শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১৫

কলকাতার চিঠি

যা কখনো ঘটেনি তা ঘটিয়েছেন মমতা

সুখরঞ্জন দাশগুপ্ত
অনলাইন ভার্সন
যা কখনো ঘটেনি তা ঘটিয়েছেন মমতা

২০১৪ সাল পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ সময়। স্বাধীনতার আগে বা পরে যা কখনো ঘটেনি তা ঘটিয়ে ফেলেছে পশ্চিমবঙ্গের মমতা সরকার। তালিকা দীর্ঘ। তাই সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে হতভাগ্য পশ্চিমবঙ্গের জনগণ পরিবর্তনের নামে পেয়েছে একটি দুর্নীতিপরায়ণ সরকার। দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশের মাটিতেও পৌঁছে গেছে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির কথা। আর এসবই হয়েছে তৃণমূলের মা-মাটি-মানুষের সরকারের প্রধানের রাজত্বে। রাজ্যের মানুষ সম্পূর্ণ দিশাহারা, কোন পথে যাবেন তারা। তারা যে আশা নিয়ে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন সে আশা হতাশায় পরিণত হয়েছে। বিগত শতকের নয়ের দশকের শেষ দিকে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে হাত ধরে বিজেপিকে এ রাজ্যে নিয়ে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার পর এ রাজ্যেও বিজেপির বাড়বাড়ন্ত হওয়ায় সে দিদিমণিই ঘাবড়ে গেছেন। তাদের সঙ্গে ঘর করার সুবাদে তিনি দ্রুত বুঝতে পেরেছেন বিজেপির উদ্দেশ্য কী। তিনিও তার পাল্টা হিসেবে ভোটব্যাংক তৈরির জন্য '৭১ সালের পর বাংলাদেশ থেকে যেসব রাজাকার এ রাজ্যে ঢুকেছে তাদের নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টার কসুর করেননি। কেন্দ্রে বিজেপি সরকার আসার পর তার এই চেষ্টা ধরা পড়ে গেছে। ২০১৪ সালই ছিল মমতার পক্ষে এক কঠিন চ্যালেঞ্জ। মন্ত্রী থাকাকালীন দুর্নীতির দায়ে জেলে গেছেন তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রী। তবুও এখনো পর্যন্ত কাউকে তিনি দল থেকে তাড়াননি। বরং প্রকাশ্যে তাদের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন।

২০১৪ সালের উল্লেখযোগ্য ঘটনার মধ্যে আছে বর্ধমান কাণ্ড, সারদাকাণ্ড। বর্তমানে তার দলের চার সাংসদ দুর্নীতির দায়ে জেল খাটছেন। ঘটনার বিরাম নেই। যে বছরটি সদ্য শেষ হলো সে বছরে ধর্ষণ, খুন, লুট, জমি দখল, শিক্ষক পেটাও- সব মিলিয়ে বাঙালিকে কোণঠাসা করে রেখেছিল। ভারত সরকার থেকে বারবার সতর্ক করে দিয়ে বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের জামায়াত ও জেএমবি সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগসূত্র রয়েছে। এ সুযোগটি পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছে বিজেপি। নয়ের দশকের শেষ দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিজেপিকে এ রাজ্যে নিয়ে এলেন সে সময় প্রয়াত জ্যোতিবসু বলেছিলেন, মমতার সব সহ্য করা যায়, কিন্তু এ রাজ্যে বিজেপিকে নিয়ে আসা রাজ্যের মানুষ ক্ষমা করবেন না।

কার্যত জ্যোতিবাবুর কথার সত্যতা আজ এ রাজ্যের মানুষ হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন। বিজেপি যতটা না ক্ষতিকর তার চেয়েও বেশি ক্ষতিকর সংঘ পরিবার। সংঘ পরিবার গত সাত আট মাসে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি ব্লকে তাদের শাখা খুলে ফেলেছে। আর তাতে মদদ দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসই। রোজই তৃণমূল থেকে দলে দলে লোক যোগ দিচ্ছে বিজেপিতে। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুটি আসন পায়। চার শতাংশ থেকে তাদের ভোট বেড়ে হয় ১৬ শতাংশ। উপনির্বাচনেও তারা সীমান্ত এলাকায় একটি আসন দখল করে। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি নিম্নগামী। এমন দিন নেই লুট-খুন-ধর্ষণের খবর প্রথম পাতায় থাকে না। মমতা ঢাকঢোল পিটিয়ে প্রচার করেছিলেন তার সরকার সংখ্যালঘুদের জন্য বহুমুখী পরিকল্পনা নিয়েছে। কার্যক্ষেত্রে দেখা গেল কেন্দ্রীয় সরকার গত বছর সংখ্যালঘু উন্নয়নের জন্য ২০০০ কোটি টাকা দিয়েছিল। মমতা সরকার তার ৫০ ভাগ টাকাই ফেরত পাঠিয়েছে খরচ না করতে পেরে।

গত লোকসভা ভোটে ধাক্কা খাওয়ার পর চুপ করে বসে নেই বামপন্থিরাও। পিছিয়ে নেই কংগ্রেসও। রাজনৈতিক মহল মনে করে সাম্প্রদায়িক শক্তি বিজেপি এবং দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে রুখতে সিপিএম তথা বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেস আগামী দিনে একই সঙ্গে হাঁটবে। প্রস্তাবটা প্রকাশ্যে এসেছে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য গৌতম দেবের মুখ থেকে। একটু পেছনের দিকে তাকালে দেখা যাবে ১৯৫২ সাল থেকে কংগ্রেসের স্বাভাবিক বন্ধু বামপন্থিরা। নেহরু এবং ইন্দিরা উভয়ই সোভিয়েতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলেছেন। ১৯৬৯ সালের নির্বাচনে ইন্দিরা গান্ধী একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাননি তখন বামপন্থিরাই দক্ষিণপন্থিদের হাত থেকে দেশকে বাঁচানোর জন্য ইন্দিরাকে সমর্থন করেছিলেন। ১৯৯১-৯৬ পিভি নরসিমা রাওয়ের সরকারকেও বামপন্থিরা বাইরে থেকে সমর্থন করেছিল। সিপিএম পলিটব্যুরোর অনেক সদস্যই মনে করছেন বিজেপির উগ্র হিন্দুত্ববাদ এবং তৃণমূলের সন্ত্রাসবাদকে রোখার জন্য কংগ্রেস ও বামপন্থিদের কাছাকাছি আসতেই হবে।

মমতার কাজকর্মে চমকের অভাব নেই। সম্প্রতি তিনি ঘোষণা করেছেন ৫০ হাজার টাকা দিলে তার দলের আজীবন সদস্যপদ পাওয়া যাবে। এতদিন ক্লাবে এই ধরনের আজীবন সদস্যপদের কথা শোনা যেত। কোনো রাজনৈতিক দলের আজীবন সদস্য হওয়ার কথা এভাবে শোনা যায়নি। তার বিরোধীরা সবাই একমত যে, সারদা এবং রোজভ্যালির কোটি কোটি কালো টাকা এভাবেই সাদা করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি হয়তো ভুলে গেছেন, কেন্দ্রে এখন মোদি সরকার ক্ষমতায়। তারা বিভিন্ন এজেন্সিকে দিয়ে খবর সংগ্রহ করা শুরু করে দিয়েছে।

এতদিন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধিতা করার পর এখন তিনি দূত পাঠিয়ে ঢাকায় তাকে আমন্ত্রণ জানানোর বার্তা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরের আগে সীমান্ত চুক্তির জন্য আইন সংশোধন করে নিতে চান। সেই প্রক্রিয়া মার্চের আগে শেষ হবে না। কারণ ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হবে বাজেট অধিবেশন। সীমান্ত চুক্তির বিল পাস হতে হতে মার্চ মাস হয়ে যাবে। এই দেরির জন্য দায়ীও মমতা। ইউপিএ আমলে এই বিল পাস করাতে বারবার বাধা দিয়েছেন মমতা।

এককথায় যে বছরটা চলে গেল সেটি ছিল পশ্চিমবঙ্গের পক্ষে এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা। রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন বা তারাশঙ্করের লাভপুর যে জেলায় সেই বীরভূমে দিনের পর দিন খুন-জখম-ধর্ষণ হয়েই চলেছে। আর কলকাতায় বসে মমতা বলেই চলেছেন কিছুই হয়নি। কিন্তু কলকাতা ছাড়লেই বোঝা যাচ্ছে কী পরিবর্তন ঘটেছে। বহু মানুষ ঘরছাড়া। গ্রামবাংলার কৃষক, শ্রমিক আক্রান্ত। তিনি যে সততার প্রতীক হয়ে বাংলার মন জয় করেছিলেন তা ফাঁস হয়ে গেছে। সারদা কাণ্ড থেকে দলের মেম্বারশিপ- সর্বত্রই তার অসততার ছাপ ফুটে উঠছে।

বিগত বছরে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার আইনশৃঙ্খলা ঠেকানোর নামে বিরোধী দলগুলোর বহু যুবক-যুবতীকে বিনাকারণে বেআইনিভাবে বন্দী করে রেখেছে। এতদিন ঘরে বসে থাকা বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস গত সেপ্টেম্বর থেকে পৃথকভাবে জেলায় জেলায় আন্দোলন শুরু করেছে। তাদের আন্দোলন, দক্ষিণপন্থি বিজেপি ও সন্ত্রাসবাদী তৃণমূলকে রোখার জন্য যে কোনোভাবেই হোক জনগণের কাছে যেতে হবে। গণতন্ত্রে শেষ কথা বলে জনগণ। সেই জনগণ অনেক অত্যাচারিত হয়েছে দার্জিলিং থেকে দীঘা- সর্বত্র। সর্বত্র চরম অরাজকতা মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রাজ্য রাজনীতি নতুন বছরের শুরুতে জমজমাট হয়ে রয়েছে। মমতা যে সবচেয়ে বড় দুর্নীতিপরায়ণ তা মানুষ জেনে গেছেন। অলিগলিতে শোনা যাচ্ছে- মমতা এবং তার দল যেভাবে লুটতরাজ চালাচ্ছে তা ঠেকানোর উপায় কী? ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে তিনি যে আর এগোতে পারবেন না, তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। নতুন বছর কীভাবে যাবে তা নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর।

যেহেতু রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে তাই মমতাপন্থি শিল্পপতিরা তাকে বারবার সতর্ক করছেন- আপনি জমি নীতি নিয়ে অন্য পথে হাঁটবেন না। কেন্দ্র যে অর্ডিন্যান্স এনেছে তা মেনে নিন। কিন্তু এও প্রকাশ্যে এসেছে যে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামে যে আন্দোলনের ভিত্তিতে তিনি ক্ষমতায় এসেছিলেন তাতে মমতা বা তার দলের খুব একটা ভূমিকা ছিল না। বরং বড় ভূমিকা ছিল মাওবাদীদের। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর সেই মাওবাদীদের নেতা কিষেণজিকে সন্ত্রাসবাদ দমনের নামে 'অ্যানকাউন্টার' করিয়ে হত্যা করা হয়। ওই আন্দোলনের সময় কিষেণজি বলেছিলেন- আমি মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই। তার স্বপ্ন হয়তো সত্যি হয়েছে। কিন্তু তিনি আর নেই।

লেখক : প্রবীণ ভারতীয় সাংবাদিক।

 

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়