শিরোনাম
প্রকাশ : ৯ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৮
প্রিন্ট করুন printer

‘অগ্রজ’-এ সংস্কৃতি ও জীবনের গল্প শোনালেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

‘অগ্রজ’-এ সংস্কৃতি ও জীবনের গল্প শোনালেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার

আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড আয়োজিত ‘অগ্রজ’-এর একাদশ পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনে বাংলাদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা অগ্রজ গুণী ব্যক্তিত্বরা আমন্ত্রিত হয়ে তাদের কর্মজীবনের মূল্যবান অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সেই ধারাবাহিকতায় ‘অগ্রজ’-এর এই পর্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার। বরাবরের মতো দেশের ব্যাংকিং জগতের সুপরিচিত নাম আনিস এ খানের সঞ্চালনায় পর্বটি অনুষ্ঠিত হয়। 

বাংলাদেশের মঞ্চনাটককে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে যে কজন গুণী ব্যক্তিত্ব অভূতপূর্ব অবদান রেখেছেন রামেন্দু মজুমদার তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। সাংস্কৃতিক অঙ্গণের প্রিয়মুখ রামেন্দু মজুমদার তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনজুড়ে বাংলাদেশের মঞ্চনাট্যকে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্ব পরিমণ্ডলেও পরিচিতি দিতে নিরলস শ্রম দিয়েছেন। 

অগ্রজ এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ঢাকার মঞ্চ নাটক আন্দোলনের পথিকৃৎ ও বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান মঞ্চ নাটকের দল 'থিয়েটার'-এর প্রতিষ্ঠাতাদের একজন। এছাড়া, বাংলাদেশের মঞ্চনাট্যের নানান দিক ও বিস্তার নিয়ে কয়েকযুগ ধরে প্রকাশিত বিখ্যাত 'থিয়েটার' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে মঞ্চনাট্যের ইতিহাস সংরক্ষণে অভূতপূর্ব ভূমিকা রাখছেন তিনি। 

১৯৪১ সালে লক্ষ্মীপুরে জন্মগ্রহণ করেন রামেন্দু মজুমদার। তিনি উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে অতঃপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ইংরেজি বিভাগ থেকে অধ্যয়ন শেষে কর্মজীবনে পদার্পণ করেন চৌমুহনী কলেজের অধ্যাপক হিসেবে। বছর তিনেক পর ১৯৬৭ সালে পেশা পরিবর্তন করে যুক্ত হলেন বিজ্ঞাপনী সংস্থায়। ১৯৯৩ সালে তিনি নিজে বিজ্ঞাপনী সংস্থা 'এক্সপ্রেশানস' প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৫৮ সাল থেকেই মঞ্চে নিয়মিত অভিনয় ও নির্দেশনার কাজ করতে শুরু করেন এই মানুষটি। অভিনয় তাঁর মজ্জাগত। ছাত্রাবস্থায় স্কুলমাঠে তাঁকে দেখা গেছে 'সিরাজউদ্দৌলা' নাটকে ইংরেজ সেনাপতি ওয়াটস-এর ভূমিকায় অভিনয় করতে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে তিনি প্রখ্যাত নাট্যকার মুনীর চৌধুরী নির্দেশিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' নাটকে ইব্রাহিম কার্দির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। এভাবেই তাঁর জীবনে শিল্পকলার এই সৃজনশীল মাধ্যমটি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যায়। 

১৯৬১ সালে বেতারে ও ১৯৬৫ সালে টেলিভিশনে নাট্যশিল্পী হিসেবে যুক্ত হন তিনি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক ‘একতলা দোতলা’য় অভিনয় করেছেন তিনি। একাত্তরের উত্তাল সময়ে রামেন্দু মজুমদার অবদান রেখেছেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে; বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন বক্তৃতা, বিবৃতির একটি ইংরেজি সংকলন সম্পাদনা করে দিল্লি থেকে প্রকাশের কাজও করেন তিনি। 

গ্রুপ থিয়েটার আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার দুবার দায়িত্ব পালন করেছেন ইন্টারন্যাশনাল থিয়েটার ইনস্টিটিউটের (আইটিআই) সভাপতি হিসেবে। বর্তমানে তিনি আইটিআই-এর অনারারি প্রেসিডেন্ট। ২০০৯ সালে শিল্পকলায় অবদানের জন্য একুশে পদকে ভূষিত হন। বরেণ্য এই নাট্যজন তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গণের কর্মী হিসেবে কর্মজীবনের নানান অভিজ্ঞতার গল্প শুনিয়েছেন 'অগ্রজ'-এর এই পর্বে।  

আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মমিনুল ইসলাম ‘অগ্রজ’-এর আয়োজন সম্পর্কে বলেন, “আইপিডিসি ‘অগ্রজ’-এর মাধ্যমে বিভিন্নক্ষেত্রে অবদান রাখা দেশের অগ্রজদের কর্মমুখর জীবনের গল্প ডিজিটাল মাধ্যমে মানুষের মাঝে তুলে ধরতে চায় এবং মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে চায়।

প্রখ্যাত নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার সাংস্কৃতিক অঙ্গণে আমাদের সকলের প্রিয়মুখ। নিজক্ষেত্রে সৃজনশীলতার অনুপম দৃষ্টান্ত স্থাপনে তাঁর দৃঢ়তা, মনোবল ও উদ্দীপনা থেকে আমরা অনুপ্রেরণা পাই। সাংস্কৃতিক অঙ্গণের এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বকে ‘অগ্রজ’-এ পেয়ে আমরা সমৃদ্ধ হয়েছি। আজকের প্রজন্ম রামেন্দু মজুমদারের মতো গুণী অগ্রজ-এর জীবনের গল্প থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে এগিয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।"

‘অগ্রজ’ একটি ওয়েবিনার সিরিজ যা প্রতি মাসের প্রথম ও তৃতীয় বৃহস্পতিবার আইপিডিসি’র অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বই অতিথিদের ব্যক্তিগত ও পেশাদারি জীবনের নানা বাঁক ও চড়াই-উৎরাই দর্শকদের সামনে তুলে আনে। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক আনিস এ খান প্রায় চার দশক ধরে ব্যাংকিং ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়ার পর সম্প্রতি এই খাত থেকে অবসর গ্রহণ করেন। 

অনলাইন এই অনুষ্ঠানে বিখ্যাত ব্যক্তিরা তাঁদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র যেমন অর্থ, ব্যবসা, শিল্প, সংস্কৃতি, শিক্ষা এবং মিডিয়া ইত্যাদির নানা উল্লেখযোগ্য বিষয় আলোচনা করেন। লাইভ এই অনুষ্ঠানটি রেকর্ডকৃত রূপে আইপিডিসি’র ফেসবুক পেজ, আইপডিসি’র অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল ও www.ogroj.com.bd এই ঠিকানায় পাওয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.ipdcbd.com.

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:১৮
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:২৪
প্রিন্ট করুন printer

তারুণ্য ধরে রাখতে চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম

অনলাইন ডেস্ক

তারুণ্য ধরে রাখতে চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম

চিরতার রয়েছে নানান গুণ। ইউনানী চিকিৎসা অনুযায়ী চিরতা হৃৎপিণ্ড ও যকৃতের সবলকারক, চোখের জ্যোতিবর্ধক ও জ্বর রোগে বিশেষ উপকারী এই চিরতা। 
নিম্নে চিরতার উপকারিতা ও গুণাগুণ সম্পর্কে আলোচনা করা হল-

শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

নিয়মিত তিতা খাবার খেলে অসুখ হওয়ার প্রবণতা কম থাকে। চিরতা এরমধ্যে অন্যতম।
চিরতা খেলে যেকোনো কাটা, ছেঁড়া, ক্ষতস্থান দ্রুত শুকায়।

ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য চিরতা জরুরি পথ্য। চিরতার রস দ্রুত রক্তে চিনির মাত্রা কমিয়ে দেয়।

উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল, উচ্চরক্তচাপ, অতি ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যও চিরতা দরকারি।

টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর আবারও অনেকের প্যারাটাইফয়েড জ্বর হয়। তাই টাইফয়েড জ্বরের পরে চিরতার রস খেলে যথেষ্ট উপকার পাওয়া যায়।

চিরতার রস কৃমিনাশক।

তারুণ্য ধরে রাখতেও চিরতার গুরুত্ব অপরিসীম।

শরীরের ঝিমুনিভাব, জ্বরজ্বর লাগা দূর করে চিরতার রস।

চিরতা রক্ত পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে।

যাদের ডায়াবেটিস নেই কিন্তু রক্তে চিনির পরিমাণ সবসময় স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাদের জন্য চিরতা গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:০১
প্রিন্ট করুন printer

'শূককীট' খাবারের জন্য নিরাপদ!

অনলাইন ডেস্ক

'শূককীট' খাবারের জন্য নিরাপদ!

ইউরোপ মানব খাবারের নিরাপদ উৎস হিসেবে মেলওয়ার্ম (পতঙ্গের শূককীট) খাওয়া যেতে পারে বলে সবুজ বাতি দেখিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত হয়ে গেলে খাবারের কীটগুলো বিক্রি হতে পারে কিছু খাবারের উপাদান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের খাদ্য সুরক্ষা সংস্থা কর্তৃক পোকামাকড় মানুষের সেবার জন্য নিরাপদ বলে প্রমাণিত হওয়ার পরে খুব শিগগিরই বিস্কুট, পাস্তা এবং বার্গার ইউরোপজুড়ে প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হতে পারে। সুপার মার্কেটের তাক এবং রান্নাঘরের জন্য উপযুক্ত পণ্য হিসেবে হলুদ খাবারের পোকা কয়েক মাসের মধ্যেই ইউরোপে অনুমোদন পেতে পারে।

পোকার মূল উপাদান হলো প্রোটিন, ফ্যাট এবং ফাইবার। শুকনো হয়ে গেলে ম্যাগগোট জাতীয় পোকায় চিনাবাদামের মতো প্রচুর স্বাদ পাওয়া যায়। 

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এটি গ্রাহকদের খাদ্য তালিকায় মানিয়ে নিতে সময় নিতে পারে। সূত্র: সিএনএন

বিডি প্রতিদিন/অন্তরা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:১৫
আপডেট : ২২ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:১৬
প্রিন্ট করুন printer

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পাথরকুচি পাতা

অনলাইন ডেস্ক

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পাথরকুচি পাতা

চিকিৎসার ক্ষেত্রে যেসব ঔষধি গাছ প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে তার মধ্য পাথরকুচি অন্যতম। এটি দেড় থেকে দুই ফুট উঁচু হয়। পাতা মাংসল ও মসৃণ, আকৃতি অনেকটা ডিমের মতো। চারপাশে আছে ছোট ছোট গোল খাঁজ। এই খাঁজ থেকে নতুন চারার জন্ম হয়। অনেক সময় গাছের বয়স হলে ওই গাছের খাঁজ থেকে চারা গজায়। পাথরকুচি পাতা মাটিতে ফেলে রাখলেই অনায়াসে চারা পাওয়া যায়। কাঁকর মাটিতে সহজেই জন্মে। তবে ভেজা, স্যাঁতসেঁতে জায়গায় দ্রুত বাড়ে।

গ্রামীণ চিকিৎসার মধ্যে এটি অন্যতম উপকারী। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদেন মতে, পাথরকুচি পাতা কিডনি রোগসহ বিভিন্ন রোগের বিশেষ উপকারে আসে। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই পাথরকুচি পাতার অবিশ্বাস্য ঔষধি গুণাগুণ সম্পর্কে।

১. কিডনির পাথর অপসারণ
পাথরকুচি পাতা কিডনি এবং গলগণ্ডের পাথর অপসারণ করতে সাহায্য করে। দিনে দুবার ২ থেকে ৩টি পাতা চিবিয়ে অথবা রস করে খান।
২. পেট ফাঁপা
অনেক সময় দেখা যায় পেটটা ফুলে গেছে, প্রসাব আটকে আছে, আধোবায়ু, সরছে না, সেই ক্ষেত্রে একটু চিনির সাথে এক বা দুই চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস গরম করে সিকি কাপ পানির সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এর দ্বারা মূত্র তরল হবে, আধো বায়ুরও নিঃসরণ হবে, ফাঁপাটাও কমে যাবে।

৩. রক্তপিত্ত
পিত্তজনিত ব্যথায় রক্তক্ষরণ হলে দু’বেলা এক চা-চামচ পাথর কুচির পাতার রস দুদিন খাওয়ালে সেরে যাবে।

৪. মৃগী
মৃগী রোগাক্রান্ত সময়ে পাথর কুচির পাতার রস ২-১০ ফোঁটা করে মুখে দিতে হবে। একটু পেটে গেলেই রোগের উপশম হবে।

৫. সর্দি
সর্দি পুরান হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে এটি বিশেষ উপকারী। পাথরকুচি পাতা রস করে সেটাকে একটু গরম করতে হবে এবং গরম অবস্থায় তার সাথে একটু সোহাগার খৈ মেশাতে হবে। তিন চা-চামচের সাথে ২৫০ মিলিগ্রাম যেন হয়। তা থেকে দুই চা চামচ নিয়ে সকালে ও বিকালে দুবার খেলে পুরান সর্দি সেরে যাবে এবং সর্বদা কাশি থেকে রেহাই পাওয়া যাবে।

৬. শিশুদের পেট ব্যথায়
শিশুর পেটব্যথা হলে, ৩০-৬০ ফোঁটা পাথর কুচির পাতার রস পেটে মালিশ করলে ব্যথার উপশম হয়। তবে পেট ব্যথা নিশ্চিত হতে হবে।

৭. ত্বকের যত্ন
পাথরকুচি পাতায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। সাথে সাথেই এর মধ্যে জ্বালাপোড়া কমানোর ক্ষমতা থাকে। যারা ত্বক সম্বন্ধে সচেতন, তারা পাথরকুচি পাতা বেটে ত্বকে লাগাতে পারেন। ব্রণ ও ফুস্কুড়ি জাতীয় সমস্যাও দূর হয়ে যাবে।

৮. কাটাছেঁড়ায়
টাটকা পাতা পরিমাণ মত হালকা তাপে গরম করে কাটা বা থেতলে যাওয়া স্থানে সেক দিলে আরাম পাওয়া যায়।

৯. পাইলস
পাথরকুচি পাতার রসের সাথে গোল মরিচ মিশিয়ে পান করলে পাইলস ও অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

১০. জন্ডিস নিরাময়ে
লিভারের যেকোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর জুস অনেক উপকারী।

১১. কলেরা, ডাইরিয়া বা রক্ত আমাশয়
তিন মিলিলিটার পাথরকুচি পাতার জুসের সাথে ৩ গ্রাম জিরা এবং ৬ গ্রাম ঘি মিশিয়ে কয়েক দিন খেলে এসব রোগ থেকে উপকার পাওয়া যায়।

১২. শরীর জ্বালাপোড়া
দু-চামচ পাথর কুচি পাতার রস, আধা কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে দুবেলা খেলে উপশম হয়।

১৩. পোকা কামড়
বিষাক্ত পোকায় কামড়ালে এই পাতার রস আগুনে সেঁকে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

১৪. উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মুত্রথলির সমস্যা থেকে পাথরকুচি পাতা মুক্তি দেয়।

বিডি-প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:০০
প্রিন্ট করুন printer

শীতকালে নলেন গুড়ের পাঁচটি রসালো খাবার

অনলাইন ডেস্ক

শীতকালে নলেন গুড়ের পাঁচটি রসালো খাবার

শীতকাল মানেই যেমন কমলালেবু, সবুজ সবজি, বিট-গাজরের সমাহার, তেমনই শীতকাল মানেই কিন্তু নলেন গুড়। মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির ঘরে ঘরে এই সময় নলেন গুড় পাওয়া যায়। কেউ গুড় দিয়ে রুটি খেতে পছন্দ করেন। কেউ চিড়ের সঙ্গে, কেউ বা পিঠার সঙ্গে।

কিন্তু এই সব ছাড়াও গুড়ের একাধিক রেসিপি হয়। তার মধ্যেই বিখ্যাত কয়েকটি বাঙালির অতি প্রিয়।

নলেন গুড়ের রসগোল্লা

রসে টইটম্বুর, লালচে গোলাকার মিষ্টি মানেই শীতকালে বাঙালির কাছে নলেন গুড়ের রসগোল্লা। সাদা রসগোল্লার থেকে এই সময়ে গুড়ের রসগোল্লাই বেশিরভাগ মানুষের ফেভারিট। এ ক্ষেত্রে রসগোল্লার রসে চিনির বদলে অল্প গুড় মেশানো হয়, রসগোল্লার মন্ডতেও গুড় মেশানো হয়ে থাকে। তাই মুখে দিলেই গলে যাওয়া আর সঙ্গে গুড়ের গন্ধ, যেকোনো মিষ্টিপ্রিয় মানুষ একসঙ্গে পাঁচ-ছ'টা খেয়ে নিতে পারে। আর যদি রসগোল্লা হয় গরম তা হলে তো কথাই নেই!

নলেন গুড়ের সন্দেশ

শীতে নলেন গুড় হল বাঙালির মাস্ট হ্যাভ। রসগোল্লা খেতে পছন্দ না করলেও অপশন রেডি। রয়েছে নলেন গুড়ের সন্দেশ। লালচে রঙের বিভিন্ন ছাঁচে তৈরি এই সন্দেশও কিন্তু হৃদয় হরণ করতে পারে যে কারও। সাধারণত, ছানা, দুধ, আর চিনি দিয়ে তৈরি হয় সন্দেশ। এ ক্ষেত্রে চিনির পরিবর্তে নলেন গুড় ব্যবহার করা হয়। সন্দেশের উপরে অনেক সময় বিভিন্ন বাদামও ব্যবহার করা হয়। কড়া পাকের সন্দেশ, নরম পাকের সন্দেশ- উভয়ই পাওয়া যায়।

নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লা

সন্দেশ যে উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়, কাঁচাগোল্লাও সাধারণত সেই উপকরণ দিয়েই তৈরি হয়। কিন্তু পাক কম হয় এবং খুবই নরম হয়। প্রাণহরা বা কাঁচাগোল্লা এই সময়ে চিনির পরিবর্তে খেজুর গুড়ের রস দিয়ে তৈরি হয়।

নলেন গুড়ের পাটিসাপটা

ইংরেজিতে বোঝাতে গেলে প্যানকেক রোল বলা যেতে পারে। কিন্তু বাঙালিদের কাছে জনপ্রিয় পাটিসাপটা নামেই! মাঝে ক্ষীর বা নারকেলের পুর আর বাইরে হালকা একটা লেয়ার এই খাবারের টেক্সচারই বদলে দেয়। অনেকেই পাটি সাপটার ব্যাটারে গুড়ের ব্যবহার করে থাকেন। অনেকে আবার নারকেলের পুর গুড় দিয়ে করে থাকেন। সাধারণত, পৌষ সংক্রান্তিতে এই খাবার সকলের ঘরে ঘরে হয়ে থাকে।

নলেন গুড়ের পায়েস

শীতে পায়েস মানেই বেশিরভাগ বাড়িতে নলেন গুড়ের পায়েস তৈরি করা হয়। গোবিন্দভোগ চালের গন্ধ সঙ্গে গুড়ের গন্ধ একদম স্পেশ্যাল একটা আমেজ তৈরি করে। সূত্র: নিউজএইটিন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:১৩
প্রিন্ট করুন printer

আমলকির যত গুণ

অনলাইন ডেস্ক

আমলকির যত গুণ

আমলকি। ভেষজ গুণে অনন্য একটি ফল। এর ফল ও পাতা দু'টিই ওষুধরূপে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন অসুখ সারানো ছাড়াও আমলকি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে দারুণ সাহায্য করে। আমলকির গুণাগুণের জন্য আয়ুর্বেদিক ওষুধেও এখন আমলকির নির্যাস ব্যবহার করা হয়।

আমলকিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে তিন গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। আমলকিতে কমলালেবুর চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে।
 
চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে :

আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।

আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।

এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকি গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।

আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকির আচার হজমে সাহায্য করে।

প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।

আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে। আমলকির টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকি অনেক উপকারী। ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকির জুস উপকারী।

শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে। এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকির আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে। শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।

ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।

বিডি প্রতিদিন/ সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর