Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper

শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৯ জানুয়ারি, ২০১৯ ২৩:১০

মেঘনায় পাঁচ দিনেও খোঁজ মেলেনি ২০ শ্রমিকের

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

মেঘনায় পাঁচ দিনেও খোঁজ মেলেনি ২০ শ্রমিকের

পাঁচ দিনেও খোঁজ মেলেনি মেঘনা নদীতে ডুবে যাওয়া বালুবাহী ট্রলার ও নিখোঁজ ২০ শ্রমিকের। পঞ্চম দিনেও গতকাল মুন্সীগঞ্জের মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনীর ডুবুরি দল, বিআইডব্লিউটিএর সদস্যরা চিরুনি অভিযান চালিয়েও কোনো কিনারা করতে পারেননি।

কী কারণে ট্রলার এবং নিখোঁজ শ্রমিকদের সন্ধান মিলছে না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা সঠিক কিছু বলতে পারছেন না। এদিকে নিখোঁজ স্বজনদের আহাজারিতে মেঘনা পাড় ভারি হয়ে উঠেছে। অনেকে নিজস্ব ট্রলার এবং নৌকা নিয়ে স্বজনদের খুঁজে ফিরছেন। গতকাল সকাল থেকে এই উদ্ধার অভিযান চলে বিকাল ৬টা পর্যন্ত। পরে মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনীর ডুবুরি দল, বিআইডব্লিউটিএর সদস্যদের সঙ্গে এক সমন্বয় সভা করে মুন্সীগঞ্জের অংশে সন্ধ্যা ৬টায় উদ্ধার কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। তবে আজ থেকে উদ্ধার কাজ চলবে মেঘনা নদীর চাঁদপুরের অংশে। এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেঁচে যাওয়া বালু শ্রমিক শাহ আলম বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। প্রধান আসামি ট্রলারটির চালক মাদারীপুরের শিবচর থানার মৃত করিম বেপারির ছেলে মো. হাবিব, ট্রলার মালিক নারায়ণগঞ্জের জাকির দেওয়ান ও অজ্ঞাত মালবাহী জাহাজের অজ্ঞাত চালক। তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা সাংবাদিকদের জানান, ৭ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে তদন্ত কমিটিকে। এরই মধ্যে তদন্ত কমিটি তদন্ত করছে। এ বিষয়ে একটি মামলাও হয়েছে। নিখোঁজ ট্রলারের সারেংয়ের (চালক) গ্রামের বাড়ির ঠিকানা পাওয়া গেছে। পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। জানা গেছে, তিনি পরিবারসহ পলাতক।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর