শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শুক্রবার, ২৯ মে, ২০১৫

আইজি মহোদয়ের কাছে খোলা চিঠি

গোলাম মাওলা রনি
অনলাইন ভার্সন
আইজি মহোদয়ের কাছে খোলা চিঠি

মান্যবর জনাব, সালাম ও শুভেচ্ছা। মহান আল্লাহর রহমত এবং বরকত আপনার চিন্তা চেতনা কর্ম এবং ধর্মকে বহুগুণে বিকশিত করুক এই শুভ কামনা নিয়ে আপনার দরবারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি পেশ করার ইরাদা করছি। বিষয়গুলোর সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আমার কোনো স্বার্থ জড়িত নেই- দেশ জাতির বৃহত্তর কল্যাণ এবং মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আমার কলম আল্লাহর ভয়ে আপনার কাছে সত্য প্রকাশে উদ্যোগী হয়েছে। আপনার সাম্প্রতিক পদ, পদবি, মর্যাদা, প্রভাব এবং প্রতিপত্তি সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। ব্রিটিশ ভারতে আইজি পদটি সৃষ্টি হওয়ার থেকে আজ অবধি আপনার মতো সুবিধাজনক স্থানে কেউ ছিল না। মহান আল্লাহ যিনি কিনা আসমান এবং জমিনের সব ক্ষমতার মালিক তিনি ভালো বলতে পারবেন কি উদ্দেশ্যে তিনি বাংলাদেশের পুলিশ প্রধানের পদটিকে এত ক্ষমতাবান করেছেন। আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে মনে হচ্ছে- একজন ভালো মানুষের উচিত হবে না এত ক্ষমতা নিয়ে কেবলই চুপচাপ বসে থেকে দৈনন্দিন রুটিন ওয়ার্কের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত বা আবদ্ধ করে রাখা!

প্রিয় জনাব, মানুষ হিসেবে আপনি নিঃসন্দেহে ভালো, আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, সরকারের প্রতি বিশ্বস্ততা এবং আনুগত্যের কারণে আপনি আজ মর্যাদার আসনে আসীন। যার উসিলায় আপনি ক্ষমতাবান সেই ইজ্জতের কসম এবং জননেত্রীর দোহাই দিয়ে বলছি- আপনি নিয়মিত দিনে ও রাতে ছদ্মবেশে বেরিয়ে পড়ুন ঠিক হজরত ওমরের মতো। একদিন আপনি পাবলিক বাসে করে গুলিস্তান থেকে নীলক্ষেত হয়ে শ্যামলী যান। তারপর বাংলা কলেজ হয়ে মিরপুর ১০ নম্বর। হাতে সময় থাকলে একটু বিআরটিএ অফিস হয়ে রোকেয়া সরণি দিয়ে ফার্মগেট হয়ে পুনরায় গুলিস্তান ফিরুন। এরপর অফিসে ফিরে গোসল করুন- শরীর মন ঠাণ্ডা করুন এবং কাগজ কলম নিয়ে লিখতে বসুন- কি কি দেখলেন।

আপনি প্রথমেই দেখবেন লোকজন প্রচণ্ড অস্থির এবং অধৈর্য হয়ে অশ্লীল ভাষায় মা-বোন তুলে একে অপরকে গালি দিচ্ছে। বাসের হেলপারদের দানবের ন্যায় কন্ডাক্টর এবং ড্রাইভারদের রাক্ষসী রূপ আপনাকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তুলবে। আপনি কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইবেন না যে ড্রাইভারদের কোনো লাইসেন্স বা গাড়ির কোনো বৈধ ফিটনেস রয়েছে। পুরোটা পথে আপনি ড্রাইভার-ট্রাফিক পুলিশ এবং কিছু সন্দেহভাজন লোকজনের হরিহর আত্মার সম্পর্ক টের পাবেন। গুলিস্তান, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট কিংবা মিরপুরের বিপণি বিতানসমূহের সামনের হকারদের হৈচৈ এবং ক্ষমতার বড়াই দেখে বুঝতে পারবেন পুলিশের সঙ্গে তাদের কিরূপ দহরম-মহরম সম্পর্ক রয়েছে। হকারদের মধ্যে ২/১ জনকে দেখবেন পুলিশের ন্যায় ওয়াকিটকি হাতে নিয়ে বিপুল বিক্রমে সব কিছুকে নিয়ন্ত্রণ করতে।

রাস্তায় চলাচলকারী মানুষজন কিংবা পথচারীকে পুলিশ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন তাদের মধ্যে কতজন আপনার বাহিনীকে বিশ্বাস করে বা ভালোবাসে। তারপর বোঝার চেষ্টা করুন কয়জন মানুষ পুলিশকে অপছন্দ করে, পুলিশের সঙ্গে কোনো সামাজিক সম্পর্ক এবং লেনদেন করতে আগ্রহী। সবশেষে বোঝার চেষ্টা করুন কেন পুলিশকে সবাই ভয় পায় এবং এড়িয়ে যেতে চায় সর্বক্ষেত্রে! আপনি একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদের মতো ঢালাওভাবে পুলিশবিরোধী লোকজনকে গালাগাল করে তাড়িয়ে দিতে পারেন অথবা ভালো মানুষের মতো দর্পণে আত্মপ্রকৃতি দেখতে পারেন।

আপনি যদি ছদ্মবেশে ঢাকার যে কোনো অপরাধপ্রবণ এলাকার থানায় গিয়ে দিনে এবং রাতে ঘণ্টা দুয়েক সময় কাটান তবে সমস্যার গভীরে ঢুকতে পারবেন। এ মুহূর্তে আপনার বাহিনীর সদস্যদের কারও কারোর মধ্যে আত্মতৃপ্তি, অহংকার এবং কোনো কিছুকে পরোয়া না করার প্রবৃত্তি বিদ্যমান। ফলে তারা রাষ্ট্রের অধিবাসী, রাষ্ট্রের অন্যসব প্রশাসনযন্ত্র তো দূরের কথা খোদ পুলিশ বিভাগের উঁচুপদের কর্তাদের মান্যগণ্য করে নিজেদের খেয়াল খুশি বা মেজাজ মর্জি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতিটি থানা যেন একেকটি পুলিশ হেড কোয়ার্টার এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেন একেকজন আইজি। আপনি যদি পুলিশের এই মনোভাবে পরিবর্তন আনতে না পারেন তবে আগামী দিনে কী ধরনের বিপর্যয় হবে তা কেবল আল্লাহই বলতে পারেন। সম্মানিত অধিকর্তা, আমি আর পুলিশের বিরুদ্ধে একটি কথাও বলব না। আমি এসব বললাম কেবল আপনাকে বাস্তব সমস্যা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করার জন্য। আপনি প্রথমে আপনাদের নিজেদের কিছু সমস্যা সমাধান করুন তারপর জনদুর্ভোগ কমাতে এগিয়ে আসুন। পুলিশ অর্ডিন্যান্স, বাংলাদেশ পেনাল কোড, ফৌজদারি কার্যবিধির কতিপয় ধারা এবং পুলিশ প্রশাসনের সুদীর্ঘ প্রথার কারণে প্রতিটি থানা, ডিবি অফিস, এসবি কিংবা সিআইডি অফিসসমূহ এখন নিজেদের তৈরি সমস্যার ভারে নুয়ে পড়তে বসেছে। আমার দৃষ্টিতে দুটি প্রধান সমস্যার ব্যাপারে আপনি যদি উদ্যোগী হন তবে পুলিশ বিভাগে আপনার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে এবং আল্লাহর দরবারেও আপনি মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হবেন ইনশাআল্লাহ।

আমার মতে, পুলিশের পুঞ্জীভূত সমস্যাকে ভয়াবহ করে তুলেছে ৫৪ ধারায় অনিয়ন্ত্রিত, জবাবদিহিহীন প্রয়োগ এবং ব্যবহার। আপনি যদি নিয়ম করে দেন যে, কোনো কর্মকর্তা যদি ৫৪ ধারায় কাউকে গ্রেফতার করেন তবে সেই গ্রেফতারের দায়দায়িত্ব সেই কর্মকর্তাকেই বহন করতে হবে। অর্থাৎ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ উত্থাপন করে ওই কর্মকর্তা নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করে তাকে বিচারের আওতায় আনতে পারেন এবং আদালতে দোষী প্রমাণ করতে পারেন তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পুরস্কৃত হবেন। অন্যদিকে ব্যক্তিগত স্বার্থ, হয়রানি কিংবা অন্য কোনো কারণে যদি কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে কঠোর শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

দ্বিতীয় সমস্যা হলো- পুলিশের মামলা নেওয়ার অধিকার এবং ক্ষেত্রবিশেষ আদালত কর্তৃক মামলা নেওয়ার নির্দেশ। বিদ্যমান আইন মোতাবেক যে কোনো মামলা তদন্তে পুলিশ অনির্ধারিত সময় পেয়ে থাকে। ফলে শত শত থানায় কয়েক লাখ এজাহার রয়েছে যা গত ৫-৭ বছরেও পুলিশ নিষ্পত্তি করেনি।

ইতিপূর্বে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পুলিশ মামলার চার্জশিট না দিলে তা এমনিতেই খারিজ হয়ে যেত। বর্তমানে ওই বিধানটি রহিত হয়ে গেছে বিচারপতি সাহাবুদ্দীনের একটি রায়ের কারণে। আপনি বিধানটি পুনরায় চালু করুন। মামলাগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করুন। কিছু মামলার তদন্ত কাজ সর্বোচ্চ ৩০ দিন, কিছু ৬০ দিন এবং বাকিগুলোকে ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করার বিধান জারি করুন। সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে কিছু মামলা খারিজ হয়ে যাবে এবং কিছু মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিআইডি, ডিবি বা এসবিতে চলে আসবে অধিকতর তদন্তের জন্য। যেসব মামলা থানা থেকে অন্য বিভাগে চলে আসবে সেসব মামলা এজাহারের গুরুত্ব হারাবে। এসব মামলার জন্য তলব করা যাবে, জিজ্ঞাসা করা যাবে কিন্তু গ্রেফতার করা যাবে না। যদি একান্ত গ্রেফতার করতে হয় কিংবা কৌশলগত কারণে তদন্তের জন্য অধিকতর সময় দরকার হয় তবে সিআইডি, এসবি বা ডিবি নিজেরা বাদী হয়ে পুনরায় থানায় নতুন করে মামলা দায়ের করবে।

উপরোক্ত প্রেক্ষাপটে থানায় মামলা গ্রহণকারী এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। প্রথমত: যেসব মামলা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চার্জশিট না দেওয়ার কারণে খারিজ হবে সেসব কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে হবে। কেন মামলা দেওয়া হয়েছিল কেন তদন্ত শেষ হলো না বা ফাইনাল দিতে হলো। দ্বিতীয়ত: যেসব মামলা অন্য বিভাগে চলে যাবে সেসব মামলার জন্যও সংশ্লিষ্ট থানাকে কারণ দর্শাতে হবে। কেন নির্দিষ্ট সময়ে তদন্ত সম্পন্ন হলো না এবং কেন অন্য বিভাগের সাহায্য লাগবে। এক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

আমার কথাগুলো শুনে আপনি হয়তো মনে মনে ভাববেন- এতসব ঝামেলা কিরূপে করবেন, এ কাজ করার জন্য বিদ্যমান লোকবলের মধ্যে কিরূপে সমন্বয় করবেন। কারা এই কঠিন কাজগুলো সততার সঙ্গে করবেন? এসব প্রশ্ন নিয়ে আপনাকে একদম পেরেশানি না করার জন্য অনুরোধ করছি। কেবল প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমান লোকবল দিয়ে কম্পিউটারের সাহায্য সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনি কাজগুলো করতে পারবেন। এর জন্য আপনাকে খুব বেশি খরচ করতে হবে না। মাত্র ছয় মাসের মধ্যে আমাদের দেশের সোনার ছেলেদের দিয়েই নামমাত্র মূল্যে এমনকি বিনামূল্যে এবং স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজগুলো করতে পারবেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, শাবিসহ কয়েকটি নামকরা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিভাগের জনাপঞ্চাশেক মেধাবী ছাত্রছাত্রীকে আমন্ত্রণ জানান এবং তাদের সাহায্য নিয়ে নিম্নরূপভাবে প্রজেক্টটি বাস্তবায়ন করুন।

১. আপনার বাহিনীর প্রতিটি সদস্যের পরিচয়পত্রটি ডিজিটাল স্মার্ট কার্ডে রূপান্তরিত করুন। সেই কার্ডে আপনি একটি মাইক্রো চিপ্সে বসিয়ে দিন যাতে থাকবে তার বিষয়ে যাবতীয় তথ্য, তার ফিঙ্গার প্রিন্ট এবং তাকে ট্যাকিং করার পদ্ধতি। এই স্মার্ট কার্ড চার্জ করে সে জানতে পারবে তার সম্পর্কে পুলিশের সেন্ট্রাল সার্ভার, ডিআইজি বা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতর, এসপি অফিস এবং সংশ্লিষ্ট থানার সার্ভার স্টেমাগুলোর দৈনন্দিন মন্তব্য কি? এখানে সন্নিবেশিত থাকবে তার এসিআর এর হালনাগাদ তথ্য- তার চাকরিজীবনে পদোন্নতির নম্বর কিংবা পদাবনতির মাইনাস নম্বরসমূহ। সব কিছুই স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্ডের মাইক্রো চিপ্সে ঢুকে যাবে সংশ্লিষ্ট সার্ভারের মাধ্যমে।

২. আপনার মূল সার্ভারটি থাকবে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে। সাব সার্ভার থাকবে থানা, এসপি অফিস, মেট্রোপলিটন সদর দফতরসহ পুলিশের অন্যান্য বিভাগ, অনুবিভাগের সদর দফতরে। মূল সার্ভার এবং সাব সার্ভারের কানেকটিভিটি এবং আউটপুট সব কিছুই হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্লিয়ারিং সেল কিংবা ব্যাংকগুলোর লেনদেনের বিষয়গুলো বর্তমানে প্রায় একই অনুকরণে পরিচালিত হচ্ছে। আপনি যদি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের রুমের টিভি স্ক্রিনটি দেখেন তবে পুরো বাংলাদেশের প্রতি সেকেন্ডের লেনদেন, ক্লিয়ারিং এলসি ওপেনিং ডিসচার্জিং ইত্যাদির তথ্য পেয়ে যাবেন এবং সেই রুমে বসেই কোনো লেনদেন স্থগিত করে দিতে পারবেন।

৩. থানায় যখন কোনো আসামিকে ঢোকানো হবে, কোনো মামলা গ্রহণ করা হবে কিংবা কোনো ডায়েরি লেখা হবে তা সবার আগে কম্পিউটার সার্ভারে ঢোকানো হবে এবং সেখান থেকে একটি অটো কোড নম্বর বা মামলা নম্বর পাওয়ার পর কর্মকাণ্ড শুরু হবে। সার্ভারে তথ্য ঢোকানোর পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যেই অটো কোড নম্বর চলে আসবে এবং মামলার বিবরণ, করণীয় এবং বারকোডসহ প্রয়োজনীয় গাইড লাইন একই সঙ্গে সব সার্ভার এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার মাইক্রো টিপসে চলে যাবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত না হলে বারকোড লকড হয়ে মামলা খারিজ করে দেবে। সেক্ষেত্রে আসামির মোবাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে খারিজের নোটিস, অটো সার্ভারসমূহে মামলাটিকে ব্লক করাসহ তদন্ত কর্মকর্তার মাইক্রো চিপসে শাস্তির পয়েন্ট যোগ হবে। অন্যদিকে তদন্ত সুষ্ঠুুভাবে নিষ্পন্ন হলে একইভাবে প্রতিটি পয়েন্টে হিট হবে।

৪. স্মার্ট কার্ডটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অবসরকালীন এমনকি আমৃত্যু ব্যবহৃত হবে যা তাকে সারাজীবন পুলিশ হেড কোয়ার্টার তথা পুলিশ ফ্যামিলির সঙ্গে সংযুক্ত করে রাখবে। মাইক্রো চিপসটি যেহেতু ভয়েজ রিলে করার ক্ষমতাসম্পন্ন থাকবে সেহেতু ঘুষ লেনদেন, অজায়গা-কুজায়গায় গমন, কর্তব্যে অবহেলা ইত্যাদি জ্যামিতিক হারে কমে যাবে। ফলে পুলিশ পুনরায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে।

সুপ্রিয় জনাব, চিঠির শেষ প্রান্তে চলে এসেছি। আপনার বাহিনীকে দৈনিক বাধ্যতামূলকভাবে প্যারেডে অংশগ্রহণ করান। মেদভুঁড়ি হলে সাময়িক বরখাস্ত করুন। কর্তব্যকালীন সবাইকে পুলিশি পোশাক পরিধানে বাধ্য করুন। তাদের নিয়মিত ট্রেনিং এবং মেডিটেশনের ব্যবস্থা করুন। নীতি নৈতিকতা, আইন-কানুন এবং জ্ঞানবুদ্ধি বৃদ্ধিকল্পে নানামুখী প্রকল্প গ্রহণ করুন। দেশ-বিদেশ ইতিহাস ঐতিহ্য, শিল্প সাহিত্যসহ নিজেদের সুকুমার বৃত্তিসমূহ এবং সমাজ-সংসার সম্পর্কে সচেতন করুন। আপনি দয়া করে চেষ্টা করুন- আমাদের সবার শুভ কামনা এবং আল্লাহর সাহায্য আপনার সঙ্গে থাকবে।

ইতি বিনীত, গোলাম মাওলা রনি, ঢাকা, বাংলাদেশ।

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন
মব ভায়োলেন্স করে জাতীয় পার্টির অগ্রযাত্রা দমিয়ে রাখা যাবে না: কাজী মামুন

এই মাত্র | রাজনীতি

ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি
ইলিয়াস আলীসহ গুমের শিকার সকল নেতাকর্মীর সন্ধান দাবি

২২ সেকেন্ড আগে | চায়ের দেশ

বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ
বগুড়ায় বিএনপির ওলামা-মাশায়েখ সমাবেশ

১৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব
ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব

১৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’
‌‘জামায়াত দেশপ্রেমিক দলকে নিয়ে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে’

২০ মিনিট আগে | রাজনীতি

‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক
‘উনি আমারে ৪ আগস্ট বাংলামোটরে গুলি করছে’ বলেই অভিযুক্তকে জাপটে ধরলেন যুবক

২২ মিনিট আগে | নগর জীবন

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি : তদন্ত কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়লো

২৪ মিনিট আগে | জাতীয়

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বোলিংয়ে টাইগাররা, একাদশে সাইফ

২৬ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু
পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি
প্রথমবারের মতো দেখা গেল গ্রহ সৃষ্টির ছবি

২৯ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার

৩২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ
কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হলো ১০৪ বিদেশির প্রবেশ

৩৮ মিনিট আগে | পরবাস

ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা
ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপির ২৫ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা

৪১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপ হকিতে বড় জয়ে ঘুরে দাঁড়াল বাংলাদেশ

৪৭ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন
মাছের খাদ্যে বিষাক্ত উপকরণ ব্যবহার বন্ধের দাবিতে ভালুকায় মানববন্ধন

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার
অভিবাসীদের নাউরু পাঠাতে চুক্তি অস্ট্রেলিয়ার

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ
বৃহত্তর সুন্নি জোটের আত্মপ্রকাশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি
পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলে অভিবাসী নৌকা ডুবে ৭০ জনের প্রাণহানি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা
ডাকসু নির্বাচন : ঢাবিতে ৪ দিন ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি
নির্বাচন বানচালের প্রচেষ্টা দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা হবে : সরকারের বিবৃতি

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আরও ৩৬৭ রোগী

১ ঘণ্টা আগে | ডেঙ্গু আপডেট

কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের
কেউ চিরকাল বন্ধু বা শত্রু থাকে না, ট্রাম্পের শুল্কারোপের মাঝে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য রাজনাথের

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির
ইউক্রেন ইস্যুতে পুতিনের ওপর চাপ বৃদ্ধির অঙ্গীকার ফ্রান্স-জার্মানির

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
ভোলায় ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ
কুষ্টিয়ায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে মানববন্ধন, লিফলেট বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু
জম্মু-কাশ্মীরে বন্যা ও ভূমিধসে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার
তিন মাস পর ফের সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে সোমবার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি
ইসরায়েলি হামলায় ক্ষুব্ধ হুতি, পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা
মঙ্গলের অভ্যন্তরে ভয়াবহ সংঘর্ষের প্রমাণ পেল নাসা

১ ঘণ্টা আগে | বিজ্ঞান

১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব
১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই নির্বাচন হবে : প্রেস সচিব

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

২০ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান
মেরুন রঙের পোশাক পরিহিত যুবক ডিবির কেউ নয় : ডিএমপির ডিবিপ্রধান

৩ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

৮ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১৬ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত
‘বাংলা বললেই কি বাংলাদেশি’, মোদী সরকারের জবাব চাইল আদালত

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)
ড্রোন দিয়ে রাশিয়ার দুই সেতু উড়িয়ে দিল ইউক্রেন (ভিডিও)

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি
নুরকে হামলার নেপথ্যে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন গোলাম মাওলা রনি

২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল
জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধের দাবির আইনগত দিক যাচাই করে দেখা হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার
নির্বাচন নিয়ে বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক রবিবার

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি
রিমান্ড শেষে কারাগারে তৌহিদ আফ্রিদি

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা
মঙ্গলগ্রহের ভেতরে কি আছে জানালেন বিজ্ঞানীরা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা