শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০১৫

বীর মুক্তিযোদ্ধা চাষী নজরুল ও বাবুল হকের মহাপ্রয়াণ

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
বীর মুক্তিযোদ্ধা চাষী নজরুল ও বাবুল হকের মহাপ্রয়াণ

সরকার এবং বিরোধী দলের লাগাতার অবরোধে নতুন বছরের এ ক'দিনে মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি- যারা ছোটখাটো কাজ করে খায় তাদের জীবন দুর্বিষহ। যাদের বড় বড় কারবার, তাদের অবস্থাও গুরুচরণ। সেদিন এক ব্যবসায়ীর কাছে শুনলাম, চট্টগ্রাম থেকে মালপত্র আনতে প্রতি ট্রাকে ২০ হাজার টাকা অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে। সঙ্গে আবার অঙ্গীকার করতে হচ্ছে, রাস্তায় মালামাল জ্বলেপুড়ে খাক হয়ে গেলে পরিবহন কর্তৃপক্ষ দায়ী হবে না। প্রতিদিন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আকাশছোঁয়া মূল্য তো আছেই, সেদিকে কারও কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। যাদের এক মিথ্যা কথায় আসমান ভেঙে পড়তে পারে, তাদের কথায় সত্য খুঁজতে দুরবিন লাগে। ৩ জানুয়ারি থেকে বেগম খালেদা জিয়া বন্দী। সরকার বলছে, তার চলাফেরায় বিধিনিষেধ নেই। অথচ একদিকে ইট-বালু-পাথরের গাড়ি, অন্যদিকে পুলিশের জলকামান, সারি সারি শত শত মহিলা পুরুষ পুলিশ- মানুষ কোনটা সত্য বলে বিশ্বাস করবে? চোখে দেখা, নাকি নেতা-নেত্রীদের বলা? একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী তার কথা হবে লোহার লাকির, লক্ষণ রেখা। সরকার চালাতে গিয়ে নিশ্চয় কলাকৌশল করবেন। তবে চোখে দেখা মিথ্যা বলে মানুষের মনে কেন আঘাত দেবেন? মানুষ তাদের রাষ্ট্রীয় কর্ণধারদের সৎ এবং পবিত্র দেখতে চায়। মিথ্যা বললে পবিত্রতা থাকে কোথায়? ঢাকা এক যানজটের শহর, উদ্দেশ্য করে কাউকে কোথাও যেতে দিতে না চাইলে ফেরানোর কত পথ আছে। কিন্তু ক্যামেরায় মানুষ যা দেখছে তার বিপরীত বললে দেশবাসী বিশ্বাস করবে কী করে? অমন অসত্য নিজের ছেলে-মেয়েরাও বিশ্বাস করবে না। আজ ৪-৫ দিন এ নিয়ে একটা লম্বা বিশ্লেষণ করতে চেয়েছিলাম। ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি আহত বেগম খালেদা জিয়াকে ফোন করলেই কী, আর না করলেই কী? খোঁজ নিলে কতটা লাভ, আর না নিলে কতটা ক্ষতি? বলতে চেয়েছিলাম, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, সত্তরের ওপর বয়স যার তাকে তো তার বয়সের একটু লেহাজ করতে হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও তো প্রাক্তন হতে পারেন। তেমন হওয়ার পরও আল্লাহ যদি তাকে বাঁচিয়ে রাখেন তাকেও কী এমন অপমান-অপদস্থ হতে হবে? দেশের মানুষ কিন্তু তেমন চায় না। দেশের মানুষ চায়, তারা শান্তিতে থাকুন, নিরাপদে থাকুন। যুবরাজ তারেক রহমান যেভাবে স্বাধীনতা নিয়ে, স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কথাবার্তা বলছেন তাতে সবাই মর্মাহত। যে কারণে এমন একটা সংঘাতপ্রবণ আন্দোলনে দলীয় নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণ নেই, সাধারণ মানুষের সাড়া নেই। আজকাল রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ মানুষের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতি খুব একটা তোয়াক্কা করে না। অথচ পানি ছাড়া যেমন মাছ বাঁচে না, জনগণের সমর্থন ছাড়া রাজনীতি চলে না। যেহেতু কোট-প্যান্ট, টাই-টুই পরা রাজনৈতিক নায়ক-নায়িকারা তিন দশক যাবৎ সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে, লুটপাট করছে- তাই সাধারণ নেতা-কর্মীরা দেখতে চায়, আগে নেতারা নামুক, তারপর তারা নামবেন। শিল-পাটায় ঘষাঘষি মরিচের জান ক্ষয়ের মতো সাধারণ মানুষ আর আগ বাড়িয়ে এগুতে চায় না। তাতে শক্তিমানদের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। আমরা কোনো এক অন্ধকার গহ্বরের দিকে এগিয়ে চলেছি যা কেউ বলতে পারছি না।

এসব চিন্তা নিয়ে যখন লিখতে বসব, ঠিক তখন খবর এলো প্রিয় সাথী বাবুল হক ইহলোক ত্যাগ করেছে। একটু পরই খবর পেলাম দেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম আর নেই। চাষী নজরুল পাকিস্তানের সময়ই ২-৪টি ছোটখাটো কাজ করেছেন। কিন্তু স্বাধীনতার পরপরই 'ওরা এগারো জন' পরিচালনা করে স্বাধীন দেশের টগবগে রক্তের যুবকদের দৃষ্টি কেড়েছিলেন। বড় সজ্জন মানুষ ছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর সময় আমরা একটু বড় ছিলাম, তিনি খানিকটা ছোট ছিলেন। কিন্তু ইদানীং খুবই নামকরা মানুষ ছিলেন। কিন্তু আমার সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছিলেন ভাইয়ের মতো। কোনো কাজ নেই, কর্ম নেই- সেই সিলেটের সুনামগঞ্জের হাওরে শুটিং করতে গেছেন, সেখান থেকে ফোন, 'ভাই কেমন আছেন? শাহ আবদুল করিমের এখানে শুটিং করতে এসেছি। আপনার কথা মনে পড়ল তাই ফোন করলাম।' রাত ১২টা, ১টায় ফোন, 'কেমন আছেন? দোয়া করবেন।' কত অনুষ্ঠানে কতবার দেখা হয়েছে। সজ্জন মানুষ হারিয়ে গেলে বুক বড় বেশি খালি খালি লাগে।

আমার বাবুল হক চাষী নজরুলের মতো বিখ্যাত ছিল না। কিন্তু এক দারুণ কর্মবীর ছিল। আমার পাড়ায়ই তার বাস। তারা ৪-৫ ভাই। মুক্তিযুদ্ধের আগে বাবুল হককে খুব ভালো করে জানতাম না। ওর বড় ভাই জিন্নাহ আমার সঙ্গে প্রাইমারি স্কুলে পড়ত। আদু ভাই হয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, তাই জিন্নাহও আমার থেকে ২-৩ বছরের ছোট ছিল। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বাবুল হক হাসপাতালে ছিল, সেখানেই সে প্রাণত্যাগ করেছে। বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের যেদিন সূচনা হয়, সেদিন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে গিয়েছিলাম। আর সেদিন গিয়েছিলাম বাবুল হকের কবরের সময়। তার পরিবারের লোকজন আসার আগে বিশাল কবরস্থানের পাশ দিয়ে যখন ঘুরছিলাম, তখন বারবার মনে হচ্ছিল সব মানুষের এখানেই শেষ ঠিকানা। '৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যার এক প্রতিরোধ সংগ্রামী জগলুল পাশা সকালেই ফোন করে বাবুল হকের মৃত্যুর সংবাদ দিয়েছিল। জানাজায় শরিক হতে না পারলেও বাবুলের মুখটা শেষবার দেখার ইচ্ছায় গিয়েছিলাম মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। কবরে নামানোর আগে যখন শুকনো মুখ দেখলাম তখন বুকের ভিতর ছ্যাৎ করে উঠেছিল। বাবুল হকের অমন মুখ আমি দেখিনি। সবকটি দাঁত পড়ে গেছে। চাপা ভাঙা, উপর আর নিচের পাটি ফাঁকা। চোখে কয়েক ফোঁটা পানি এসেছিল কিন্তু তা আমি মাটিতে পড়তে দেইনি। গামছায় ভিজিয়ে নিয়েছিলাম। যখন ফিরে আসছিলাম পা চলছিল না, বুকের ভিতর উথাল-পাতাল কত স্মৃতির আলোড়ন উঠেছিল।

১৯৭১-এর সেপ্টেম্বর, চারদিকে হানাদার কামানের গর্জন। ওই সময় এক রাতে দেলদুয়ারের লাউহাটিতে ব্যারিস্টার শওকত আলী খানের বাড়ি গেছি। তার চাচাতো ভাই কামাল খান লাউহাটির চেয়ারম্যান। তাদের বাড়ির সামনের বিরাট মাঠে ব্রিগেডিয়ার ফজলুর রহমান ট্রেনিং দিচ্ছেন। এক অসাধারণ উন্নত ট্রেনিং। সেখানেই হঠাৎ বাবুল হকের সঙ্গে দেখা। প্রথম প্রথম তাকে আমার কাছে আসতে দেয়নি। পরে কীভাবে যেন ফজলুর রহমানের অনুমতি নিয়ে এসেছে। সেই যে '৭১-এ কাছে আসা, কত ঝড়, তুফান, ঘূর্ণি গেল কেউ আর তাকে দূরে সরাতে পারেনি। গতকাল মৃত্যু তাকে নিয়ে গেছে। আশরাফুজ্জামান রতন, বাবুল তালুকদার কাদেরিয়া বাহিনীর ছবি তুলত, থানাপাড়ার বজলুর রহমান কুতুব পরে ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে মারা গেছে। সে জি সাহার স্টুডিওতে রাতভর প্রিন্ট করে মুক্তিবাহিনীর হেডকোয়ার্টারে ছবিগুলো পৌঁছে দিত। সে দলের সঙ্গে বাবুল হককেও যুক্ত করা হয়। এর পর আর কিছু বলতে হয়নি। সামাদ গামার মটর প্লাটুন, আজিজ বাঙালের বেতার বিভাগ, খোরশেদ আলম আর.ও., হামিদুল হক বীরপ্রতীক, আউয়াল সিদ্দিকী ও ওসমান গনির খাদ্য বিভাগ, শাহজাদা চৌধুরী, নিশি রঞ্জন সাহা, আমজাদ মাস্টার, শুকুর মাহমুদের হাসপাতাল, আনোয়ারুল আলম শহীদ, কবি রফিক আজাদ, বুলবুল খান মাহবুব, ফারুক আহমেদ, সৈয়দ নুরু, শওকত মোমেন শাজাহান, আব্দুল্লাহর প্রচার এবং রণাঙ্গন যেভাবে আপন গতিতে চলেছে তার চেয়েও দ্রুত চলতে শুরু করে কাদেরিয়া বাহিনীর চিত্রগ্রহণ বিভাগ। স্বাধীনতার পর বাবুল হক কত দুর্লভ ছবি তুলেছে। ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২ বঙ্গবন্ধু নিজে টাঙ্গাইল গিয়ে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় ফটোগ্রাফাররা যেসব ছবি তুলেছিল তারচেয়ে ভালো মূল্যবান ছবি তুলেছিল বাবুল হক, আশরাফুজ্জামান রতন এবং নাগর আলী। স্বাধীনতার পর কাদেরিয়া বাহিনীর একটি বিরাট প্রতিনিধি দল ভারত সফরে গিয়েছিল। মেঘালয়ের তুরা, আসামের ধুবরী, পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহার, জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি, মালদা আলীপুর দুয়ার, বর্ধমান হয়ে কলকাতা পর্যন্ত প্রতিটি অনুষ্ঠান এমন নিখুঁতভাবে কভার করেছিল, যে কেউ দেখলে বিস্মিত হতো। '৭২-এর এপ্রিল-মে তে বঙ্গবন্ধুর চিঠি নিয়ে ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে দিলি্ল গিয়েছিলাম। আমরা ছিলাম তিনজন। ব্যক্তিগত সহকারী শামসুদ্দিন আহমেদ বালু মোক্তার এমপি আর ক্যামেরায় বাবুল হক। আজমীরের তারাঘর, পুস্করের ব্রহ্মা মন্দির, আগ্রার তাজমহল, ফতেপুর সিক্রি, কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম, বোলপুর বা শান্তি নিকেতন- কোথায় যাইনি, আর কোথায় বাবুল হক ছবি তুলেনি! দিনগুলো মোটামুটি ভালোই চলেছিল। বাবুল হকের নিষ্ঠায় কোনো খুঁত ছিল না। হঠাৎই '৭৫-এর ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির ওপর নেমে আসে এক মহাবিপর্যয়। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে এক কাপড়ে প্রথমে ঘর এবং পরে দেশছাড়া হই। কয়েক দিন পরেই বাবুল হক গিয়ে হাজির হয়। প্রতিরোধ সংগ্রাম চলতে থাকে। সিলেটের ফারুক এবং বাবুল হক ছায়ার মতো অনুসরণ করে। এক রাতে এক রাশিয়ান এসএমজি পরখ করতে গিয়ে মিসফায়ারে বাবুল হকের হাতে এবং ফারুকের পায়ে গুলি লাগে। ওরা দুজনই গুরুতর আহত হয়। আল্লাহ আয়ু দিয়েছিলেন তাই সে যাত্রায় বেঁচে যায়। কিন্তু তারা কখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়নি। হাতের ব্যথায় বাবুল সব সময় কাতর থাকত। '৮০-র দিকে বাবুল হক দেশে ফিরে। ক্যামেরায় খুব ভালো ছিল। তাই বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনুষ্ঠান ধারণ করত। বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বঙ্গবন্ধুর প্রিয় ও আমার সমর্থক হওয়ায় অনেকের কাছে সম্মান পেত, আবার অনেকের কাছে অপমান। এ করেই চলছিল। '৯০-এ এরশাদের পতনের পর আমি যখন দেশে আসি তখনো সে টিভিতে কাজ করত। ঢাকা বিমানবন্দর, ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধুর বাসভবন, টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার কবর জিয়ারত- এসব কর্মসূচিতে ছায়ার মতো ছিল।

নানা ঘাত-প্রতিঘাতের পর '৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। যারা কারা নির্যাতন ভোগ করেছে, কষ্ট করেছে, তারা অনেকেই কিছুটা সম্মান আশা করেছিল। কিন্তু কেন যেন তা তারা পায়নি। বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হয়েই কেমন যেন হয়ে যান। ব্যক্তিগতভাবে যতটা মেলামেশা করেছি, যতটা জেনেছি তাতে কখনো তাকে খারাপ মানুষ মনে হয়নি। কিন্তু তারপরও স্বাধীনতা যুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্যরা এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ যুদ্ধে জাতীয় মুক্তিবাহিনী কেমন যেন এক মারাত্দক প্রতিহিংসার শিকার হয়। '৭৫-এ বঙ্গবন্ধু নিহত হলে আমি তার প্রতিবাদ করায় কাদেরিয়া বাহিনীর প্রায় সবাইকে পালিয়ে বেড়াতে হয়। মুক্তিযোদ্ধা বলে গর্ব করবে তো দূরের কথা, রাজাকার আলবদরের মতো মুখ লুকিয়ে চলতে হতো। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় এসে মুক্তিযোদ্ধাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বলে এক বয়ান দেন। কিন্তু তখনো কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হতে পারেনি। মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম লেখাতে গেলেই বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামী বলে আসামি করা হতো। ভেবেছিলাম, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে কাদেরিয়া বাহিনীর সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত হতে আর কোনো সমস্যা থাকবে না। কিন্তু আমার সমস্যা কখনো দূর হয়নি, বরং আরও কঠিন হয়েছে। আমাকে আড়াল করার জন্য কতজনকে সামনে আনা হয়েছে। কাদেরিয়া বাহিনীকে যেমন, ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধ সংগ্রামীদেরও খণ্ড বিখণ্ড করে একজনের বিরুদ্ধে আরেকজনকে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছে। কায়েমি স্বার্থবাদীরা পুরো সফল না হলেও অনেককেই ক্ষতবিক্ষত করতে পেরেছে। আর সব থেকে বিস্ময়ের ব্যাপার, এসব কাজে কম-বেশি শত্রুরা বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রীকে তাদের পক্ষে পেয়েছে।

মনটা একেবারেই ভালো না। হাত এবং মন কোনোটাই চলছে না। এমন অতি আপনজন চলে গেলে কার তেমন ভালো লাগে? বয়স হয়ে গেছে, কখন চলে যাব জানি না। তাই কাউকে বিব্রত করতে খুব একটা মন চায় না। বিশেষ করে অতীতের কষ্টকর জীবনের কথা শুনিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ভারাক্রান্ত করতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু তবু বাবুল হকের কবরের পাশ থেকে ফিরতে গিয়ে কেন যেন বারবার মনে হচ্ছিল, একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বাবুল হক সারা জীবন বাংলাদেশ টেলিভিশনে চিত্রগ্রহণ করল। কতবার বলার পরও তার স্কেল বাড়ল না বা উন্নতি হলো না। জানি, বড় কিছু করতে হলে ছোট ছোট অনেক কিছু ছাড়তে হয়। তবু কেন যেন বুকের ভেতর থেকে উথলে আসা বেদনা চেপে রাখা যায় না। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর জনাব মালেক উকিল বলেছিলেন, ফেরাউনের হাত থেকে দেশ মুক্তি পেয়েছে। সেই মালেক উকিলের ছেলে খেলন বাংলাদেশ টেলিভিশনের সর্বেসর্বা হতে পারল অথচ বাবুল হক সিনিয়র স্কেল পেতে পারল না। বুকের ভেতরের গুমরে মরা কান্নাগুলো বেরিয়ে এলে কী করার আছে? বীর মুক্তিযোদ্ধা চাষী নজরুল এবং বাবুল হকের আত্দার মাগফিরাত কামনা করছি। দয়াময় আল্লাহ তাদের পরিবার-পরিজনকে এই শোক সইবার শক্তি দিন -আমিন।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়