শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ টা
আপলোড : ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:৩৩

আগে সুমীকে হত্যা করা হয় পরে ডেকে এনে রহিমাকেও

মিরপুরে দুই নারী খুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগে সুমীকে হত্যা করা হয় পরে ডেকে এনে রহিমাকেও

গলা চেপে ধরে সুমীর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়। এরপর গৃহকর্ত্রী রহিমা বেগমকেও ডেকে এনে গলা টিপে হত্যা করা হয়। রাজধানীর মিরপুরে জোড়া খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুজনের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার সন্ধ্যায় সদরঘাট এলাকা থেকে ইউসুফ খান ও রমজান নামে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, ১৪ হাজার টাকা, ইমিটেশনের তিনটি চেইন ও একটি কানের দুল জব্দ করা হয়। গতকাল ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এ-সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আবদুল বাতেন জানান, গত ২ ডিসেম্বর রাতে মিরপুর সেকশন-২ এর একটি বাড়ির ৪র্থ তলার ফ্ল্যাটে রহিমা বেগম (৬৫) ও সুমী (২০) নামে দুজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে এই জোড়া খুনের ঘটনাটি তদন্ত করে ডিবি পুলিশের পশ্চিম বিভাগ। তদন্তকালে ডিবি পুলিশ জানতে পারে- গ্রেফতারকৃত দুজন অসামাজিক কাজ করতে ওই ফ্ল্যাটে যায়। পরবর্তীতে টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বাদানুবাদ হয়। রাতে তারা ওই বাসায় একজন রুমে, অন্যজন বারান্দায় রাতযাপন করে। সকালে টাকা নিয়ে ঝামেলা ও তাদের মারধর করতে পারে এই ভেবে সুমীর গলা চেপে ধরে একজন। একপর্যায়ে সুমীর মৃত্যু হয়। এরপর অভিযুক্তদের একজন রহিমাকে ডেকে বলে- ‘সুমী অজ্ঞান হয়ে গেছে, আপনি রুমের বাইরে আসুন।’ তাদের ডাকে রহিমা রুমের বাইরে এলে তাকেও গলা টিপে হত্যা করে তারা। পালিয়ে যাওয়ার সময় মোবাইল, ১৪ হাজার টাকা, সোনা ভেবে ইমিটেশনের তিনটি চেইন ও একটি কানের দুল নিয়ে যায়। এ ঘটনায় রহিমা বেগমের মেয়ে বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় বুধবার একটি হত্যা মামলা করেন।

স্বীকারোক্তিমূলক জবাববন্দি : রাজধানীর মিরপুর-২ নম্বর সেকশনের গৃহকর্ত্রী রহিমা বেগম ও গৃহকর্মী সুমি আক্তার হত্যা মামলায় দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তারা হলেন রমজান ও ইউসুফ।


আপনার মন্তব্য

এই বিভাগের আরও খবর
close