শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০১৫

সংলাপ চায় না যারা, গণতন্ত্রের শত্রু তারা

মাহমুদুর রহমান মান্না
অনলাইন ভার্সন
সংলাপ চায় না যারা, গণতন্ত্রের শত্রু তারা

২৭ জানুয়ারির দৈনিক পত্রিকাগুলোর খবর অনুযায়ী ৪ থেকে ২৬ জানুয়ারি এই ২৩ দিনে সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ৩৬ জন। আগুন লেগেছে ৩৩৬টি যানবাহনে। ভাঙচুর হয়েছে ৪৩১টি। রাতে টেলিভিশনের টকশোতে এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী সংখ্যা আরও বেশি। বলা যায় সংখ্যা আরও বাড়ছে- কমছে না। ইতিমধ্যে দুইজন মন্ত্রী এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুইবার বলেছেন, সাত দিনের মধ্যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু আমি একটু আগেই বলেছি, ৪ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় পার হয়ে গেছে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা। প্রায় সবার চোখে-মুখে প্রশ্ন এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারবে কি? অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে সে কথা এখানে আর উল্লেখ করলাম না। ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো এবং গবেষকরা এ ব্যাপারে প্রতিদিনই তাদের বিবরণ তুলে ধরছেন। সে চিত্রও ভয়াবহ। কিন্তু যদি এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে না পারে আগামী দিনের জন্য তার চেয়ে ভয়াবহ সম্ভবত আর কিছু হবে না।

সমস্যা এখানে। এই একটি প্যারা পড়ে সঙ্গে সঙ্গে সরকারি দলের নেতারা মুখিয়ে উঠবেন। বলবেন সব কিছুর জন্য খালেদা জিয়া দায়ী। তিনি মানুষের জানমাল, নিরাপত্তা, শিক্ষা কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করেন না। এ বিতর্কের মধ্যে আমি আপাতত যেতে চাই না। পুরো বিষয়টাকে আমি রাজনীতির সমস্যা থেকে উদ্ভূত বলে মনে করি। কিন্তু আপাতত আমি তাদের কথা ধরে নিচ্ছি। সমস্যাটা তো বাস্তব এবং সেটার আসল সমাধান জরুরি। ২৩ দিনে তারা যে সমস্যার সমাধান করতে পারেননি বরং গভীর করেছেন সেটা তো বাস্তব। এখন কী করবেন? আবার কি সাত দিন সময় নেবেন? খেয়াল করবেন আমার এ লেখা যেদিন ছাপা হবে সেদিন থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হতে আর সাতদিন বাকি থাকবে। পারবেন এ সময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান বা দমন করতে। নাকি অনির্দিষ্টকাল ধরে এ যুদ্ধাবস্থা চালিয়ে যেতে চান আপনারা।

আমার খুব অবাক লাগল সরকারের লোকদের বলতে শুনলাম যারা সংলাপ চায়, তারা প্রকারান্তরে এই সহিংসতাকেই মদদ দেয়। সেই যে কথায় বলে 'নাচতে না জানলে তার চরণ বাঁকা'। আমি এবং আমার সংগঠন নাগরিক ঐক্যসহ বাংলাদেশের অজস্র মানুষ ও সংগঠন আছে যারা ৫ জানুয়ারিকে কোনো নির্বাচন মনে করে না। এবং বর্তমান সমস্যার মূলে যে ওই নির্বাচন প্রহসন তাই মনে করে। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য তারা আন্দোলনকেও সমর্থন করে কিন্তু সহিংসতাকে সমর্থন করে না। ক্ষমতাসীন এবং ক্ষমতাসীনদের দোসররা অতীতে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্যে উগ্র বল প্রয়োগের সমর্থন ও চর্চা কিভাবে করেছেন তার অনেক উদাহরণ দেওয়া যাবে। কিন্তু এসব দল ও ব্যক্তি, যাদের কথা বললাম তারা কখনো সহিংসতাকে সমর্থন করেনি।

সহিংসতা বা জঙ্গিবাদ নিয়ে অতীতে বিতর্ক কম হয়নি। অবিভক্ত ভারতের যুগান্তর অনুশীলনের আন্দোলন, ক্ষুদিরাম সূর্যসেনের সশস্ত্র কর্মকাণ্ডকে কিভাবে মূল্যায়ন করা যাবে? আজও সূর্যসেনকে নিয়ে ছবি তৈরি হচ্ছে, উপাখ্যান হচ্ছে। কিন্তু তার পরেও সূর্যসেন খুদিরামদের আন্দোলন ভারতকে ব্রিটিশ মুক্ত করেনি। রাজনীতি সব সময় যুদ্ধকে নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে যে পেট্রল-বোমাবাজি হচ্ছে সেগুলোকে কোনোভাবেই এসব আন্দোলনের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। এগুলো নৃশংস। নিশ্চিতভাবেই অমানবিক। যে বোমায় মানুষ পুড়ে মারা যায় তাকে সমর্থন করার প্রশ্ন আসে না। কিন্তু একে দমন করার জন্য সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সেটাও তো কোনো কাজে আসছে না।

অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকেই সরকারকে আমরা দেখেছি হার্ডলাইন কথা বলতে। মন্ত্রীদের কেউ বলেছেন, নকশালী কায়দায় এগুলো দমন করা হবে। বিজিবি, পুলিশ ও র্যাবের সর্বোচ্চ কর্মকর্তারা যে ভাষায় কথা বলেছেন তাতে তো সন্ত্রাসীদের বুকের রক্ত হিম হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু তা হতে দেখিনি।

সরকার যে শুধু কথা বলেছে তা কিন্তু না। এই সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী সারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় অপারেশনও চালিয়েছে। পত্রিকার পাতায় আরও দেখেছি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গ্রাম থেকে কিভাবে মানুষ উদ্বাস্তুর মতো হেঁটে চলে যাচ্ছে।

পত্রিকায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী এ পর্যন্ত কথিত বন্দুকযুদ্ধে ছয়জন মারা গেছেন। আমার মাথায় আসে না স্বাধীন বাংলাদেশে এর চেয়ে বেশি আর কী করবে সরকার। লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছেন মন্ত্রী ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান। এ ব্যাপারে জনগণের পক্ষ থেকে খুব যে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে তা তো দেখছি না। এলাকায় এলাকায় ধরপাকড় চলছে তাতে ক'জন সন্ত্রাসী ধরা পড়েছে তা কি সরকার বলতে পারবে? পত্রিকায় যেভাবে গ্রেফতারের খবর ছাপা হচ্ছে এগুলো যদি সত্যি হতো তাহলে তো বাইরে আর বোমাবাজ থাকার কথা নয়। অথচ অভিযোগ হচ্ছে কিছু কিছু অসাধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোক একটা গ্রেফতার বাণিজ্যের জাল বিছিয়েছেন। ভুলে যাওয়া উচিত হবে না, আমাদের মতো দেশে যখন সামরিক আইন জারি হয় তখন মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমর্থন করে। কিন্তু এ সামরিক আইন জনগণের অপ্রিয় হয়ে উঠতে সময় লাগে না। কেন তা সবাই জানে। আমাদের যৌথবাহিনীও মাঠে নেমেছে দুই সপ্তাহেরও বেশি। দীর্ঘ সময় তাদের এই অপারেশনে রাখা কি সুখকর হবে, যদি ইপ্সিত ফল লাভ না হয়? এ জন্যই সংলাপের কথা বলছি। যেহেতু সমস্যাটি রাজনীতি থেকে উদ্ভূত, রাজনৈতিকভাবেই এর সমাধান করতে হবে। আর গণতান্ত্রিক ও সংসদীয় রাজনীতিতে সংলাপের তো কোনো বিকল্প নেই।

সংলাপ না করার পক্ষে আওয়ামী লীগ এবং তার সাম্প্রতিকতম ঘনিষ্ঠ পার্টনার জাসদ এক অদ্ভুত যুক্তি হাজির করছে। যারা এই বোমাবাজি সন্ত্রাস করে তাদের সঙ্গে আবার কিসের সংলাপ। এর আগে তারা বলত, বিএনপি ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর হত্যাকে ইনডেমনিটি দিয়েছিল, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছিল তাদের সঙ্গে আবার কিসের সংলাপ। এখানে তো হবে টিট ফর ট্যাট। খুন বা বদলা খুন।

কি অদ্ভুত না? আওয়ামী লীগ কি বিএনপির সঙ্গে আগে বসেনি? জামায়াতিদের সঙ্গে আলোচনা করেনি। সংসদীয় গণতন্ত্র চালাতে হলে কথা তো বলতেই হবে। শেখ হাসিনা বছর খানেক আগে বেগম জিয়াকে সংলাপের জন্য ফোন করেননি? এমনকি সেটা এখনো ঢালাও করে প্রচার করছে না। এই যে অতি সম্প্রতি বেগম জিয়ার কনিষ্ঠপুত্র আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে বেগম জিয়াকে সমবেদনা জানাতে গেলেন শেখ হাসিনা, সেটা কি?

বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা যে মূল দরজার তালা খুলেননি সেটা নিশ্চয়ই অসৌজন্যমূলক। সেটা ভিন্ন আলোচনা। কিন্তু এটা তো ঠিক, শেখ হাসিনা দৃশ্যত বেগম জিয়ার শোক শেয়ার করতে গিয়েছিলেন। তাহলে কথা বলতে পারবেন না কেন? নাকি বেগম জিয়ার কর্মকর্তারা দরজা খুলেননি বলে আওয়ামী লীগ রাগ করে দেশের গণতন্ত্রের দরজাই বন্ধ করে দেবে, এরকম রাগ কারা করে?

এক টেলিভিশন টকশোতে উপস্থাপক প্রশ্ন করেছিলেন আমাদের দেশে সংলাপ কি কখনো সফল হয়েছে? আমি বললাম না হলে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো কিভাবে? তখন তিনি আবার প্রশ্ন করলেন; কিন্তু হাসিনা-খালেদার সংলাপ কোনো দিন সফল হয়েছে? আমি বললাম আমরা এই দুই নারীকে মুখোমুখি সংলাপে বসতে দেখিনি। কিন্তু তাদের মধ্যে সফল কথাবার্তা হয়েছে। তা না হলে এরশাদবিরোধী ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন কিভাবে হলো? কিভাবে রাষ্ট্রপতি পদ্ধতি থেকে আমরা সংসদীয় পদ্ধতিতে ফিরে এলাম?

অনেক সময় আমরা আমাদের সামনে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো ভুলে যাই। নেতিবাচক প্রচারণা আমাদের বিভ্রান্ত করে। দুই নেত্রীর বিভ্রান্তিকর আচরণ ও উচ্চারণ আমাদের বিক্ষুব্ধ করে। সম্ভবত সেরকম বিক্ষোভ থেকেই প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক সংলাপের ব্যাপারে নেতিবাচক বলেছেন। কিন্তু বিক্ষুব্ধ মন জটিল কেন সাধারণ সমস্যাও সমাধান করতে পারে না। গণতন্ত্রের পথে চলতে হলে সংলাপ ছাড়া বিকল্প নেই। পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি তার প্রমাণ। আমাদের পাশের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়খন্ডে তার উদাহরণ আছে। সংলাপের কথা যারা বলছেন, তারা প্রকারান্তরে সহিংসতাকে মদদ দিচ্ছেন বলে যারা মনে করেন তাদের উদ্দেশে বলছি, উগ্র বল প্রয়োগ করে যখন ব্যর্থ হবেন তখন দেখবেন সহিংসতা জঙ্গিবাদের চাদরে ঢেকে গেছে দেশ।

লেখক : রাজনীতিক।

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়