শিরোনাম
বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০০:০০ টা

গণজাগরণের সংগীত উৎসবে প্রাণের জোয়ার

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক

গণজাগরণের সংগীত উৎসবে প্রাণের জোয়ার

মুক্তির চেতনায় জাগানিয়া গানের মহোৎসবে জমে উঠেছে শিল্পকলা একাডেমির উন্মুক্ত প্রাঙ্গণের নন্দনমঞ্চ। উদ্দীপ্ত করা সুরের সঙ্গে নাচের মুদ্রায় শিহরণ জাগানো নানা আয়োজন নিয়ে আজ শেষ হচ্ছে ১১ দিনের এই উৎসব।

গতকাল ছিল চলমান এ উৎসবের দশম দিন। গণসংগীতের পাশাপাশি এ দিনের আসরে শিল্পীরা পরিবেশন করেন রবীন্দ্র, নজরুল, আধুনিক ও দেশাত্মবোধক গান। সুরের সঙ্গে নাচের মুদ্রায় অনন্যতায় শিল্পীরা প্রাণবন্ত করে তোলেন আসরকে। হেমন্তের জেঁকে ধরা শীতেও উষ্ণতার পরশ নেমে আসে শিল্পীদের পরিবেশনায়। সুরের সঙ্গে নৃত্যের মুদ্রায় শৈল্পিক সংমিশ্রণ অনুষ্ঠানে আগত শিল্পরসিকদের উল্লাস আর বিমোহিত করে ভালোলাগা ও ভালোবাসার স্বপ্নপুরিতে নিয়ে যায়। ‘ইতিহাস জানো তুমি আমরা’ গানের সঙ্গে ধৃতি নৃত্যালয়ের দলীয় নৃত্যের মধ্য দিয়েই শুরু হয় এ দিনের আসর।

এরপর একক সংগীত নিয়ে মঞ্চে আসেন কানিজ খালেদা তিন্নি। তিনি গেয়ে শোনান মনেরও রঙে রাঙালো। এরপর ধারাবাহিকভাবে একক গান নিয়ে মঞ্চে আসেন অদিতি পাল, শিলা দেবী, জেরিন তাবাসসুম হক, সুস্মিতা দাস, সংগীতা দাস পূজা, নিগার নাঈম তমা, রাকেশ চৌধুরী জয়রাজ, নামিরা মুসকান শান্তনা, শাপলা পাল, নবনীতা জাইদ চৌধুরী, মোছাম্মৎ মানমা খাতুন, চম্পা বণিক। যথাক্রমে তারা গেয়ে শোনান- অনেক বৃষ্টি ঝরে, পাথরের পৃথিবীতে কাঁচের হৃদয়, বাপুই চ্যাংড়ারে, পাখি খাঁচা ভেঙ্গে, ফুলের কানে ভ্রমর এসে, কাটেনা প্রহর একা একা, জানিতে চাই দয়াল তোমার, জানি না সে হৃদয়, তুমি চেয়েছিলে ওগো, ঝুমরা নাচ নেচে কে এলো, শ্যামরে তোমার সাথে, যে ছিলো দৃষ্টির সীমানায় ইত্যাদি।

একক সংগীতের ফাঁকে ‘মধুর ধ্বনি বাজে’ ও ‘আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে’ গান দুটির সঙ্গে দুটি দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নাচের দল ক্যাথাকিয়া- দ্য সেন্টার অব আর্টস, বাংলার হিন্দু গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে ধৃতি নৃত্যালয়।

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর