শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৫

হাসিনা-খালেদার হারজিতের লড়াই!

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
হাসিনা-খালেদার হারজিতের লড়াই!

রাজনীতি সর্বদা রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণের জন্যই হওয়ার কথা। তেমন রাজনীতিতে নীতি থাকে, আদর্শ থাকে, থাকে কল্যাণমুখী কর্মসূচি ও লক্ষ্য। যুগে যুগে, দেশে দেশে স্বদেশ ও স্ব-জাতির সেবা করতে গিয়ে নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদরা অনেকে সীমাহীন ত্যাগ-তিতিক্ষা স্বীকার করেছেন, সর্বস্ব ত্যাগ করেছেন, নিগ্রহ ভোগই শুধু নয়, জীবনও বিসর্জন দিয়েছেন। আমাদের এই উপমহাদেশে, এমনকি আমাদের প্রিয় বাংলাদেশেও এমন গৌরবোজ্জ্বল উদাহরণ অনেক আছে। মানুষ দেখত এবং বিশ্বাসও করত, রাজনীতি সবার জন্য নয়; চরিত্রবান, আদর্শবান, নীতিবান, নির্লোভ ব্যক্তিরাই রাজনীতির মানুষ। রাজনীতির দীক্ষাই হলো দেওয়ার, নেওয়ার নয়। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের আগে ও যুদ্ধ চলাকালেও রাজনীতিতে এই মূল্যবোধসমূহের যথেষ্ট মূল্য ছিল। স্বাধীনতা লাভের পর তা আরও উন্নততর পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। কেন হয়নি সে প্রসঙ্গ অনেক বিস্তৃত ও তিক্ত। আজকের প্রসঙ্গ তা নয়। আমার লেখার পাঠকের সঙ্গে আমার বেশ যোগাযোগ হয়। কখনো কখনো লেখার বিষয় নির্বাচন করি পাঠকের পরামর্শ অনুযায়ী। যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আজকের লেখায় আলোচনা করতে চাইলাম না, পাঠকরা চাইলে পরবর্তী কোনো লেখায় তা নিয়ে নিশ্চয়ই আলোচনা করা যাবে।

দেশের বর্তমান সহিংস রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত ও হতাশ কিছু পাঠক এই সপ্তাহের লেখার বিষয়টি প্রায় নির্দেশই করে দিয়েছেন। তারা বলেছেন, উত্তরাধিকার সূত্রে নেতৃত্বপ্রাপ্ত দুই নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কী করতে চান তা নিয়ে লিখতে। দুই নেত্রী আসলে কী করতে চান, তাদের মনের গোপন বাসনার কথা বলতে পারার মতো দৈবজ্ঞ আমি নই। তবে তারা যা করছেন তার একটা বিশ্লেষণধর্মী মূল্যায়ন যে কোনো সচেতন মানুষই করতে পারেন। প্রথমে স্পষ্ট করে বলতে চাই, দুজনই ক্ষমতার কাঙ্গাল, তাদের রাজনীতির মৌল লক্ষ্যই হচ্ছে ক্ষমতার মসনদ এবং তা নিজের, পরিবারের ও গোষ্ঠী বিশেষের কল্যাণে, দেশ ও জনগণের কল্যাণে নয়। নীতি-আদর্শের যেসব কথা তারা মাঝে মাঝে বলেন ও শোনান, অনেকেই বলেন, জনগণের সঙ্গে তা স্রেফ প্রবঞ্চনা। দুজন নেতৃত্বের সর্বোচ্চ কাঠামোয় উঠে এসেছেন রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সূত্রে নয়, পারিবারিক উত্তরাধিকার সূত্রে। তাদের আচরণে মনে হয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দল দুটি তাদের পারিবারিক সম্পত্তি- তারা এবং তাদের দুই পরিবার দল দুটির মালিক। পরিবারের লোক ছাড়া দলের নেতৃত্ব কাঠামোয় অন্য যারা আছেন, পদ যত বড়ই হোক, আসলে তারা দল মালিকের স্টাফ অফিসার। কাজকর্মে অসন্তুষ্ট হলেই পত্র পাঠ বিদায়। দুই নেত্রী শুরু থেকেই উল্টোপথে হেঁটেছেন। একটা সময় স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনে যখন আমাদের সুশীল সমাজে ব্যারিস্টার ইশতিয়াক আহমদ, অ্যাডভোকেট শামসুল হক চৌধুরী, সাংবাদিক ফয়েজ আহমদের মতো ব্যক্তিদের সর্বজনীন সাহসী নেতৃত্ব ছিল, তারা শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে এক গাড়িতে না হলেও এক সড়কে তুলতে পেরেছিলেন। অনুকূল ফলও এসেছিল। কিন্তু ওই একবারই। আর কখনো তা হয়নি। হওয়ার কোনো লক্ষণও স্পষ্ট নয়।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি রাজনীতির নামে যে জঘন্য নোংরামি জাতি প্রত্যক্ষ করেছে তাতে দেখা গেছে, শাসক লীগ ও লীগ সরকার গণতন্ত্রের যে মেকি খোলসটি পরেছিল তাও খুলে ফেলে একেবারে উলঙ্গ হয়ে গেছে। বিএনপিসহ তার জোট সহযোগীদের কাছ থেকে গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগের সংবিধান স্বীকৃত সব সুযোগ কেড়ে নেওয়ায় তারাও হিংসাশ্রয়ী লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছে। ৫ জানুয়ারি লীগ সরকার 'গণতন্ত্র রক্ষা দিবস' ও বিএনপি-জামায়াত জোট 'গণতন্ত্র হত্যা দিবস' পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। ২০ দলীয় জোট সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শাপলা চত্বর এবং নয়াপল্টন- এই তিন জায়গার যে কোনো একস্থানে সভার অনুমতি চেয়েছিল। তারা অনুমতি পায়নি। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সভার অনুমতি পেয়েছিল শাসক লীগ। তারপর ৪ জানুয়ারি রাত বাড়ার পর থেকে বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ের সামনে সরকার তার বিভিন্ন বাহিনী দিয়ে কী ন্যক্কারজনক কাজ করেছে দেশ-বিদেশের মানুষ তা প্রত্যক্ষ করেছে। শত শত পুলিশ-র‌্যাব, ইট-বালির ট্রাক এবং গেটে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখাই নয়, বেগম জিয়ার প্রতি পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করার মতো বর্বর আচরণও দেখেছে সবাই। বেগম জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত জোট এখন নির্দলীয়-নিরপেক্ষ একটি সরকারের অধীনে দ্রুত গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায় এবং এই মুহূর্তে চায় সংলাপ ও সমঝোতা। শেখ হাসিনা বেগম জিয়াকে জবাব দিয়েছেন অবরুদ্ধ করে, তার চোখে পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করিয়ে এবং বিএনপি-জামায়াত ও কাজী জাফরের জাতীয় পার্টির নেতা-নেত্রীদের নির্বিচারে গ্রেফতার করে। অর্থাৎ শেখ হাসিনা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি যে একতরফা নির্বাচন করেছেন, দেশে-বিদেশে প্রশ্নবিদ্ধ সেই নির্বাচনী ফলাফলের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সরকার ২০১৯ সাল পর্যন্ত চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেবেন না তিনি। উন্নয়নের কথা বলে গণতন্ত্রের শর্ত তিনি অগ্রাহ্যই করতে চাচ্ছেন। তিনি কোনো দিকে ভ্রূক্ষেপ না করে হাঁটছেন তার আপন পথে। জনগণকে তিনি তার শক্তির উৎস ভাবছেন বলে মনে হচ্ছে না। সিদ্ধান্তে, আচরণে মনে হচ্ছে পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবি তার শক্তির উৎস।

বেগম খালেদা জিয়াও তার আলাদা পথ বেছে নিয়েছেন অবরোধ কর্মসূচিতে। এ প্রসঙ্গে বলা দরকার, কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন, এ ধরনের কর্মসূচি ঘোষণার জন্য খালেদা জিয়া প্রস্তুত ছিলেন না। সাংবাদিকরা কর্মসূচি নিয়ে বিব্রতকর প্রশ্ন করাতেই নাকি তিনি অবরোধের কর্মসূচি দিয়ে বসেছেন। বিএনপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোনো কোনো নেতাকে উদ্ধৃত করে এমনও বলা হচ্ছে, তারা নাকি জানতেন না এমন কর্মসূচি আসবে, দলের কোনো ফোরামেই নাকি এ ধরনের কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। আমার মনে হয় এমন ধারণা ঠিক নয়। দলের কোনো ফোরামে এ ব্যাপারে আলোচনা না হতে পারে; তবে কর্মসূচি বেগম খালেদা জিয়ার সুচিন্তিত ও পূর্বপরিকল্পিত। এ ব্যাপারে তিনি কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করেছেন বলে মনে হয়। ইতিপূর্বে বেগম জিয়ার সঙ্গে 'ওয়ান-টু-ওয়ান' আলোচনার খবরও ফাঁস হয়ে যাওয়ার খবর মিডিয়ায় এসেছে। এরকম ঘটনা আগে অন্য দলেও ঘটেছে। পঁচাত্তর সালের ২৫ জানুয়ারি বাকশাল প্রথা প্রবর্তনের চতুর্থ সংবিধান সংশোধনীর বিষয় বঙ্গবন্ধু দলের কোনো পর্যায়ে এবং পার্লামেন্টারি পার্টিতেও আলোচনা করেননি আগেই ফাঁস হয়ে যাওয়া বা বিরোধিতার আশঙ্কায়। এবার সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের সিদ্ধান্ত সংবিধান সংশোধনের জন্য গঠিত বিশেষ সংসদীয় কমিটির সদস্যরাও জানতেন না তাদের সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পেশ করার আগ পর্যন্ত। ফাঁস হয়ে যাওয়া বা বিরোধিতার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও হয়তো করেছিলেন। বিএনপি নেতৃত্ব সম্পর্কে ইতিমধ্যে জনগণের একটা বদ্ধমূল ধারণা তো আছেই যে, এরা ভোগবাদী, দুর্নীতিগ্রস্ত এবং হারানোর ভয়ে আন্দোলনবিমুখ। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ইতিপূর্বে বিভিন্ন কমিটির লোকদের সঙ্গে আলোচনা করে কর্মসূচি নেওয়া যায়নি বা নিলেও বেগম জিয়া তার বাসায় পৌঁছার আগেই সব আন্দোলন-কৌশল প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছে গেছে। বোঝা যাচ্ছে, এবার যারা মাঠে থাকবে তাদের সঙ্গেই বেগম জিয়া যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করেছেন। কেউ কেউ এমনও বলতে চান যে, সরকার বিএনপি-জামায়াতের যাদের গ্রেফতার করছে আন্দোলন পরিকল্পনা ও তা বাস্তবায়নের ব্যাপারে তারাও অন্ধকারে। ফলে এসব গ্রেফতারে কার্যকর কোনো ফল পাচ্ছে না সরকার- অর্থাৎ আন্দোলন দমাতে পারছে না।

আন্দোলন সহিংস রূপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে অবরোধে ২ জন নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ চলছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা চরমভাবে ব্যাহত। দূরপাল্লার কোনো গাড়ি চলছে না বললেই চলে। পুলিশ, আনসার, র‌্যাব, বিজিবি পাহারার মধ্যেও অবরোধকারীদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। ফলে যানবাহন মালিক ও শ্রমিক কেউ ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেন না। সারা দেশ থেকে রাজধানী প্রায়-বিচ্ছিন্ন। সরকার একদিকে বলছে, জনগণ বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে, আবার বলছে পণ্য চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় পণ্যমূল্য বাড়ছে। বলছে, প্রতিদিন অর্থনীতির ক্ষতি হচ্ছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ অবরোধ হচ্ছে। শাসক জোটের এক নেতা অবরোধকারীদের বুকে গুলি চালানোর কথা বলেছেন, আবার বিজিবিপ্রধান বলেছেন আরও ভীতিকর কথা। তারপরও বিএনপি নেত্রী কর্মসূচিতে অনড়। এই আন্দোলনে তাৎপর্যপূর্ণ একটি বিষয় হচ্ছে, বিএনপি-জামায়াত ভুল বোঝাবুঝি কমে আসছে। এর আগে জোটের কর্মসূচিতে জামায়াতের অংশগ্রহণ ছিল খুবই নগণ্য। কিন্তু এই অবরোধ কর্মসূচিতে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। বিএনপিকে মাঠে পেয়ে তারা আরও সাহসী হয়ে উঠেছে। বিএনপি-জামায়াত সম্পর্ক নিয়ে বিএনপির অনেক সমর্থক-শুভানুধ্যায়ীর মধ্যে যে প্রশ্ন ছিল তারাও মত বদলাতে শুরু করেছেন। তারা তখন বলছেন, সরকার বিএনপিকে যেভাবে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে 'মুসলিম লীগ' বানিয়ে দিতে চাইছে, এই সময়ে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির দ্বন্দ্বটা গৌণ, লীগ সরকার ও শাসক লীগের সঙ্গে দ্বন্দ্বটাই প্রধান। প্রধান দ্বন্দ্বের মীমাংসাটাই আগে হওয়া দরকার।

পরিস্থিতিটা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে, এক পক্ষ আরেক পক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার আগুন নিয়ে খেলছে। বিশেষ করে শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার পারস্পরিক হিংসা, ঈর্ষা ও ক্রোধ এমনই মনে হয় যে, এই হিংসার অনলে তারা দুজন তো জ্বলছেনই, তাতে পুড়ছে দেশ, জ্বলছে সমগ্র জাতি। দুই দলের বিরোধ এখন রূপান্তরিত হয়েছে দুই নেত্রী এবং দুই পরিবারের বিরোধে। রাজনীতি ব্যক্তি ও পরিবারতন্ত্রের অক্টোপাসে আবদ্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই দল থেকেই গণতন্ত্র চর্চা, আদর্শ ও দর্শনের চর্চা বিলীন হয়ে গেছে। রাজত্ব ও সাম্রাজ্য রক্ষার জন্য তো আদর্শবাদী লোকের প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন 'লাঠিয়ালের'। ফলে দুই দলেই অনুপ্রবেশ ঘটেছে অরাজনৈতিক ব্যক্তি, অসাধু ব্যবসায়ী, কালো টাকার মালিক, অবসরপ্রাপ্ত আমলা এবং পেশিবাজদের। বড় বড় দল এই শ্রেণির লোকজনের দখলে চলে যাওয়ায় আদর্শবাদীরা হয় বিতাড়িত নতুবা কোণঠাসা। রাজনীতিতে ঢুকেছে দুর্বৃত্তায়ন ও লুণ্ঠন সংস্কৃতি। এই অবস্থা থেকে দুই দল ও রাজনীতিকে মুক্ত করতে চেয়েছিলেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া ও লীগ নেতা আবদুর রাজ্জাক, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ, সুলতান মনসুর, মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ। দুর্বৃত্তদের সঙ্গে যুদ্ধে তারা হেরে গেছেন। রাজনীতিতে এখন রাজনীতিবিদদের কর্তৃত্ব নেই। দুই দলে দুই নেত্রীর দানবীয় প্রভাব দেশে প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাজনীতির সব সম্ভাবনা বিনাশ করে দিচ্ছে। এ অবস্থার পরিবর্তন দরকার।

দেশে এখন রাজনীতির নামে যা চলছে এর অবসান হওয়া দরকার। এটা কারও কাম্য নয়। তবে এ পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য সাধারণ মানুষও এখন সরকারকেই দায়ী করছে। ৫ জানুয়ারির পর সরকার বিএনপি-জামায়াতের সামনে সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনীতির কোনো পথই খোলা রাখেনি। তাদের সামনে কোনো বিকল্পই এখনো দেখা যাচ্ছে না। বিদেশি বন্ধুরা আবার মাঠে নেমেছে শান্তির অন্বেষণে। শান্তি কী আসবে? সরকার কী নমনীয় হবে? দুই পক্ষ নমনীয় না হলে মানুষ তো শান্তি, স্থিতি ও অগ্রগতির জন্য বিকল্প খুঁজবে। শেখ হাসিনা এবং বেগম খালেদা জিয়া, কী তা বুঝছেন না?

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট।

ই-মেইল : [email protected]

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়