শিরোনাম
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০ টা
আপলোড : ২২ নভেম্বর, ২০১৭ ২৩:৪৭

কৃষি সংবাদ

মরিচ চাষে হাসি বানভাসিদের

আবদুর রহমান টুলু, বগুড়া

মরিচ চাষে হাসি বানভাসিদের

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার বানভাসি মরিচ চাষে হাসতে শুরু করেছে। বন্যায় সব হারানো মানুষ এবার নিজেদের টিকিয়ে রাখতে দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে চাষাবাদমুখী হয়েছে। বগুড়ার মরিচের খ্যাতি রয়েছে দেশজুড়ে। ভালো ফলন আর ভালো দাম পেয়ে সারিয়াকান্দির কৃষকরা হাইব্রিড মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়েছে। উত্তরাঞ্চলের মধ্যে সারিয়াকান্দির মরিচ গুণে এবং মানে ভালো। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ফলন ভালো হয়। যমুনার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে এখন মরিচ, শসা, পটল, বেগুন, ভুট্টা, কলাই ও মিষ্টি কুমড়াসহ নানা ধরনের সবজির চাষ হচ্ছে। এসব ফসলের বাম্পার ফলনও হচ্ছে। চরাঞ্চলের জমিতে মরিচ চাষ করে মঙ্গাকবলিত এসব এলাকার অসংখ্য কৃষক পরিবার এরই মধ্যে আর্থিকভাবে সচ্ছল হয়ে উঠতে শুরু করেছে। প্রথমে ভুট্টা চাষ করে ব্যাপক সাফল্য লাভ করায় ক্রমেই তারা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি মরিচ চাষ শুরু করে। সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদী বেষ্টিত অর্ধশতাধিক চরসহ উপজেলায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে এবার মরিচ চাষ হয়েছে।

এর মধ্যে ১ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে কাঁচা মরিচের দাম ভালো পাওয়া যায়। কয়েক বছর থেকে পলি পড়া জমিতে মরিচ চাষ করে চরাঞ্চলের মানুষ দিন পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছে। সারিয়াকান্দি উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের বেড়াপাঁচবাড়িয়া চরের মরিচ চাষি ইফাজ শেখ জানান, হাইব্রিড মরিচের চারা বগুড়া থেকে প্রতিটি ১ টাকা করে কিনে আনতে হয়। এক বিঘা জমিতে হাইব্রিড মরিচ চাষে খরচ হয় ২০ হাজার টাকা। মোটামুটি ফলন হলেও মৌসুমের শুরুতে কাঁচা মরিচ বাজারজাত করতে পারলে দাম ভালো পাওয়া যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহাদুজ্জামান বলেন, কৃষক যে ফসলে লাভ বেশি পাবে তা করতে আগ্রহী। চরাঞ্চলের মাটি মরিচ চাষের জন্য উপযোগী। এখানে হাইব্রিড মরিচের ফলন বেশি হয়। সেজন্য চাষিরা দিন দিন হাইব্রিড মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়ছে।

 কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে ভালোভাবে মরিচ চাষে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মরিচের চাষ করে কৃষকরা আর্থিকভাবে সচ্ছল হচ্ছে।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর