শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, শনিবার, ১৩ জুন, ২০১৫

মোদির সফর ও বঙ্গোপসাগর নিয়ে চিন্তাভাবনা

কাজী সারোয়ার হোসেন
অনলাইন ভার্সন
মোদির সফর ও বঙ্গোপসাগর নিয়ে চিন্তাভাবনা

কৌটিল্যকে প্রাচীন ভারতের সবচেয়ে প্রজ্ঞাশীল দার্শনিক ও রাজনৈতিক তাত্তি্বক হিসেবে গণ্য করা হয়। তার রচিত অর্থশাস্ত্র এখনো ভারতের রাজনীতি ও কূটনীতি-সংক্রান্ত নীতিমালা নির্বাচন ও নির্ধারণকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। অর্থশাস্ত্রে রাষ্ট্রের বিকাশের জন্য সমুদ্রের ব্যবহারের ওপর অনেক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরে বঙ্গোপসাগরের যে গুরুত্ব পরিলক্ষিত হলো তা সত্যিকার অর্থে অর্থশাস্ত্রেরই প্রতিফলন। এই সফরের সময় স্বাক্ষরিত বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক ও চুক্তিতে সমুদ্র সংযোগ এবং তার ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়াদি অনেক প্রাধান্য পেয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফর দুই দেশের জন্য অনেক সাফল্য বয়ে এনেছে। এই সফরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হতে থাকবে। কার লাভ, কার ক্ষতি, কোন দেশ কতটুকু পেল অথবা কে কত ছাড় দিল এ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে অনেক কিছুই। ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেই বিশ্লেষণ হচ্ছে বেশি। বিশেষ করে নব্য প্রতিষ্ঠিত সংযোগ ব্যবস্থা বা তথাকথিত কানেকটিভিটি বাংলাদেশের জন্য কতটুকু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বয়ে আনতে পারে। একই সঙ্গে ইপ্সিত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে আমাদের কী ধরনের স্থাপনা তৈরি করতে হবে সে সম্পর্কে অনেক গবেষণা হচ্ছে। কোন দেশ কতটুকু জায়গা পেল কিংবা হারাল তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে বিস্তর। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি মোটেও এখনো আলোচনায় আসেনি তা হলো বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব নিয়ে ভারতের সাম্প্রতিক চিন্তাভাবনা ও নরেন্দ্র মোদির ধ্যান-ধারণা।

৬০টি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে যে ২২টি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তা আমাদের দুই দেশের জন্য রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক অনেক সুবিধা আনতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। এ ক্ষেত্রে সম্পাদিত প্রতিটি চুক্তি যদিও একক ক্ষেত্রে নিজস্ব স্বকীয়তা বহন করে, তবে দুই দেশের মধ্যে সংযোগ ব্যবস্থার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে এ এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবনমান কীভাবে উন্নত করা যায় তা সার্বিকভাবে নিহিত আছে চুক্তি ও স্মারকগুলোতে। উল্লেখ্য, আমরা যখন সংযোগ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করি সর্বাগ্রে সমুদ্র সংযোগ ব্যবস্থাকে বিবেচনা করতে হয়। কেননা নদীমাতৃক ও সমুদ্র সংযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি পরিমাণের সম্পদ ও জনবল স্থানান্তরিত হয়ে থাকে। একই কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি শক্তিশালী দেশগুলো তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি অন্যান্য দেশের কাছে প্রেরণ করে সমুদ্রপথেই। বিষয়টি আমাদের দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীই সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পেরেছেন, যা আশার সঞ্চার করা উচিত। কৌটিল্যর অর্থশাস্ত্রে সমুদ্র মাধ্যমকে ব্যবহার করে অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও মৈত্রীর সম্পর্ক সম্পাদনের ব্যাপারে অত্যন্ত উপযোগী ও সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আর তাই সমুদ্রপথের যোগাযোগ এবং সমুদ্রে রক্ষিত বিশাল সম্পদরাজি ব্যবহার করে কীভাবে দুই দেশই উন্নত হতে পারে তার একটি প্রচ্ছন্ন রূপরেখা প্রতিটি চুক্তি ও স্মারকে প্রোথিত আছে। আমাদের তা আরও সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব নতুন করে অনুধাবন করতে হবে।

উল্লেখ্য, ভারত ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমুদ্রের ব্যবহার সবসময়ই একটি অত্যন্ত অপরিহার্য প্রক্রিয়া। সে কারণেই ভারত ও বাংলাদেশের সমুদ্রপথের যোগাযোগ আরও অর্থবহ করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমাদের দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ও আকাঙ্ক্ষা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও অর্থবহ। কিছুটা দেরিতে হলেও ভারত সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে যে এই অঞ্চলের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হলে ভারত মহাসাগর ও তৎসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরকে ব্যবহার উপযোগী করতে হবে এবং সব বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোতে একসঙ্গে এক ও অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতে হবে। সেই সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে অন্য কোনো পরাশক্তি যেন তাদের প্রভাব বিস্তার করতে না পারে সে বিষয়েও সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

অতি সম্প্রতি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বঙ্গোপসাগরে চীনের আগ্রহ বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণসহ বিভিন্ন সমুদ্র-সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে চীন ব্যাপকভাবে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তার সুস্পষ্ট আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপে চীনের যে বিশাল পণ্যপসরা আসা-যাওয়া করে সেগুলো বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণাংশ ধরেই চলাচল করে থাকে। এ ছাড়া মিয়ানমারের সঙ্গে সড়ক বা রেল সংযোগ ব্যবস্থা স্থাপিত হলে চীনের দক্ষিণাঞ্চলের শিল্পোন্নত শহরগুলো থেকে বিভিন্ন পণ্য বঙ্গোপসাগর দিয়ে আরও কম সময় ও কম খরচে বিভিন্ন দেশে যাতায়াত করতে পারবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনে ও একই এলাকায় বড় আকারের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে সহায়তা প্রদানের জন্য চীনের আশ্বাস এই সমুদ্র এলাকার ওপর তার আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমুদ্র এলাকার ওপর ভারতের সাম্প্রতিক আগ্রহ একটি অতি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে ব্লু ইকোনমির গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। ব্লু ইকোনমি আরও সম্প্রসারিত করার জন্য বাংলাদেশ ও ভারত কীভাবে পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও জোরদার ও অর্থবহ করতে পারে সে সম্পর্কে অনেক দিকনির্দেশনা ছিল তার শেষ ভাষণটিতে। সামুদ্রিক যোগাযোগ আরও সফল ও কার্যকর করার অনেক পদক্ষেপ সনি্নহিত রয়েছে সম্প্রতি সম্পাদিত বিভিন্ন চুক্তি ও স্মারকগুলোতে। কোস্টাল শিপিং অ্যাগ্রিমেন্টটি তার মধ্যে অন্যতম। এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজগুলো সরাসরি ভারতের পূর্ব উপকূলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বন্দর যেমন- কলকাতা, বিশাখা পাটনম ও চেন্নাইতে সরাসরি পণ্য পরিবহন করতে পারবে। ফলে পরিবহন খরচ প্রায় এক-তৃতীয়াংশে নেমে আসবে এবং এতে করে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়বে অনেক গুণ। এ ছাড়াও সড়কপথে পণ্য পরিবহনের ওপর চাপ কমে যাবে অনেকাংশে। সামুদ্রিক যোগাযোগ বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পরিবহন শিল্প এবং সমুদ্র পরিবহনের সেবা খাতের অনেক উন্নতি হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

এ ছাড়াও অভ্যন্তরীণ নৌ-ট্রানজিটের যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে তার ফলে নদীপথ ও সাগরপথের সংযোগ আরও সুবিধাজনক হবে এবং দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে। চুক্তিটি বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের নদীগুলোর নাব্যতা সারা বছর গ্রহণযোগ্য ও যোগাযোগ সুলভ রাখার জন্য ভারত বড় রকমের বিনিয়োগ প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেছে। এর ফলে নদী ও সমুদ্রপথে যোগাযোগ হবে আরও সুলভ, কার্যকর এবং ঝুঁকিমুক্ত। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলোর জন্য চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের যে ব্যবস্থাটি করা হয়েছে তাতে দুই দেশই লাভবান হতে পারে বলে মনে হচ্ছে আপাতদৃষ্টিতে। তবে বাংলাদেশকে চুক্তিটি থেকে সুবিধা আদায় করতে হলে বন্দর ব্যবহারের জন্য যে মাসুল ধার্য করা হবে তা যেন অবশ্যই আন্তর্জাতিক মানে ও হারে নির্ধারিত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে এবং কারিগরি বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খ রূপে বিশ্লেষণ করতে হবে।

দুই দেশের কোস্টগার্ডের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে তা এই এলাকার সমুদ্রপথের সার্বিক ব্যবহার ঝুঁকিমুক্ত করবে এবং সমুদ্র ব্যবহারকারীদের জন্য সুফল ও লাভ বয়ে আনবে। একই সঙ্গে সমুদ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার হবে। আরও উল্লেখ যে, মহেশখালীতে যে দুটি বিরাট আকৃতির বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত করার জন্য সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে তার জন্য ব্যবহৃত প্রায় সব কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ আসবে বঙ্গোপসাগর হয়ে।

সার্বিকভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফরটি বঙ্গোপসাগরের গুরুত্ব সম্পর্কে আমাদের নতুনভাবে অনুধাবনের একটি সুযোগ এনে দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরকে ব্যবহার করে কীভাবে দুই দেশই রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে সে সম্ভাবনাগুলো সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত হলো এই সফরে। এই সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগাতে হলে আমাদের নিজেদের সমুদ্রকে আরও নিবিড়ভাবে জানতে হবে, এর কারিগরি দিকগুলো নিয়ে পড়াশোনা ও গবেষণা করতে হবে এবং অর্থনৈতিক বিষয়গুলো আরও সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করতে হবে। জাতীয়ভাবে বাড়াতে হবে আমাদের সমুদ্রবিষয়ক আগ্রহ।

লেখক : মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার

 

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

১ সেকেন্ড আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

৬ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২১ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩০ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৪৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৪৮ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

৫৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

৫৯ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

২ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৮ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়