শিরোনাম
প্রকাশ: ০২:৪২, শনিবার, ২১ জুন, ২০২৫

সেলাই করা খোলা মুখ

গরিবি হটাও, গরিব নয়

মোফাজ্জল করিম
অনলাইন ভার্সন
গরিবি হটাও, গরিব নয়

কথাটা রূঢ় শোনালেও বলতেই হয়, ঢাকা শহরে আজকাল ভিক্ষুকের উপদ্রব অনেক বেড়ে গেছে। রাস্তাঘাটে, হাটবাজারে তো বটেই, এমনকি পাড়া-মহল্লায়ও হাজির হচ্ছে তারা।

আমাদের ছেলেবেলা পঞ্চাশের দশকে উত্তরবঙ্গের এক জেলা শহরে শুধু শুক্রবারে অর্থাৎ জুমাবারে, দেখতাম ভিক্ষুকরা পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে লোকের বাসায় গিয়ে ভিখ মাগত। তাদের কেউ কেউ, বিশেষ করে অন্ধ ভিক্ষুকরা, সুর করে গান করত আর ভিক্ষা চাইত।

সেই সব অন্ধজনের সঙ্গে থাকত একজন চক্ষুষ্মান পুরুষ, যে ছিল তার দেহরক্ষী-কাম-গাইড ও ‘ক্যাশিয়ার’। মেয়ে ভিক্ষুকরাও দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করে বেড়াত, তবে তাদের মধ্যে কোনো অন্ধ মহিলা ছিল বলে মনে পড়ে না। তা রাস্তাঘাটেই হোক আর পাড়ান শহরটি যে ভিক্ষুকদের জন্য ‘আউট অব বাউন্ডস’ ছিল তা নয়।

আসলে তখন সারা পূর্ববঙ্গের লোকসংখ্যাই ছিল কত? এই ধরুন, ছয় কোটি-সাড়ে ছয় কোটি। আর বগুড়া, পাবনা, রংপুর বা দিনাজপুরের মতো শহরে ২০-২৫ হাজারের বেশি লোক বাস করত কি না সন্দেহ। সেখানে ভিক্ষুক তার ভিক্ষাবৃত্তির জন্য শুক্রবারকেই নির্দিষ্ট করে রেখেছিল। আর তা-ও রাস্তাঘাটে নয়, পাড়া-মহল্লায় দ্বারে দ্বারে গিয়ে আল্লাহ-রসুলের নাম নিয়ে গৃহবাসীদের আহবান জানাত দান করে পুণ্য সঞ্চয়ের জন্য।

দাতা বা দাত্রী সেই উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে সচরাচর যা দান করতেন, তা টাকা-পয়সা নয়—এক মুঠো চাল, যার বাজারমূল্য বলতে কিছুই ছিল না। তখন উত্তরবঙ্গে এক মণ (৩৭.৫ কেজি) চালের দাম ছিল ৮-১০ টাকা বা তারও কম। অবিশ্বাস্য। সে যা-ই হোক, সেই আমলে ভিক্ষা চাওয়ার সিস্টেমটা উল্লেখ করলাম এই কারণে, যাতে হাল আমলের অপেক্ষাকৃত তরুণ পাঠক-পাঠিকা আজ থেকে ৭০-৮০ বছর আগে শহরের রাস্তাঘাট কেমন ভিক্ষুকের উপদ্রবমুক্ত ছিল, তা বোঝানোর জন্য। আসলে সেই আমলে দেশের মোট জনসংখ্যা যেমন আজকের তুলনায় ছিল অর্ধেকেরও কম, তেমনি ফকির-মিসকিনও ছিল কম।

এখন রাস্তায় লালবাতি জ্বলতে দেখে আপনার ড্রাইভার গাড়ি থামানোর সঙ্গে সঙ্গে আতুর-ল্যাংড়া-অন্ধ, এমনকি সুস্থদেহী ভিক্ষুকরা, শিশু-কিশোররা এসে গাড়ির ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে। সেই আমলে এত গাড়িও ছিল না, ভিক্ষুকের ভিড়ও ছিল না মোটেই। দিন যত গড়িয়েছে, দেশের লোকসংখ্যাও তত বেড়েছে। সেই সঙ্গে রাস্তাঘাটে, লোকালয়ে সবখানে ভিক্ষুকের সংখ্যাও বেড়েছে হু হু করে। আমরা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ইত্যাদি নিয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলি। সংগত কারণেই গর্ব করি শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি, গড় আয়ু বৃদ্ধি ইত্যাদি নিয়ে। দারিদ্র্যসীমার নিচের মানুষের সংখ্যা দুই-তিন দশক আগে যা ছিল, এখন মাশাল্লাহ তার চেয়ে ম্যালা কম। তেমনি আজ থেকে অর্ধশতাব্দী আগে শিক্ষিতের হার যা ছিল, এখন তা প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। এসবই দেশকে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ঠেলে তুলছে। আমাদের বিদেশি বন্ধুরা এবং দোতাগোষ্ঠী এসব দেখে পিঠ চাপড়িয়ে দেয় আমাদের। আমরা তখন একটা উচ্চাঙ্গের হাসি দিয়ে ক্লাসের ফার্স্ট বয়ের ভূমিকায় অভিনয় করি। কিন্তু সচিবালয় থেকে বেরিয়ে সেই বিদেশি মেহমান সোনারগাঁও, ইন্টারকন্টিনেন্টাল বা র‌্যাডিসন যাওয়ার পথে রাস্তায় যে বারবার ভিক্ষুকদের প্রসারিত হস্ত দ্বারা আক্রান্ত হন, তার হিসাব মেলাবেন কিভাবে? আমরা মনে করি, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প কিংবা মেট্রো রেল দেখিয়ে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দেব। হয়তো তা হতেও পারে। কিন্তু পরক্ষণেই যখন তারা হাড়-জিরজিরে কঙ্কালসার মূর্তিগুলোকে দেখবে তাদের গাড়ির গতি রোধ করে হাত বাড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তখন তাদের মনে ধন্দ লাগবে : তাহলে এটাই কি আসল বাংলাদেশ?

গত ৫০ বছরে দেশ যথেষ্ট এগিয়েছে, এটা অস্বীকার করলে সত্যের অপলাপ হবে সন্দেহ নেই। বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচক অন্তত তা-ই বলে। কিন্তু সেই উন্নয়ন কি সমাজের সব শ্রেণির মানুষকে সমানভাবে স্পর্শ করেছে? নিশ্চয়ই না। যদি করত, তাহলে গত বছরের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে এত বড় বৈষম্যবিরোধী সফল আন্দোলন হতো না। তুমি খাবে কোরমা-পোলাও-কোপ্তা, আর আমার পাতে সামান্য ডাল-ভাতও পড়বে না, তুমি শোবে শাদ্দাদের বেহেশতের মতো হর্ম্যোপরি, আর আমার শীত-গ্রীষ্ম বারো মাস কাটবে ফুটপাতে, এ জন্যই কি একাত্তরে লাখ লাখ মানুষ শহীদ হয়েছিল? স্বাধীনতার পর দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী ধরে এসব প্রশ্নের জবাব খুঁজেছে এ দেশের ‘সাইলেন্ট মেজরিটি’। জবাব পায়নি। ফলে আমাদের চোখের সামনে বেড়েছে বঞ্চিত মানুষের সংখ্যা। গ্রামের একদা সম্পন্ন গৃহস্থ আণ্ডাগণ্ডাসহ পরিবার-পরিজন নিয়ে পাড়ি দিয়েছে শহরে, সেখানে বাড়িয়েছে ছিন্নমূল নিরন্ন নিরাশ্রয় মানুষের সংখ্যা। ভিক্ষার হাত বাড়িয়ে বিরক্তি বাড়িয়েছে আমার, আপনার মতো শহরের সৌভাগ্যের বরপুত্রদের।

বক্তৃতায়-বিবৃতিতে, সভা-সেমিনারে এদের নিয়ে কথার তুবড়ি ফোটানোর শেষ নেই। কেউ যদি বলে এটা সুবিধাভোগীদের কুম্ভীরাশ্রু, লোক-দেখানো মায়াকান্না, তাহলে কি খুব একটা ভুল হবে? নিশ্চয়ই না। আমাদের রাজনৈতিক নেতারা, বুদ্ধিজীবীমহল দরিদ্র অসহায় মানুষদের নিয়ে কথার তুবড়ি ফোটাতে যতটা ওস্তাদ তার সিকি ভাগও যদি তাঁরা তাঁদের কাজের মাধ্যমে বঞ্চিত সহায়-সম্বলহীন মানুষদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য ব্যয় করতেন, তাহলে গত ৫০ বছরে এ দেশের চেহারায় অনেক খোলতাই লক্ষ করা যেত। রাস্তায় বড়লোকদের গাড়ি থামলেই ভিক্ষুক শ্রেণির মানুষদের পঙ্গপালের মতো ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখা যেত না।

অথচ বিগত অর্ধশতাব্দীজুড়ে নেতা-পাতি নেতাদের মুখে কত বড় বড় বুলি শোনা গেছে দেশের ভাগ্যোন্নয়নের ব্যাপারে। কখনো ভোটের ময়দানে, কখনো আঁতেলদের সভা-সমিতিতে। কিন্তু কেউই দেশের অগণিত গরিব-গুবরো, ফকির-মিসকিনদের টেনে তোলার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট প্রকল্প—তা স্বল্প, মধ্য বা দীর্ঘ মেয়াদি যা-ই হোক—গ্রহণ করেননি। তাঁরা সব সময় বিশ্বাস করেছেন, তেলা মাথায় তেল দিলে সামান্য হলেও কিছুটা তেল চুইয়ে চুইয়ে পড়বে চিবুক বেয়ে। আর দেশের নিচতলার মানুষ ওটাই চেটেপুটে খেয়ে মোটাতাজা হবে। কিন্তু এই ‘ট্রিকল ডাউন ইফেক্ট’-এর ধারণা যে কয়েক যুগ আগেই ভুল প্রমাণিত হয়েছে, তা তাঁরা বুঝতে চাননি। এর বিপরীতে ‘টার্গেট স্পেসিফিক’ অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়ে ভিক্ষুক শ্রেণির মানুষগুলোর ভাগ্যের চাকা ঘোরানো যেত ‘স্লোলি বাট স্টেডিলি’। ভিক্ষুক শ্রেণির কর্মহীন মানুষগুলোকে কাজে লাগিয়ে তাদের ভিক্ষুকের হাতকে করা যেত কর্মীর হাত। কিন্তু সে চেষ্টা কেউই করেনি। করবে কী করে, সবাই তো ব্যস্ত ছিল নিজেদের আখের গোছাতে। সেই যে ইংরেজি প্রবাদবাক্য আছে না, ‘মেইক হে হোয়াইল দ্য সান শাইনস’—সূর্যের তাপ থাকতে থাকতে (ধানের আঁটি/গমের আঁটি শুকিয়ে) খড় বানিয়ে নাও। বেশির ভাগ নেতা-নেত্রী চলেছেন ওই পথে, আর তাঁদের চ্যালা-চামুণ্ডারাও তাঁদের দেখানো পথে চলে কেউ হয়েছে আঙুল ফুলে কলাগাছ, কেউ তালগাছ, কেউ বটগাছ।

১৫-১৬ বছরের দুঃস্বপ্নের কাল কেটে দিগন্তে উদিত হয়েছে এক নতুন সূর্য। তারই আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে আমরা বিশ্বাস করি দেশ চলবে ন্যায়-নীতি-সাম্যের পথে, চির ভাস্বর গণতন্ত্রের পথে। ১৭-১৮ কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের গণতন্ত্র আসবে দেশে, সমাজের নিচতলার চির অবহেলিত, চির বঞ্চিত মানুষগুলোর ভিক্ষুকের হাত হবে কর্মীর হাত। ভিক্ষুক বলে আর কাউকে অপমানিত-নিগৃহীত হতে হবে না এই স্বপ্নের দেশে।

শেষ করার আগে আজকের লেখার শিরোনাম নিয়ে দুটি কথা বলা প্রাসঙ্গিক হবে মনে করি। এটি বলতে পারেন একটি ধার করা শিরোনাম। প্রবীণ পাঠক-পাঠিকাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তাঁর দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার লক্ষ্যে ‘গরিবি হটাও’ স্লোগান দিয়ে বেশ কিছু কর্মকাণ্ড শুরু করেছিলেন। তবে তাঁর সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তিনি আশানুরূপ ফল লাভ করতে পারেননি। এদিকে বিরোধী রাজনীতিবিদরা চাউর করতে শুরু করলেন : আরে এটা গরিবি হটাও না, গরিব হটাও আন্দোলন। ইন্দিরা আর তাঁর কংগ্রেস পার্টি দেশ থেকে গরিব-গুবরোকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করার জন্য এই প্রোগ্রাম নিয়েছে।

বাংলাদেশেও সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো আন্দোলন বা কর্মকাণ্ড শুরু হলে তার বিরুদ্ধাচরণ কেউ করলেও করতে পারে। কিন্তু সেই সম্ভাবনার কথা ভেবে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলে তো চলবে না। উদ্দেশ্য মহৎ হলে তো অবশ্যই কাজ করতে হবে। ঠিক কি না?

ছোটগল্পের সংজ্ঞায় সেই যে ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’-এর কথা বলেছেন না কবিগুরু, আজকের এই লেখাটিও সেই ‘শেষ হইয়াও হইল না শেষ’-এর ফাঁদে পড়েছে দেখছি।

শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণের মহৌষধের কথাই তো বলা হয়নি। সেটি কী? সেটি আর কিছু নয়, ইসলামের ‘জাকাত’ প্রদান ব্যবস্থা। এটি কোনো মুসলিম দেশে যথাযথভাবে চালু হলে সে দেশে দারিদ্র্য শূন্যের কোঠায় নেমে আসতে বাধ্য। তবে সে ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে দেশের সরকারকে। সরকার শুধু হজব্যবস্থা ঠিকঠাকমতো পরিচালনা এবং নিজেদের পছন্দমতো কিছু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান দেওয়ার জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয় নামক একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়কে কর্মহীন করে রাখার মানে হয় না। ওই মন্ত্রণালয়েই ‘জাকাত অধিদপ্তর’ নামে একটি অতি প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কথা ভেবে দেখা যেতে পারে।

লেখক : সাবেক সচিব, কবি

[email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট

৩ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

২২ মিনিট আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৪৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

৫১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

২ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৪ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

৬ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১২ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৭ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২২ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৭ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

২৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়