শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০৯:১৯
আপডেট : ১৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১১:০৫
প্রিন্ট করুন printer

পোল্যান্ডে বিপন্ন ভারতীয় গণ্ডার শাবকের জন্ম

অনলাইন ডেস্ক

পোল্যান্ডে বিপন্ন ভারতীয় গণ্ডার শাবকের জন্ম

পোল্যান্ডের 'রোকলা চিরিখানায়' গত সপ্তাহে ভারতীয় বিপন্ন প্রজাতির এক গণ্ডার শাবকের জন্ম হয়েছে। গণ্ডার মেয়ে শাবকটি জন্ম নিয়েছে গত ৬ জানুয়ারি। মা গণ্ডার মারুস্কার বয়স ৭ বছর, বাবা গণ্ডার মানাসের বয়স ১১ বছর।

এ ব্যাপারে চিড়িয়াখানাটির সভাপতি রডোস্লা রাতাজসজাক অ্যাসোসিয়েট প্রেসকে বলেন, “মারুস্কা এই প্রথম মা হয়েও অনেক ভালোভাবে আচরণ করেছে। সে তার মেয়ের খেয়াল রেখেছে, তার মেয়ের চেকআপের সুযোগ আমাদের দিয়েছে, ২ টনের বেশি ওজন হবার পরেও কিনা সে অনেক বেশি নাজুক ছিল। যেমন, মারুস্কা শোবার সময় যেন তার ছোট মেয়েকে কুচলে না দেয় সেদিকে নজর রাখতো, এমনকি আলতো করে তাকে এক পাশে সরিয়ে দিতো”।

ভারতীয় গণ্ডারের এ প্রজাতিটি বিলুপ্তির খুব কাছে ছিল কিন্তু ১৯৭০ সালে চালু হওয়া একটি সুরক্ষা প্রোগ্রামের মাধ্যমে বর্তমানে প্রায় ৩ হাজার ৬০০টি গণ্ডার রয়েছে, যাদের মধ্যে ১৭০টি রয়েছে পৃথিবীর ৬৬টি চিড়িয়াখানায়।

চিড়িয়াখানা থেকে জানা যায়, চিড়িয়াখানাটির ১৫৫ বছরের ইতিহাসে এটাই প্রথম ভারতীয় বিলুপ্ত এ গণ্ডারের জন্ম। চিড়িয়াখানাটি দুর্লভ এ প্রজাতিটিকে সংরক্ষণে যথেষ্ট কাজ করে যাচ্ছে এবং তারা ইতিবাচক ফল পেতেই আশাবাদী।


বিডি প্রতিদিন/ ওয়াসিফ


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:০২
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১০:২৭
প্রিন্ট করুন printer

ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড: খুনের পর আলু দিয়ে রান্না হয়েছিল হৃদপিণ্ড!

অনলাইন ডেস্ক

ভয়ঙ্কর হত্যাকাণ্ড: খুনের পর আলু দিয়ে রান্না হয়েছিল হৃদপিণ্ড!
প্রতীকী ছবি

খুন করে করে মরদেহ থেকে হৃদপিণ্ড বের করে সেটিকে রান্না করে খেল খুনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি খুনের মামলায় অভিযুক্ত এক খুনির বিষয়ে এমনই চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছে সেখানকার পুলিশ। ওকলাহোমায় ঘটে যাওয়া এমন ভয়ানক ঘটনার কথা শুনে চোখ কপালে উঠছে তদন্তকারীদের। শরীর থেকে হৃদপিণ্ড বের করে সেটিকে আলু দিয়ে রান্না করেছে ওই খুনি। সেটি খেতে দেওয়া হয়েছিল আরেকজনকে। দ্বিতীয় খুনের আগে তাকে ওই রান্না করা খাবার দিয়েছিল খুনি।

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত লরেন্স পল অ্যান্ডারসন প্রতিবেশী এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে খুন করে তার শরীর কেটে হৃদপিণ্ড বের করে। ওকলাহোমার সকল টেলিভিশন নিউজ এবং পত্রিকায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। হৃদপিণ্ড বের করে নিজের এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যায় ওই খুনি। সেখানে রান্না করে নিজের চাচা ও তার স্ত্রীকে সেটি খাওয়ানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত।

এরপরই নিজের চাচা ও তার চার বছরের নাতনিকেও খুন করে সে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি এই ঘটনা ঘটে। কোনও মতে সেখান থেকে প্রাণে পালিয়ে বাঁচেন ওই চাচার স্ত্রী। কয়েকদিন আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছিল লরেন্স পল। ২০১৭ সাল থেকে একটি ড্রাগ মামলায় তাকে ওকলাহোমা কোর্ট ২০ বছরের সাজা শুনিয়েছিল। ফের তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনার তদন্তে নেমেই পুলিশ আলু দিয়ে হৃদপিণ্ড রান্না করার খবর জানতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে তিনটি খুন হয়ে যাওয়ার পর অভিযুক্তকে জালে নিয়েই সেই রহস্যভেদ করতে পেরেছে পুলিশ।

 

সূত্র: টুডে অনলাইন, ফার্স্টপোস্ট, দ্যা স্ট্রেইটস টাইমস।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৪:০১
প্রিন্ট করুন printer

সমুদ্রের সঙ্গে ১৪ ঘণ্টার লড়াই নাবিকের, অতঃপর...

অনলাইন ডেস্ক

সমুদ্রের সঙ্গে ১৪ ঘণ্টার লড়াই নাবিকের, অতঃপর...
ছবি : গেটি ইমেজেস

অন্ধাকার সমুদ্রে রাত তখন চারটে। কিছুই দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু প্রাণপণে কোনো রকমে ভেসে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। একটু পরে অল্প অল্প ভোরের আলো ফোটে। তখনও ভেসে থাকা।

বেশ কিছু দূরে সমুদ্রে আবর্জনার টুকরো দেখা যায়। সমস্ত শক্তি সংগ্রহ করে তখন সাঁতার দেন সেই দিকেই। মৃত্যু আর জীবনের মধ্যে সামান্য একটু আবর্জনা। সেটাকে আঁকড়েই বিশাল সমুদ্রে ১৪ ঘণ্টা ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করে যান বিদাম পেরেভার্তিলোভ নামে এক নাবিক।

দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে নিউজিল্যান্ডের টওরাঙ্গা পোর্ট ও পিটকেয়ার্ন দ্বীপের মাঝে এমন ঘটনা ঘটেছে। বিদাম পড়ে গিয়েছিলেন এক মালবাহী জাহাজ থেকে। কিন্তু জাহাজের কেউ জানতেই পারেননি তা।
  
বিদামের গায়ে কোনো লাইফ জ্যাকেট ছিল না। হঠাৎ পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ভয় না পেয়ে একা বিশাল সমুদ্রে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছেন তিনি।

প্রশান্ত মহাসাগরে ১৪ ঘণ্টা আবর্জনা আঁকড়ে ভেসে থাকেন। পরে তার জাহাজের সতীর্থরা জাহাজে তাকে খুঁজে না পেয়ে বুঝতে পারেন, তিনি পানিতে পড়ে গেছেন। তখনই জাহাজ পেছন দিকে ফেরে তাকে খুঁজতে থাকেন। খবর দেওয়া হয় অন্যান্য জাহাজগুলোতেও।

১৪ ঘণ্টা পরে বিদাম একটি জাহাজ দেখতে পান। ওটাই তখন তার কাছে লাইফলাইন। যতটুকু শক্তি তার তখনও টিকে আছে শরীরে, তা দিয়ে চিৎকার শুরু করেন। সেই জাহাজটিই তাকে উদ্ধার করে। পানিতে এত দীর্ঘ সময় থাকায় তখন যথেষ্ট দুর্বল ও অসুস্থ বিদাম। তবে অদম্য ইচ্ছা আর সাহসের জেরে জীবনের আলো দেখতে পান এই নাবিক।

সূত্র : বিবিসি

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪৪
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২০
প্রিন্ট করুন printer

দেউলিয়া থেকে গাঁজা বেচে এখন মাসে আয় ৪ কোটি টাকা!

অনলাইন ডেস্ক

দেউলিয়া থেকে গাঁজা বেচে এখন মাসে 
আয় ৪ কোটি টাকা!

হেভিওয়েট বক্সিংয়ে সর্বকালের সেরাদের একজন মাইক টাইসন। ৫৪ বছর বয়সী এই বক্সারের ক্যারিয়ারে তার আয় ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ হাজার ৯৫০ কোটি টাকার বেশি। সেখান থেকেই একটা সময় দেউলিয়া হওয়ার পথে বসেছিলেন টাইসন। তবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এ বক্সার। আবার কামাচ্ছেন কোটি কোটি টাকা!

টাইসনের এই কোটিপতি বনে যাওয়া গাঁজা বেচে। প্রতি মাসে নাকি গাঁজা বেচেই পাঁচ লাখ ডলার আয় করেন টাইসন। বাংলাদেশি মুদ্রায় তার মাসিক আয়ের অঙ্কটা সোয়া ৪ কোটি টাকার বেশি!

ক্যারিয়ারজুড়ে ধর্ষণ, মাদকসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন টাইসন। ক্যারিয়ারের প্রথম দিকে ‘আয়রন মাইক’, ‘কিড ডায়নামাইট’ ডাকনাম পাওয়া টাইসনকে যে কারণে ক্যারিয়ারের শেষের দিকে ‘দ্য ব্যাডেস্ট ম্যান অন দ্য প্ল্যানেট’ ডাকা হতো। 

তবে সবকিছুর আড়ালে আবার ঘুরে দাঁড়ানো টাইসন খুলেছেন একটা গাঁজা চাষের কোম্পানি। যেটির নাম দিয়েছেন ‘টাইসন র‍্যাঞ্চ।’ তার গাঁজার ফার্মটা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে অবস্থিত। যেখানে গাঁজার ব্যবহার বৈধ। 

ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে আগে গাঁজার ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকলেও ২০১৬ সালের নভেম্বরে ২১ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য সেটিকে বৈধতা দেওয়া হয়। এ নিয়মের বদলেরই ফায়দা তুলে নিচ্ছেন টাইসন। তার টাইসন র‍্যাঞ্চ ফার্মটি প্রতিষ্ঠা করেছেন ১৬ হেক্টর জমির ওপর।

পেশাদার ক্যারিয়ারে মোট ৫৮টি ফাইটে লড়ে ৫০টিতেই জিতেছেন টাইসন, হেরেছেন ৬টিতে। নিজের ফার্মে তৈরি গাঁজায় টাইসন এতটাই মুগ্ধ যে তিনি এখন নিজেকে ‘সেরা গাঁজার প্রস্তুতকারক’ দাবি করেন!

বিডি-প্রতিদিন/বাজিত হোসেন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৭:২৬
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:০৩
প্রিন্ট করুন printer

ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে ১৩৯ বছরের বাড়ি, দেখতে রাস্তায় ভিড়

অনলাইন ডেস্ক

ব্যস্ত রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছে ১৩৯ বছরের বাড়ি, দেখতে রাস্তায় ভিড়
ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

কখনো দেখেছেন ব্যস্ত রাস্তায় ‘গুটিগুটি পায়ে’ এগিয়ে চলেছে একটা পুরো বাড়ি। সান ফ্রান্সিসকো শহরের এক রাস্তায় এমনই এক দৃশ্য দেখা গেল।

সবুজ রঙের একটা বাড়ি এ পাড়া থেকে ও পাড়ায় চলে গেল। আসলে চলে গেল না। গত ৮ বছর ধরে বাড়িটিকে সরানোর প্রস্তুতি চলছিল। গত রবিবার সেই কাজই সম্পন্ন হয়। আর বাড়ি সরানোর এমন দৃশ্য ভাইরাল হতে সময় নেয়নি মোটেই

সান ফ্রান্সিসকোর ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিটে ১৩৯ বছর ধরে ঠিকানা ‘ইংল্যান্ডার হাউস’ নামে এক বাড়ির। যাতে রয়েছে ৬টি শোবার ঘর এবং ৩টি স্নানের ঘর। কিন্তু ঐতিহাসিক সেই ঘরকে না ভেঙে সরানোর প্রয়োজন হয়। গত কয়েক বছর ধরে তার প্রস্তুতি চলছিল।

রাস্তার ২ ধারের গাছগুলোর ডাল ছেঁটে দেওয়া পার্কিংয়ের জায়গাগুলি খালি করে রাস্তা চওড়া করা এমন কি বিদ্যুতের তারও সরিয়ে ফেলে হয়। আর যে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বাড়িটিকে সেটি একটি একমুখী রাস্তা। তাতে আবার উল্টো দিকে বাড়িটিকে নতুন ঠিকানায় পৌঁছে দেওয়া হয়।

হাইড্রোলিক ডলিতে তুলে ধীর গতিতে বাড়িটিকে ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিট থেকে ৭ ব্লক দূরে ফুলটনে নিয়ে যাওয়া হয়। রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বাড়িসহ ডলিগুলোকে ১ মাইল প্রতি ঘণ্টা গতিতে নিয়ে যাওয়া হয়।

আর আস্ত একটি বাড়ির এমন যাত্রা দেখতে রাস্তায় প্রচুর মানুষ দাঁড়িয়ে যান। তারা মোবাইলে সেই বিরল দৃশ্য রেকর্ড করেন। পরে যা ভাইরাল হয়ে যায়।

সূত্র : আনন্দবাজার

বিডি প্রতিদিন/এমআই


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:০৮
প্রিন্ট করুন printer

ছুটি পেতে 'অপহরণ' নাটক সাজিয়ে হারাতে হলো চাকরি!

অনলাইন ডেস্ক

ছুটি পেতে 'অপহরণ' নাটক সাজিয়ে হারাতে হলো চাকরি!
সংগৃহীত ছবি

কর্মস্থল থেকে ছুটি পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ আপনি কী করবেন? অসুস্থতা হলে সেই কারণ দেখিয়ে বা অসুস্থতার নামে মিথ্যা বলে ছুটি নেবেন। অনেকে আবার আত্মীয়স্বজনদের মৃত্যুসংবাদের কথাও কাজে লাগান ছুটি পাওয়ার জন্য। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় ১৯ বছরের এক কিশোরের কাণ্ড শুনে হতবাক সকলেই। একটি কারখানার কর্মী ওই ছেলেটি। ছুটি পাওয়ার জন্য নিজেই নিজের অপহরণের নাটক সাজায় সে। যদিও শেষ পর্যন্ত চাকরিচ্যুত করা হয় তাকে।

ব্র্যান্ডন সোলস নামে ১৯ বছরের ওই কিশোর ছুটি পাওয়ার জন্য অপহরণের গল্প ফেঁদেছিলেন। পুলিশ সূত্রে খবর, সোলসকে খুঁজে পাওয়া গেছে। টায়ারের কারখানায় কর্মরত সোলসকে একটি পানির টাওয়ারের সামনে থেকে হাত বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। এসময় তার মুখেও কাপড় আটকানো ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশকে সোলস জানিয়েছিলেন, তাকে দুই ব্যক্তি অপহরণ করেছিল। এই পানির টাওয়ারের কাছে ফেলে যাওয়ার আগে তাকে গাড়িতে তোলা হয়েছিল বলে দাবি সোলসের। অচৈতন্য অবস্থায় তাকে এই রাস্তায় ফেলে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা বলে দাবি করে সে। পুলিশ এই ঘটনার তদন্তে নেমে অবশ্য গোটা বিষয়টা অন্যভাবে সামনে চলে আসে। ব্র্যান্ডন সোলসকে অপহরণের কোনও প্রমাণ পাননি তারা। রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গোয়েন্দারা নিশ্চিত গোটা বিষয়টি সাজানো হয়েছিল ছুটি পাওয়ার জন্য।

পুলিশের জেরার মুখে পড়ে অবশ্য নিজের দোষের কথা স্বীকার করেছেন ব্র্যান্ডন। কাজ থেকে ছুটি পাওয়ার জন্যই এমন গল্প ফেঁদেছিলেন বলে দাবি করেছেন সোলস। তবে মিথ্যা গল্প ফেঁদে এভাবে পুলিশকে বিব্রত করার দায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আটক ব্র্যান্ডন নিজের বেল্ট দিয়েই নিজে হাত বেঁধেছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। কারখানা থেকেও তাকে বিতাড়িত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর