শিরোনাম
প্রকাশ : ২৭ নভেম্বর, ২০২০ ১১:১০
প্রিন্ট করুন printer

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সফলতা আসে: বাহাউদ্দিন নাছিম

অনলাইন ডেস্ক

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সফলতা আসে: বাহাউদ্দিন নাছিম

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গতি সঞ্চারিত হয়েছিল। বাংলাদেশের মানুষ আরো বেশি জাগরিত হয়। দেশের মানুষকে সংঘবদ্ধ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সফলতা আসে। শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ গোটা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ ও জাগরিত করেছে। স্বৈরাচারের পতনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছে। এই দিনটি গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং গণতান্ত্রিক চেতনা সমৃদ্ধ বাংলাদেশের মানুষকে সবসময় প্রেরণা যোগাবে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে অবস্থিত শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলনের সমাধিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সফলতা লাভ করেছিল। বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে, গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমৃদ্ধ করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশ পরিচালিত হোক সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। আমি মনে করি এই গণতান্ত্রিক আন্দোলন ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি একদিন বাংলাদেশের গণতন্ত্র আরো উন্নত হবে। ধর্মান্ধ এবং উগ্রবাদী প্রতিক্রিয়াশীল শক্তির পতনের মাধ্যমে আমরা আমাদের অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাবো।

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৫২
প্রিন্ট করুন printer

৪০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

৪০তম বিসিএসের ফল প্রকাশ
প্রতীকী ছবি

সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেছে। আজ বুধবার বিকালে পিএসসি এই ফলাফল প্রকাশ করে।

এতে পাস করেছেন ১০ হাজার নয়শ ৬৪ জন। পাস করা ওই প্রার্থীরা এখন মৌখিক পরীক্ষা দেবেন। প্রায় এক বছর পর এই ফলাফল প্রকাশ করল পিএসসি। ফলাফল পিএসসির ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে।

ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন...

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৩৪
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৭
প্রিন্ট করুন printer

ভ্যাকসিন নিয়ে রুনু বললেন ‘জয় বাংলা’

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্যাকসিন নিয়ে রুনু বললেন ‘জয় বাংলা’

রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের এক নার্সকে করোনার টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে প্রথম সবার আগে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহণের পর সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেন।

এর পর পর্যায়ক্রমে চিকিৎসক হিসেবে প্রথম টিকা নেন মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. আহমেদ লুৎফর মবিন, তারপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য দিদারুল ইসলাম এবং সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরান হামিদ। টিকা নেওয়া শেষে প্রত্যেকে জয় বাংলা স্লোগান দেন।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার পর রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে তিনি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপরই নিবন্ধনের জন্য অনলাইন ‘সুরক্ষা’ প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন দেশব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে আর বাধা থাকলো না। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে দেশব্যাপী ব্যাপকহারে এ কার্যক্রম চলবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০৩
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:৪৬
প্রিন্ট করুন printer

প্রথম টিকা নিলেন যারা (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রথম টিকা নিলেন যারা (ভিডিও)
দেশের ইতিহাসে প্রথম করোনা টিকা নিয়েছেন রুনু বেরোনিকা কস্তা। ছবি : জয়শ্রী ভাদুড়ী।

দেশে প্রথম করোনার টিকা নিয়েছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু ভেরোনিকা কোস্তা। এরপর আরও চারজন এই টিকা গ্রহণ করেছেন। তারা হলেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আহমেদ লুৎফুল মোবেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মতিঝিল বিভাগের ট্রাফিক সার্জেন্ট মো. দিদারুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ আর্মির ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম ইমরান হামিদ। 

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার পর রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে তিনি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপরই নিবন্ধনের জন্য অনলাইন ‘সুরক্ষা’ প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন দেশব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে আর বাধা থাকলো না। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে দেশব্যাপী ব্যাপকহারে এ কার্যক্রম চলবে।

ভিডিওটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৫
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৮
প্রিন্ট করুন printer

ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

অবশেষে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) ভ্যাকসিন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার পর রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে তিনি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এরপরই নিবন্ধনের জন্য অনলাইন ‘সুরক্ষা’ প্ল্যাটফর্ম খুলে দেওয়া হয়েছে। এখন দেশব্যাপী ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে আর বাধা থাকলো না। ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখ থেকে দেশব্যাপী ব্যাপকহারে এ কার্যক্রম চলবে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর প্রথম টিকা নেন হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রুনু বেরোনিকা কস্তা। এরপর পর্যায়ক্রমে চিকিৎসক হিসেবে প্রথম টিকা নেন মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. আহমেদ লুৎফর মবিন, তারপর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য দিদারুল ইসলাম এবং সেনা বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরান হামিদ।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের কর্তব্য। যখন অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা টিকা আসলো, আমরা বললাম যত দ্রুত এই টিকা নেওয়া যায়। আমি ১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিলাম ভ্যাকসিন কেনার জন্য।

তিনি আরও বলেন, ‘কিছু মানুষ ভালো না লাগা রোগে ভোগে। তার বলে দেশে ভ্যাকসিন আসবে কি না, এই টিকা কার্যকর হবে কি না। দেশে সমালোচনার লোক দরকার আছে। তারা যত সমালোচনা করেছে আমরা তত অনুপ্রাণিত হয়েছি।’

যারা ভ্যাকসিন নিতে এসেছেন তাদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা আশা করি এর মাধ্যমে করোনা ভাইরাস থেকে দেশের মানুষ রক্ষা পাবে। দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তারা এগিয়ে না আসলে এত কিছু করা সম্ভব হতো না। যারা করোনায় মারা গেছেন তাদের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করছি।’

বিডি-প্রতিদিন/শফিক


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১২:৫৩
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ ১৬:৩৯
প্রিন্ট করুন printer

এইচএসসি’র ফল: শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দিয়ে গেজেট প্রকাশ

অনলাইন ডেস্ক

এইচএসসি’র ফল: শিক্ষা বোর্ডগুলোকে ক্ষমতা দিয়ে গেজেট প্রকাশ

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এ কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত, প্রকাশ ও সনদ বিতরণের ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডগুলোকে দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।

মঙ্গলবার রাতে এ বিষয়ে তিনটি গেজেট জারি করা হয়।

এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ পরামর্শক কমিটির সুপারিশ মোতাবেক নয়টি সাধারণ বোর্ডের সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে এই ক্ষমতা দেয় সরকার।

এতে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯ ভাইরাসজনিত কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় এ সংক্রান্ত আইনগুলো সংশোধন করা হয়েছে।

ওইসব সংশোধিত আইনের ক্ষমতাবলে এ সংক্রান্ত গঠিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডগুলোকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, ফলাফল প্রস্তুত আছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ফলাফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।

পরীক্ষা ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২১’ ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’, ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১’ গেজেট আকারে জারি করে সরকার।

আইনগুলো সংশোধন হওয়ায় এখন বিশেষ পরিস্থিতে মহামারী, দৈব দুর্বিপাকের কারণে বা অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনও পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দিয়ে কোনও বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ দেওয়ার নির্দেশ জারি করতে পারবে।

গত বছরে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল।

প্রতিবছর ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এবার করোনা মহামারীর কারণে বাতিল করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে এবারের ফল।

অন্যদিকে, আইনে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের বিধান থাকায় তা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশের বিধান যুক্ত করতে হয়েছে। গত রবিবার জাতীয় সংসদে তা পাস হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির সম্মতিও আসে ওই দিন রাতে।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর