শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৫

সিটিতে পারলে জিতুন কিন্তু হারানোর চক্রান্ত নয়

কাজী সিরাজ
অনলাইন ভার্সন
সিটিতে পারলে জিতুন কিন্তু হারানোর চক্রান্ত নয়

তিন সিটি নির্বাচনে ওয়ার্ড এবং পাড়া-মহল্লাভিত্তিক প্রচার-প্রচারণা জমতে শুরু করেছে। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহানগরী। পোস্টারের 'ছাদে' আকাশটাই যেন ঢাকা পড়েছে। আগের লেখায় এই নির্বাচন নিয়ে আশার কথা বলেছি, মানুষের স্বপ্নের কথা বলেছি। আশঙ্কার কথাও বলেছিলাম। প্রার্থনা করেছি, আশঙ্কা যেন অমূলক হয়। কিন্তু এখন একটা দিন যায় আর চারদিকে উৎকণ্ঠা ছড়ায়। রাত গভীর হয়, সময়ের কাঁটা এগিয়ে চলে, ভয় হয় সকাল-সূর্য না জানি কী বার্তা নিয়ে আসে! যে আশা আর স্বপ্নের কথা বলেছি তার প্রতি আস্থা যেন টলছে।

বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনে এই 'তিন সিটি' নির্বাচনের কোনো ভূমিকা নেই কিন্তু জাতীয় রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনে এর গুরুত্ব অপরিসীম ভাবছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে তিন মাস দেশে একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট আহূত টানা অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি। কর্মসূচির রূপ কোথাও কোথাও ছিল সহিংস। তিন মাসের আন্দোলনে নিহত হয়েছে ১৪২ জন। সরকার পক্ষের প্রচারে মনে হয় বিএনপি পেট্রলবোমা মেরে এতগুলো মানুষ মেরে ফেলেছে। ঘটনা কিন্তু তা নয়। প্রিন্ট মিডিয়ায় এ ব্যাপারে প্রদত্ত পরিসংখ্যান সর্বাংশে সত্য হয়তো নয়। তবে দেশের বহুল প্রচারিত দায়িত্বশীল সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী পেট্রলবোমা ও আগুনে দগ্ধ হয়ে মৃতের সংখ্যা ৭৯। ক্রসফায়ার, সংঘর্ষ এবং অন্যভাবে মৃতের সংখ্যা ৬৩। সংখ্যা দুটি প্রায় কাছাকাছি। পেট্রলবোমা ও আগুনে দগ্ধ করে মারার যে দায় সরকার বিএনপির ঘাড়েই সবটা চাপাতে চাচ্ছে, সেই সংখ্যা তো ৭৯। আইনবহির্ভূত ৬৩ হত্যাকাণ্ডের দায় কে নেবে? নেওয়া তো উচিত সরকারের। তবে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে যে, পত্রপত্রিকায় লেখালেখিতে এবং বিভিন্ন টকশো আলোচনায় সরকার পক্ষের লোকজন সরকারি হ্যান্ড আউট লেখা ও পাঠ করার মতো পেট্রলবোমা হামলা, সহিংসতা-নাশকতার দায় যেভাবে সাফল্যের সঙ্গে বিএনপির ওপর চাপাতে পেরেছেন, বিএনপির পক্ষের লোকেরা সরকার পক্ষের দোষ তুলে ধরা তো দূরের কথা, আত্মরক্ষামূলক কথাবার্তাও বলতে পারেননি। তা ছাড়া তাদের পক্ষে যারা কথা বলেন অনেকের গায়ে রাজাকারী গন্ধ। তাদের কথা শুনতেও চায় না মানুষ। যে দুই-তিনজন বলেন, তারা আবার তাদের লোক নন। লেখালেখিতেও নেই তারা। বেগম জিয়ার সঙ্গে দেখা করার জন্য তার কার্যালয়ে লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট, বুদ্ধিজীবীর ঢল নামে- কিলবিল কিলবিল করে। তাদের দলনেত্রী তার কর্মচারীদের এমন আয়োজনে মুগ্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। এদের মধ্যে বেশ কজন আছেন যাদের লেখক-কলামিস্ট-সাংবাদিক পরিচয় বেশ আছে। ভালো লেখেন এবং তাদের লেখা গুরুত্বপূর্ণ কাগজে ছাপা হওয়ার কথা। কিন্তু যাদের নাম দেখলেই লেখা ভালো হলেও মানুষ পড়তে চায় না, তারা ছাড়া 'চালাক-বান্দারা' এই দুঃসময়ে লেখাজোঁকা ছেড়েই দিয়েছেন। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে এরা কবি সুকান্তর মতো গালে হাত দিয়ে গুরুগম্ভীর ছবিসহ কত কাগজে পাতার পর পাতা লিখেছেন। এখন 'ব্লাক অ্যান্ড হোয়াইটে' কোনো কিছু রাখতে চাচ্ছেন না। ফলে বিভিন্ন ইস্যুতে তথ্যগত ও মতাদর্শগত লড়াইয়ে পিছিয়ে আছে বিএনপি। সিটি নির্বাচনে শাসকলীগ বিএনপির এই দুর্বলতাটা কাজে লাগাচ্ছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ আরও এগিয়ে এলে এই ইস্যুতে ঝগড়া-ফ্যাসাদ নিম্নস্তরে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। বিএনপির বড় বড় সাহেব এদিক-সেদিক তাকিয়ে, নানারকম হিসাব-নিকাশ করে কথা বললেও নিচের স্তরের আবেগতাড়িত কর্মী-সমর্থকরা অত হিসাব-নিকাশ করবে না। তখন নির্বাচনী প্রচার বর্তমান সৌন্দর্য হারিয়ে ফেলতে পারে।

বোঝা যাচ্ছে, সরকার বিএনপিকে চাপের মধ্যে রেখে ফায়দা তোলার কৌশল অবলম্বন করছে। তিন সিটি নির্বাচনে বিএনপির হারাবার কিছু নেই কিন্তু ভোটে পরাজিত হলে সরকার হারাবে অনেক কিছু। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিএনপির তিন মাসের আন্দোলন মাঠে মারা গেছে। খালি হাতে ঘরে ফিরেছেন খালেদা জিয়া। আন্দোলন ব্যর্থ হলে জনগণ, এমনকি আন্দোলনের সমর্থকরাও আন্দোলনকারী দলের পক্ষে থাকে না। সরকারি দলের হিসাবটা বোধহয় তেমনই। তারা আন্দোলনের মুখে যখন টিকে আছে, তিন সিটিতে জিতে দেখাতে চায় জনগণ তাদের সঙ্গেই আছে। দ্বিতীয়ত, এই নির্বাচনে জিতে তারা এই বার্তাই দিতে চায় যে, জনমত বিরোধী দলের এবং বহির্বিশ্বের আগাম বা মধ্যবর্তী নির্বাচনের পক্ষ নেই। তৃতীয়ত, এই নির্বাচনে জিতে তারা তাদের ক্যাডার, কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীদের বোঝাতে চায় যে, ভয়ের কিছু নেই; বিএনপি পারবে না তাদের সঙ্গে; বিএনপির কোমর ভেঙে দেওয়া হয়েছে। চতুর্থত, এই নির্বাচনে জয়ের মাধ্যমে সরকার তাদের দোটানায় থাকা বিদেশি মিত্রের আস্থা অর্জন করতে চায়। সবচেয়ে বড় যে অর্জনটি তারা চায়, তা হচ্ছে তাদের নিয়ে আস্থার অপ্রকাশ্য যে সংকট চতুর্দিকে, সেই আস্থার সংকটটি কাটাতে চায় তারা। যদি হেরে যায়, সর্বগ্রাসী সংকট তাদের আরও কঠিনভাবে ঘিরে ধরবে। আবার ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে রাষ্ট্র পরিচালনার নৈতিক বৈধতার প্রশ্ন অনেক বড় হয়ে দেখা দেবে এবং অর্থনৈতিক কর্মসূচির স্লোগানের আড়ালে একদলীয় বাকশাল কনসেপ্টের রূপান্তরিত ভার্সন 'আগে উন্নয়ন, পরে গণতন্ত্রের' স্লোগান দিয়ে কঠোর পন্থা অবলম্বন করে হলেও ২০১৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার রূপকল্প নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সংলাপ, সমঝোতা ও মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে আবার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। সরকারি মহল তাই এই নির্বাচনে জেতার কোনো বিকল্প কিছু ভাবছে না বলে মনে হয়। সরকার ও সরকারি দলের কর্তাব্যক্তিরা যেসব কথা বলেছেন তা মানুষকে উদ্বিগ্ন করতেই পারে। তাদের কারও কারও কথা যে কোনো প্রকারেই হোক সরকারি দলকে জিততে হবে। জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদও (জানিপপ) এই অভিযোগ সমর্থন করেছে। ঢাকার দুই লীগ নেতা পৃথক পৃথকভাবে একই কথা বলেছেন যে, ঢাকায় তারা দুই মেয়র ও ৫০ কাউন্সিলর পদে জয়ের লক্ষ্যে কাজ করছেন। যে কোনো রাজনৈতিক দল কোনো একটি নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করতেই পারে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দলের এমন প্রত্যাশার সঙ্গে সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণ ও ভূমিকা যদি একটি আরেকটির পরিপূরক বলে প্রতিভাত হয় তাতে নির্বাচনের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে- দেশে ও বিদেশে। আমরা জানি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং খোদ জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন তিন সিটি নির্বাচনের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু মনে হচ্ছে, সরকার পক্ষ বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার চেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে যেনতেন প্রচারে হারিয়ে দিয়ে নিজেদের প্রার্থীদের জেতানোর বিষয়াবলির ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। উদ্বেগজনক কিছু ঘটনা প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ করা যেতে পারে।

বিএনপি সমর্থিত অনেক কাউন্সিলর প্রার্থী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্যাডারদের দাবড়ানোর চোটে বাসাবাড়িতে তো নয়ই, এলাকায়ও থাকতে পারছেন না। কোথাও নির্বাচনী প্রচারে নামার খবর পেলে সেখানেও দাবড়াচ্ছে পুলিশ। এ রকম কিছু ঘটনা মিডিয়াতেও এসেছে। ১০ এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৩টায় কামরাঙ্গীরচরের ঝাউচর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় বেরিয়েছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সমর্থিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী শহিদুল হক। এলাকার কিছু বাসিন্দাও তার সঙ্গে প্রচারে শামিল হয়। খবর পেয়ে ধেয়ে আসে ২০-২৫ জনের একদল পুলিশ, ধাওয়া দেয় শহিদুল হক এবং তার সঙ্গীদের। নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন তিনি। একই দিন সন্ধ্যায় (৭টায়) কামরাঙ্গীরচরের করিমাবাদ এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় নামেন বিএনপি সমর্থিত ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট রাশেদ আলম খোকন। তাকেও ধাওয়া দেয় পুলিশ। পুলিশের হাত থেকে বাঁচার জন্য খোকনসহ তার সমর্থকরা নৌকায় বুড়িগঙ্গা পার হয়ে কেরানীগঞ্জে পালিয়ে যান। এমন ঘটনার সংখ্যা খুব একটা কম নয়।

এই লেখা যখন লিখছি (১৮.০৪.২০১৫ রাত ৯টা) তখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যায়নি, ঢাকা দক্ষিণে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাস সশরীরে নির্বাচনী প্রচারে শামিল হতে পারবেন কিনা। তার বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা দুটি রাজনৈতিক মামলায় (গাড়ি পোড়ানো, নাশকতা) উচ্চ আদালতে দ্বিধাবিভক্ত রায়ের কারণে বিষয়টি ঝুলে আছে। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারক তাকে তিন সপ্তাহের জামিন দিলেও কনিষ্ঠ বিচারক জামিনে রাজি হননি। প্রধান বিচারপতির সিদ্ধান্তের পর বোঝা যাবে মির্জা আব্বাস নিজে তার নির্বাচনী প্রচারে নামতে পারবেন কিনা। এখন পর্যন্ত তিনি যে আভাস দিয়ে রেখেছেন তাতে বলা চলে, জামিন না হলে আত্মগোপনে থেকে এমনকি গ্রেফতার হলেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবেন। শাসক দলের দুই মেয়র পদে এবং ৫০ কাউন্সিলর পদে জয়ের অভিপ্রায় বিএনপিও জানে। তাদের অধিকাংশ কাউন্সিলর প্রার্থী ভালোভাবে সরকার সমর্থিত প্রার্থীদের মতো সমান সুযোগ পেয়ে সমান তালে প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে পারছেন না তাও জানে দলের হাইকমান্ড। কিন্তু তারপরও তারা ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন এবং এখনো ভোটযুদ্ধে আছেন- এটা একটা ভালো খবর। কিন্তু বৈরী হাওয়া যদি সহনীয় সীমা অতিক্রম করে, সরকার পক্ষের দুই মেয়র ও ৫০ কাউন্সিলর জয়ের বাসনা যদি 'দখলের' বেপরোয়া তাণ্ডবের দিকে ধাবিত হয় তাহলে পরিস্থিতি কি এখন যেমন আছে তেমন থাকবে?

তিন সিটি নির্বাচন নিয়ে মানুষের আশাবাদ যেন নষ্ট না হয়। অন্যান্য সিটির মতো এই তিন সিটিতে হারলেও সরকার ক্ষমতাচ্যুত হবে না। কিন্তু আচরণবিধি ভঙ্গ করে, গায়ের জোরে দখল করতে গেলে মূল ক্ষমতার কেন্দ্রে টান পড়তে পারে। এই নির্বাচনের জায়গা খুব বড় নয়। সবকিছু থাকবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ার চোখে চোখে। যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেকেই অবজার্ভার পাঠাবে। বিএনপির তিন মাসের আন্দোলন পরিপূর্ণ সফল হয়নি, কিন্তু একটি আন্দোলন ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে সফল কোনো আন্দোলন হবে না তেমন ভাবা ঠিক নয়।

ঢাকা দক্ষিণে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নিয়ে বিভ্রান্তি আছে। ঘোষণা করা হয়েছে মির্জা আব্বাস দলের প্রার্থী। অন্যদিকে দলের আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপনও মেয়র পদপ্রার্থী। রিপন তার দলের পক্ষে মাঝে মাঝে প্রেস ব্রিফিংও করছেন। মির্জা আব্বাস দলের প্রার্থী হলে রিপন কার? মির্জা আব্বাস নির্বাচন করতে পারবেন কিনা সন্দেহ থেকে যদি রিপনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করানো হয়, এখন তো সেই জটিলতা নেই। আনুষ্ঠানিকভাবে এখন আর প্রত্যাহার করার সুযোগ নেই সত্য, কিন্তু পার্টির এমনকি আসাদুজ্জামান রিপনের তরফ থেকে প্রেস বিজ্ঞপ্তি এবং সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে ঢাকা দক্ষিণের বিএনপি ভোটারদের তো তা জানানো দরকার। তা না হলে তো বিভ্রান্তি থাকবে। ভোটের দিন কোনো সুবিধা নেওয়ার কথা ভাবছে বিএনপি? হাস্যকর, সরকার পক্ষ তো জানে তিনি বিএনপির প্রার্থী নন। তি নি দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রেস ব্রিফিং করেছেন। এ অবস্থায় তার কোনো এজেন্টকে ভোটের দিন অন্য প্রার্থীরা বুথে ঢুকতে দেবে? অন্যদিকে শাসকদল যদি তাদের লোকজন দিয়ে বিএনপির মুন্সীগঞ্জবাসী ভোটারদের মধ্যে 'চতুর' প্রচার চালায় 'মুন্সীগঞ্জের ছেলে' ড. রিপনের পক্ষে, তাতে মির্জা আব্বাসের কিছু ভোট কি নষ্ট হয়ে যেতে পারে না? সরকারদলীয় প্রার্থী যদি কোনো প্রকার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমেও জিতে নেয়, তাদের কাছে বলার ও অন্যদের বোঝানোর একটা যুক্তি তো খাঁড়া থাকল যে, বিএনপির প্রার্থী দুজন থাকায় ওরা হেরে গেছে। 'বুদ্ধির জাহাজদের' কী বুদ্ধি!

আমরা চাই একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভালো নির্বাচন হোক। শান্তি, স্বস্তি স্থায়ী হোক। এই নির্বাচনী কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে অংশগ্রহণমূলক একটি জাতীয় নির্বাচনের পথ নির্মিত হোক। অন্তত আলোর পথ দেখাক। বহুদিন পর ভোটের অধিকার ভোগ করে আনন্দে উদ্বেল হোক ভোটাধিকার বঞ্চিত মানুষ।

লেখক : সাংবাদিক, কলামিস্ট

ই-মেইল : [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা