শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০১৫

রাষ্ট্রপতিকে সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম
অনলাইন ভার্সন
রাষ্ট্রপতিকে সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। দেশের বিরাজমান সংকটকালে আমাদের বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করছি। ইতিপূর্বে আমরা চলমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে দেশের অভিভাবক হিসেবে মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলাম। দেশের অন্যান্য বিশিষ্ট নাগরিকদেরও কেউ কেউ রাষ্ট্রপতিকে উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু মাননীয় রাষ্ট্রপতি সংকট উত্তরণে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। অথচ রাজনৈতিক সংকট ক্রমেই জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলছে। ক্ষমতার রাজনীতির প্রতিহিংসার আগুনে প্রতিদিন দগ্ধ হচ্ছে সৃষ্টিরসেরা আদম সন্তান। জননিরাপত্তা ভেঙে পড়েছে। উন্নয়ন-উৎপাদন, অর্থনীতি থমকে দাঁড়িয়েছে। হুমকিতে পড়েছে জাতীয় শিক্ষা ও চিকিৎসাব্যবস্থা। এমনকি রাজনৈতিক সংকট জনজীবনকে এতটাই জিম্মি ও অসহায় করে তুলেছে যে, দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ অর্ধাহারে ও অনাহারে জীবন-যাপন করছে। অপরদিকে সর্বত্র টেন্ডারবাজ, দখলবাজ, চাঁদাবাজদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। মানুষ হাঁপিয়ে উঠেছে। ক্রমাগতভাবে সমস্যা সৃষ্টি হতে হতে সমস্যার পাহাড় তৈরি হয়েছে। অধিকাংশ সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবীসহ প্রায় সব পেশাজীবীশ্রেণি স্বার্থের কারণে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর লেজুড়বৃত্তি করে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীর পরিচয় ভুলে গিয়ে দলীয় ভূমিকা পালন করছেন। ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত ও স্থায়ীকরণের লক্ষ্যে প্রশাসনযন্ত্রকে ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

ন্যায়নীতিভিত্তিক রাষ্ট্রনীতি এবং সৎ যোগ্য নেতৃত্ব যদি দেশে না থাকে তাহলে দেশের যে কত দুরবস্থা হয়, রাজনৈতিক অঙ্গন যে কত ভয়াবহ হয় এবং মানুষের জীবন যে কত দুর্বিষহ হয় এর বাস্তব নিদর্শন হলো বাংলাদেশের বিরাজমান রাজনৈতিক অঙ্গন। যার কারণে স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরও দেশ শাসনের সঠিক কোনো পদ্ধতি গড়ে ওঠেনি। পদ্ধতি যা গড়ে উঠেছে তা অত্যন্ত বিভীষিকাময়, হৃদয়বিদারক, ধ্বংসাত্দক, হিংসাত্দক, ভয়ঙ্কর, জংলি ও বর্বর। রাজনীতিবিদরা সন্ত্রাসীদের ভাষায় কথা বলে। আর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কাজে নিয়োজিত বাহিনী ও প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা রাজনৈতিক নেতাদের ভাষায় কথা বলে।

স্বাধীনতার ৪৩ বছরে এ দেশে অনেক নেতার, দফার ও সরকার কাঠামোর পরিবর্তন হয়েছে। গণতন্ত্র উদ্ধার আর গণতন্ত্র রক্ষার নামে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। অনেক হরতাল-অবরোধ হয়েছে। হাজার হাজার মানুষের জীবন ধ্বংস হয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে। এত কিছু করার পরেও কি সুস্থ কোনো রাজনৈতিক ধারা এবং সঠিক ও কল্যাণময় দেশ শাসনের কোনো পদ্ধতি গড়ে উঠেছে? আদৌ না; বরং রাজনৈতিক অঙ্গন হয়ে পড়েছে দূষিত, বিষাক্ত, কলুষিত ও নোংরা। রাজনৈতিক কোনো সুস্থ ধারা না থাকার কারণে স্বাধীনতার পর থেকে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা যেসব অনৈতিক বিষয়ের বিস্তৃতি ঘটিয়েছে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মানবাধিকার লঙ্ঘন, অনুৎপাদন, বেকারত্ব, জাতীয় চরিত্র ধ্বংস, সর্বত্র দলীয়করণ, ক্ষমতাসীনদের ভাগ্যের চরম উন্নয়ন, জাতীয় অনৈক্য ও সংঘাত, গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাজনীতির নামে ব্যক্তিস্বার্থ, দলীয় স্বার্থ তথা কায়েমি স্বার্থ প্রতিষ্ঠা, বিদেশি শক্তির তাঁবেদারি ও মনোরঞ্জনের প্রতিযোগিতা।

অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলগুলো সবসময় দ্বৈত ভূমিকা পালন করে আসছে। ক্ষমতায় থাকলে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বুঝেন না আবার ক্ষমতাহীন হয়ে যখন বিরোধী দলে থাকেন, তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবেন না বলে আন্দোলনের নামে দেশে চরম নৈরাজ্য, ধ্বংসযজ্ঞ, হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলেন।

১৯৯৬ সালের আন্দোলনের একপর্যায়ে খালেদা জিয়াকে টার্গেট করে আওয়ামী লীগ-জামায়াত-জাতীয় পার্টি ঘোষণা দিয়েছিল, নির্বাচনী সফরে যে জেলাতেই খালেদা সফর করবেন সেই জেলাতেই হরতাল হবে। তাই হয়েছিল।

কিন্তু ১৫ বছর পর শেখ হাসিনা তার অবস্থান পুরোপুরি পাল্টে ফেলেছেন। একই অবস্থা খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও ঘটেছিল। তিনি বলেছিলেন, শিশু আর পাগল ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়। নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংবিধানবিরোধী।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সম্পূর্ণ একতরফাভাবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থা বাতিলের ফলে দেশে নতুনভাবে রাজনৈতিক সংকটের সূচনা হয়েছে।

যার পরিণতিতে গত বছরের ৫ জানুয়ারি দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচন দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল বর্জন করেছে। যে নির্বাচনে ১৫৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। যে নির্বাচন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। দেশবাসীর প্রত্যাশা ছিল নিয়ম রক্ষার একটি নির্বাচনের পর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অতি দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ তৈরির জন্য আলোচনা শুরু করবে। কিন্তু আমরা অবাক বিস্ময়ে লক্ষ্য করলাম, ক্ষমতাসীনরা সংলাপ এবং সমঝোতার পথে না গিয়ে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে দমন করতে গিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিলতর করে তুলেছে।

আজীবন ক্ষমতায় থাকা এবং যে কোনো উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার মদমত্ততায় পাগলপারা দলগুলোর ধ্বংসাত্দক এবং প্রাণঘাতী কার্যকলাপে দেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনীত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংকট বার বার প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর থেকে উত্তরণে কিছু প্রস্তাবনা আমি সচেতন, দেশপ্রেমিক, ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে পেশ করছি-

দলীয় সরকারের চেয়ে নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন তুলনামূলকভাবে সুষ্ঠু ও অবাধ হয়। এ লক্ষ্যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সময়ের একান্ত দাবি। সংবিধানের দোহাই দিয়ে সুষ্ঠু, অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন কোনোক্রমেই বাধাগ্রস্ত করা যাবে না।

প্রচলিত রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের লক্ষ্যে রাজনীতিকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে হবে। কোনোক্রমেই দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক দলে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। কারণ, দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের কোনো রাজনীতি করার অধিকার থাকতে পারে না।

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, জাতীয় সংহতি ও কার্যকর জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠাকল্পে সংসদ নির্বাচনে বিকল্প পদ্ধতি প্রবর্তন করতে হবে। জনগণ ভোট দেবে দলকে, কোনো ব্যক্তিকে নয় এবং ভোটের আনুপাতিক হারে দলগুলো আসন বরাদ্দ পাবে। যার ফলে কালো টাকা, পেশিশক্তি, ভোট কারচুপি বন্ধ হবে। দলের আদর্শ ও নেতা-কর্মীদের সততা ও যোগ্যতা বিবেচনা করে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারবে।

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় শুধু আইনের শাসন নয়, ন্যায়ের শাসনও প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

রাষ্ট্রের সব স্তর থেকে দুর্নীতি সন্ত্রাস শুধু দমন নয়, নির্মূল করতে হবে। সার্বিক কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ জীবনব্যবস্থা ইসলাম এবং সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশ দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।

জাতীয় সংসদসহ সব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে হবে। যারা আল্লাহ, জনগণ এবং নিজের বিবেকের সঙ্গে জবাবদিহিতায় দায়বদ্ধ থাকবে।

রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। রাজনৈতিক সংঘাত, হানাহানি নিরসন ও প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করে সহনশীল মনোভাব সৃষ্টি করে আন্তঃদলীয় সংলাপ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে হবে।

আমরা মনে করি, চলমান জাতীয় সংকট উত্তরণে ক্ষমতাসীন সরকারকেই দায়িত্ব নিয়ে গ্রহণযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। শক্তি প্রয়োগে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন এবং বাকস্বাধীনতা হরণের পরিণাম কারও জন্যই ভালো হবে না।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় দেশের একজন মানুষেরও জীবনহানি ঘটুক ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তা চায় না। তাই আমরা এ মুহূর্তেই রাজনৈতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। আজ থেকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংকট নিরসনে দেশের রাজনৈতিক দল, ওলামায়ে কেরাম, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রতিনিধিত্বশীল মানুষের সঙ্গে সংলাপ শুরু করবে। ক্ষমতাসীন সরকার যদি আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে অতি দ্রুত শান্তিপূর্ণ সমাধানে পেঁৗছতে না পারে তা হলে আমরা দেশ রক্ষায় এবং দেশের মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় দেশের শান্তিকামী জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ২৬ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশব্যাপী নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করব, ইনশাআল্লাহ।

লেখক : পীর সাহেব চরমোনাই

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়