শিরোনাম
প্রকাশ : সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ১৩ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:১৪

ছোট্ট তাসফিয়াকে বাঁচাতে বাবা-মায়ের আকুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

ছোট্ট তাসফিয়াকে বাঁচাতে বাবা-মায়ের আকুতি

ছোট্ট তাসফিয়া। বয়স প্রায় আড়াই বছর। একটু একটু করে যার বেড়ে ওঠার কথা, অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলার কথা, ঠিক তখনই সে যুদ্ধ করছে জীবন রক্ষার। তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। সে এখন প্রতিনিয়ত ব্যথা সহ্য করে বেঁচে আছে। আর্থিক অনটনের কারণে পরিবারের সদস্যরা তাসফিয়ার চিকিৎসা করাতে পারছেন না। চিকিৎসকরা তাসফিয়ার পরিবারকে জানিয়েছেন, তাকে বাঁচাতে হলে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু ব্যয়বহুল সেই চিকিৎসার খরচ বহন করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের সুভীভরট গ্রামের তফাজ্জল হোসেন ও নার্গিস বেগম দম্পতির মেয়ে তাসফিয়া।

তফাজ্জল একটি দোকানের কর্মচারী। তিনি জানান, মাত্র দুই বছর বয়সে তার মেয়ের জ্বর ও সর্দি হয়। তখন প্রয়োজনীয় ওষুধ খাওয়ান পরিবারের সদস্যরা। সে সুস্থ হয়েও ওঠে। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই তাসফিয়ার শরীর ফোলাসহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়। তখন তাকে ময়মনসিংহ শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা করান। কিন্তু অবস্থার খুব একটা উন্নতি হয়নি। বরং একই রোগে কিছুদিন পর পরই আক্রান্ত হয় তাসফিয়া। এক পর্যায় চিকিৎসকরা জানান, তাসফিয়ার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে।

তফাজ্জল জানান, তিনি মেয়ের চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে বসতভিটা, জায়গা-জমি যা ছিল সবই বিক্রি করে দিয়েছেন। কিন্তু কোনোভাবেই তাকে সুস্থ করে তুলতে পারছেন না। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাসফিয়ার দুটি কিডনিই বিকল হয়ে গেছে। তাকে বাঁচাতে হলে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু দরিদ্র তফাজ্জলের পক্ষে মেয়ের চিকিৎসার খরচ বহন করার কোনো সামর্থ্য নেই। আর তাসফিয়ার মা নার্গিস আকতার জানিয়েছেন, মেয়ে এখন সারাক্ষণ কাঁদে আর বলে ব্যথা হচ্ছে। মেয়ের করুণ অবস্থা দেখে তিনি শুধু চোখের জলই ফেলছেন। তাসফিয়ার বাবা ও মা দুজনেই তাদের মেয়েকে বাঁচাতে দেশের বিত্তশালী ও হৃদয়বান ব্যক্তিদের সাহায্য চেয়েছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- তফাজ্জল হোসেন, বিকাশ নম্বর- ০১৭১৭-৫৭৯৮৫৭। ব্যাংক হিসাব নম্বর- ০২০০০১৩৯০৫৮৬৭, অগ্রণী ব্যাংক, ঈশ্বরগঞ্জ শাখা। 


আপনার মন্তব্য