Bangladesh Pratidin || Highest Circulated Newspaper
শিরোনাম
প্রকাশ : রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ টা
আপলোড : ২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০

রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম

সাহায্য সংস্থাগুলোর ব্যয়সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সাহায্য সংস্থাগুলোর ব্যয়সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের দাবি

রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় পাওয়া তহবিল ও আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালন ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সুশীলসমাজ। একইসঙ্গে প্রাপ্ত তহবিলের কত অংশ রোহিঙ্গাদের জন্য আর কত অংশ সংস্থাগুলোর প্রধান কার্যালয় বা মাঠ পর্যায়ে তাদের পরিচালনায় খরচ হয়েছে এ বিষয়েও তথ্য প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ইন্টিগ্রেশন অব গ্র্যান্ড বারগেন কমিটমেন্টস অ্যান্ড লোকালাইজেশন : এইড ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড সলিডারিটি অ্যাপ্রোচ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব দাবি তুলে ধরা হয়। অক্সফাম ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতায় ‘কোস্ট ট্রাস্ট’ আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক মুখ্যসচিব পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল করিম। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কোস্ট ট্রাস্টের মো. মজিবুল হক মনির। আলোচনায় অংশ নেন এনজিও ব্যুরোর মহাপরিচালক কে এম আবদুুস সালাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জাতিসংঘ উইংয়ের মহাপরিচালক নাহিদা সোবহান, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সাপো, আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) বাংলাদেশ প্রধান জর্জ জিওগারি, ইউএনএইচসিআরের বাংলাদেশ প্রতিনিধি পাপা কাইসমা সিলা, অক্সফামের প্রতিনিধি গ্লোবাল লোকালাইজেশন ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্য অনিতা কাট্টাখুজি, কক্সবাজার সিএসও অ্যান্ড এনজিও ফোরাম কো-চেয়ার আবু মুর্শেদ চৌধুরী, এডাবের পরিচালক জসিম উদ্দীন, ডিজাস্টার ফোরামের গওহর নঈম ওয়ারা ও কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর এ কে এম মুসা। সঞ্চালনা করেন কোস্ট ট্রাস্টের রেজাউল করিম চৌধুরী। মূল প্রবন্ধে বলা হয়, রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থাগুলো এ পর্যন্ত ৬৮২ মিলিয়ন ডলার তহবিল পেয়েছে। তাতে রোহিঙ্গাদের মাথাপিছু প্রায় ৫৭ হাজার টাকা বরাদ্দ এসেছে। সেই তহবিলের কত অংশ রোহিঙ্গাদের জন্য ব্যয় হয়েছে আর কত অংশ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রধান কার্যালয় বা মাঠ পর্যায়ে তাদের পরিচালনায় খরচ হয়েছে সেই তথ্য প্রকাশ করা উচিত। কারণ এ বিষয়ে প্রশ্ন ওঠায় এর মধ্যে আন্তর্জাতিক এনজিও এবং জাতিসংঘ অঙ্গসংস্থাগুলো তাদের পরিচালন ব্যয় কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সভায় নঈম গওহর ওয়ারা বলেন, ‘অস্বস্তিকর হলেও আমাদের প্রশ্নটা তুলতে হবে যে, দাতা সংস্থাগুলো রোহিঙ্গাদের নামে কত টাকা সংগ্রহ করেছে।’


আপনার মন্তব্য