শিরোনাম
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:১৬
প্রিন্ট করুন printer

বিআরটিএতে দালালের দৌরাত্ম্যে সেতুমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক

বিআরটিএতে দালালের দৌরাত্ম্যে সেতুমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ
ওবায়দুল কাদের (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিতে (বিআরটিএ) এখনো দালালদের দৌরাত্ম্য থাকায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ বৃহস্পতিবার বিআরটিএ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান মন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মতবিনিময় সভায় যুক্ত হন।

মন্ত্রী বলেন, অফিসের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে বাইরের সুবিধাভোগীদের সখ্যাতায় গড়ে উঠেছে এ চক্র। তাই যেসব কর্মকর্তা এসবের সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিতে চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দেন তিনি।

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া শুরু হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, লাইসেন্সের গুণগত এবং স্মার্ট কার্ডের বৈশিষ্ট্য যা যা থাকার কথা তার কোনোটির সঙ্গে আপস করা যাবে না। এমনিতেই অনেক দেরি হয়ে গেছে, আর যেন না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিআরটিএর চেয়ারম্যানকে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার আহ্বান জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে দ্রুত কার্ড সংগ্রহ করে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে গতি ফিরিয়ে আনতে হবে এবং মানুষের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে হবে। বিআরটিএর সেবার মান বৃদ্ধি, বিভিন্ন যানবাহন সেবায় গতি আনা এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাহক ভোগান্তি কমাতে সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গুটিকয়েক অনিয়মকারীর জন্য পুরো প্রতিষ্ঠানের বদনাম হতে পারে না। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনিয়মের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে সেবামুখী হওয়ার আহ্বান জানান।

যানবাহনে ফিটনেস গ্রহণের বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। এ ক্ষেত্রে সেবা সহজীকরণ এবং গ্রাহকদের সুবিধার্থে দেশের যে কোনো সার্কেল অফিস হতে যানবাহনের ফিটনেস সনদ নেওয়া যাচ্ছে। আগে ফিটনেস দেওয়া হতো এক বছরের জন্য, এখন দেওয়া হচ্ছে দুই বছরের জন্য। সরাসরি ব্যাংকে না গিয়ে ঘরে বসেই ১৮টি ব্যাংকর চারশ’র বেশি শাখা এবং বুথে মোটরযানের বিভিন্ন ফি জমা দিতে পারছেন গ্রাহকরা।

সড়কে দুর্ঘটনা এখনো হচ্ছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এখন মূল লক্ষ্যই হতে হবে সড়কে দুর্ঘটনা কমানো। এই বিষয়ে দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২৩:২৬
প্রিন্ট করুন printer

‘ক্যাশে লেনদেন কমাতে পারলে আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে’

অনলাইন ডেস্ক

‘ক্যাশে লেনদেন কমাতে পারলে আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে’
জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি

সরকার ক্যাশলেস সোসাইটি তৈরিতে কাজ করছে উল্লেখ করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘ক্যাশে লেনদেন কমাতে পারলে দুর্নীতি, অনিয়ম কমিয়ে আনাসহ আর্থিক খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’

বুধবার ঢাকার স্থানীয় এক হোটেলে সোনালী ব্যাংকের হিসাব এবং বিকাশ একাউন্টের মধ্যে লিংক স্থাপনের মাধ্যমে লেনদেন কার্যক্রমের  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইন্টার অপারেটর ট্রানজেকশন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের কস্ট, ভিজিট এবং সময় সাশ্রয় হবে।’

পলক বলেন, ‘ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের সেবাগুলো সাধারণ মানুষকে করোনাকালীন সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও বেশি সক্ষমতা দিয়েছে। একই সঙ্গে এই সেবার গুরুত্ব এবং উপযোগিতাকে আরও স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিয়েছে। বৃহত্তম দুটি সরকারি-বেসরকারি আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এমন যৌথ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে আর্থিক অর্ন্তভুক্তিসহ সব ধরনের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নিশ্চিত করার পথকে আরও সুগম করল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সারাদেশের সোনালী ব্যাংকের সব গ্রাহকের লেনদেন এবার হবে বিকাশে। কেননা, এখন থেকে বিকাশ গ্রাহক ব্যাংক একাউন্ট থেকে ‘ট্রান্সফার মানি’ ও ‘অ্যাড মানি’ করতে পারবেন বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে।’

প্রতিমন্ত্রী ডিজিটাল লেনদেনে আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। 

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিষয়ক সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী এবং বিকাশের প্রতিষ্ঠাতা সিইও কামাল কাদির।

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

ব্যাংকিং ও অর্থনীতি খাতে অনবদ্য অবদান ইব্রাহিম খালেদের: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

ব্যাংকিং ও অর্থনীতি খাতে অনবদ্য অবদান ইব্রাহিম খালেদের: অর্থমন্ত্রী
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ও মুস্তফা কামাল

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

বুধবার এক শোকবার্তায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংকিং ও অর্থনীতি খাতে খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের অনবদ্য অবদান রয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কর্মের মধ্য দিয়ে তিনি দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। শোকবার্তায় খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন অর্থমন্ত্রী।

বুধবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

এর আগে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর গত ১ ফেব্রুয়ারি খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে রাজধানীর শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে তাকে বিএসএমএমইউতে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সোনালী, অগ্রণী ও পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ ১৯৪১ সালে গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভূগোলে স্নাতকোত্তর ও আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করে ১৯৬৩ সালে ব্যাংকিং পেশায় যুক্ত হন।

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৩:৩৭
আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:০৫
প্রিন্ট করুন printer

আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ অপরিহার্য নয়: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ অপরিহার্য নয়: কাদের
সংগৃহীত ছবি

যে যার মতো বক্তব্য দিয়ে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ। দলের শৃঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে কেউ জড়িত থাকলে, যত বড়ই নেতা হোক, কেই পার পাবে না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, কে, কোথায়, কখন কী করছেন সবই নজরদারিতে আছে। শিগগিরই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির পরবর্তী সভায় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুটি কয়েক লোক বদনাম করলে, দল তার বোঝা নিবে না। দল করলে দলের শৃঙ্খলা মনে চলতে হবে। মনে রাখতে হবে, দলে যে কোন পর্যায়ে শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ অপরিহার্য নয়। 

আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। তিনি তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন।

ওবায়দুল কাদের ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে বলেন, নিজের অবস্থান ভারী করার জন্য পকেটে কমিটি বরদাস্ত করা হবে না। সম্মেলনের মাধ্যমে তৃণমূল থেকে পর্যায়ক্রমে  থানা পর্যন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবাইকে ঐকবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ত্যাগীদের মূল্যায়ন করতে হবে। তারাই দুঃসময়ে দলের সাথে থাকবে, বসন্তের কোকিলদের খুঁজেও পাওয়া যাবে না।

বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অর্জনের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় থাকতে হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আওয়ামী লীগ একটি পরিবার, যারা এই পরিবারের ঐক্যে ফাটল ধরাবে তাদেরকে কোনোভাবেই ক্ষমা করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন।

দলের অভ্যন্তরে বিষয়ে কোন বক্তব্য বা দ্বিমত থাকলে তা দলীয় ফোরামে আলোচনা করতে হবে, তাতেও সমাধান না হলে লিখিতভাবে সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। দলের জেলা, উপজেলা, থানা পর্যায়ের কোন কমিটি কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়া বাতিল করা যাবে না। 

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ২২:২২
প্রিন্ট করুন printer

এ বছরই আন্তঃমোবাইল ব্যাংকিং: পলক

অনলাইন ডেস্ক

এ বছরই আন্তঃমোবাইল ব্যাংকিং: পলক
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি- পিআইডি

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‌‘২০২১ সালের মধ্যেই আন্তঃমোবাইল ব্যাংকিং অর্থাৎ এক মোবাইল ব্যাংকিং থেকে অন্য মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা চালু করা হবে।’

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। ব্লক চেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ-২০২১ সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আমাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমরা একটা গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। সেটা হচ্ছে ইন্টারঅপারেবল ডিজিটাল ট্রানজেকশন প্লাটফর্ম। এই প্লাটফর্মে একদিকে যেমন মোবাইল ফাইনান্সিয়াল ওয়ালেটগুলো একটার সঙ্গে আরেকটি কোম্পানির অপারেট হবে। এখন যেমন আমরা গ্রামীণফোন থেকে রবিতে কিংবা বাংলালিংক থেকে টেলিটকে কল করতে পারি। কিন্তু আমরা বিকাশ থেকে নগদে কিংবা শিওরক্যাশে টাকা পাঠাতে পারি না। সেটা সম্ভব হবে যখন এই প্লাটফর্ম চালু হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে ব্লক চেইন বাস্তবায়ন হলে কোথাও কোনো তথ্য কেউ পরিবর্তন পারবে না। কেউ প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারবে না। আশা করছি- ২০২১ সালের মধ্যে প্লাটফর্মটি সজীব ওয়াজেদ জয় উদ্বোধন করবেন। তখন মোবাইল গ্রাহকদের স্বাধীনতা বাড়বে এবং খরচের পরিমাণ কমে আসবে।’

বিডি প্রতিদিন/জুনাইদ আহমেদ

 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

প্রধানমন্ত্রী সবাইকে সমানভাবে দেখেন : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর

প্রধানমন্ত্রী সবাইকে সমানভাবে দেখেন : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে সমানভাবে দেখেন। এজন্যই সারাদেশে একযোগে সমভাবে উন্নয়ন হচ্ছে। আগামী ১০০ বছরেও এরকম একজন প্রধানমন্ত্রী পাওয়া যাবে না। তিনি বাংলাদেশের প্রতিটি উপজেলা সরেজমিন দেখেছেন বলেই ওইসব উপজেলায় যা প্রয়োজন সেভাবেই উন্নয়ন হচ্ছে।

মঙ্গলবার দুপুরে রংপুরের পীরগঞ্জে মেরিন একাডেমী প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মেরিন একাডেমীর প্রকল্প পরিচালক ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব রফিক সিদ্দিক, গণপূর্ত রংপুর জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল গাফফার, রংপুর মেরিন একাডেমীর কমানডেন্ট ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম, পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান রাঙ্গা, পীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজিমুল ইসলাম শামীম প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৬২ সালে চট্টগ্রামে একটি মেরিন একাডেমী প্রতিষ্ঠত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু যখন ৬ দফা ঘোষণা করলেন তখন পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী চট্টগ্রাম থেকে এটি প্রত্যাহার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যায়। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু এটি আবার চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন। আগে মেরিন সেক্টরে শিক্ষার কোনো কার্যক্রম ছিল না, আমরা এভাবেই বঞ্চিত হয়েছি। যদি বাংলাদেশ না হতো, তাহলে তো চট্টগ্রামে মেরিন একাডেমী হতো না। একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতন। অন্য সরকারগুলো নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত ছিল।

বঙ্গবন্ধু সরকার মেরিন একাডেমী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলেই তার কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আরো ৪টি (রংপুর, পাবনা, বরিশাল, সিলেট) মেরিন একাডেমী প্রতিষ্ঠা করলেন। এগুলো দিয়ে দেশে দক্ষ নাবিক তৈরি করা হবে। একজন নাবিক যে রেমিটেন্স আনবেন তা ১০০ শ্রমিকের আয়ের সমান। তাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দক্ষ নাবিক তৈরি করতে দেশে মেরিন একাডেমী তৈরি প্রতিষ্ঠা করছেন বলেও জানান তিনি।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের বেশির ভাগ আয় আসে নদীপথে। এজন্য সরকার কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় আরো মেরিন ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠার কাজ করছেন।

এর আগে, বেলা ১১টায় প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী পীরগঞ্জের ফতেপুরে প্রয়াত ড. ওয়াজেদ মিয়ার কবর জিয়ারত করেন।

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর