শিরোনাম
প্রকাশ : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:০১

অষ্টম কলাম

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে উপহার নিষিদ্ধ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসে উপহার নিষিদ্ধ

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাজে স্বচ্ছতা আনতে ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত আছে। এবার দূতাবাসে সব ধরনের ব্যক্তিগত উপহার সামগ্রী আনুষ্ঠানিক নির্দেশের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গতকাল এ সংক্রান্ত একটি নোটিস দূতাবাসের পক্ষ থেকে জারি করে দূতাবাসের নোটিস বোর্ড ও সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দেওয়া হয়েছে।

নোটিসে বলা হয়েছে, ‘ইদানীং লক্ষ্য করা যাচ্ছে কিছু কিছু সেবাগ্রহীতা বাংলাদেশি ভাইবোনেরা দূতাবাসের জন্য বিভিন্ন উপহার/খাদ্য দ্রব্যাদি/শাকসবজি ইত্যাদি নিয়ে আসেন। সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক মানসিকতা থেকে এ উপহার সামগ্রী প্রদান করা হলেও তা দূতাবাসের কনস্যুলার ও শ্রমকল্যাণ শাখার কাজে প্রত্যাশিত স্বচ্ছতা বিঘ্নিত করছে। দূতাবাসের কার্যক্রমে সার্বিক স্বচ্ছতা বজায় রাখার স্বার্থে সব প্রবাসী বাংলাদেশিকে দূতাবাসে এ ধরনের কোনো উপহার সামগ্রী না আনার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।’ নোটিসে আরও বলা হয়, ‘বিগত দেড় বছর যাবৎ দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত সব প্রবাসী বাংলাদেশির আন্তরিক সহযোগিতায় দূতাবাসের সার্বিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। আমরা এ সাফল্য ধরে রাখতে চাই।’ এর আগে, দূতাবাসের সেবা সম্পর্কিত অভিযোগ গ্রহণে গণশুনানি, ফেসবুক ও টেলিফোনে সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে ব্যতিক্রমী দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল সিউল দূতাবাস। এসব পদক্ষেপের কারণে সিউল দূতাবাস নিয়ে প্রবাসীদের বর্তমান মন্তব্য বিশ্বের অন্য অনেক শহরে থাকা বাংলাদেশের দূতাবাস সম্পর্কে করা মন্তব্য থেকে ব্যতিক্রম। কোরিয়ায় এনিমেল অ্যান্ড মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সিনিয়র রিসার্চার হিসেবে কর্মরত প্রবাসী বাংলাদেশি মাহবুবুর রহমান তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘গত রবিবার আমি আমার স্ত্রী ও সন্তানের পাসপোর্ট রিনিউ করতে সিউল দূতাবাসে গিয়েছিলাম। আমি মনে করি এই দূতাবাস এখন বাংলাদেশের ‘মডেল দূতাবাস’। সবার ভদ্রোচিত ও আন্তরিক ব্যবহারে আমি অভিভূত। আর দূতাবাস অফিস, বাথরুম সবই ঝকঝকে চকচকে। এমনটা আগে কখনো পাইনি। একজন ব্যক্তিই যে পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট তা বর্তমান রাষ্ট্রদূত দেখিয়েছেন।’


আপনার মন্তব্য