শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৫

নির্বাচনই সংকট উত্তরণের \\\'এক্সিট রুট\\\'

নূরে আলম সিদ্দিকী
অনলাইন ভার্সন
নির্বাচনই সংকট উত্তরণের \\\'এক্সিট রুট\\\'

ক্ষমতাসীন জোটের শীর্ষ নেত্রী দাম্ভিকতার পাদপীঠে অনড় এবং অটল ছিলেন। অন্যদিকে ২০-দলীয় জোটের শীর্ষ নেত্রী শুধু জেদই নয় প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে গিয়ে ৯২ দিন টানা অবরোধ ও হরতালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে শুধু ভঙ্গুরই নয়, একটি অনিবার্য ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এনে দাঁড় করিয়েছেন। জাতিসংঘ এবং দেশি-বিদেশি সুশীল সমাজ এ পরিস্থিতির অবসান চাইলেও রাজনৈতিকভাবে রাষ্ট্রীয় অঙ্গনে দুই জোট ব্যতিরেকে অন্যদের অবস্থা অত্যন্ত দুর্বল বলে দুই জোটেরই শীর্ষ নেতৃদ্বয় এ বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া তো দূরে থাক বিন্দুমাত্রও বিবেচনার আঙ্গিকে আনার কোনো প্রয়োজন বোধ করেননি। দেশ ও মানুষের প্রতি তাদের অবহেলা ও ঔদাসীন্য এতটাই প্রবল হয়ে প্রতিভাত হচ্ছিল যে- দেশবাসীর মতো আমিও প্রায় নিশ্চিত ছিলাম দেশটি সোমালিয়া হলেও কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবেন না, সমঝোতা তো কল্পনারই আবর্তের বাইরে। একটা অনিশ্চয়তা আর সংশয়-দ্বিধাদ্বন্দ্বের অতল গভীরে ক্রমেই তলিয়ে যাচ্ছিল গণতান্ত্রিক অবকাঠামো তো বটেই, তার ন্যূনতম সহনশীলতাও।

শুধু '৭১ সালে স্বাধীনতার পর নয়, পাকিস্তান আমলেও এরকম দুর্বিষহ রাজনৈতিক সংকট, সংশয় ও অনিশ্চয়তা আসেনি। একদিকে হরতাল-অবরোধ, অন্যদিকে প্রশাসনের নির্যাতন, নিগ্রহ (গুম, খুন) নিত্যনৈমিত্তিক বিষয়ে পরিণত হয়েছিল। এই পরিস্থিতিকে অকুতোভয়ে যারা চ্যালেঞ্জ করতেন- দু-একটি ব্যতিক্রম বাদে তাদের কণ্ঠও ক্রমেই ম্রিয়মাণ হয়ে আসছিল। যেহেতু ওই দুই জোট ব্যতিরেকে তৃতীয় কোনো রাজনৈতিক শক্তির অবস্থানকে সুদৃঢ় করা তো দূরে থাক, স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক চর্চার ন্যূনতম সহনশীলতাও দেখানো হচ্ছিল না, তখন তারাও ব্যথিত চিত্তে, মর্মাহত হৃদয়ে নীরব, নিথর, নিস্পৃহ না হলেও দৃশ্যত ম্রিয়মাণ হয়ে গিয়েছিলেন। রাজনৈতিক গভীর বিশ্লেষণ এবং জটিলতার গভীরে না গিয়েও বলা যায়, যে দেশে সভা-সমিতি ও মিছিলের বজ্র নির্ঘোষিত আওয়াজ উচ্চারিত হয় না- সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা আছে, অনুশীলন আছে এটা বলা যায় না। বরং গণতন্ত্রের কোনো সংজ্ঞাতেই সে দেশকে চিহ্নিত করা যায় না। দুটি জোটকে যেহেতু দেশের মানুষ একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ ভাবে, ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা অথবা ক্ষমতার মসনদ দখল করা ছাড়া রাজনীতিতে অন্য কোনো জনস্বার্থ-বিষয়ক কর্মসূচি না হওয়ায় এই দুঃসহনীয় অবস্থাটাও মানুষের কাছে অনেকটা গা-সওয়া হয়ে গিয়েছিল।

আল্লাহর অশেষ রহমতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ঘোষণা আসায় জনতার হৃদয়ে ঘনঘোর অমানিশা কিছুটা হলেও কাটতে শুরু করেছে। এই নির্বাচনটিকে অর্থবহ, নিরপেক্ষ এবং সর্বজনগ্রাহ্য করার মুখ্য দায়িত্ব সরকারের এবং এটা সম্ভব করতে পারলে তারা যে কতখানি লাভবান হবেন, জয়-পরাজয় যাই হোক, সেটি অনুধাবন করা এবং এই বাস্তব সত্য উপলব্ধি করার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাদের আছে বলেই আমি এখনো বিশ্বাস করি। দুটি বিষয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত- ৫ জানুয়ারির নির্বাচনটি দেশীয় ও আন্তর্জাতিক হিসেবে প্রত্যক্ষভাবে কিছুটা হলেও স্বীকৃতি পাবে। অন্যদিকে জয়-পরাজয় যাই হোক এ সরকার একটি সফল, সক্রিয়, অর্থবহ ও হস্তক্ষেপ-বিবর্জিত নির্বাচন করার মানসিকতা রাখেন এটা অবশ্যই প্রতিভাত হবে। যদিও বাংলাদেশে প্রশাসন- বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন এমনকি বিচার ব্যবস্থার নিরপেক্ষতার বিষয়ে জনগণের আস্থার স্থানটি অত্যন্ত দুর্বল।

সব দলের প্রার্থীরাই বিজয়ের প্রত্যাশা নিয়েই নির্বাচন করে এটা স্বাভাবিক এবং চিরন্তন। কিন্তু ক্ষমতাসীনদের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে মধ্য পর্যায়ের কোনো নেতা যদি বলেন, যে কোনোভাবে আমরা নির্বাচনে জয়লাভ করবই- অন্যদের শঙ্কিত হওয়াই স্বাভাবিক এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতার ব্যাপারেও তারা প্রশ্ন তুলতে পারেন। কাজেই এ বিষয়টি সম্পর্কে সরকারদলীয় জোটকে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে অলৌকিকভাবে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর সুযোগ সরকারের নেই। সে ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন শীর্ষ নেতৃত্বকে স্বচ্ছ, আন্তরিকতায় প্রত্যয় দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতে হবে- এ নির্বাচনটি শুধু অনুষ্ঠিতই নয়, তার নিরপেক্ষ মানসিকতাকে এই প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও প্রতিভাত করতে হবে। এতে সমাজের অস্বস্তি অনেকটা দূর হবে মানুষের অনিশ্চয়তা ও অন্ধকার ধীরে ধীরে কেটে যাবে এবং স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছানোর পাদপীঠ তৈরি হবে।

যারা ঘোরতর দলকানা, তারা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলতে পারেন- এই ৯২ দিনের একটানা অবরোধ, হরতাল, সন্ত্রাস, বোমাবাজি, এত নিষ্পাপ প্রাণের অবসান, এত অশ্রু, এত আর্তনাদ, এত হাহাকার- তা কি সবই বেমালুম বিস্মৃত হতে হবে? এর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপই কি নেওয়া যাবে না? অন্যদিকে ২০-দলীয় জোটের তরফ থেকেও প্রশ্ন আসতে পারে- এই নির্যাতন, নিষ্পেষণ, জেল-জুলুম, খুন-গুম এগুলো আমরা বেমালুম হজম করব কেন? এটি উভয়ের কাছেই পরিস্থিতির দাবি। উভয় পক্ষই বিষয়গুলো বেমালুম বিস্মৃত না হয়ে, উভয়ের প্রশ্নগুলোই আইনের নিরপেক্ষ হাতে তুলে দিয়ে আসন্ন নির্বাচনটিকে সফল করতে পারলে পরিস্থিতিটা এমনিতেই স্বাভাবিকতার দিকে মোড় নেবে। প্রাসঙ্গিকভাবে আমি আবারও দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই- ক্ষমতাসীন শীর্ষ নেতৃত্ব ধৈর্য-সহনশীলতার অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি। ৯২ দিনের অবরোধ-হরতাল, সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ দেশের সমগ্র মানুষ অবহিত। এ সত্যটি তার মানসিকতায় থাকতে হবে। এটা অতিকথায় ব্যঙ্গোক্তির মাধ্যমে উচ্চারণ করা এবং বারবার কটাক্ষ করা, সৃষ্ট সুযোগের সদ্ব্যবহারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। বরং চরম সহিষ্ণুতার সঙ্গে আসন্ন পরিস্থিতিতে জয়-পরাজয়ের কথা না ভেবে তাকে হৃদয়ের ঔদার্য নিয়ে এগোতে হবে। দিল্লিতে সম্প্রতি কেজরিওয়ালের বিজয়ে বিজেপির মতো কট্টর ধর্মভিত্তিক দলের সহনশীলতা তার জন্য দৃষ্টান্ত হতে পারে। সামগ্রিকভাবে ভারতের জাতীয় নির্বাচন তো বটেই, তদুপরি দিল্লির মসনদ হাতছাড়া হওয়ার পরও বিজেপির মতো দলের সহনশীলতা থেকে শিক্ষা নেওয়া বাংলাদেশের উভয় জোটেরই শীর্ষ নেতৃত্বের নৈতিক দায়িত্ব। 'মুখে শাহ ফরিদ, বগলে ইট'- এই নীতি অবলম্বন করে কোনো ভিত্তিহীন অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচনটি বানচাল করলে তার কঠিন দায়ভার ভবিষ্যতে তাদেরই বহন করতে হবে। ৯২ দিনের হরতাল-অবরোধ সরকার হটাতে পারেনি, তা সত্ত্বেও একটা সম্মানজনক 'এক্সিট রুট' তাদের জন্য তৈরি হয়েছে। সেটি বন্ধ হয়ে গেলে যে সামাজিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হবে তার রূপ এতই ভয়াবহ হবে যে, উভয় জোটের জন্যই অকল্পনীয় দুর্যোগ ও দুর্দশা নেমে আসবে এবং প্রস্থানের সব পথ রুদ্ধ হয়ে যাবে। কারণ এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত হরতাল-অবরোধ শুধু বাংলাদেশেই নয়, পৃথিবীর কোথাও সরকার পরিবর্তন করতে পারেনি। শুধু সামরিক অভ্যুত্থান ঘটানোর পথ উন্মুক্ত করেছে। '৯০-এর আন্দোলনেও এরশাদ সাহেবকে দুই জোটের সম্মিলিত আন্দোলন সরাতে সক্ষম হয়েছে। তারও মুখ্য কারণ ছিল তৎকালীন চিফ অব স্টাফ জনাব নূরুদ্দীনের ক্ষমতাগ্রহণে অপারগতা বা অক্ষমতা। বর্তমান অবস্থায় এটি প্রদীপ্ত সূর্যালোকের মতো নিষ্কলুষ সত্য যে, বাংলাদেশে সামরিক অভ্যুত্থানের সুযোগ একেবারেই নেই। এই বাস্তবতার অন্তর্নিহিত কারণটি শুধু দুই জোটই নয়, জনগণও অবহিত। প্রশাসনিক সুবিধার কথা বলে দেশের প্রতিটি জেলায় একজন করে জেলা পরিষদ প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তাদের কোনো কাজ নেই বা কিছু করার সুযোগ নেই এমনকি অনেক জায়গায় অফিস পর্যন্ত নেই। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হচ্ছে বটে, কিন্তু চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা খর্ব করে দিয়ে আদতে তাদের ঠুঁটো জগন্নাথ করে রাখা হয়েছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যদের ইচ্ছার বাইরে তাদের কোনো কিছু করা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নেই।

একই নগরে দুই নগরপিতা! এটা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। লন্ডন, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন, দিল্লি, প্যারিস, টোকিও বা কলকাতা- পৃথিবীর কোনো বড় শহরকেই প্রশাসনিক কাজের সুবিধার জন্য দুই ভাগ বা চারভাগ করতে হয়নি। আমি এর আগে এর বিরোধিতাও করেছি। কিন্তু এখন মেনে নিচ্ছি এই কারণে যে, তবুও আসন্ন নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হোক। কেননা আসন্ন নির্বাচনটি চলমান সাংঘর্ষিক অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটি 'এক্সিট রুট' হিসেবে কাজ করবে এবং সামাজিক বিপর্যয়ের হাত থেকে আল্লাহর অশেষ রহমতে জাতি রক্ষা পেতে পারবে। নির্বাচনটি বৃহত্তর সংকট উত্তরণের একটি পথ উন্মুক্ত করবে।

লেখক : স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম নেতা।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা