শিরোনাম
প্রকাশ : ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০৯:০৭
আপডেট : ১২ নভেম্বর, ২০১৯ ১৩:০৩

তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা

অনলাইন ডেস্ক

তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায় এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ নামক স্থানে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে তূর্ণার চালক সিগনাল অমান্য করায়।

মন্দবাগ স্টেশনের মাস্টার জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, তূর্ণার চালক তথা লোকো মাস্টারকে ট্রেন থামানোর জন্য আউটার ও হোম দুই স্থানেই লাল বাতি সংকেত দেওয়া হয়েছিল। কিন্ত চালক ট্রেন দাঁড় করাননি বলেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তূর্ণার যাত্রী কাজী ফজলে রাব্বী সকালে বলেন, ভয়াবহ ঝাঁকুনির পর ট্রেন থেমে যায়। তারপর তিনি নেমে দেখেন ভয়াবহ দৃশ্য।

কর্মকর্তারা জানান, উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথার মধ্যে এ সংঘর্ষ ঘটে চলন্ত অবস্থায়। উদয়নকে লুপ বা সাইড লাইনে যখন পাঠানো হচ্ছিল তখন এর পেছনের তিনটি বগি মূল লাইনে থাকতেই ঢাকাগামী তূর্ণা চলে আসে এবং এ  সংঘর্ষ ঘটে।

জানা গেছে, তূর্ণা নিশীথা ট্রেনকে মন্দবাগ রেল স্টেশনে দাঁড়ানোর জন্য সিগন্যাল দেওয়া হয়। ওই সিগন্যালে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস প্রধান লেন থেকে ১ নম্বর লাইনে যেতে শুরু করে। ট্রেনটির ছয়টি বগি ১ নম্বর লাইনে উঠতে পেরেছিল। অন্য বগিগুলো প্রধান লেনে থাকা অবস্থায় তূর্ণা নিশীথা সিগন্যাল অমান্য করে। তূর্ণা নিশীথার একাধিক বগি ওই ট্রেনের কয়েকটি বগির ওপর উঠে যায়। এতে উদয়নের তিনটি বগি দুমড়ে মুচড়ে লাইন থেকে ছিটকে যায়। নিহত ১৫ জন সবাই উদয়নের যাত্রী ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য