শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৫

নগর সরকার এখন নিদারুণ বাস্তবতা

ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ
অনলাইন ভার্সন
নগর সরকার এখন নিদারুণ বাস্তবতা

এক. আসন্ন ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম নগর নির্বাচনে প্রার্থীরা নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য নানা প্রকার অঙ্গীকার করছেন। তার মধ্যে 'নগর সরকার' বাস্তবায়নের বিষয়টিও রয়েছে। শুধু প্রার্থীরাই নন, বেশকিছু বুদ্ধিজীবী, গবেষক ও এনজিও ব্যক্তিত্বও 'নগর সরকার' বাস্তবায়নের কথা বলছেন। এটি নিঃসন্দেহে রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন। এই পরিবর্তনের পেছনে গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিডিএলজির সামান্য হলেও অবদান রয়েছে। এটি বিলম্বে হলেও অনেকেই এখন স্বীকার করছেন। যেমন- সম্প্রতি দৈনিক সমকালে প্রকাশিত 'কবে হবে নগর সরকার' শীর্ষক একটি রিপোর্টে বলা হয়- 'ঢাকার জন্য প্রথম নগর সরকার প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে ১৯৯৭ সালে। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক লোকাল গভর্ন্যান্স (সিডিএলজি) নামে একটি প্রতিষ্ঠান ঢাকায় জাতীয় সেমিনার আয়োজন করে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধে নগরবাসীর সেবা নিশ্চিত করার জন্য ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার উন্নত দেশগুলোর মতো ঢাকার জন্য একটি নগর সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়। এই প্রস্তাব অনুযায়ী প্রথমে একটি সিটি পার্লামেন্ট নির্বাচন করা হবে। সিটি পার্লামেন্টের নির্বাচিত কাউন্সিলরদের ভোটে একজন মেয়র নির্বাচিত হবেন, যিনি হবেন নগর সরকারের প্রধান।' রিপোর্টটিতে একটু ভুল আছে, তা হলো- 'সিডিএলজি' নয়, ওই সেমিনারে নগর সরকারের কথা প্রথমে বলেন স্থানীয় সরকারবিষয়ক গবেষক নিউইয়র্ক প্রবাসী আবু তালেব। পরবর্তীকালে তারই পরামর্শে 'সিডিএলজি' গঠন করা হয়। তা ছাড়া সংগঠনটির নগর সরকারের রূপরেখায় পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে মেয়র নির্বাচনের কথা বলা ছিল না। মেয়র নগরবাসীর সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন, এমনটিই ধারণা দেওয়া হয়েছিল। তবে পার্লামেন্টারি পদ্ধতিতে নগর সরকার পরিচালনার বিষয়টি অধিকতর পর্যালোচনার দাবি রাখে।  

দুই. ২০২০ ও ২০৫০ সাল নাগাদ নগরায়ণসহ অন্যান্য পরিবর্তনশীল বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে এবং গণতন্ত্রের ভিত হিসেবে স্বাবলম্বী, সশাসিত ও গতিশীল স্থানীয় সরকার স্থাপনের উদ্দেশ্য নিয়ে উল্লিখিত সেমিনারে 'গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকারের রূপরেখা' শীর্ষক একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হয়। সেদিন নগর সরকারের রূপরেখাও তুলে ধরা হয়। এর কিছুদিন পর ঢাকার তৎকালীন মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মেট্রোপলিটান গভর্নমেন্টের প্রস্তাব করেন। তখন আবু তালেব মেয়র হানিফের কাছে গিয়ে বলেন, 'ঢাকার লোকসংখ্যা যখন কোটি ছাড়িয়ে যাবে তখন কী মেগাসিটি গভর্নমেন্ট বলা হবে! তার চেয়ে সমগ্র দেশের জন্য একরূপ নগর সরকারের কথা বলাই অধিক যুক্তিযুক্ত হবে।'   

সেদিনকার বৈঠকে চট্টগ্রামের এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ইংরেজিতে সিটি গভর্নমেন্টের কথা বলা শুরু করেন। কিন্তু সিটি গভর্নমেন্ট বলতে কী বুঝায়, এর রূপরেখা কেমন এবং এটি কীভাবে বাস্তবায়িত হবে সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি। যা হোক, পরবর্তীকালে গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকারের রূপরেখাটি সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে সিডিএলজি গঠন করা হয়। তারপর থেকে সিডিএলজি বিষয়টি নিয়ে লাগাতার বুদ্ধিবৃত্তিক ক্যাম্পেইন করে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত রূপরেখাটির সারসংক্ষেপ করে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেত্রী, জাতীয় সংসদ সদস্য, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, রাজনীতিক, গবেষক, লেখক, সাংবাদিক, আইনজীবী, প্রকৌশলী, ডাক্তার, এনজিও ব্যক্তিত্বসহ সংশ্লিষ্ট সবার অবগতি ও বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হয়। এর পাশাপাশি বৈঠক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার, মতবিনিময় সভা, দলগত সভা, একজন একজন করে মতবিনিময় সভা, টেলিসংলাপ, প্রকাশনা, পত্রিকায় লেখালেখি, ই-মেইলে গবেষণা প্রেরণ ইত্যাদিও চালু রয়েছে।   

তিন. আরও উল্লেখ্য, সংবিধানের বাংলা ভাষ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে একটি মাত্র সরকারব্যবস্থা রয়েছে। সেটিও অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা। বিদ্যমান স্থানীয় সরকারগুলো ব্রিটিশ সরকার তাদের শাসনের প্রয়োজনে সৃষ্টি করেছিল, উন্নয়নের প্রয়োজনে নয়। তারপরও ব্রিটিশ সরকার স্থানীয় সরকারগুলোকে যতটুকু ক্ষমতা দিয়েছিল বর্তমানে সেটুকুও নেই। যেমন- জেলা বোর্ডগুলোর হাতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থার বিষয়গুলো ন্যস্ত ছিল। সে সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল এক জেলা থেকে আরেক জেলামুখী তথা আনুভূমিক। ঢাকামুখী ব্যবস্থাকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পাকিস্তান আমলে সর্বপ্রথম ঢাকামুখী আনুলম্বিক প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে বড় বড় সড়ক ও সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে রাজধানী ঢাকাকে সামনে করে। সব কিছু ঢাকামুখী হওয়ায় ঢাকার লোকসংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকাকে বাঁচাতে এখন অনেকেই সরকারের বিকেন্দ্রীকরণ চাচ্ছেন। কেউ কেউ তিন ধরনের সরকারব্যবস্থার অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকার, প্রাদেশিক সরকার ও স্থানীয় সরকার ইত্যাদির বাস্তবায়ন চাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সিডিএলজির বক্তব্য হলো- এ দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, আয়তন, জনসংখ্যার ঘনত্ব ইত্যাদি বিবেচনায় নিলে মূলত দুই ধরনের সরকারব্যবস্থা তথা একটি কেন্দ্রীয় সরকার ও একটি সমন্বিত স্থানীয় সরকারব্যবস্থাই বাস্তবায়নযোগ্য। কেন্দ্রের হাতে শুধু জাতীয় ও বৈশ্বিক কাজগুলো নির্দিষ্ট থাকবে। আর অবশিষ্ট সব স্থানীয় কাজ জেলাকেন্দ্রিক থাকবে। জেলার চরিত্র হবে গ্রামীণ-নগরীয়। অর্থাৎ স্থানীয় সরকার হবে দুই-স্তরবিশিষ্ট। জেলা এক হাতে নগর সরকারগুলো অর্থাৎ পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনগুলো এবং আরেক হাতে উপজেলা সরকার (ভবিষ্যতে যদি এটির প্রয়োজনীয়তা থাকে) ও ইউনিয়ন সরকারগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে। এ ব্যবস্থায় সমগ্র দেশে ৩৩০টি (১১৯টি পৌরসভা ও ১১টি সিটি করপোরেশন) একরূপ 'নগর সরকার' হবে। সংক্ষেপে নগর সরকারের রূপরেখা তুলে ধরা যেতে পারে : নগর সংসদ, নগর প্রশাসন, নগর আদালত মিলে 'নগর সরকার' গঠিত হবে। কাউন্সিলররা সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। তারা নগর সংসদের সদস্য হবেন। বর্তমানে 'কাউন্সিল' নেই, কিন্তু কাউন্সিলর আছেন। নগর সংসদ সদস্যরা মিলিতভাবে একজন সভাপতি (স্পিকার) নির্বাচিত করবেন। মেয়রও নগরবাসীর সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। তিনি নগর সংসদের সদস্য হবেন না। তিনি নগর সংসদের পাসকৃত প্রস্তাবাবলি তার প্রশাসন দ্বারা বাস্তবায়ন করবেন। মেয়র হবেন নগর প্রশাসনের প্রধান। তার অধীনে কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়োজিত থেকে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করবেন। তা ছাড়া মেয়র ফুলটাইমার এবং কাউন্সিলররা পার্টটাইমার হিসেবে দায়িত্বরত থাকবেন। নগর সংসদ ও নগর প্রশাসনের বাইরে 'নগর আদালত' থাকবে। মেয়র ও কাউন্সিলররা নগর আদালতের সদস্য হবেন না। বর্তমানে কাউন্সিলররা বিচারিক দায়িত্বও পালন করছেন। আলাদাভাবে নির্বাচিত কিংবা নিয়োজিত ব্যক্তিরা নগর আদালতের বিচারক হবেন। তারা নগরকেন্দ্রিক নির্দিষ্ট অপরাধ ও অন্য বিরোধগুলোর বিচার করবেন। নগর সরকারের বাইরে একজন নগর ন্যায়পাল (শেরিফ) থাকবেন। তিনি নগর সংসদ ও নগর প্রশাসনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি করবেন। এর বাইরে একটি নগর নির্বাচনিক বোর্ড থাকবে। নগরের গণ্যমান্য কিংবা মনোনীত ব্যক্তিরা নগর নির্বাচনিক বোর্ডের সদস্য হবেন। তারা নগর সরকারের মেয়াদ শেষে নিজেদের উদ্যোগে নির্বাচনের আয়োজন করবেন, যা অনেকটা প্রেসক্লাব, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনের মতো। এ ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে সত্যিকার সশাসিত নগরব্যবস্থা গড়ে উঠবে। তখন নগর হবে নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। তখন প্রত্যেক নাগরিক নগর সরকারের অংশ হয়ে যাবেন।   

চার. ইদানীং কয়েকজন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ মত প্রকাশ করেছেন, জাতীয় বা কেন্দ্রীয় সরকারের অনুরূপ পার্লামেন্টারি পদ্ধতির স্থানীয় সরকার হলে জনগণের পক্ষে সরকার সম্পর্কে সঠিক ধারণা তৈরি হবে। বিষয়টি অযৌক্তিক নয়। তবে তারা আবার স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অরাজনৈতিকভাবে হওয়ার পক্ষপাতী। কিন্তু প্রশ্ন হলো, পার্লামেন্টারি পদ্ধতির স্থানীয় সরকার হলে তো রাজনৈতিক ভিত্তিতে প্রার্থী মনোনয়নের বিষয়টি তৃণমূলের দলীয় কর্মীরা আরও জোরালোভাবে দাবি করবে, এতে কী কোনো সন্দেহ আছে?   

পাঁচ. অব্যাহত নগরায়ণ ও নাগরিক সেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক স্থানীয় সরকারের কোনো বিকল্প নেই। ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের কোথাও গ্রামীণ স্থানীয় সরকার খুঁজে পাওয়া যাবে না। তখন স্থানীয় সরকারের একমাত্র রূপ হবে নগর সরকার। তাই আমরা সিডিএলজির পক্ষ থেকে বলতে চাই, নগর সরকার আমাদের বর্তমান ও আগামীর বাংলাদেশের জন্য এক নিদারুণ বাস্তবতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি আমরা এটি বুঝতে সক্ষম হব, আমরা তত দ্রুত সার্বিক অগ্রগতির দিকে সফলভাবে এগিয়ে যাব, এটি নিশ্চিত বলা যায়।   

লেখক : চেয়ারম্যান, জানিপপ, সহলেখক : ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান, ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার, জানিপপ এবং মোশাররফ হোসেন মুসা, সদস্য, সিডিএলজি ও ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার, জানিপপ।  

ই-মেইল- [email protected]

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা