানে

সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে
সংস্কার দুই মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে

নগর জীবন

বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ
বিএনপির চার প্রার্থী, চূড়ান্ত জামায়াত গণসংযোগে এনপিপির ফরহাদ

নগর জীবন

ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়
ত্রিভুবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়

সম্পাদকীয়

ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে
ভোটের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে

নগর জীবন

চীনের সঙ্গে নদী প্রকল্পে এগিয়ে যাওয়া উচিত
চীনের সঙ্গে নদী প্রকল্পে এগিয়ে যাওয়া উচিত

নগর জীবন

রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ
রাকসুতে প্যানেল দিতে পারছে না কোনো পক্ষ

পেছনের পৃষ্ঠা

পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোস্তফা কামাল সম্পাদক হাসান হাফিজ
পরিবেশ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি মোস্তফা কামাল সম্পাদক হাসান হাফিজ

নগর জীবন

৯ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল ব্রিটেন
৯ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল ব্রিটেন

পেছনের পৃষ্ঠা