Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২৫ মে, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৪ মে, ২০১৯ ২৩:১৭

বিমান ছিনতাই চেষ্টা

তদন্ত কর্মকর্তাকে সিমলার ফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

তদন্ত কর্মকর্তাকে সিমলার ফোন

বাংলাদেশ বিমান ছিনতাই প্রচেষ্টাকারী পলাশ আহমেদ ওরফে মাহাদী ওরফে মাহিবি জাহানের ‘স্ত্রী’ চিত্রনায়িকা সিমলার খোঁজ পেয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। মামলা দায়েরের তিন মাস পর গত বুধবার রাতে চিত্রনায়িকা সিমলা নিজেই ফোনে কথা বলেন কর্মকর্তার সঙ্গে। একই সঙ্গে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করার আশ্বাস দেন।  মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক রাজেস বড়ুয়া বলেন,  ‘গত তিন মাস ধরে সিমলার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনোভাবেই তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়ে উঠছিল না। গত বুধবার রাতে সিমলা নিজে থেকেই যোগাযোগ করেন। ফোনালাপকালে তিনি জানান বর্তমানে শুটিংয়ের কাজে মুম্বাই রয়েছেন। ঈদের পর শুটিং শেষ করে দেশে ফিরবেন।  এ  সময় নিজের অবস্থান পরিষ্কার করবেন।’ জানা যায়, বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট ময়ূরপঙ্খী ছিনতাই প্রচেষ্টার মামলা দায়েরের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৬ জনের জবানবন্দি সংগ্রহ করেছে তদন্ত দল। এ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ একজন মনে করা হচ্ছে চিত্রনায়িকা সিমলাকে। কারণ বিভিন্ন জনকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়েছে পলাশ। তার আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন জন দাবি করছে পলাশের সংগ্রহ করা টাকাগুলো সিমলা নিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। এ দুঃখ, ক্ষোভ থেকে নাটকীয় কিছু একটা করে এ সংকটের সমাধান চেয়েছিলেন পলাশ। যার পরিপ্রেক্ষিতে তার বিমান ছিনতাইয়ের ব্যর্থ চেষ্টা। মামলা দায়েরের পর থেকে সিমলার সঙ্গে  যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু সিমলা সাড়া না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বার্তা দেন তদন্ত দল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার রাতে সিমলা ফোন করেন তদন্ত কর্মকর্তা রাজেস বড়ুয়াকে। প্রসঙ্গত, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিকালে ঢাকা থেকে উড্ডয়নের পর বিমানের ফ্লাইট ‘ময়ূরপঙ্খী’ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে পলাশ আহমেদ। বিমানটি ছিনতাইয়ের প্রচেষ্টার পর শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে প্যারা কমান্ডো অভিযান চালিয়ে জিম্মিদশা থেকে বিমানটি মুক্ত করে। অভিযানেই নিহত হন ‘ময়ূরপঙ্খী’ ছিনতাই চেষ্টাকারী পলাশ আহমেদ। এ ঘটনায় শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশন বিভাগের প্রযুক্তি সহকারী দেবব্রত সরকার বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যাতে নিহত পলাশ আহমেদসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটকে।


আপনার মন্তব্য