শিরোনাম
৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৮:২০

‘উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগে আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার’

ফাইল ছবি

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সুপ্রীম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারক নিয়োগে আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কিছু দিনের মধ্যেই সেটি এই জাতীয় সংসদেই উপস্থাপন করা হবে।

জাতীয় সংসদের ২১তম অধিবেশনে সোমবার বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক (ছুটি, পেনশন ও বিষেশাধিকার) বিল, ২০২২-এর ওপর বিরোধী দলের সদস্যদের জনমত যাচাই-বাছাই কমিটেতে প্রেরণের প্রস্তাবের ওপর জবাব দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

এরআগে বিলটির উপর আলোচনার সময় বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমান ও গণফোরামের সদস্য মোকাব্বির খান আদালতের বিচারক নিয়োগ ও ইন্ডিপেন্ডন্ট প্রসিকিউশন নিয়োগ আইন প্রণয়নের বিষয়টি ঝুলে যাওয়ার বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমান বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগে আইন করার কথা ছিলো। কিন্তু হয়নি। প্রসিকিউশন নিয়োগেও আইন করার কথা ছিলো সেটাও হয়নি। আশাা করি আইনমন্ত্রী এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেবেন। 

জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, সুপ্রীম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচার নিয়োগের ব্যাপারে সংসদ সদস্যরা আইন করার কথা বলেছেন। উনাদের আশ্বস্ত করতে পারি এই আইনটি নিয়ে আমরা কাজ করছি। কিছু দিনের মধ্যে সংসদে আনতে পারবো। এছাড়া উনারা ইন্ডিপেন্ডন্ট প্রসিকিউশন নিয়োগ আইনের কথা বলেছেন। সেটা নিয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এ আইনটিও ওনারা এই সংসদ চলাকালে দেখতে পাবেন।  

এর আগে আদালতের মামলার জট কমানোর বিষয়ে বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সদস্য পীর ফজলুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার আদালতের মামলার জট কমানোর পদক্ষেপ নিয়েছে এবং জট কমে আসছে বলেও তিনি সংসদকে জানান। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ওনারা (বিরোধী দলের সদস্যরা) যেটা বলেছেন সঠিক বলেছেন যে মামলার জট আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মামলা জট কমানোর পদক্ষেপও নিয়েছে। গর্বের সঙ্গে বলতে পারি মামলার জট কমছে’।

গণফোরামের সদস্য মোকাব্বির খান বলেন, দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতিতে মানুষের নাবিশ্বাস উঠেছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধই বলি আর সরকারের ব্যর্থতাই বলি দ্রব্যমুল্য মানুষের জন্য দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে। নতুন পেস্কেলের জন্য সরকারির কর্মচারিরা দাবি জানাচ্ছেন। তারা চলতে পারঝেন না। অবশ্য যারা দুনীতি করে তাদের বিষয়টি আলাদা। এই অবস্থায় এই আইনটি পাস হলে জনপ্রশাসনে অসন্তোষ বাড়বে। এটি আরও পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা দরকার।


বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এই বিভাগের আরও খবর

সর্বশেষ খবর