শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৫

এখনো যেতে হবে বহুদূর

মেজর জেনারেল এ কে মোহাম্মাদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
এখনো যেতে হবে বহুদূর

মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ পূর্ণভাবে পেতে হলে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে হবে এবং জামায়াত ও একই মতাবলম্বী উগ্র ধর্মান্ধদের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। এ দুটি আরাধ্য কাজ সম্পন্ন করার জন্য সমগ্র বাঙালি জাতির সংগ্রাম গত ৪৪ বছর যাবৎ অব্যাহত আছে। তবে এই ৪৪ বছরের বেশির ভাগ সময়ে রাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে ছিল না, বরঞ্চ উল্টো দিকে ছিল। এটাকে দুর্ভাগ্যই বলতে হবে। তবে মনুষ্য সৃষ্টি দুর্ভাগ্য। এই দুর্ভাগ্যের রজনী এখন কোন প্রহরে আছে তা ঠিক করে বলা না গেলেও এতটুকু বলা যায়, ভোর হতে বোধহয় আর বেশি বাকি নেই। কারণ, তাদের অগস্ত্যযাত্রা তো অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু পূর্ণ মর্যাদায় লাল সূর্য না ওঠা পর্যন্ত ফাঁড়া সম্পূর্ণ কেটে গেছে- সে কথা বলা যাবে না। তাই অগ্রাভিযানের সৈনিকদের সদা সজাগ ও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। কোথায় যে তারা স্নাইপার বসিয়ে রেখেছে, তা কে জানে। যারা যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসিয়েছে এবং আবার বসাতে পারে বলে এখনো আশঙ্কা আছে তাদের ভোট ব্যাংকের ব্যালান্স খুব যে একটা কমে গেছে তা মনে হয় না। আসলেই বাঙালি জাতির মন-মানসিকতা দুর্ভেদ্য। তা না হলে নিজামীর মতো গণহত্যাকারীকে ভোট দিয়ে এমপি-মন্ত্রী বানায়। যাক এ প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি। যে সব মশহুর যুদ্ধাপরাধীর মামলাগুলোর রায় ট্রাইব্যুনাল ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে এবং আপিল বিভাগে এখন পেন্ডিং আছে সেগুলো যদি বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী নিষ্পত্তি ও শাস্তি কার্যকর হয় তাহলে একদিকে যেমন বিচারহীনতার কলঙ্ক থেকে রাষ্ট্র মুক্তি পাবে, তেমনি উগ্র ধর্মান্ধ রাজনীতির বিলুপ্তির পথ সুগম হবে। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপির সঙ্গে একাত্দ হয়ে যুদ্ধাপরাধীরা যখন মন্ত্রী হলেন, তখন বাংলাদেশের মানুষ হতাশ হয়ে মনে করেছিল এদের বিচার বোধহয় আর কোনো দিন হবে না। এ কারণে সে সময়ে এই যুদ্ধাপরাধীরা সীমাহীন ঔদ্ধত্য দেখিয়েছে। ক্যামেরার সামনে বলেছে একাত্তরে কোনো মুক্তিযুদ্ধ হয়নি। ওটা ছিল পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধ। প্রকাশ্য দিবালোকে একজন মুক্তিযোদ্ধাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। টেলিভিশনের বদৌলতে সারা বিশ্বের মানুষ সেটি দেখেছে। জাতি হিসেবে এর থেকে বড় লজ্জার কিছু থাকতে পারে না। তারপরও তারা মন্ত্রী থেকেছে। তারপরও বিএনপির সুপ্রিমো তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছে, জামায়াত-শিবির আর বিএনপি-ছাত্রদল একই মায়ের দুই সন্তান। তারপরও দুএকজন খেতাবধারী মুক্তিযোদ্ধা জামায়াতের সঙ্গে এককাতারে বসেছে, খানাপিনা করেছে এবং এখনো করছে। রাজনীতির স্বার্থান্ধতার এমন নিকৃষ্ট উদাহরণ বিশ্বে কোথাও পাওয়া যায় না। সুতরাং মানুষের হতাশ হওয়ারই কথা।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনী মেনুফেস্টোতে আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের অঙ্গীকার করলে মানুষের ভিতর নতুন আশার সৃষ্টি হয়। কিন্তু বিএনপি ও তাদের চিহ্নিত সমর্থক বুদ্ধিজীবীরা শুরুতে বলতে লাগলেন, আওয়ামী লীগ কোনো দিন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করবে না। আর শুরু করলেও তা কোনো দিন সম্পন্ন করবে না, ঝুলিয়ে রাখবে। রায় বের হওয়া শুরু হলে বলতে লাগলেন, এ রায় কোনো দিন কার্যকর হবে না। সুতরাং জামায়াতেরও সেরকমই আত্দবিশ্বাস ছিল। কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর হলে তারা একই সুরে বললেন, এই একটাই, আর কোনো ফাঁসি কার্যকর হবে না। আপিল বিভাগে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদণ্ড রহিত হয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড হলে এই প্রোপাগান্ডাকারীদের গলা আরও বেড়ে যায়। সবার জানা কথা উল্লেখ করছি এ কারণে যে, সাধারণ জনমানুষের বিশ্বাসের ওপর অনবরত আঘাত করার জন্য তারা কীভাবে বিভ্রান্তিমূলক প্রোপাগান্ডা চালাতে পারে, এটা সবাইকে বুঝতে হবে। তবে প্রক্রিয়াজাত বিলম্বও বিভ্রান্তি ছড়াতে ইন্ধন জোগায়। ট্রাইব্যুনাল কামারুজ্জামানের রায় দেয় ৯ মে ২০১৩, আর আপিল বিভাগের রায় হয় ৩ নভেম্বর ২০১৪, প্রায় দেড় বছর পর। তাই নিজামী, মুজাহিদ, সাকাসহ যে নয়জনের রায় আপিল বিভাগে পেন্ডিং আছে সেগুলোর শেষ দেখা নিয়ে মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হলে সেটিকে অস্বাভাবিক বলা যাবে না। তবে কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকরের মধ্য দিয়ে মানুষের ভিতর আবার বিশ্বাস ফিরে এসেছে। সবার ধারণা বাকি মামলাগুলো দ্রুত আপিল বিভাগে নিষ্পত্তি হবে। সুতরাং শাস্তি কার্যকর হবে না, এমন আশঙ্কা মানুষের মধ্যে আপাতত আর নেই। তবে আশঙ্কার জায়গা অন্যত্র। জনকেরা অগস্ত্যযাত্রার মঞ্চে ওঠার পরও কামারুজ্জামান গংয়ের সন্তানেরা আগের মতো ভি-চিহ্ন দেখানোর ধৃষ্টতা দেখায় কোন খুঁটির জোরে সেই বাস্তবতাকে এ দেশের তরুণ সম্প্রদায়, বিশেষ করে ভোটারদের উপলব্ধি করা প্রয়োজন। এই ভি-চিহ্ন ক্রোধ, হতাশা ও অসহায়ত্বের বহিঃপ্রকাশ। তারা হয়তো ভাবছে ২০০১-২০০৬ মেয়াদের মতো আবারও বিএনপির কাঁধে চড়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পাবে। তা ছাড়া এই ধৃষ্টতা দেখানোর এক নম্বর খুঁটি হলো দেশের অভ্যন্তরে জামায়াতের বিশাল অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য। এই অর্থের জোরে তারা মিডিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রযন্ত্রের ভিতরে ছদ্মবেশী কর্তাব্যক্তি এবং বহুল পরিচিত কিছু টেলিভিশন টকশোওয়ালাদের কীভাবে শামাল দিচ্ছে তা একটু ভালো করে তাকালেই দেখা যায়। টাকায় বাঘের দুধ মিলে, এই ফর্মুলা জামায়াতের অর্থ উৎপন্নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবে কাজে লাগাচ্ছে। এখানে রাষ্ট্রযন্ত্রকে মাঝে মাঝে অসহায়, আর নয়তো উদাসীন মনে হয়। মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করে পশ্চিমা বিশ্বে তারা লবিস্ট (দালাল) নিয়োগ করেছে। এসব দালালের প্রভাবে বিশ্বের কিছু নামকরা প্রতিষ্ঠান যেমনয় যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক 'হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা এবং দুএকটি নামকরা মিডিয়া যেভাবে যুক্তিহীন ও বাস্তবতা বিবর্জিত বক্তব্য দিচ্ছে তাতে বোঝা যায়, সত্যিই টাকায় বাঘের দুধ পাওয়া যায়।

তাদের যুক্তিহীনতা ও অবাস্তবতার দুএকটি উদাহরণ দিই। হিউম্যান রাইটওয়াচ বলেছে, 'কামারুজ্জামানের অপরাধ নাকি এত গুরুতর নয়, যার জন্য তার ফাঁসি হতে পারে।' এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্যই বলতে হয়, তাহলে সোহাগপুরের বিধবা পল্লীর এতজন বিধবা জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কী মিথ্যা কথা বলছে? তাদের চোখ-মুখের ভাষা কি তাই বলে? সোহাগপুরের গণকবর কি মিথ্যা? হাড়গোড় তো এখনো আছে। আর একাত্তরে কামারুজ্জামান শেরপুর এলাকার বদর কমান্ডার ছিলেন তার প্রমাণ তো একাত্তরে তাদেরই পূর্ব পাকিস্তান সরকারের অফিসিয়াল দলিলেই উল্লেখ আছে। কিন্তু রহস্যের বিষয় হলো হিউম্যান রাইটওয়াচ তাদের বক্তব্যের কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। পশ্চিমা বিশ্বের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রসঙ্গে সিঙ্গাপুরের মহান নেতা লি কুয়ানের একটা মন্তব্য প্রণিধানযোগ্য। লি কুয়ান পশ্চিমা বিশ্বের বন্ধু ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, 'পশ্চিমা বিশ্বের শিক্ষা ও সভ্যতার পরিপক্বতায় যে ধাঁচের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার তারা চর্চা করে তা স্বল্পোন্নত দেশের বাস্তবতায় সম্পূর্ণ বেমানান'। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও ফাঁসি কার্যকর প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্কে কথা বলার সময় পশ্চিমা বিশ্বকে বিবেচনায় নিতে হবে যে, সত্তর দশকের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত ছাত্রকে ঠাণ্ডা মাথায় হত্যাকারী যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী পঁচাত্তরের পরে আগত সামরিক শাসক দ্বারা মুক্ত হয়ে বহাল তবিয়তে রাজনীতি করছে এবং বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের তিনি এখন বড় নেতা। এমন অকল্পনীয় বাস্তবতা পশ্চিমা বিশ্বে নেই। তারপর বিএনপির প্রভাবশালী নেতা, সুপ্রিমকোর্ট বারের নেতা খোন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, তারা আগামীতে ক্ষমতায় গেলে সব যুদ্ধাপরাধীকে মুক্ত করে দেওয়া হবে এবং যারা এখন এই বিচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তাদের বিচার করা হবে। একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর কাছ থেকে এমন বক্তব্য পশ্চিমা বিশ্বে কি ভাবা যায়? পশ্চিমা বিশ্ব সব ধরনের ফাঁসির বিরুদ্ধে, তাদের এ কথা কিন্তু ধোপে টিকে না। কামারুজ্জামানের ফাঁসির দুই-তিন দিন আগে আজিজুল হক বাচ্চু নামের এক আসামির ফাঁসি কাশিমপুর কারাগারে কার্যকর হয়েছে। কিন্তু কই, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, হিউম্যান রাইটওয়াচ, কেউ তো কোনো প্রতিবাদ করেনি। তাদের যত মানবাধিকার তা শুধু ওই যুদ্ধাপরাধীদের জন্য। এতেই বোঝা যায়, জামায়াতের অর্থ এখানে কথা বলেছে। তা ছাড়া হতে পারে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলকেন্দ্রিক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাজনৈতিক-সামরিক নীতির আওতায় বাংলাদেশকে তারা যেভাবে পেতে চায় সেই বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় জামায়াতকে বাঁচিয়ে রাখা তাদের জন্য হয়তো প্রয়োজন। যুক্তরাষ্ট্র তাদের গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি অঞ্চলভিত্তিক ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন কীভাবে করে তার জ্বলন্ত উদাহরণ আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া ও সোমালিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্ট্র্যাটেজি বাস্তবায়নের গ্যাঁড়াকলে পড়ে এই রাষ্ট্রগুলোর মানুষ আজ কী ভয়ানক মানবেতর জীবনযাপন করছে, তার দিকে বিশ্ব মানবতাবাদীদের খেয়াল করার সময় নেই। শত শত ড্রোন হামলায় হাজারো মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। মিথ্যা অজুহাতে ইরাকের মতো একটা আধুনিক রাষ্ট্রকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে ধ্বংস করে দিল। সাদ্দাম, গাদ্দাফি ও লাদেনের বেলায় যুক্তরাষ্ট্র কি কোনো মানবতা দেখিয়েছে? অথচ বাংলাদেশের গণহত্যাকারীদের মানবতা নিয়ে তাদের মাথাব্যথার শেষ নেই। তবে মুদ্রার অপর পৃষ্ঠার কথা হলো দক্ষিণ এশিয়ায় শেষ কথা বলার এখতিয়ার এখন আর শুধু আমেরিকার হাতে নেই। যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতার দিকে তাকালে দেখা যায় তাদের এক ধাপের মিত্র আরেক ধাপের শত্রু। এই দ্বিমুখী আচরণের কারণেই বিশ্ব আজ উত্তপ্ত ও রক্তাক্ত।

২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফর, ওই বছরের অক্টোবরের নির্বাচন এবং সব জেনেশুনে ২০০১-২০০৬ মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের জামায়াত তোষণ দেখলে বাংলাদেশ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বহুমুখী স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট দুরভিসন্ধির কিছুটা আভাস পাওয়া যায়। বিল ক্লিনটনের সফরকে ঘিরে যেসব ইস্যু সামনে এসেছিল তার দিকে তাকালে বোঝা যায়, স্বার্থের সমীকরণের সর্ব ক্ষেত্রে দুই দেশ এক মেরুতে অবস্থান করছে না। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে যেসব ক্রিটিক্যাল ইস্যুতে আওয়ামী লীগ সরকার আমেরিকার সঙ্গে একমত হয়নি সেগুলো ২০০১-২০০৬ মেয়াদে বিএনপি-জামায়াত সরকার চেষ্টা করেও জনঅসন্তুষ্টির ভয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে পারেনি। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে জামায়াতের দুই মন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বলে দেয় আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শগত অবস্থান থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য রয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের সময় রাষ্ট্রদূত ড্যান মোজীনার ভূমিকায় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়। বর্তমান সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের এক নম্বর শত্রু উগ্র-ধর্মান্ধ জঙ্গি দমনে দৃষ্টান্ত সৃষ্টিকারী সাফল্য অর্জনের জন্য শেখ হাসিনা সরকারের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের তো দ্বিধাহীন সমর্থন থাকার কথা। কিন্তু তা কী আমরা দেখতে পারছি? কিন্তু মূল কথা হলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রধান দুই দল যদি একমত হতো তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আজ ভিন্ন হতো। এটা এখন জলের মতো পরিষ্কার যে, বিএনপির সঙ্গে মিত্রতাই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে জামায়াতের সবচেয়ে বড় খুঁটি। বাংলাদেশের প্রায় শতভাগ মানুষ, এমনকি বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাপকসংখ্যক নেতা-কর্মীর নীরবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে অবস্থান হওয়ায় বিএনপির নীতি-নির্ধারকরা বিচার সম্পর্কে এখন একেবারেই চুপচাপ হয়ে গেছে। অথচ ২০১১ সালে ১৯ অক্টোবর রোডমার্চ শেষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জনসভায় বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন- নিজামী, মুজাহিদ, সাকা চৌধুরী স্বাধীনতাবিরোধী নয়, তাদের মুক্তি দিতে হবে (সমকাল ও জনকণ্ঠ ২০ অক্টোবর ২০১১)। তা ছাড়া ওই বছর ডিসেম্বরের ৩ তারিখে সংবাদ সম্মেলন করে মওদুদ আহমদ ট্রাইব্যুনাল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু বিএনপির ওই ডাকে মানুষের কোনো সাড়া ছিল না, এখনো নেই। তাই প্রত্যাশা অনুযায়ী সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার যদি দ্রুত সম্পন্ন হয়, দণ্ড কার্যকর হয়, তাহলে বিএনপিকেও অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। বেশ কিছুদিন আগে প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেছিলেন, বিএনপি জামায়াতকে ত্যাগ করলে আমাদের রাজনীতির অর্ধেক সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। এ বছর পয়লা বৈশাখে বাঙালি ও বাঙালি জাতিসত্তার যে বাঁধভাঙা মানুষের জোয়ার দেখেছি তাতে এর বিপরীতে থাকা পশ্চাৎপদতা এবং ধর্মান্ধতার কোনো স্থান বাংলাদেশে হবে না। তাদের ভি-চিহ্নের জবাব এ দেশের তরুণ প্রজন্ম দেওয়ার জন্য প্রস্তুত। সুতরাং এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়, কামারুজ্জামানের ফাঁসির মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পথে আরেকটি বিজয় অর্জিত হলো। তবে এখনো যেতে হবে বহুদূর। Another battle is won only, in the way to the ultimate victory of war.

লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

[email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা