শিরোনাম
প্রকাশ : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৬:৩০
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০৮:৪১
প্রিন্ট করুন printer

উৎসব শঙ্কার ৫৫ পৌর ভোট আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক

উৎসব শঙ্কার ৫৫ পৌর ভোট আজ

চতুর্থ ধাপে ৫৫ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ আজ। উৎসবমুখর এ নির্বাচন নিয়ে যেমন রয়েছে উত্তেজনা, তেমনই আছে শঙ্কা ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলবে। এ ধাপে ২৫ পৌরসভায় ব্যালট পেপারে ভোট হবে আর ৩০ পৌরসভায় হবে ইভিএমে ভোট। যেসব এলাকায় ব্যালট পেপারে ভোট হবে সেখানে আজ ভোটের দিন সকালে ব্যালট পাঠানো হবে।

বিগত তিন ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে সংঘাত-সহিংসতা হওয়ায় এ ধাপের ভোট নিয়ে উত্তেজনা রয়েছে সব নির্বাচনী এলাকায়। অনেক প্রার্থী কেন্দ্র দখলের শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া ভোটার, এজেন্ট ও প্রার্থীদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। করোনাকালে এ নির্বাচনে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনাও দিয়েছে ইসি। ভোট দেওয়ার আগে-পরে কেন্দ্রে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে ভোট হলেও বিদ্রোহী এবং কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে সংঘাতের ঘটনা দেখা দিয়েছে। তিন ধাপের ভোটে বিভিন্ন এলাকায় সহিংসতা-গোলযোগের ঘটনা ঘটেছে। 

চতুর্থ ধাপে গোলযোগ ছাড়াই ‘সুষ্ঠু ভোট’ হবে বলে আশাবাদী প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের অত্যন্ত সতর্ক অবস্থায় রাখি। আমাদের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি রয়েছে। আশা করি, অন্তত এর পর থেকে যে নির্বাচন হবে, ভালো হবে, সুষ্ঠু হবে; সংঘাত-সংঘর্ষ হবে না।’ 

তবে পৌর ভোটে সহিংসতা নিয়ে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, নির্বাচনে সহিংসতা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্রমবর্ধমান ঘটনায় তিনি উদ্বিগ্ন। এদিকে নির্বাচন কমিশন সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য হচ্ছে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা। এ জন্য যা যা করতে হবে, সে নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যা যা দরকার আমরা সব ব্যবস্থা নিয়েছি। জেলা প্রশাসক, এসপি এবং রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনটা যেন ফ্রি, ফেয়ার এবং ক্রেডিবল হয়।’ শনিবার বিকালে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৩৪ জেলার ৫৫ পৌরসভায় চতুর্থ ধাপে নির্বাচন হবে। এ ধাপে মেয়র পদে ২১৭ জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২ হাজার ৭০ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৬১৮ জন প্রার্থী আছেন। এ ছাড়া সাধারণ ওয়ার্ড ৫০১টি, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৬৭টি ও ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৭৯৩টি। মোট ভোটার রয়েছেন ১৬ লাখ ৬৭ হাজার ২২৪ জন। সচিব বলেন, অনিয়ম রোধে প্রতিটি কেন্দ্রে তিন-চারজন অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য থাকবেন। অঙ্গীভূত আনসারসহ সব মিলিয়ে প্রতিটি কেন্দ্রে ১১ থেকে ১৩ জন সদস্য থাকবেন। এর বাইরে আমাদের প্রতিটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে র‌্যাবের একটি করে টিম থাকবে, পুলিশের টিম থাকবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তার চাহিদার ভিত্তিতে ২৭টি স্থানে বিজিবি ও র‌্যাবের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইসির অবস্থান একটাই, তা হলো ফ্রি, ফেয়ার ও ক্রেডিবল ইলেকশন হওয়া। লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন যখন হয়, তখন ডোর টু ডোর একটা প্রিপারেশন থাকে। তখন কোথাও কোথাও দু-একটি ঘটনা ঘটে। আপনারা জানেন যে তৃতীয় ধাপে একটি-দুটি জায়গায় অনিয়ম হয়েছে। সেটি খুবই সামান্য, যেগুলোর তদন্ত হয়েছে এবং রিপোর্ট এসেছে আমাদের কাছে। সেগুলোর বিষয়ে কমিশন খুবই ওয়াকিবহাল। পরে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা কমিশনকে অবহিত করেছি।’ তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসারদের নির্দেশনা দেওয়া আছে, ভোট কেন্দ্রের যে রুলস আছে, সেভাবেই যেন পরিচালিত করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডিআইজি থেকে এসপি, ডিসি, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছি, যেন এমন কোনো কিছু না ঘটে।

চতুর্থ ধাপে এ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‌্যাবের টিম, প্রতিটি পৌরসভায় গড়ে দুই প্লাটুন বিজিবি ও উপকূলীয় এলাকায় প্রতি পৌরসভায় এক প্লাটুন কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠে থাকছেন। এ ছাড়া কিছু পৌরসভায় নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্দিষ্ট হারের চেয়ে অতিরিক্ত র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। চতুর্থ ধাপে ৫৬টি পৌরসভায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। পরে সোনাইমুড়ি ও ত্রিশাল পৌরসভা এ ধাপে যুক্ত হয়। অপরদিকে আদালতের আদেশে নাটোর পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ফেনীর পরশুরাম পৌরসভায় সব পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থীরা জয়ী হন। জয়পুরহাটের কালাই পৌরসভায় নির্বাচন কার্যক্রম বন্ধের পর ফের তা চালু হয়। মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার ভোট স্থগিত করে কমিশন। সব মিলিয়ে এখন ৫৫টিতে ভোট হতে যাচ্ছে। করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে পৌরসভা নির্বাচন করছে কমিশন। প্রথম ধাপে ২৮ ডিসেম্বর, ১৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় ধাপের এবং তৃতীয় ধাপে ভোট হয় ৩০ জানুয়ারি। চতুর্থ ধাপে আজ ভোট শেষে পঞ্চম ধাপের ভোট হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। এ ছাড়া ৭ এপ্রিলও শেষ ধাপের বেশ কিছু পৌরসভায় ভোট হতে পারে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:১১
প্রিন্ট করুন printer

পৌরসভা নির্বাচন: মাদারীপুরে নৌকার প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা

মাদারীপুর প্রতিনিধি

পৌরসভা নির্বাচন: মাদারীপুরে নৌকার প্রার্থীর ইশতেহার ঘোষণা

নির্বাচনের ঠিক দুই দিন আগে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নিজ বাসভবনে নেতা-কর্মী ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন। 

ইশতেহার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম।

ইশতেহার অনুষ্ঠানে প্রার্থী মো. খালিদ হোসেন ইয়াদ বলেন, এই ইশতেহারে মাদারীপুর শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে টেকসই ও কার্যকরী ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি সরবরাহ এবং আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থার উপরে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিগত দিনে সততা ও বিশ্বস্ততার সাথে মাদারীপুর পৌরসভাকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছি। মাদারীপুর পৌরসভার উন্নয়নের রূপকল্পকে বাস্তবতায় রূপদানের লক্ষ্যে তৃতীয় মেয়াদের জন্য সুনির্দিষ্ট এ কর্মসূচি ঘোষণা করলাম।

নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আজাদ মুন্সি, জাহাঙ্গীর কবির, সাধারণ সম্পাদক বাবু কাজল কৃষ্ণ দে’সহ জেলা, সদর উপজেলা ও মাদারীপুর পৌর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/আবু জাফর


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৪৬
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৬:৫৫
প্রিন্ট করুন printer

বগুড়া পৌর নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া

বগুড়া পৌর নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ

জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ধানের শীষে ভোট দিন। শহীদ জিয়াউর রহমানের জন্মভূমি বগুড়া বিএনপির দুর্গ। বিগত সকল নির্বাচনে বগুড়ার মানুষ বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন। বগুড়াকে এগিয়ে নিতে বিএনপি সরকার ছাড়া আর কেউ তেমন দৃশ্যমান উন্নয়ন করেনি। সমৃদ্ধ ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পৌর নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশাসহ দলীয় সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করার আহবান জানান তিনি।

বগুড়া পৌরসভার নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থীর ধানের শীষ, কাউন্সিলর প্রার্থীদের পক্ষে বৃহস্পতিবার গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি দিনব্যাপি শহরের সূত্রাপূর, তেতুলতলা, মফিজ পাগলা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম বাদশাকে ধানের শীষ, কাউন্সিলর প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন পশারী হিরুর উটপাখি ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর রোকেয়া বেগম রঞ্জনার টেলিফোন মার্কায় ভোট দেয়ার আহবান জানান। 

এ সময় বিএনপি নেতা কেএম খায়রুল বাশার, আক্তারুজ্জামান নান্টু, জাহাঙ্গীর কবির মানিক, এমদাদুল হক টুকু, মো. রেজাউল, হুমায়ুন কবীর, শাহজাহান আলী মুকুল, লুৎফর রহমান, জাহাঙ্গীর মানিক, উত্তম কুমার, আব্দুল মমিন, সৌখিন চৌধুরী, রাশেদ, শামীম, পিন্টু, সিজানসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৪:৫৭
প্রিন্ট করুন printer

চরফ্যাশন পৌর নির্বাচন: প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা

এম আবু সিদ্দিক, চরফ্যাশন (ভোলা) থেকে:

চরফ্যাশন পৌর নির্বাচন: প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোলার চরফ্যাশন পৌরসভা নির্বাচন। এখানে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. মোরশেদ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শিকদার হুমায়ুন কবির এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন। 

শেষ মুহূর্তে প্রার্থীরা ভোটের মাঠ গোছাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোটারদের কাছে কুশল বিনিময়ে ভোট চেয়ে লিপলেট বিতরণ করছেন প্রার্থীরা। 

কাল শুক্রবার রাত ১২টা থেকে সকল প্রকার প্রচার প্রচারণা বন্ধ হচ্ছে। গণমাধ্যমকর্মীদের যান ব্যতীত শনিবার থেকে শহরে সকল প্রকার যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে পাড়ায় মহল্লায়, অলি-গলিতে জমে উঠেছে নির্বাচন। 
দিনরাত প্রার্থীরা ছুটছে ভোটারদের কাছে। শহরের আনাছে কানাছে ব্যানার- পোস্টার ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে। চলছে গণসংযোগ মোটরসাইকেল মহড়া আর স্লোগান। মাইকে বাজছে মনকাড়া সুরে হরেক রকম গান। 

আগামী রবিবারের ভোটকে ঘিরে চরফ্যাশনে আওয়ামী লীগ, বিএনপির জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা প্রতিনিয়ত গণসংযোগে অংশ নিচ্ছেন আর দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাচ্ছেন।

চরফ্যাশন পৌর নির্বাচনে এই প্রথম ইভিএমএ ভোট হবে। ভোটারদের কাছে এই পদ্ধতি নতুন, ফলে কিভাবে ভোট দিবে এ নিয়ে টেনশনে রয়েছে। এদিকে সহকারী রিটার্নি অফিসার কাল শুক্রবার চরফ্যাশনে দিনব্যাপী ইভিএমএ ভোটদান পদ্ধতি সম্পর্কে ভোটারদের প্রাক্ মহড়া আয়োজন করেছেন। শেষ মুহুর্তে জয় পেতে প্রার্থীরা ভোটারের বাড়ি বাড়ি দোকানে দোকানে ছুটছেন। ভোটারদের কাছে তুলে ধরছেন তাদের যোগ্যতা।

চরফ্যাশন পৌরসভায় নৌকা প্রতীকে নতুন প্রার্থী। তিনি চরফ্যাশন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। নৌকার মনোনীত প্রার্থী মো. মোরশেদ জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।

অপরদিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সিকদার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির। তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট আমাদের অনুকূলে নেই। জনগণের ব্যাপক সমর্থন আমাদের পক্ষে রয়েছে। অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে আমার কাঙ্খিত বিজয় সম্ভব। 

এদিকে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী হয়েছেন মীর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন। এলাকায় রয়েছে তার ব্যক্তি ইমেজ। তিনি একটি পলিটেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ। নারকেল গাছ প্রতীক নিয়ে তিনি লড়ছেন। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী না হলেও শহরে নিজ পরিচিতি পেতে ভোটারদের মাঝে প্রতিনিয়ত গণসংযোগ করে যাচ্ছেন। 

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, নির্বাচনে পৌরসভা মেয়র প্রার্থী ৩ জন, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ২৩ জন  সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোট হবে ইবিএমএ। শেষ মুহুর্তে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া এলাকার পরিবেশ অনেকটা শান্ত রয়েছে। অবাদ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৯:২১
প্রিন্ট করুন printer

জামালপুরে পৌর নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

জামালপুর প্রতিনিধি

জামালপুরে পৌর নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলন

জামালপুরের ৪টি পৌর নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা ও সার্বিক কর্মকান্ড নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগ। বুধবার বিকেলে শহরের বকুলতলাস্থ দলীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী।

এ সময় বক্তারা বলেন, আগামী ২৮ ফেব্রæয়ারি জামালপুর পৌরসভাসহ ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এসব পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জামালপুর পৌর নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মেয়র প্রার্থী ওয়ারেছ আলী মামুন সাংবাদিক সম্মেলন করে যেসব অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক, ভিত্তিহীন। 

অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে তাদের দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিএনপি নেতার শহরে ঝাড়– মিছিল করেছে। দলের সাংগঠনিক অবস্থা দুর্বল হওয়ায় নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি প্রার্থীর কোন পোস্টার, প্রচার-প্রচরণা, মাইকিং বা নির্বাচনী কেন্দ্র নেই। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য বিজয়ে তারা ভীত ও ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্নভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রদান করছে। 

সংবাদ সম্মেলনে পৌর মেয়র মির্জা সাখাওয়াতুল আলম মনি, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ.ব.ম জাফর ইকবাল জাফু, মেয়র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন ছানু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

বিডি প্রতিদিন/আল আমীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৫৯
প্রিন্ট করুন printer

শপথ নিলেন রাজশাহী বিভাগের ১২ পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলর

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী:

শপথ নিলেন রাজশাহী বিভাগের ১২ পৌরসভার মেয়র-কাউন্সিলর
রাজশাহী বিভাগের ১২টি পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলররা শপথ গ্রহণ করেছেন। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজশাহী জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ুন কবীর তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
 
যেসব পৌরসভার জনপ্রতিনিধিরা শপথ গ্রহণ করেছেন সেগুলো হলো- রাজশাহীর মুণ্ডমালা ও তানোর; পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর, নাটোরের সিংড়া, নওগাঁ ও ধামইরহাট; বগুড়ার শিবগঞ্জ, ধুনট, নন্দীগ্রাম, গাবতলী এবং কাহালু।
 
বিভাগীয় কমিশনার প্রথমে মুণ্ডমালা পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র সাইদুর রহমান, কেশরহাটের শহিদুজ্জামান শহিদ, কাহালুর আবদুল মান্নান, গাবতলীর সাইফুল ইসলাম, নন্দীগ্রামের আনিসুর রহমান, ধুনটের এজিএম বাদশা, শিবগঞ্জের তৌহিদুর রহমান মানিক, ধামইরহাটের আমিনুর রহমান, নওগাঁর নজবুল হক, সিংড়ার জান্নাতুল ফেরদৌস ও রহনপুরের মতিউর রহমান খানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
 
এরপর বিভাগের এই ১২ পৌরসভার ৩৯ জন সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলরকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শেষে এসব পৌরসভার ১১৭ জন সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে শপথ করানো হয়।
 
শপথবাক্য পাঠ করানো শেষে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘পৌরসভা স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের চেয়েও এটি বড়। কিছু পৌরসভা অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হলেও সীমিত সম্পদ নিয়ে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।’
 
পৌরসভা নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে গত ৩০ জানুয়ারি রাজশাহী বিভাগের এই ১২ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বুধবার নবনির্বাচিতরা শপথ গ্রহণ করলেন। তাদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের রাজশাহী বিভাগের পরিচালক মো. জিয়াউল হক ও উপপরিচালক ড. চিত্রলেখা নাজনীন উপস্থিত ছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/ মজুমদার 

 

আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর