শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৫

রাজনৈতিক ওয়ারিশ ও সামান্য ক্ষতি

ড. শেখ আবদুস সালাম
অনলাইন ভার্সন
রাজনৈতিক ওয়ারিশ ও সামান্য ক্ষতি

১. মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনপ্রবাহের এই সময় পরিসর অনন্ত কালপ্রবাহের কাছে যে কত ক্ষুদ্র তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। আমাদের জীবনপ্রবাহে নানা বাঁক থাকে, তা সবসময় সরলভাবে এগোয় না। এসব বাঁকে মানুষ কিন্তু থেমে থাকে না। তারা পরিস্থিতি অনুকূলে রাখার প্রত্যয়ে কখনো হয়তো সাময়িকভাবে থমকে দাঁড়ায়, কখনোবা সিদ্ধান্ত নিয়ে তার পথচলা নির্ধারণ করে নেয় আবার কখনোবা অদৃষ্টের হাতে ভাগ্যকে সোপর্দ করে সামনে এগোবার চেষ্টা চালিয়ে যায়। জীবনের এ নানা বাঁকে চলতে গিয়ে অনেককে অবশ্য ঘাট পরিবর্তন করতে দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে আমরা দেখেছি চট্টগ্রামের এক সময়ের নির্বাচিত এবং সদ্য সমাপ্ত চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ মনজুর আলমকে। তিনি এক সময় ছিলেন নৌকার যাত্রী, কয়েক বছর হলো বইতে শুরু করেছেন ধানের শীষের অাঁটি।

এ বছর ঢাকা সিটি করপোরেশনের (উত্তর) নির্বাচনেও আমরা এরকম চিত্র লক্ষ্য করছি। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এক সময়ের এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু ছিলেন আওয়ামী নৌকার এক শক্তিশালী বৈঠাওয়ালা। কী কারণে যেন তিনি পরে বনে গেলেন বিএনপির এক নিবেদিত নেতায়; আস্তে আস্তে উপনীত হলেন দলটির অন্যতম একজন কর্ণধার হিসেবে। এখন আবদুল আউয়াল মিন্টুকে মানুষ বিএনপির নেতা হিসেবেই জানে, তিনি বিএনপি নেত্রীর খুবই কাছের একজন উপদেষ্টা। মিন্টু একজন সজ্জন এবং আচারি মানুষ। ব্যবসায়ী-রাজনীতিক হলেও ঢাকা এবং বিশেষ করে তার এলাকা নোয়াখালীর ব্যাপক মানুষের সঙ্গে তার যথেষ্ট মিথস্ক্রিয়া বা ইন্টারঅ্যাকশন রয়েছে। ঢাকার মানুষ অনেকেই জানেন যে দীর্ঘদিন থেকে মিন্টু ঢাকার নগরপিতা হওয়ার স্বপ্ন লালন করে আসছেন। এ ব্যাপারে ঢাকার মানুষের কাছে ভবিষ্যতের মেয়র হিসেবে তার একটা ইমেজও গড়ে উঠেছিল।

এ বছর ঢাকা সিটি নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হওয়ার সময় থেকেই মেয়র পদে নির্বাচনের ব্যাপারে তার নাম কিন্তু সামনেই চলে এসেছিল। বিএনপি সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে দলটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মী এমনকি সমর্থক গোষ্ঠীও মিন্টুকেই তাদের মেয়র প্রার্থী হিসেবে ভেবে নিয়েছিলেন। ভয় ছিল বিভিন্ন মামলার কারণে তিনি তার আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারবেন কি-না? ব্যাংক ঋণ (ধনী ব্যবসায়ীদের প্রায় সবারই থাকে), মালিমামলা প্রভৃতি ঝক্কি-ঝামেলা কাটিয়ে অবশেষে ২৮ এপ্রিলের নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ঢাকা উত্তর থেকে নির্বাচনের জন্য মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন। সঙ্গে তার ছেলে তাবিথ আউয়ালের নামেও একটি মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন। আবদুল আউয়াল মিন্টুর ছেলে তাবিথ আউয়াল নামটি তখনই আমরা প্রথম জানলাম। পরে শুনেছি তিনিও একজন লেখাপড়া জানা, সজ্জন এবং রুচিবান মানুষ। তিনি মূলত বাবার ব্যবসায় সাম্রাজ্যই দেখাশোনা করেন।

গোল বাঁধল নমিনেশন পেপার স্ক্রটিনির সময়। আবদুল আউয়াল মিন্টুর কেসকাণ্ড কিংবা ঋণগ্রস্ততা এসব কোনো অপমানকর কারণে নয়, নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার ছোট্ট (মাইনর) একটি কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল করে দিলেন। এ যেন পচা শামুকে পা কেটে যাওয়া। তার প্রার্থিতা বাতিলের কারণ হিসেবে রিটার্নিং অফিসার তার আইনজীবীদের কাছে উল্লেখ করলেন যে, মিন্টুর প্রার্থিতা যারা প্রস্তাব এবং সমর্থন করেছেন তাদের কেউ একজন নিজেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ভোটার নন, এটা নির্বাচন আইনের বরখেলাপ। কাজেই তার প্রার্থিতা বাতিল। এবার শুরু হলো উকিল-ব্যারিস্টারদের দৌড়ঝাঁপ। এখানে নেতৃত্ব দিলেন সুপ্রিমকোর্ট বার সমিতির দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। তার নেতৃত্বে আইনজ্ঞ দল গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে, প্রেস কনফারেন্স করে মানুষকে বুঝাতে চাইলেন এটা কোনো ব্যাপারই নয়- 'ইট ইজ অ্যা মাইনর মিসটেক'। 'মাইনর' মিসটেক যে এত বড় 'মেজর'-এ পরিণত হতে পারে তা তারা স্বীকারই করতে চাইলেন না। তারা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে, অতঃপর হাইকোর্ট, সুপ্রিমকোর্ট সব জায়গায় দৌড়ঝাঁপ করলেন। কিন্তু কিছুতেই কাজ হলো না বরং যা হওয়ার তাই-ই হলো। মিন্টু মেয়র নির্বাচনের জন্য প্রার্থীই হতে পারলেন না। নির্বাচনী আইনে পরিষ্কার বলা আছে- প্রার্থীর প্রস্তাবক/সমর্থক নির্বাচনী এলাকার ভোটার হবেন। এখানে মাইনর আর মেজর বলে কোনো অনুষঙ্গ নেই- ব্যাপারটি আগে থেকেই আমজনতা উপলব্ধি করতে পারলেও ব্যারিস্টারের তা বুঝতে সময় লাগল বেশ কয়েক সপ্তাহ।

যাই হোক এ মাইনর মিসটেকে প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় মিন্টুর কতটা লাভ বা কতটা ক্ষতি হয়েছে মানুষ এখন তা নিয়েই নানামুখী আলোচনা করছে। অনেকের ধারণা, মিন্টুর এ 'মিসটেক' ইন্টেনশনাল। মিন্টু তার ব্যবসা-বাণিজ্যের ভূত-ভবিষ্যৎ অাঁচ করে নিজেই নাকি এ 'মিসটেক'টি করেছেন, এর মাধ্যমে তিনি একুল-ওকুল দুটোই রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আসলে কী করেছেন বা কী করেননি কিংবা কেন 'মিসটেক'টি করেছেন তা আমাদের জানা সম্ভব নয়। তবে আমরা একটা জিনিস দেখলাম, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে তিনি তার দল বিএনপিতে তার 'রাজনৈতিক ওয়ারিশ' তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার সন্তান তাবিথ আউয়াল বিএনপির মতো একটি বড় দলের প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছেন। তাবিথ আউয়াল বিএনপির কোনো পর্যায়ের আদৌ একজন সদস্যও কিনা তা আমাদের জানা নেই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এ দলটির বাঘা বাঘা নেতাকে টপকে তাবিথই হয়েছিলেন ঢাকা উত্তরের বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী। এ যেন জন্মেই এক প্রকার সর্বোচ্চ ডিগ্রি লাভ অথবা গাছ না লাগিয়েই সেই গাছ থেকে পাকা ফল খাওয়া আর কী।

রাজনৈতিক ওয়ারিশ হিসেবে এ দেশে অনেকেই এখন প্রতিষ্ঠিত রাজনীতিবিদ। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর ওয়ারিশ। তবে তিনি কিন্তু ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্য হয়ে আওয়ামী রাজনীতিতে প্রবেশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও এখন হালকাভাবে হলেও আওয়ামী রাজনীতির মাঠে। তিনিও কিন্তু আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ নিয়েছেন পীরগঞ্জ থেকে। বিএনপি নেত্রী খালেদাপুত্র তারেক রহমানও যতটুকু জানি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হয়ে পরে দলের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হয়েছেন। সাবেক রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরীর ছেলে মাহী বি চৌধুরীও বিকল্পধারার সদস্য, অতঃপর নেতা। এমন আরও অনেক উদাহরণ আমরা দেখতে পাব। কিন্তু তাবিথের রাজনৈতিক ওয়ারিশানার বিষয়টি কেমন যেন একটু আকস্মিক মনে হচ্ছে। বিএনপির কিছুই না হয়ে প্রথমবারেই ছক্কা অর্থাৎ একবারেই তিনি তাদের সমর্থিত ঢাকার মেয়র প্রার্থী। ২. রাজনীতিবিদরা হয়তো কখনো কখনো এ ধরনের 'মিসটেক' করেই থাকেন। এসব মিসটেক করেও (কখনো বুঝে, কখনো না বুঝে) বহু রাজন্য ব্যক্তিত্ব অনেক সময় রাজ্য শাসন করেন, আবার কখনো কখনো খোদ রাজনীতির বড় ক্ষতিও করে ফেলেন। রাজনীতিক কিংবা রাজরাজড়াগণ অনেক সময় কোনো কোনো ঘটনাকে এতটাই সামান্য বা ক্ষুদ্র জ্ঞান করেন, যা সাধারণ মানুষের পক্ষে সামলিয়ে নেওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে, এমনকি তা অনেক সময় সম্ভবও হয় না। যেমন : গত কয়েক মাসে বিশেষ করে গেল এসএসসি পরীক্ষার সময় যখন হরতাল-অবরোধ এবং এসবের আবারণে পেট্রলবোমাসহ ধ্বংসযজ্ঞের এক উৎসব (!) চলছিল তখন একসময় বিএনপি নেতা লে. জে. (অব.) মাহবুবুর রহমান এসএসসি পরীক্ষার দিনগুলোতে হরতালের ছাড় দেওয়ার ব্যাপারে একসময় বলেছিলেন, গণতন্ত্র ও ভোটের অধিকারের মতো বড় কিছু অর্জনের জন্য লেখাপড়ার এতটুকু ক্ষতি আমাদের মেনে নিতেই হবে। এ ব্যাপারে বিএনপির সাবেক মন্ত্রী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন মন্তব্য করেছিলেন- কিসের লেখাপড়া, কিসের পরীক্ষা, আগে গণতন্ত্র, পরে এসব। হায়রে নেতৃত্ব, হায়রে রাজনীতি। বিএনপির অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব উদ্দিন এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সময়ের উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিনের মুখেও এ ধরনের উচ্চারণ আমরা শুনেছি।

এসব উচ্চারণ বা ঘটনা যে কেবল একালেই ঘটছে তা নয়। পাঠকবৃন্দ, আপনাদের নিশ্চয়ই কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সামান্য ক্ষতি (দিব্যবদানমালা) কবিতাটি মনে আছে।

বহে মাঘ মাসে শীতের বাতাস,/স্বচ্ছসলিলা বরুণা।/পুরী হতে দূরে গ্রামে নির্জনে/শিলাময় ঘাট চম্পকবনে,/স্নানে চলেছেন শতসখীসনে/

কাশীর মহিষী করুণা।/...স্নান সমাপন করিয়া যখন/কূলে উঠে নারী সকলে/মহিষী কহিলা, 'উহু! শীতে মরি,/সকল শরীর উঠিছে শিহরি,

জ্বেলে দে আগুন ওলো সহচরী- /শীত নিবারিব অনলে'।

এ সময় কাশির মহিষী রানীমার শীত নিবারণের জন্য তার সখী-সঙ্গীরা অদূরে কিছু অতি দরিদ্র মানুষের বসবাসের নিমিত্তে দাঁড়িয়ে থাকা কিছু জীর্ণ কুটিরে আগুন লাগিয়ে দিল। রানী তখন তার প্রমোদক্লান্ত শত সঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে আগুনের উত্তাপ উপভোগ করতে লাগলেন। এদিকে উপায়ান্ত না পেয়ে এসব দীনহীন প্রজারা তখন ভূপতি অর্থাৎ রাজ দরবারে গিয়ে তাদের দুর্দশার কথা তাকে জানালেন। এ জন্য রানী এসে তাদের ব্যবহারে রুষ্ট হয়ে বললেন-

রুষিয়া কহিল রাজার মহিষী,/ 'গৃহ কহ তারে কী বোধে !/গেছে গুটিকত জীর্ণ কুটির, /কতটুকু ক্ষতি হয়েছে প্রাণীর?

অর্থাৎ এসব মানুষের গুটিকতক গৃহ তথা জীর্ণ কুটির হয়তো পুড়ে গেছে কিন্তু তাতে এমনকি ক্ষতি হয়েছে তাদের? এগুলো কী কোনো গৃহ? রাজমহিষীর এক প্রহরের প্রমোদের জন্য এমন এক-আধটু ক্ষতি হতেই পারে। আমাদের নেতানেত্রীরা এ ধরনের 'মাইনর মিসেটক' করে একদিকে যেমন নিজের ক্ষতি করছেন, এসব ক্ষতির আবরণে আবার খারাপ রাজনৈতিক কৃষ্টিও তৈরি করে দিচ্ছেন। এসবের ফাঁক দিয়ে রাজনীতিতে রাজনৈতিক ওয়ারিশানা কায়েম হচ্ছে। এটা রাজনীতির জন্য ভালো লক্ষণ নয়। এসব কারণে ত্যাগী, পোড় খাওয়া কিংবা রাজনীতির মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা রাজনীতিকরাই কিন্তু রাজনীতি থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেবে আর এভাবে এক সময় অনেক দূরে সরে যাবে। অন্যদিকে নেতা-নেত্রীকে খুশি করার জন্য রাজনীতিবিদরা সত্যকে এখন আর সত্য বলছেন না। অনেকটা দলকানা হয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে খুশি রাখার জন্য মানুষের জীবন-জীবিকা, শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার অধিকার সবকিছু নিয়ে তারা যেন পরিহাস করে যাচ্ছেন। তারা একদিকে যেমন বুঝতে চেষ্টা করছেন না যে, কোনটা 'মাইনর' ভুল আর কোনটা 'মেজর' ভুল; একইভাবে তারা ভুলে যাচ্ছেন যে, কোনটা উপদেশ আর কোনটা পরিহাস? কোনটা সামান্য ক্ষতি কিংবা কোনটা বড় ক্ষতি? সৃষ্টিকর্তা আমাদের সবাইকে সুমতি দিন।

লেখক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট

(পিআইবি)র সাবেক মহাপরিচালক।

ই-মেইল: [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা