শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ২৩ মে, ২০১৫

ইঙ্গ-মার্কিন কূটনীতি এবং বাংলাদেশ

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
ইঙ্গ-মার্কিন কূটনীতি এবং বাংলাদেশ

২০১০ সালের প্রথম দিকে আমার আফসোসের সীমা-পরিসীমা ছিল না। আমি কেবলই ভাবতাম আওয়ামী লীগ সরকার বোধহয় গায়ে পড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করছে। আমার অবুঝ মনের সরল হিসাব ছিল এ রকম- কী দরকার বিশ্বের একমাত্র সুপার পাওয়ারের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করার। আমি মাঝেমধ্যে মার্কিন মদদপুষ্ট এ-দেশীয় কবি-সাহিত্যিক, অধ্যাপক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ কিংবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আড্ডায় বসতাম এবং তাদের কথাবার্তা শুনে সরকারের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়তাম। আমার মনমানসিকতা কিংবা জানাশোনার ব্যাপ্তি বর্তমান কালের মতো ছিল না। আমি কোনো কিছুর গভীরে ঢুকতে পারতাম না এবং চর্মচোখে যা দেখতাম তা-ই হাঁদারামের মতো বিশ্বাস করে টেলিভিশন টকশোগুলোয় বিজ্ঞের মতো কথাবার্তা বলতাম। আমার আলাদা এবং স্বতন্ত্র বাচনভঙ্গির কারণে লোকজন কথাগুলোর মধ্যে এক ধরনের যুক্তি খুঁজে পেত বিধায় আমি কোনো দিন বিরূপ পরিস্থিতির শিকার হইনি।

বাংলাদেশের রাজনীতি বিশেষত আওয়ামী লীগকে নিয়ে মার্কিন সরকারের পরিকল্পনা আমি বুঝতে পারি একটি সেমিনারের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দিচ্ছিলেন তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা। বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনের পরিচিত প্রায় সব মন্ত্রী, সাবেক মন্ত্রী এবং রাষ্ট্রদূত সেদিন উপস্থিত ছিলেন। অল্প বয়স্কদের মধ্যে একমাত্র আমিই সেদিন বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য আমন্ত্রিত ছিলাম। আমার এক পাশে বসা ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রদূত এবং তৎকালীন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জমির এবং অন্য পাশে ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা শফি সামি। আমি যা বলতে চাই সে বিষয়ে তাদের সঙ্গে একটু হালকা আলোচনা করে নিলাম। তারা উভয়েই সম্মতি দিলেন।

আমার বক্তব্যে আমি রাষ্ট্রদূত মজীনাকে বললাম, ইউর এক্সিলেন্সি। আপনি বললেন যে, বর্তমানে বাংলাদেশের সঙ্গে আপনার দেশের সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বোচ্চ সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থায় আছে। দুই দেশের সম্পর্ক নাকি সর্বকালের মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে। আমার জানা মতে বর্তমান সরকারের সঙ্গে আপনাদের সম্পর্ক একদম ভালো নয়। বহুদিন চেষ্টা করেও আপনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢুকতে পারেননি। আপনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন আমাদের প্রধানমন্ত্রী ধরেন না। কূটনৈতিক চ্যানেলে আপনাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কয়েকবার ফোন করে যেসব অনুরোধ করেছেন তার একটিও প্রধানমন্ত্রী রাখেননি, আপনাদের সরকারের মন্ত্রীরা এ দেশে এলে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ পান না। সরকারের সিনিয়র মন্ত্রীরা আপনাকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কটু কথা বলে- আপনাদের মন্ত্রীকে দুই আনার মন্ত্রী বলেন! তার পরও আপনি বলছেন সবচেয়ে ভালো সম্পর্ক যাচ্ছে। তাহলে আমার প্রশ্ন, সেই ভালো সম্পর্ক কি সরকারের সঙ্গে নাকি অন্য কারও সঙ্গে?

আমি আরও প্রশ্ন করলাম, সম্মানিত রাষ্ট্রদূত। বর্তমান সরকারি দলটি দেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল এবং সর্বপ্রাচীনও বটে। দেশের কম করে হলেও ৩৫ ভাগ মানুষ দলটির সমর্থক। আপনারা এই ৩৫ ভাগ মানুষকে বাদ দিয়ে কি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক করতে চাচ্ছেন? ১৯৭১ সালে আপনাদের ভূমিকা, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশকে বটমলেস বাস্কেট বা তলাবিহীন ঝুড়ি বলে পুরো জাতিকে অপমান, ১৯৭৪ সালে চুক্তি মোতাবেক পিএল ফোরের গমভর্তি জাহাজ সময়মতো বাংলাদেশে না পাঠিয়ে গভীর সমুদ্রে আটকে রেখে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ সৃষ্টির প্রেক্ষাপটগুলো কি আপনারা ভুলে গেছেন নাকি আমরা ভুলে গেছি! দেশের প্রায় সব মানুষ বিশ্বাস করে যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আপনার সরকার যেমন জড়িত ছিল তেমনি এ দেশের প্রতিটি সামরিক অভ্যুত্থানে আপনাদের হাত ছিল। কই এ ব্যাপারে আপনারা তো কখনো কিছু বলেন না। আপনারা কি এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ ৯০ ভাগ মুসলমানের মনমানসিকতার খোঁজখবর রাখেন? মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা দুনিয়ার মুসলমানদের প্রতি আপনাদের জুলুম-অত্যাচার এবং অবিচারের কাহিনী জানার পর এ দেশের মুসলমানরা আপনাদের সঙ্গে কীভাবে সম্পর্ক স্থাপন করবে! কাজেই আপনি দয়া করে বলুন, এ দেশের কার সঙ্গে এবং কাদের সঙ্গে আপনাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং কেন? ইউর এক্সেলেন্সি! আপনারা কি একবারও এ দেশের মানুষের মনোবেদনা এবং কষ্টের কারণগুলো অনুভব করেছেন? এমনকি আপনারা কখনো কি আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নততর করার জন্য? আপনারা আপনাদের আশীর্বাদপুষ্ট লোকজন নিয়ে চলাফেরা করেন- নিয়মিত ভোজসভা বা প্রাতরাশ সভার আয়োজন করেন এবং একটা মুরব্বিসুলভ মনোভাব এবং শারীরিক অঙ্গভঙ্গি করে দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ছুটে বেড়ান এবং দেশের সব প্রেস মিডিয়াকে ডেকে দুই হাত উঁচু করে বলেন বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। কেউ রুখতে পারবে না এবং বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে সবচেয়ে উত্তম সম্পর্ক।

আমার কথা শুনে রাষ্ট্রদূত একদম মন খারাপ করে ফেললেন। অনুষ্ঠানের বাকিটা সময় তিনি মুখ ভার করে রইলেন। এর কয়েক দিন পর অন্য একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠানে ডেপুটি অ্যাম্বাসাডর জন আমাকে বললেন যে তারা নাকি আমাকে তাদের বন্ধু মনে করেন এবং আমার কাছ থেকে প্রকাশ্যে এতসব কথা শুনে রাষ্ট্রদূত মজীনা নাকি খুব কষ্ট পেয়েছেন। জন যখন এসব কথা বলছিলেন তখন আমি সস্ত্রীক দাঁড়িয়ে ইস্পাহানি গ্রুপের কর্ণধার বেহরুজ ইস্পাহানি এবং রহিমআফরোজ গ্রুপের চেয়ারম্যান ফিরোজ রহিমের সঙ্গে গল্প করছিলাম। তারা জন-এর কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলেন এবং জন বিষয়টি সুকৌশলে এড়িয়ে গেলেন। আমিও ওই প্রসঙ্গে কথা বাড়ালাম না।

বাংলাদেশ সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র এবং তদের মিত্রদের মনোভাব নিয়ে আমি এর আগে গভীরভাবে চিন্তা করিনি। বরং একপেশেভাবে সরকারকে মনে মনে দায়ী করে আসছিলাম কেন তারা গায়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করতে যাচ্ছে। আমার আবেগ এবং নিবুর্দ্ধিতা আমাকে এতটাই উতলা করে ফেলল যে আমি একদিন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত বলে ফেললাম, আপা! ড. ইউনূসের ব্যাপারটি কি মিটমাট করে ফেলা যায় না! প্রধানমন্ত্রীর উত্তর শুনে আমার কানে পানি ঢুকল। আমি বুঝলাম সরকার জেনে বুঝেই সব কিছু করছে। কিন্তু কেন করছে তা আমার মাথায় ঢুকল না। আমি আওয়ামী লীগের বৈদেশিক নীতি দেখাশোনা করেন এমন একজন সিনিয়র কূটনীতিবিদের সঙ্গে আলাপ করার পর অনেক কিছুই স্পষ্টভাবে বুঝতে পারলাম। আমার প্রশ্নের জবাবে প্রবীণ কূটনীতিবিদ বললেন যে বাংলাদেশ ঘিরে ইঙ্গ-মার্কিন কূটনীতির মূল লক্ষ্য দুটি। প্রথমত : তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী বা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শর্তহীনভাবে এ দেশের ভূমি এবং জলসীমানা ব্যবহার করার পাঁয়তারা ঠিক যেমনটি তারা করছে সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ায়। দ্বিতীয়ত : তেল, গ্যাস এবং অন্যান্য খনিজ সম্পদ উত্তোলন বা আহরণ, বিপণন এবং বিতরণে একচেটিয়া প্রভাব বলয় সৃষ্টি করা। প্রথমটির জন্য তারা ভিতরে-বাইরে বহুমুখী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় ক্ষেত্রে তারা প্রায় শতভাগ সফল। তারা বাপেঙ্কে কাজ করতে দিচ্ছে না। গ্যাস ও তেল ক্ষেত্রে কাজ করত এমন সফল কোম্পানিকে ছলেবলে কৌশলে বিদায় করে দিয়ে মার্কিন কোম্পানি শেভরন প্রায় ১০ বছর ধরে এ দেশে একচেটিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোয় শেভরনের বিরুদ্ধে টুঁ শব্দ উচ্চারণ করবে এমন কোনো লোক বাংলাদেশে নেই।

মার্কিন কূটনীতির এশিয়া চ্যাপ্টারে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান অতীব গুরুত্বসহকারে দেখানো হয়েছে। তাদের চিরশত্রু চীন, সাময়িক কৌশলগত মিত্র ভারত, দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্ক চলে আসা মিয়ানমারকে নিয়ন্ত্রণের জন্য তাদের দরকার বাংলাদেশের ভূখণ্ড। এর বাইরে মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও নেপালের ওপর নজরদারি করার জন্য এ অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানই সর্বোৎকৃষ্ট। এতসব সম্ভাবনা এবং সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য ইঙ্গ-মার্কিন চক্র খুব ঠাণ্ডা মাথায় ধীরেসুস্থে এগোচ্ছে। ফলে সরকার যা-ই বলুক না কেন মার্কিনিরা ওসব নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে তাদের লবির লোকজনের সাহায্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের দিকে।

আওয়ামী লীগ প্রথম থেকেই বিষয়টি নিয়ে সজাগ এবং সচেতন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মার্কিনিদের ভূমিকা, প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের অহংকারী মনোভাব এবং কর্তৃত্ব দেখানোর পাশাপাশি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার প্রবৃত্তি। সমসাময়িক দুনিয়ায় তাদের সাম্প্রতিক ভূমিকা বিশেষ করে তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদের হঠাৎ করে ভুলে যাওয়ার মজ্জাগত অভ্যাস এবং দুর্বলের প্রতি অত্যাচারের অতীত নমুনা সরকার গভীরভাবে মূল্যায়ন করেছে। ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, আফগানিস্তান এবং মালয়েশিয়া নিয়ে তাদের সামরিক ও অর্থনেতিক নিষ্ঠুরতার ইতিহাস সরকার প্রতিনিয়ত পর্যালোচনা করেছে। আরব বসন্তের উদ্ভব, মিসরের হোসনি মোবারক, গাদ্দাফি এবং বেন আলীদের পতনের পাশাপাশি সৌদি আরব ও ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের দ্বিমুখী নীতিকে এড়িয়ে যাওয়ার মতো নির্বুদ্ধিতা সরকার দেখাতে চায় না। ইয়েমেন, সিরিয়া, ইরাক নিয়ে তাদের খেলাধুলা, আল-কায়েদা, আইএস এবং হিজবুল্লাহদের সঙ্গে বহুরূপী আচরণের কারণে সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বের প্রস্তাবটি বেশ ভালোভবেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হচ্ছে।

কৌশলগত কারণে সরকারকে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিত্রতা বজায় রাখতে হচ্ছে। অন্যদিকে এশিয়া ও ইউরোপের যেসব দেশের সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রতা হয়েছে তা কিন্তু ইদানীং ভেঙে পড়েছে। বার্লিনের দেয়াল নেই এবং জার্মানি সব সময়ই ব্যতিক্রম কিছু করার চেষ্টা করছে। যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স এখন আর আগের মতো যুক্তরাষ্ট্রের কথায় তালি বাজায় না। সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারকে এখন বিচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে মার্কিনিদের কথামতো দ্বিতীয় উপসাগরীয় যুদ্ধে সাদ্দাম সরকারের পতন ঘটানোর জন্য ব্রিটিশ সৈন্য পাঠানোর দায়ে। জাপান পার্লামেন্টে আইন পাস হয়েছে নতুন করে সেনাবাহিনী গঠন এবং বিদেশে সেনা প্রেরণের সুযোগ রেখে। সৌদি আরব, পাকিস্তান, ইসরায়েল প্রভৃতি দেশ নানা কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নাখোশ। এ অবস্থায় বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মাখামাখি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে তবে সারা দুনিয়ায় তাদের আর শত্রু খুঁজতে হবে না। যুক্তরাষ্ট্রকে সফলতার সঙ্গে মোকাবিলার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে অনেকেই মনেপ্রাণে শ্রদ্ধা করেন। বিশ্বরাজনীতির যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী শক্তিগুলো ইতিমধ্যেই সরকারের প্রতি তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অনেকে যুক্ত হচ্ছে কৌশলগত মিত্রতার বন্ধনে, এমনকি বাংলাদেশের আওয়ামীবিরোধী জনমত এই একটি কারণে হলেও মনেপ্রাণে শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানায়। সরকার ভারতের পর রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিস্তৃত করেছে। দেশের জ্বালানি সেক্টরে রাশিয়াকে সুযোগ করে দিয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে রাশিয়া। এর বাইরে রাশিয়া থেকে কেনা হয়েছে ১০০ কোটি ডলার সমমূল্যের সামরিক যন্ত্রাদি। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অতীতের রেকর্ড ব্রেক করেছে। তারা পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ করছে এবং সেতুর দুই পাশে রেললাইনের সংযোগ স্থাপনে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে। চীন ও ভারতের নেতৃত্বে বিশ্বব্যাংকের বিকল্প হিসেবে যে নতুন আন্তর্জাতিক ব্যাংক হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেই ব্যাংকটির অন্যতম মালিক হিসেবে আত্দপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।

২০১৫ সালে এসে আমার মনে হচ্ছে, সরকার ইচ্ছা করেই যুক্তরাষ্ট্রকে এড়িয়ে গিয়েছিল এবং আগামীতেও যাবে। এর একমাত্র কারণ হলো, যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু হিসেবে বাংলাদেশ যত না উপকৃত হতো তার চেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতো বেশি। ভারত ইতিমধ্যেই আল-কায়েদার টার্গেটের মধ্যে পড়ে গেছে। অথচ বিশ্বের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো কেবল মার্কিনবিরোধী মনোভাবের কারণে বাংলাদেশকে তাদের টার্গেটের বাইরে রেখেছে। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী দেশগুলো যেভাবে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে তা মার্কিন বলয়ে থাকলে কোনো দিন সম্ভব হতো না। পাকিস্তানে মোহাম্মদ আলী, লিয়াকত আলী, আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া, টিক্কা খান, জিয়াউল হক, পারভেজ মোশাররফ- সবাই তো মার্কিনিদের বন্ধু ছিলেন। এসব লোকের মৃত্যু, পতন বা অধঃপতন কি মার্কিন মদদে হয়নি? এতসব উদাহরণ মাথায় নিয়েই হয়তো সরকার সর্বনাশী বন্ধুত্বের আহ্বানকে বার বার এড়িয়ে যাচ্ছে।

লেখক : কলামিস্ট

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

৯ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

১৪ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

১৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

১৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২০ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৩ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

২৬ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩২ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৩৫ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

৫৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল
সাংবাদিক তুহিন হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা: অ্যাটর্নি জেনারেল

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত
রাজবাড়ীতে কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা