শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৫

চোখ মুদিলেই প্রলয় থামে না

বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম
অনলাইন ভার্সন
চোখ মুদিলেই প্রলয় থামে না

সরকারি-বেসরকারি মিলে অবরোধের মনে হয় আজ ১৭ দিন। আর কত দিন চলবে তা পাক পরোয়ারদিগার ছাড়া কেউ জানেন না। সভ্য সমাজে অরাজকতার একটা শেষ থাকে, এখানে তাও নেই। ইতিমধ্যে তুরাগ নদের তীরে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমা মোটামুটি নির্বিঘ্নেই শেষ হয়েছে। লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমানের অংশগ্রহণের ব্যাপারে অবরোধকারীদের কোনো দয়ামায়া দেখা যায়নি, সরকারও নির্বিকার। সরকারের কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন, কোনো আলোচনা নয়। তারা ১৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবেন। কথা বলতে কোনো কর লাগে না, তাই বলতেই পারেন। হানাদাররাও মুক্তিযুদ্ধে শেষ পর্যন্ত জীবন বাঁচাতে আলোচনা করে অস্ত্র সমর্পণ করেছে- সবসময় এমনই হয়। জানি এক সময় অবশ্যই তারা কথাবার্তা বলবেন, নমনীয় হবেন। কিন্তু যখন হবেন তখন পিছু ফিরে দেখবেন দেশের সর্বনাশ হয়ে গেছে। গার্মেন্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, তাদের প্রতিদিনের ক্ষতি কয়েকশ কোটি। সারা দেশে দুই-আড়াই হাজার কোটি টাকা। মানলাম যাদের খুঁটি আছে, তাদের না হয় কোটিতে কিছু আসে যায় না। কিন্তু যারা দিন এনে দিন খায় তাদের কী হবে? যারা রাত-দিন গাধার খাটুনি খেটে সবজি ফলিয়েছে, ২-৪-১০ দিনের মধ্যে তা বিক্রি করতে না পারলে সবই মাটি- তাদের কী হবে? পত্রিকায় পড়লাম, এক বস্তা বেগুনের দাম ২০০ টাকা। যেখানে এক কেজি বেগুন ৪০-৫০ টাকা, সেখানে ৬০-৭০ কেজি যদি ২০০ টাকা হয় কৃষক যাবে কোথায়? ক্ষুদ্র চাষিদের উপায় কী? যারা গাড়ি-ঘোড়ায় কাজ করে জীবন চালায় অবরোধের কারণে তাদের মুখের দিকে তাকানো যায় না। মরা গরু নিয়ে শকুন যেমন কাড়াকাড়ি করে, তেমন দেশবাসীকে নিয়ে রাজনীতির কাড়াকাড়ি, হানাহানি। মানুষ কত কথা বলে, রাস্তায় বেরুলেই লোকজন চেপে ধরে, 'কিছু একটা করুন'। সাধারণ মানুষ তো বলেই, বিশ্ববিদ্যালয়ের কত প্রবীণ প্রফেসর, সাহিত্যিক, সাংবাদিক নানা স্তরের গুণীজনও বলেন। কেউ বুঝতে চায় না। তাদের কী করে বুঝাই, মরার আগে আর আমাদের তেমন কিছু করার নেই। আমরা যত চিৎকারই করি, একদিকে জননেত্রী শেখ হাসিনা, অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়া- কেউ শুনবেন না। একবার মাথায় রক্ত উঠলে কারও কথা কেউ শুনে না। এর আগেও কেউ কখনো কারও কথা শুনেনি। তাই এক্ষেত্রে তেমনটা হবে কেন? কোনো মানুষ যখন প্রথম প্রথম মিথ্যে বলে, তখন যন্ত্রণায় সে ছটফট করে। কিন্তু আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে মিথ্যে বলতে বলতে গা-সওয়া হয়ে গেলে আর কোনো কষ্ট থাকে না। বরং যারা মিথ্যে শুনে, অন্যায় দেখে তাদেরই কষ্ট হয়। আমাদের মহান নেতা-নেত্রীদের ক্ষেত্রেও তেমন হয়েছে। মানুষ কী অবস্থায় আছে সেদিকে কারও ভ্রুক্ষেপ নেই, সবাই আছে নিজের ক্ষমতা নিয়ে। ব্রিটিশকে তাড়াতে যারা জীবন দিয়েছে, পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে একটা রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে যে শহীদরা দেশ স্বাধীন করেছে আজ তাদের সে সব আশাও মিথ্যে হতে চলেছে। পাকিস্তানের ২২ পরিবারের হাত থেকে মুক্তি পেতে বাংলার জনগণ ফুঁসে উঠেছিল। কিন্তু আজ বাংলাদেশে কত পরিবার। কিন্তু প্রতিকারের তেমন কোনো পথ নেই। নিজের জীবন এবং সন্তান-সন্ততির ভূত-ভবিষ্যৎ আগামীকাল কী হবে তা নিয়ে ভাবার সময় পাচ্ছে না। সবাই আশা করে, নিজের যত কষ্টই হোক ভাবি বংশধরদের একটা সুন্দর নিরাপদ জীবন দিয়ে যাবে। কিন্তু সেটা আজ বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক অলীক স্বপ্ন। দেশ ও সমাজ যখন বিশৃঙ্খল হয়, তখন সাধারণ নাগরিকের তেমন কোনো নিরাপত্তা থাকে না। রাস্তাঘাটে মারামারি, হানাহানি, মানুষের প্রতি মানুষের অশ্রদ্ধা, কেউ কাউকে বিশ্বাস না করা- এক মহামারীর আকার ধারণ করেছে। প্রশাসনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই, সমাজের কোনো প্রভাব নেই। যে যেভাবে পারছে সব কেন যেন এক ফ্রি স্টাইল।

নতুন বছরে পুলিশ বিভাগে এক ব্যাপক রদবদল হয়েছে। পুলিশের আইজি, ডিএমপি কমিশনার, র্যাবের ডিজি, বিজিবির অনেকেই নতুন। তাই যা সব শুনছি, গা শিউরে উঠছে। জানতাম এরা প্রায় সবাই আওয়ামী লীগের ভক্ত-অনুরক্ত। কিন্তু এতটা আশা করিনি। উপরের সরকারি কর্মচারীরা সবসময় সরকারের পছন্দের হয়। কিন্তু এত পছন্দের হয় তা আগে জানতাম না বা বুঝতাম না। পুলিশের আইজি যদি সংবিধান নিয়ে কথা বলে তাহলে দেশবাসীর আত্দহত্যা করা ছাড়া উপায় কী? উচ্চপর্যায়ের এই সরকারি কর্মকর্তাদের পদত্যাগ করে এখনই রাজনীতিতে শরিক হওয়া উচিত। এ কদিন তারা যে যা বলেছেন একটাও সরকারি কর্মচারীর কথা নয়, সবই রাজনৈতিক নেতাদের কথা। সরকার হয়তো মনে করছে, পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের এসব কথাবার্তায় তাদের উপকার হচ্ছে। কিন্তু এই কথাবার্তায়ই এক সময় তাদের সর্বনাশ হবে। শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা বলতে পারেন কাউকে গুলি করতে? প্রথমে পায়ে, তারপর বুকে? শুধু এই উদ্যতপূর্ণ কথার জন্যই সভ্য দেশ হলে ভদ্রলোক চাকরি খোয়াত এবং সাজা পেত। পদ্মা সেতুর কাজ শুরু হওয়ার আগেই পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে বিশ্বব্যাংকের এমন অভিযোগে জনাব আবুল হোসেনের মন্ত্রিত্ব যেতে পারে তাহলে এমন দম্ভোক্তির জন্য ওই সব কর্মকর্তার কেন শাস্তি হতে পারে না? অবশ্যই হতে পারে এবং হলে সেটাই হতো যথার্থ। জানি না, এই কর্মকর্তারা বর্তমান সরকারকে কোথায় নিয়ে যাবে?

এদিকে জোট সরকারের শরিক দল জাসদের নেতা মঈনুদ্দিন খান বাদল এখনো এই বুড়ো বয়সে যেভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন, বুকে গুলি করতে বলছেন। এখন ভেবে দেখুন, জোয়ানকালে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে এরা কি-না করেছে। স্বাধীনতার পরপরই জাতির পিতার সরকারকে ব্যর্থ ও ধ্বংস করতে থানায় হামলা, পাটের গুদামে আগুন, প্রকাশ্য জনপদে আওয়ামী নেতাদের খুনখারাবি কোনো কিছু বাদ রাখেননি। অথচ আজ তারাই উপদেশ দিচ্ছেন এবং সেসব উপদেশ অনেকে আবার অলঙ্ঘনীয় বাণী হিসেবে মেনেও নিচ্ছেন। তাই সাধারণ মানুষ রাস্তায় না নামলে আমি তো এর কোনো সমাধান দেখতে পাচ্ছি না।

যখন যেখানেই গায়ের জোরে দেশ চলেছে সেখানেই এমন প্রশ্ন এসেছে, অরাজকতা দেখা দিয়েছে। স্বাভাবিক নিয়মেও হয়তো এ দুঃসময় কেটে যাবে। কিন্তু আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করে এই দুঃসময়ের যাতনা কিছুটা কমাতে পারতাম তাহলে সেটাই হতো আমাদের যোগ্যতা। সংসদ ভবনের মতো নিরাপদ এলাকার আশপাশে গাড়িতে বোমা, কলেজছাত্রী আহত- এ নিয়ে কী আমাদের লজ্জা পাওয়ার কথা নয়? সরকারি আসনে বসে তারস্বরে বললেই কী হবে, বিরোধী দল গাড়িতে বোমা মেরেছে? আন্দোলনকারীদের দমনের জন্য সরকারের হাতে কত মাধ্যম রয়েছে, সেসব যোগ্যতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হয়। বোমা মারতে কাউকে হাতেনাতে ধরে জেলে দিলে, শাস্তি দিলে কে প্রতিবাদ করবে? কেউ করবে না। সরকারি অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ রাস্তায় নামলে সেখানে বাধা দেওয়া অগণতান্ত্রিক-স্বৈরাচারী কাজ কিন্তু রাস্তাঘাটে জ্বালাও-পোড়াও, গাড়িতে আগুন দেওয়া ফেরাতে না পারা সরকারি ব্যর্থতা। সেক্ষেত্রে বিরোধী দলকে বলে কোনো লাভ নেই। বিরোধী দল আন্দোলন করতে পারে, গাড়িতে আগুন দিতে পারে না, আগুন দেওয়া আন্দোলনের মধ্যে পড়ে না। এমনকি বিরোধী দলের কর্মীরা দিলেও সেটা আন্দোলনের অংশ নয়। সরকার যদি ভেবে থাকেন উদাসীনভাবে গা এলিয়ে দিলেই তারা টিকে যাবেন তাহলে আহম্মকের স্বর্গে বাস করছেন। মানুষের জানমালের হেফাজত, অর্থনীতি সচল রাখা, সভ্য দুনিয়ার কাছে দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখা- এসব বিরোধী দলের কাজ নয়, এসব সরকারের বোঝা। সে বোঝা তাকে বইতেই হবে।

গুলশানের অমন নিরাপদ স্থানে বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, নির্ভেজাল কূটনীতিক, একজন সজ্জন ব্যক্তি রিয়াজ রহমান আক্রান্ত হলেন, তার গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হলো, এতে কী সরকারের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হলো? পত্রপত্রিকায় দেখলাম, তার পায়ের আঘাতে কোনো ধাতব পদার্থের আলামত নেই। তবে কী ওগুলো রাবার বুলেট? রাবার বুলেট হলে তো সাধারণ মানুষের কাছে থাকার কথা নয়, একমাত্র সরকারি লোকজনের কাছে থাকার কথা। তাহলে কী ওসব সরকারি লোকের কাজ? প্রশ্নগুলো মানুষের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করছে বলে উল্লেখ করলাম। গুলশানে ধনবানদের এলাকায় নিরাপত্তা নেই, সংসদ ভবন এলাকায় নিরাপত্তা নেই, তাহলে নিরাপত্তাটা আছে কোথায়? সারা দেশ নিরাপদ হওয়ার কথা, যেখানে রাজধানীই নিরাপদ নয়, সেখানে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল নিয়ে আমরা কথা বলি কোন অধিকারে?

প্রবাদ আছে, বাঙালিরা দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝে না। সময় থাকতে সবাইকে নিয়ে আলোচনায় বসে সমাধান বের করা উচিত। দেশ একটি কঠিন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এখন কারও গোঁ ধরে বসে থাকা উচিত নয়। কারণ দেশটা কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সম্পদ, রক্তের দামে কেনা। কারও সঙ্গে হাত মিলিয়ে কারও কাছে বিক্রি করার চিন্তা যদি কেউ করে থাকেন, করতে পারেন। কিন্তু এ দেশ কেউ বেচতে পারবেন না। এক সময় শহীদের আত্দা কবর থেকে প্রতিবাদ করে উঠবে। আর তাতে তখন শরিক হবে দেশের আপামর জনসাধারণ। তাই সময় থাকতে হুঁশিয়ার।

লেখক : রাজনীতিক

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

১৫ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

২৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

২৫ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪২ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস
পাঁচ বছরে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে: রেড ক্রস

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়