Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ জুন, ২০১৯ ১২:৫৩
আপডেট : ১২ জুন, ২০১৯ ১৬:১২

ডিপ্লোমেটিক ব্রিফিং

'মিয়ানমার যতই মিথ্যা বলুক রোহিঙ্গাদের ফেরাতে হবে'

কূটনৈতিক প্রতিবেদক

'মিয়ানমার যতই মিথ্যা বলুক রোহিঙ্গাদের ফেরাতে হবে'

বিদেশি কূটনীতিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবুল মোমেন বলেছেন, মিয়ানমার যতই মিথ্যা বলুক রোহিঙ্গাদের ফেরাতে হবে। তিনি বলেন, মিয়ানমার যে রিপোর্টগুলো বলছে, বিভিন্ন লোক দিয়ে তৈরি করছে, সবগুলো ডাহা মিথ্যা। এগুলো পৃথিবীর কেউ বিশ্বাস করে না। 

গতকাল বুধবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই ব্রিফিং এর আয়োজন করা হয়। ব্রিফিংয়ে ঢাকায় থাকা বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, হাইকমিশন ও আবাসিক কার্যালয়ের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার ও হেড অব চ্যান্সারিরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিং শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আবুল মোমেন বলেন, আমরা আমাদের অবস্থান তাদের (কূটনীতিকদের) জানিয়েছি। এবং তারা একবাক্যে বলেছেন, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। আমরা তাদের বলেছি, আপনারা মিয়ানমারে যান, রাখাইনে যান। সহায়ক পরিবেশ যাতে তারা তৈরি করে, তার জন্য চাপ আরো আরও বৃদ্ধি করেন। মোটামুটিভাবে তারা সবাই রাজি হয়েছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইদানীং (রোহিঙ্গাদের মধ্যে) কিছুটা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হচ্ছে। এটা আমরা অনেক দিন ধরেই আঁচ করেছিলাম যে এই বিরাট সংখ্যক লোক যদি পড়ে থাকে, তাহলে তাদের সন্ত্রাসী তৎপরতা বাড়ার আশঙ্কা আছে। এ জন্য মিয়ানমারকে আবার জোর দিয়ে বলব, তোমরা তোমাদের কথা রাখো। লোকগুলোকে নিয়ে যাও।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা আমাদের প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। তারা আমাদের বন্ধু। তাদের নিয়েই আলোচনার মধ্যে নিয়মের মধ্যে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া দরকার। কিন্তু এইরকম ডাহা মিথ্যা আমরা কেমন করে কত হজম করতে পারি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা ফিরে যাক এটাই আমরা চেয়েছি। বরং মিয়ানমার বারবার কথা দিয়েও তাদের কথা রাখছে না। আমরা তাদের সঙ্গে অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছি। গত বছরের জানুয়ারি থেকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন শুরু হওয়ার কথা ছিল। দুই বছরের মধ্যে এটা শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু সেটা হয়নি। তারপরে বলা হলো ২০১৮ সালের নভেম্বরে তারা শুরু করবে। সেটাও হয়নি। গত কিছুদিন আছে মিয়ানামারে চতুর্থ যৌথ সম্মেলনে গেলাম, তখন আমরা খুব আশাবাদী ছিলাম। বোধ হয় প্রক্রিয়াটা শুরু হলো। তা হয়নি।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন/ফারজানা

 


আপনার মন্তব্য