শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০১৫

ভেলকিবাজির রাজনীতির কলঙ্কিত রাজপুরুষ!

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
ভেলকিবাজির রাজনীতির কলঙ্কিত রাজপুরুষ!

বহুদিন পর পুরনো একটি বিষয় দিয়ে আজকের প্রসঙ্গটি শুরু করতে চাই। গত সরকারের আলোচিত-সমালোচিত যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এবং সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফের সঙ্গে আমাদের প্রায়ই খটমট লেগে যেত। বিশেষ করে পদ্মা সেতু নিয়ে মন্ত্রী এবং সচিব যা বলতেন তা সংসদীয় কমিটির কোনো সদস্যই মেনে নিতে পারতেন না। কমিটির সদস্যদের মধ্যে আমি, ওমর ফারুক চৌধুরী ও অপু উকিল ছিলাম সবচেয়ে বেশি ভোকাল। সদস্যদের বেশির ভাগ আপত্তি এবং প্রশ্ন ছিল আবেগতাড়িত। অন্যদিকে মন্ত্রী-সচিবের উত্তর ছিল অনেকটা বাস্তবতার নিরিখে কাঠখোট্টা প্রকৃতির। ফলে কমিটির মিটিংগুলোয় প্রায়ই অনাহূত পরিস্থিতির উদ্ভব হতো যা কি না পর দিন সব দৈনিক পত্রিকার শিরোনাম হিসেবে প্রকাশিত হয়ে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করত।

মন্ত্রী ও সচিবের অহংবোধ ছিল তাদের টেকনিক্যাল জ্ঞান, সদিচ্ছা এবং অমানুষিক পরিশ্রমের কারণে। তারা সকাল ৭টা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতেন অতি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে পদ্মা সেতু তৈরি করে ইতিহাসে নাম লেখানোর মানসে। কাজেই সংসদীয় কমিটির কিছু আবেগনির্ভর প্রশ্নে তারা প্রায়ই ধৈর্য হারিয়ে ফেলতেন এবং ক্ষেত্রবিশেষ রেগেও যেতেন। এ অবস্থায় মন্ত্রী-সচিব মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন সংসদীয় কমিটির লোকজনকে চীন দেশের বড় বড় সেতুর নির্মাণ কৌশল, ব্যয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান ও ধারণা প্রদান করানোর জন্য। আমরা সবাই চীন গিয়েছিলাম এবং অভূতপূর্ব এক বর্ণাঢ্য অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে দেশে ফিরেছিলাম। এর পর থেকে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য উদ্যমী হওয়ার আগেই মন্ত্রী ও সচিবের কপালে আগুন ধরে যায়। সে এক লম্বা কাহিনী এবং ভিন্ন প্রসঙ্গ। আজ আমি ওসব না বলে আজকের শিরোনামের সঙ্গে সম্পর্কিত চীন ভ্রমণের একটি প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিষয়বস্তুর গভীরে চলে যাব।

আমরা যখন চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থান করছিলাম তখন আমাদের ভ্রমণের আয়োজনকারীরা একদিন বিকালে আমাদের নিয়ে গেলেন বিখ্যাত নিষিদ্ধ নগরীতে। ইংরেজিতে যাকে বলা হয় ফরবিডেন সিটি। এটি ছিল মিং সম্রাটদের সরকারি বাসভবন। ১৩৬৮ সালে চেঙ্গিস খান প্রতিষ্ঠিত ইউয়ান সাম্রাজ্যের পতন হলে মিং সম্রাট জু ইউয়ান ঝাং তার রাজধানী নাংজিং থেকে বর্তমান বেইজিংয়ে স্থানান্তর করার মানসে একটি রাজকীয় প্রাসাদ নির্মাণের হুকুম দেন। যেদিন তিনি নতুন প্রাসাদে অভিষিক্ত হলেন সেদিন তিনি দুটো যুগান্তকারী কাজ করলেন। প্রথমটি ছিল সিংহাসনের ওপর তার একটি অমিয় বাণী খোদাই করা এবং দ্বিতীয়টি ছিল তার পরবর্তী বংশধর বিশেষ করে সিংহাসনের উত্তরাধিকারীদের জন্য একটি রাজকীয় ফরমান জারি করা যা কি না হুয়াং মিং ঝু উন বা সিংহাসনের আরোহীদের জন্য নির্দেশাবলি হিসেবে ইতিহাসে অমর হয়ে আছে।

সম্মানিত পাঠক হয়তো প্রশ্ন করতে পারেন, ফরবিডেন সিটির প্রসঙ্গ টানতে গিয়ে কেন আমি সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন এবং তৎকালীন সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফের প্রসঙ্গ আনলাম? আমি মূলত কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্যই তাদের নাম এ লেখার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করলাম। তারা অতি চমৎকারভাবে আমাদের চীন ভ্রমণের প্রতিটি বিষয় এমনভাবে সাজিয়েছিলেন যাতে আমাদের পক্ষে কোনো কিছু না শিখে গাফেল অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভবপর ছিল না। আমরা যখন নিষিদ্ধ নগরীতে ঢুকলাম তখন আমাদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হলো অদ্ভুত এক যন্ত্র। যন্ত্রটি আমরা পকেটে ঢোকালাম এবং যন্ত্রের সঙ্গে সংযুক্ত হেডফোনটি কানে লাগালাম। এরপর আমরা প্রাসাদের মধ্যে হাঁটতে লাগলাম আর অমনি যন্ত্রটি থেকে বিশুদ্ধ বাংলায় আমাদের কানের পর্দায় বাজতে থাকল প্রাসাদের প্রতিটি ইঞ্চি জায়গার কৃষ্টি-কালচার, ইতিহাস-ঐতিহ্য, নানারকম ট্র্যাজেডি, কমেডি এবং রূপকথার বর্ণালি সব কাহিনী। সে কাহিনী এত লম্বা এবং ব্যাপক যে একজন পর্যটক একনাগাড়ে সাত-আট দিন যদি প্রাসাদের ইঞ্চি ইঞ্চি জায়গায় পা ফেলে এগোতে থাকেন তবুও শেষ হবে না। অমন ইতিহাস চীন দেশের শাহি হেরেমে হাঁটতে হাঁটতে বাংলায় শোনার সৌভাগ্য কজনের হয়েছে তা জানি না তবে আমার হৃদয়ে সেই স্মৃতি আজও জাগরূক হয়ে আছে অমলিন এক উজ্জ্বল দলিল হিসেবে।

আমরা যখন সিংহাসনের সামনে এলাম তখন কানে বেজে উঠল- অনুগ্রহ করে একটু সতর্ক হোন এবং মনোযোগ দিয়ে মহান একটি রাজকীয় ফরমান শুনুন। সিংহাসনের ওপরে খোদাই করা শব্দগুলোর অর্থ বলার আগে আপনার অবশ্যই জানা উচিত মহান সম্রাট ঝু ইউয়ান ঝাং সম্পর্কে যিনি তাবৎ দুনিয়ার কাছে হংউ সম্রাট হিসেবে সবার কাছে সমাদৃত। তিনিই চীন দেশের পাঁচ হাজার বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম মহানায়ক এবং মিং সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা। তার বংশধররা টানা ২৭৬ বছর মহাচীনকে শাসন করেছিল প্রবল বিক্রম এবং গৌরব নিয়ে। সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে তিনি প্রথম যেদিন এ সিংহাসনে আসীন হলেন সেদিন তার বংশের সবাইকে ডেকে সমস্বরে খোদাই করা লেখাগুলো পড়তে বললেন। এরপর তিনি সবার হাতে তুলে দিলেন তার রাজকীয় ফরমান। সবশেষে বললেন, তোমরা যদি আমার নির্দেশগুলো মেনে চল এবং এ সিংহাসনের অধিকারী যদি সব সময় খোদাই করা বক্তব্যটি স্মরণ করে তবে কোনো দিন মিং বংশ রাজ্যহারা হবে না।

এখন বলছি সম্রাট ঝু ইউয়ান ঝাংয়ের অমিয় বাণীটি সম্পর্কে। সম্রাট বলেন, শাসকের সবকিছু হতে হবে স্বচ্ছ। তার কথা চিন্তা, চেতনা, ব্যক্তিগত জীবন এবং রাজনীতির ভাষা হবে স্বচ্ছ, বোধগম্য এবং বিশ্বাসযোগ্য। শাসকের জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ তখনই নেমে আসবে যখন জনগণ তাকে শ্রদ্ধা করবে না, বিশ্বাস করবে না এবং কায়মনোবাক্যে তার মৃত্যু কামনা করবে। পরিস্থিতি যখন এমন হয় তখন শাসক কোনো অবস্থাতেই জনগণের ভাষা বুঝতে পারেন না। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থা এবং চীন সম্রাটের অমিয় বাণী নিয়ে তুলনামূলক আলোচনা না করে শিরোনাম প্রসঙ্গে কিছু কথা বলে আজকের লেখার ইতি টানব। ভেলকিবাজির রাজনীতির কবলে পড়লে সব রাজপুরুষই কলঙ্কিত হতে বাধ্য। যদি প্রশ্ন করা হয় ভেলকিবাজি বলতে কী বোঝায় এবং একজন শাসক তার শাশ্বত নীতি বাদ দিয়ে কোন ভেলকিবাজির রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন? বাংলা অভিধানে ভেলকি শব্দের অর্থে বলা হয়েছে- ধোঁকা এবং বাজি অর্থ জাদুর খেলা। কাজেই ভেলকিবাজি বলতে বোঝায় এমন এক জাদুময় ধোঁকার খেলা যার সঙ্গে সত্যের লেশমাত্র থাকে না। স্বাভাবিক জাদুতে দর্শক আনন্দ লাভ করে এবং ক্ষেত্রবিশেষ প্রতারিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু ভেলকিবাজিতে ক্ষতির পরিমাণ সীমাহীন। লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং ভেলকিবাজির নায়ক-নায়িকার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে আক্রমণ চালায়। দ্বিতীয় প্রশ্ন রাজপুরুষ তো প্রবল ক্ষমতাধর। তাকে কেন ভেলকিবাজির আশ্রয় নিতে হয়। উত্তর খুবই সহজ। রাজা প্রথমে নিতান্ত কৌতুকবশে ভেলকিবাজি শুরু করেন। এসব করতে করতে তিনি কখন যে মানসিক বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েন তা তিনি মৃত্যুর পূর্বক্ষণেও বুঝতে পারেন না। রাজার ভেলকিবাজির কারণে যারা লাভবান হন তারা তাকে চরমভাবে উত্তেজিত করতে থাকেন ওসব করার জন্য। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত নয় অথচ রাজার শুভাকাঙ্ক্ষীরা ওসব কথা রাজাকে বলার স্পর্ধা হারিয়ে ফেলেন।

এবার রাজনীতির ভেলকিবাজি নিয়ে কিছু বলা দরকার। রাজা যখন তার কিছু গোপন কর্ম নিয়ে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন কিংবা তার ব্যক্তিগত দুর্নীতি, লোভ-লালসা-কামনা-বাসনার কিছু বিষয় নিয়ে অন্তজ্ববালায় জ্বলতে থাকেন তখন হঠাৎ করেই তার মধ্যে অতি ধার্মিক, অতিবীর কিংবা অতিমানব হওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। ফেরাউন যখন অনেকটা প্রতারণা করে নিজের বোনকে বিয়ে করল এবং সামাজিকভাবে প্রচণ্ড সমালোচনার শিকার হলো ঠিক তখনই তার মনে কেবল অতিমানব নয়, খোদা হওয়ার উদগ্র বাসনা চেপে বসল। একইভাবে মুহাম্মদ বিন তুঘলক ওরফে সম্রাট জুনাখান যখন বুঝতে পারলেন জনগণ এবং আমাত্যবর্গ বুঝে ফেলেছেন যে তিনি তার পিতা গিয়াসউদ্দিন তুঘলককে হত্যা করেছেন তখন তিনি রীতিমতো পাগলামো শুরু করলেন। উদ্দেশ্য একটাই- সবাই তাকে ভয় পাক।

রাজা তার প্রতিপক্ষের ওপর অন্যায়, অবিচার এবং জুলুম করতে গিয়ে যখন পশুত্বকে হার মানায় তখন তার পক্ষে ভেলকিবাজির রাজনীতি ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকে না। ব্যক্তিগত যৌনজীবন, আর্থিক কেলেঙ্কারি, জ্ঞানবুদ্ধির সীমাবদ্ধতা এবং অতি দুর্বল স্নায়ু অর্থাৎ সাহস-শক্তি নিম্নমানের হওয়ার কারণে রাজা রাজনীতির মাঠে দম্ভ করে বেড়ান। তার কাপুরুষতা তাকে প্ররোচিত করে অত্যাচারী হওয়ার জন্য। তার নির্বুদ্ধিতা তাকে প্রলুব্ধ করে প্রকাশ্যে অনবরত মিথ্যা বলার জন্য। তার অল্পজ্ঞান তাকে উত্তেজিত করে দম্ভ করার জন্য। তার নির্লজ্জতা তাকে উপদেশ দেয় প্রতিনিয়ত মিথ্যা অভিনয় করার জন্য। অন্যদিকে তার নিয়তি তাকে প্রবল বেগে টানতে থাকে শেষ পরিণতির দিকে।

ইতিহাসে হাজারো ভেলকিবাজ রাজা-মহারাজার নাম রয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্যি পৃথিবীতে বীর পুরুষের তুলনায় কাপুরুষের সংখ্যা বহুগুণ বেশি। সাধকের তুলনায় ভণ্ডের সংখ্যা সীমাহীন আর মানুষের চেয়ে অমানুষ তো অগণিত! সভ্যতার চেয়ে অসভ্যতার ইতিহাস বড়, শান্তির চেয়ে অশান্তির ব্যাপ্তি ব্যাপক; সুখের চেয়ে অসুখের স্থায়িত্ব দীর্ঘ। সমাজে মানুষ হওয়ার প্রতিযোগীদের তুলনায় অমানুষ হওয়ার প্রতিযোগীর লাইন দিন দিন দীর্ঘতর হচ্ছে। যদি প্রশ্ন করেন- কারণ কী? উত্তর একটাই- কেয়ামত হতে হবে না?

লেখক : কলামিস্ট

 

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা