শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৫

এই সংঘাত সংকটের পরিণতি কোথায়?

হায়দার আকবর খান রনো
অনলাইন ভার্সন
এই সংঘাত সংকটের পরিণতি কোথায়?

৫ জানুয়ারি থেকে চলছে টানা অবরোধ। ৫ জানুয়ারি ছিল অঘোষিতভাবে সরকারি অবরোধ। লক্ষ্য ছিল বিএনপি যাতে সমাবেশ করতে না পারে। তার আগে থেকেই খালেদা জিয়াকে স্বীয় কার্যালয়ে তালা মেরে র্যাব-পুলিশ এবং বালুর ট্রাক দিয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল সরকার। তারই প্রতিবাদে খালেদা জিয়া যে অবরোধের ডাক দেন, তা এখনো অব্যাহত আছে। ১৭ জানুয়ারি 'বাংলাদেশ প্রতিদিনে'র সম্পাদকীয়ের ভাষ্য মতে, ১১ দিনে ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। মানুষ মারা গেছে ২৫ জন। আমরাও দেখছি পেট্রলবোমায় গাড়িতে আগুন জ্বলছে। আগুনে পুড়ে মরছে মানুষ। এই আগুন নেভার কোনো আপাত লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশ প্রতিদিনের একই সম্পাদকীয়তেই হতাশার সুরে বলা হয়েছে, 'অবরোধের ১২ দিন কেটে গেলেও সংকট মোচনের কোনো পথই উম্মোচিত হচ্ছে না।' একই দিনের বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রথম পাতায় সাংবাদিক ও সাহিত্যিক পীর হাবিবুর রহমান বুকের জ্বালা, ক্ষোভ ও হতাশা মিশ্রিত সুরে লিখেছেন, 'রাজনীতিবিদগণ দেখছেন, পুড়ছে মানুষ, কাঁদছে দেশ।' তিনি আরও লিখেছেন, 'ইতিহাসের বড় শিক্ষা হচ্ছে, আমাদের রাজনীতিবিদগণ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেন না। যখন যারা ক্ষমতায়, তারা মনে করেন এটাই চিরস্থায়ী। আর যারা বিরোধী দলে তারা মনে করেন মানুষের প্রাণহানি ঘটিয়ে হলেও মসনদ চাই।' এখানে রাজনীতিবিদ বলতে ক্ষমতার কামড়া-কামড়িতে মত্ত প্রধান দুই বড় দলের কথা বলেছেন। অবশ্যই এই দেশে আদর্শবান ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ আছেন, কিন্তু আজকের সংঘাতময় পরিস্থিতিতে তারা বিশেষ কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ পাচ্ছেন না।

পরিস্থিতি যে কতটা ভয়াবহ ভুক্তভোগী পাঠককে নতুন করে বলার দরকার নেই। এ পরিস্থিতিতে বিদেশি কূটনৈতিকরা তৎপর হয়ে উঠেছেন। জাতিসংঘও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের আজকের (১৮ জানুয়ারি) সম্পাদকীয় 'জাতিসংঘের উদ্বেগ' এই শিরোনামে। জাতিসংঘের বিবৃতিটি একটু বিশ্লেষণ করে পড়লে দেখা যাবে, বাংলাদেশের বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতির জন্য শাসক আওয়ামী লীগ ও আন্দোলনকারী বিএনপি উভয় দলকেই অভিযুক্ত করার প্রচ্ছন্ন সুর আছে। জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'মঙ্গলবার একটি যাত্রীবাহী বাসে দেওয়া আগুনে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই দিন বিএনপির এক জেষ্ঠ নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এবং তার গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। পরদিন গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বাসে দেওয়া আগুনে পুড়ে মারা গেছেন একজন।' জাতিসংঘের বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং সাবেক পররাষ্ট্র সচিব রিয়াজ রহমানকে গুলিবিদ্ধ করার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণভাবে বাসে আগুন দেওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে এবং রিয়াজ রহমানকে গুলিবিদ্ধ করার অভিযোগ সরকারের বিরুদ্ধে বলেই ধরা যেতে পারে। অবশ্য সরকারের এক মন্ত্রী বলে বসলেন, খালেদা জিয়াই রিয়াজ রহমানকে গুলি করেছে। এ ধরনের কথা প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে বলা হলে কী হতো? তৎক্ষণাৎ মামলা, গ্রেফতার, রিমান্ড। কিন্তু সরকারি দলের মন্ত্রী, নেতা এমনকি কর্মীরাও আইনের ঊধের্্ব। তারা পুলিশের পাশে থেকে পিস্তল দিয়ে গুলি করতে পারেন। যা খুশি বলার লাইসেন্সও তাদের আছে। যুদ্ধে নাকি সবরকম মিথ্যা চলে। ওটাকে বলে মনস্তাত্তি্বক যুদ্ধ। এখন দেখছি দুপক্ষের রাজনৈতিক যুদ্ধেও গোয়েবলীয় কায়দায় মিথ্যা ছড়ানো হচ্ছে। এমন মিথ্যা যা আবার ধরা পড়ে যায়। যেমন জনৈক মন্ত্রী লুঙ্গি পরে এসে মাস্তানি কায়দায় বললেন, খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুর ট্রাক রাখা হয়েছে বাড়ি মেরামত করার জন্য। খালেদা জিয়াকে ঘরের মধ্যে রেখে বাইরে থেকে তালা মেরে বলা হচ্ছে তিনি অবরুদ্ধ নন। খালেদা জিয়ার দিকে বিষাক্ত গ্যাস পিপার স্প্রে নিক্ষেপ করে বলা হচ্ছে সরকার নাকি তার নিরাপত্তার জন্য এ কাজ করেছে। প্রসঙ্গক্রমে বলা প্রয়োজন, পিপার স্প্রের মতো বিষাক্ত গ্যাস ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করেছে হাইকোর্ট। কিন্তু আইন তো সরকারের জন্য প্রযোজ্য নয়। আইন দরকার শুধু বিরোধী দল ও জনগণকে দমন করার জন্য। তাই ৫ জানুয়ারিতেই সিপিবি-বাসদের সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করেই বলা হয়েছে, 'নিরাপত্তার নামে গৃহে অবরুদ্ধ করা, চিকিৎসার নাম করে আটক করা হচ্ছে। এভাবে চালাকি, মিথ্যাচার, কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে চায়।' (সিপিবির মুখপাত্র 'একতা' ১১ জানুয়ারি)। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে সিপিবির সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেছেন, 'আগুন দিয়ে আগুন নেভানো যায় না। সংবিধান রক্ষা নয়, গদি রক্ষাই সরকারের আসল উদ্দেশ্য।' মিথ্যাচার যে শুধু বর্তমান সরকারই করছে তাই-ই নয়, অতীতের সরকারও একই ধরনের কাজ করেছিল। ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার পর তখনকার বিএনপি সরকার শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতোই আচরণ করেনি, গোটা তদন্তকেও মিথ্যাভাবে সাজানোর চেষ্টা করেছিল। আজকের আওয়ামী লীগের মতোই অতীতেও বিএনপি সরকার গণতান্ত্রিক আচরণ করেনি। তারা ক্লিনহার্ট অপারেশনের নামে বহু নিরীহ মানুষকে নির্যাতন করেছিলেন, অনেকে নিহত হয়েছেন, অনেকে চিরতরে পঙ্গু হয়েছেন। সেদিনের বিএনপি সরকারের আরও অপরাধ এই যে, তারা নির্যাতনকারীদের দায়মুক্তি দিয়েছিলেন পার্লামেন্টে আইন পাস করে। তবে অতীতে বিএনপি গণবিরোধী কাজ করেছিল বলে বর্তমানের আওয়ামী সরকারের গণবিরোধী কাজকে যুক্তিসঙ্গত বলা যাবে না। কারণ এই দলের বাইরেও তো মানুষ আছে। বাংলাদেশ প্রতিদিনের পাতায় (১৮ জানুয়ারি) বিশিষ্ট সাংবাদিক কাজী সিরাজ দুই দলের প্রধান নেত্রী (বর্তমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী) সম্পর্কে যথার্থই বলেছেন, 'দুজনেই ক্ষমতার কাঙাল, তাদের রাজনীতির মূল লক্ষ্যই হচ্ছে ক্ষমতার মসনদ এবং তা নিজের, পরিবারের ও গোষ্ঠী বিশেষের কল্যাণে, দেশ ও জনগণের কল্যাণে নয়। ... শাসক লীগ ও লীগ সরকার গণতন্ত্রের যে মেকি খোলসটি পরেছিল তা-ও খুলে ফেলে একেবারে উলঙ্গ হয়ে গেছে।'

খালেদা জিয়াকে যেভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং যেভাবে বিএনপিকে সভা-সমাবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না, তা যেমন অন্যায় ও সংবিধান পরিপন্থী এবং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো যেমন ন্যায়সঙ্গত, তেমনি আবার লক্ষ্যহীনভাবে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধও কোনো বিবেচনাপ্রসূত কর্মসূচি হতে পারে না। আর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ, সহিংসতা তা তো অবশ্যই নিন্দনীয়। এই নিন্দার ভাষাও আমার জানা নেই। এখন জিজ্ঞাসা করলে বিএনপি নেতারা বলবেন, 'আমরা এসব করি না। সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করে আমাদের নাম দিচ্ছে।' মনে পড়ে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের ডাকা এক হরতালের আগের রাতে ঢাকায় বাসে গান পাউডার দিয়ে ১১ জনকে হত্যা করা হয়েছিল। সেদিন শাসক বিএনপি যেমন আন্দোলনকারী আওয়ামী লীগের নামে দোষ চাপিয়েছিল, তেমনি সেদিনের বিরোধী দল আওয়ামী নেতৃত্ব বলেছিল, ওটা রাষ্ট্রীয় কোনো সংস্থার কাজ। রিয়াজ রহমানকে গুলিবিদ্ধ করার ঘটনাটিও নানা ধরনের গুজবের ও জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিয়েছে। বেশ রহস্যঘন গোটা বিষয়টি। তবে সাধারণভাবে দোষটি সরকারের ওপর বর্তায়। পরিস্থিতি যত জটিল, ঘোলাটে এবং উদ্বেগজনক হয়ে উঠুক না কেন, আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়, সংঘাতে লিপ্ত উভয়পক্ষ বেশ নির্লিপ্ত। এরকম নির্লিপ্ততা দায়িত্বজ্ঞানহীনতারই পরিচয় বহন করে। দুজনেই নিজ নিজ অবস্থানে অনঢ়। এতে কোনো চরমপন্থি গ্রুপ আরও অরাজকতা সৃষ্টিতে ও নাশকতায় তৎপর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

সে জন্য আজকের সংকটজনক পরিস্থিতিতে উভয়পক্ষকে সংযমী হতে হবে এবং সংলাপ ও সমঝোতায় আসতে হবে। জাতিসংঘের বিবৃতিটি একটু খুটিয়ে পড়লে দেখা যাবে, তারা রাস্তায় সহিংসতার নিন্দা করার পাশাপাশি সরকারের ভূমিকাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। তারা শান্তিপূর্ণ সমাবেশ, চলাচল ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়, 'সরকার যে বিরোধী নেতাদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে গ্রেফতার করছে না, তা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে যাতে সামজ্ঞস্যপূর্ণ হয়।' (বাংলাদেশ প্রতিদিন, সম্পাদকীয় ১৮ জানুয়ারি)

সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য র্যাব, পুলিশ ও বিজিবির ওপর নির্ভর করছে। তারা বিষয়টিকে রাজনৈতিক সমস্যা হিসেবে না দেখে শুধু আইনশৃঙ্খলার জায়গা থেকে দেখছেন। অন্যদিকে পুলিশ প্রধান ও বিজিবি প্রধানের কথাবার্তা শুনে মনে হয়, তারা যেন দলীয় কর্মচারী, রাষ্ট্রের সেবক নন। পুলিশ প্রধানের সাম্প্রতিক এক বক্তৃতা ছিল পুরোপুরি রাজনৈতিক। বিজিবি প্রধান বলেছেন, প্রয়োজনে অস্ত্র চালাবেন। সরকারি জোটের জাসদের সংসদ সদস্য বলেই বসলেন, 'এবার পায়ে নয়, বুকে গুলি চালানো হবে।' বিজিবি প্রধানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রফিক-উল-হক বলেছেন, 'একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যারা আমাদের রক্ষা করবে, তাদের কাছে এ ধরনের বক্তব্য আশা করি না।' এমনকি তিনি বিজিবি প্রধানের বক্তব্যকে 'আপাতদৃষ্টিতে আইনের পরিপন্থী' বলে মনে করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীরা নিজেরাই যখন আইনের পরিপন্থী আচরণ করেন, তখন আমরা বড় অসহায় বোধ করি। ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল, সরকার, প্রশাসন সব কিছু একাকার হয়ে থাকে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রশাসন পুলিশ ইত্যাদি দলনিরপেক্ষ থাকা দরকার। বাংলাদেশে এখন শাসক দল, সরকার ও রাষ্ট্রকে একত্রে গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। এ যে বড় অশুভ লক্ষণ।

আরও অশুভ হলো দুপক্ষের গোঁয়ার্তুমি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা। বিরোধী দল ভাবছে, বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিন চালাতে পারলে সরকারের পতন হবে। কিন্তু সে জন্য কি এত মানুষকে পুড়ে মরতে হবে? অন্যদিকে সরকার ভাবছে, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা নয়, রাজনৈতিক আলোচনাও নয়, শুধু পুলিশ-র্যাব-বিজিবি দিয়ে বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে। কিন্তু এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট আইনজীবী ও অধ্যাপক ড. শাহদীন মালিকের বক্তব্যটি প্রণিধানযোগ্য, 'এটাও সত্য যে, পুলিশ এই আগুন নেভাতে বা সামাল দিতে পারবে না।' এখন দুপক্ষ পরস্পরকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করার খেলায় মেতে উঠেছে। এই দুই গণবিরোধী শক্তি যদি সত্যিই নিশ্চিহ্ন হয়, তাতে আমার আফসোসের কিছু নেই। কিন্তু সেই সঙ্গে যদি আরও বহু মানুষ অগ্নিদগ্ধ হয় এবং সেই সঙ্গে যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য গণতন্ত্রও নির্বাসিত হয় (এখনো গণতন্ত্রের খুব বেশি অবশিষ্ট নেই), তাহলে তো সবারই সর্বনাশ।

সেই সর্বনাশের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে এখনই যা দরকার তা হলো (১) সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে সবার সভা-সমাবেশের অধিকার, বন্ধ করতে হবে দমনপীড়ন (২) বিরোধী দলকে অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে, (৩) সব কার্যকরী রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের একত্রে বসে নির্বাচন পদ্ধতি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, গণতান্ত্রিক আচরণের বিধিমালা সম্পর্কে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা এবং তার প্রতি অঙ্গীকার ঘোষণা।

আমি জানি না, এসব প্রস্তাব এবং সমঝোতা, আলোচনা ও সংযত আচরণ সম্পর্কিত পরামর্শ ক্ষমতার দম্ভে মত্ত সরকারি দল এবং ক্ষমতার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা মাঠের প্রধান বিরোধীদলের কানে পৌঁছাবে কিনা, পেঁৗছালেও তাদের কাছে কোনো আবেদন সৃষ্টি করবে কি না। রাজনৈতিক সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানই বাঞ্ছনীয় এবং বর্তমান পর্যায়ে তা জরুরিও বটে। অন্যথায় দেশ বেশ দীর্ঘ সময়ের জন্য অন্ধকারে ঢেকে যাবে।

লেখক : রাজনীতিক।

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়