শিরোনাম
প্রকাশ: ২০:৫৪, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বাংলাদেশ প্রতিদিন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা

হৃদরোগ সচেতনতায় বাঁচবে প্রাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন ভার্সন
হৃদরোগ সচেতনতায় বাঁচবে প্রাণ

দেশে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসা ব্যবস্থা আগের তুলনায় উন্নত হলেও অনেক সময় সচেতনতার অভাবে দেরিতে শনাক্ত হচ্ছে রোগ। তাই শুধুমাত্র চিকিৎসা নয়, হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানো ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসা খরচের বোঝা নিরসনে স্বাস্থ্যবীমা চালু করতে হবে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ প্রতিদিন আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এসব কথা বলেন। আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবসকে সামনে রেখে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় বাংলাদেশ প্রতিদিন অফিসের ইডব্লিউএমজিএল সম্মেলন কক্ষে এ গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

‘হৃদরোগ চিকিৎসা : প্রেক্ষাপট বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই গোলটেবিল বৈঠকে সহযোগিতা করেছে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল এবং বসুন্ধরা মেডিকেল সিটি।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক মন্জুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন টিএমএসএস’র প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী, এস রহমান গ্রুপ ও এস রহমান প্রোপার্টিজের চেয়ারম্যান এস এম সাহিদুর রহমান, ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিফ কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ, টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন, ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিফ ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. খন্দকার কামরুল ইসলাম, টিএমএসএস’র উপ-নির্বাহী পরিচালক রোটারিয়ান ডা. মো. মতিউর রহমান, টিএমএসএস হার্ট সেন্টারের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মজিবর রহমান এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. চেঙ্গীশ খান। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের যুগ্ম সম্পাদক মাহমুদ হাসান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান বলেন, ‘দেশে হৃদরোগের চিকিৎসার পর্যাপ্ত ঘাটতি রয়েছে। সেসব ঘাটতি পর্যালোচনা করেই আমাদের প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। কীভাবে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায় সেদিকে আমাদের বেশি নজর দিতে হবে। আমাদের চিকিৎসা সেবায় সমস্যার তুলনায় সমন্বয়ের অভাব বেশি। সংকট নিরসনে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বয় তৈরি করা জরুরি।’

গোলটেবিল বৈঠকে ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘রিপোর্ট দেখার জন্য ডাক্তাররা যে ফি নেয় আমি তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কেননা আধুনিক চিকিৎসা নীতি অনুসারে রোগ অনুসন্ধান করা ডাক্তারের দায়িত্ব। এটার জন্য আলাদা ফি নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিপোর্ট দেখাতে ডাক্তারকে কোনো টাকা দিতে হয় না। যদি আগে কেউ নিয়েও থাকে তবে আজকে থেকে ইউনিভার্সেল মেডিকেলে এটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করবো।’

অনুষ্ঠানে টিএমএসএস এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. হোসনে আরা বেগম বলেন, ‘জেনারেল ফিজিসিয়ান (জিপি) প্রক্রিয়া সক্রিয় করা হলে মানুষ যথাযথ চিকিৎসা সেবা পাবে। রেফারেল সিস্টেম চালু করা খুব দরকার। স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনেও এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার কঠোরভাবে এই নীতির প্রতিফলন ঘটাতে পারলে মানুষের চিকিৎসা ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব।’

এস রহমান গ্রুপ ও এস রহমান প্রোপার্টিজের চেয়ারম্যান এস এম সাহিদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের স্বপ্ন, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এখানে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সিটি গড়ে তোলা। একই কমপ্লেক্সে থাকবে শতাধিক চিকৎসকের চেম্বার, আধুনিক ল্যাব, কনসালটেশন সেন্টার এবং হোলসেল মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মার্কেট। এতে মানুষ সহজেই স্বনামধন্য চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।’

ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিফ কার্ডিয়াক সার্জন অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘হৃদরোগ প্রতিরোধের দিকে জোর দেওয়া জরুরি। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করা সুষম খাদ্য গ্রহণ করা (কার্বোহাইড্রেট ও অতিরিক্ত চর্বি এড়িয়ে চলা), ধূমপান পরিহার করা নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়াম করা।’

টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘হার্টকে সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। পাশাপাশি দুঃশ্চিন্তা, সিগারেট ও মদপান থেকে বিরত থাকতে হবে। এগুলো নিশ্চিত করা গেলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটা কমে যাবে।’

ইউনিভার্সেল কার্ডিয়াক হাসপাতালের চিফ ক্লিনিক্যাল ও ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট অধ্যাপক ডা. খন্দকার কামরুল ইসলাম বলেন, ‘জীবন একটা, হৃদপিণ্ডও একটা। হৃদরোগের নানা ধরন আছে, তবে সবচেয়ে বিপজ্জনক হলো ‘করোনারি আর্টারি ডিজিজ’, যেখানে রক্তনালী ব্লক হয়ে হার্ট অ্যাটাক হয়। এই অবস্থায় প্রথম ৯০ মিনিট  অনেক গুরুত্বপূর্ণ।’

টিএমএসএস’র উপ-নির্বাহী পরিচালক রোটারিয়ান ডা. মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৩০-৩৫ শতাংশই হচ্ছে অসংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে। হৃদরোগের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে তরুণরা। তবে যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।’

টিএমএসএস হার্ট সেন্টারের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মজিবর রহমান বলেন, ‘প্রতি বছর বিশ্বে দুই কোটি মানুষ হৃদরোগে মারা যায়, যার ৮০ শতাংশ প্রতিরোধযোগ্য। খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে অনেক হার্টের সমস্যা এড়ানো সম্ভব। স্বাস্থ্য বীমা ও প্রাথমিক স্ক্রিনিং বাড়ালে আমরা আরও বেশি জীবন বাঁচাতে পারব।’

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. চেঙ্গীশ খান বলেন, ‘হার্ট মানে কেবল হৃদপিণ্ড নয়, হৃদয়ও। ডাক্তাররা সাধারণত হৃদপিণ্ডের চিকিৎসা করেন, কিন্তু যদি হৃদয়ের দিকে মনোযোগ দেন, হৃদরোগ অনেক কমানো সম্ভব। একজন রোগী যখন একটা মেডিকেল সেন্টারে ঢুকবেন সঙ্গে সঙ্গে তিনি যেন একটা স্বাস্থ্য বীমার আওতায় অটোমেটিক চলে আসেন।’

বিডি প্রতিদিন/এমআই
 

এই বিভাগের আরও খবর
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
বেশি আলু খেলে গ্যাসের সমস্যা হয়?
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোক হেলথকেয়ারে মতবিনিময় সভা
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে ৪ শিশুর মৃত্যু
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
এইডস রোগীও স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
একদিনে হাম সন্দেহে চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও চার জনের মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম
দেশকে সিঙ্গাপুর বানাতে চাই না, বাসযোগ্য করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

এই মাত্র | মন্ত্রীকথন

রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট
রাতে চলাচলে প্রক্টর অফিসের নীতিমালা পোস্ট, সমালোচনায় ডিলিট

৩ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
দেশের সব বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

৫ মিনিট আগে | জাতীয়

কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা
কালিয়াকৈরে বসুন্ধরা শুভসংঘের নতুন কমিটির আয়োজনে সচেতনতামূলক সভা

২৪ মিনিট আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম
মার্কিন হামলার পরও সিরিক বন্দরে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি: ইরানি গণমাধ্যম

৩০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি
হবিগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত করল বিজিবি

৩২ মিনিট আগে | চায়ের দেশ

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো
তীব্র তাপপ্রবাহে নাকাল ইউরোপ, এসি বিক্রিতে লাভবান এশিয়ার কোম্পানিগুলো

৫০ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৫৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার
দৌলতপুর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের
অনভিবাসী ভিসাধারীদের উদ্দেশে নতুন সতর্কবার্তা মার্কিন দূতাবাসের

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা
বাঞ্ছারামপুরে মাদকবিরোধী দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা
আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ
শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সবুজে সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে আনন্দ মোহন কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩
ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৩

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও
স্বর্ণের পর বাড়লো রুপার দামও

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের
ইসরায়েল-লেবানন চুক্তির ১৪ দফা রূপরেখা প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মৌলভীবাজারে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফল উৎসব

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি
সোনাগাজীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি

১ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন
মোংলা নদীতে ফেরি চলাচলের উদ্বোধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২
কুমিল্লায় মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
নিরাপদ সড়ক ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

২ ঘণ্টা আগে | বসুন্ধরা শুভসংঘ

বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?
বাড়লো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা
বর্ষার প্রভাবে ঢাকার বায়ুমানে উন্নতি, দূষণে শীর্ষে জাকার্তা

২ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৮২৯৭  বাংলাদেশি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ

২ ঘণ্টা আগে | কৃষি ও প্রকৃতি

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও
দোষী হলে সিয়ার ফাঁসি চান তার বাবা-মাও

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল
বিসিবির অর্থায়ন বন্ধে আইসিসির দ্বারস্থ আমিনুল

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?
দুবাই কবে বেনজীরকে ফিরিয়ে দিচ্ছে?

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?
স্পেন-উরুগুয়ে ম্যাচেই মিলবে উত্তর, নকআউটে কার মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড?

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা
পর্যটন ভিসা চালুর খবরে কলকাতায় স্বস্তির হাওয়া, যা বলছেন ব্যবসায়ীরা

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান
আসিমকে হত্যার কথিত পরিকল্পনা ঘিরে বিতর্ক, কী বলছে পাকিস্তান

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?
ইরানি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি ঘাঁটি সরিয়ে নিচ্ছে আমেরিকা?

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার
রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

১৭ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত
প্রথমবারের মতো ‘অপারেশন সিন্দুর’-এ নিহত সেনাদের নাম প্রকাশ করল ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৪৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক