শিরোনাম
প্রকাশ: ১১:৩৭, রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৫

দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন : ক্ষতিগ্রস্ত হবে ক্ষমতাসীনরাই

আমীর খসরু
অনলাইন ভার্সন
দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচন : ক্ষতিগ্রস্ত হবে ক্ষমতাসীনরাই

এক. উন্নয়নকে বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ওই উন্নয়ন কার্যক্রমে যেন জনঅংশীদারিত্বের ব্যবস্থাটি থাকে তার গ্যারান্টি দেওয়ার লক্ষ্যেই স্থানীয় সরকারকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় বলে গণ্য করা হয়।  এ কথাটি প্রমাণিত সত্য যে, উন্নয়ন কার্যক্রমে যদি জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ও অংশীদারিত্বের ব্যবস্থা না থাকে এবং সামগ্রিক ব্যবস্থায় জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতিফলন না ঘটে, তাহলে ওই পুরো উন্নয়নটিই হবে নষ্ট-ভ্রষ্ট অথবা উন্নয়ন নামের কর্মকাণ্ডগুলো থেকে যাবে খাতা-কলমে। যতই দিন যাচ্ছে ততই গণতন্ত্রের সংজ্ঞায় পরিবর্তন এসেছে গণঅংশীদারিত্ব ও প্রতিনিধিত্বশীলতার প্রশ্নে। গণতন্ত্রের উৎকৃষ্ট সংজ্ঞা হচ্ছে, জনগণের অংশীদারিত্ব এবং ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে প্রাধান্য ও নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ক্ষমতার বিকেন্দ্রণ। কারণ কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা দুর্নীতি, জনবিচ্ছিন্নতা এবং কর্তৃত্বপরায়ণতার জন্ম দেয়।

এ ছাড়াও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটির গুরুত্ব এ কারণেও যে, তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের চাওয়া-পাওয়া, ইচ্ছা-অনিচ্ছা এবং প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের নিরিখে উন্নয়ন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা যেমন থাকে, তেমনি জনগণ কোনো না কোনোভাবে উন্নয়নসহ শাসন কার্যক্রমে সংযুক্ত ও অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এ নিয়ে দুনিয়ার নানা দেশে গণতন্ত্র চর্চার মধ্যেই স্থানীয় পর্যায়ের শাসনকে শক্তিশালীকরণের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

এ কথা সত্য যে, আমাদের দেশে রাজনৈতিক দলের যে দশা হয়েছে, তাতে মানুষ এখন রাজনৈতিক দলবিমুখ হওয়ার প্রক্রিয়ায় রাজনীতিবিমুখ হয়ে পড়েছে। সমাজে সৎ, ন্যায়-নিষ্ঠবান ও ন্যায্যতার স্বপক্ষে মানুষগুলো নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন, দুর্নীতিবাজ, অসৎ এবং নষ্ট-ভ্রষ্টের সীমাহীন উৎপাত ও দোর্দণ্ড প্রতাপের কারণে। যেখানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটির মধ্যদিয়ে সৎ, ত্যাগী, ন্যায় ও ন্যায্যতাপ্রিয় মানুষগুলোকে আবার ফিরিয়ে আনার যে প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে শুরু করা উচিত ছিল, তার ছিটেফোঁটা সম্ভাবনাও আর অবশিষ্ট নেই। ভবিষ্যতে থাকবে এমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। উল্টা বর্তমান সরকার সে পথ রুদ্ধ এবং বন্ধ করে দিয়েছে।

স্থানীয় সরকারের গোড়ার দিকের ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় ব্রিটিশ আমলে অর্থাৎ ১৮৭০ সালেও পঞ্চায়েত ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। তবে তার সামাজিক কর্তৃত্ব যতটা ছিল, উন্নয়ন বা প্রশাসনিকভাবে তার কোনো ক্ষমতা ছিল না। আর এই পঞ্চায়েত ব্যবস্থাটি গঠিত হতো সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে। ১৮৮২ সালে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার কিছুটা পরিবর্তন সাধন করা হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, পঞ্চায়েতের নেতৃত্বে আসতে গেলে গণ্যমান্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্যাক্স বা খাজনা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। স্থানীয় পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ পুলিশের এক ধরনের সহযোগী হিসেবে চৌকিদার, দফাদার ব্যবস্থাটিও তখন চালু হয়। তবে পুরো বিষয়টি একদিকে ছিল ব্রিটিশ শাসনকে সুসংহত করা, অন্যদিকে সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। ১৯০০ সালের দিকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় আরও বেশ কিছু পরিবর্তন আসে এবং এর কাঠামোগত একটি রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। গঠিত হয় ইউনিয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সংস্থাগুলো, যা পঞ্চায়েত ব্যবস্থা থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী রূপ। এ সময় ইউনিয়ন বোর্ডের পাশাপাশি থানা বোর্ড, জেলা বোর্ড এবং কোথাও কোথাও পৌরসভার ব্যবস্থাগুলোর সৃষ্টি করা হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এসব সংস্থা গঠিত হলেও এর প্রধান ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা পদাধিকার বলে। তবে এরও কিছুকাল পরে নির্বাচন ব্যবস্থাটি প্রবর্তন করা হয়, তবে অনেকটা শিথিল ছিল। গণ্যমান্য ব্যক্তিরাই কোনো না কোনোভাবে এর নেতৃত্বে চলে আসতেন।

১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারির পরে আসলে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে সত্য, তবে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটিকে প্রথমবারের মতো যুক্ত করা হয় রাজনীতির সঙ্গে, ক্ষমতার স্বার্থে। আর দুর্নীতিকেও প্রবিষ্ট করানো হয় তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত। এটা সামরিক শাসনের একটি ধারা। ১৯৫৯ সালের এক আদেশ বলে ১৯৬০ সালে ইউনিয়ন বোর্ডের নাম পরিবর্তন করে গঠন করা হয় ইউনিয়ন কাউন্সিল। এই কাউন্সিল গঠিত হতো মৌলিক গণতন্ত্র বা বেসিক ডেমোক্রেসি নামে এক অদ্ভুত ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে। এই মৌলিক গণতন্ত্র সামরিক শাসনের গণতন্ত্রবিনাশী একটি কর্মকাণ্ড হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে আছে। আর এটি আইয়ুবের সামরিক শাসনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে পরবর্তীতে আবির্ভূত হয়। দেশে মৌলিক গণতন্ত্রী অর্থাৎ ভোটারের সংখ্যা ছিল সারা দেশে ৬০ হাজার। এদের ভোটেই আইয়ুব প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমপি-এমএনএসহ অন্যান্য পদ নির্বাচনেও এই মৌলিক গণতন্ত্রীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এর মাধ্যমে আইয়ুব সমাজে এমন একটি শ্রেণির সৃষ্টি করলেন যারা স্থানীয় পর্যায়ে আইয়ুবের প্রতিনিধি বলেই খ্যাত ছিল।

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ক্রমান্বয়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাটি শক্তিশালী হতে থাকে এবং এ পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততাও বাড়তে থাকে। বাংলাদেশে সংবিধানে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালীকরণের ওপর যথেষ্ট গুরুত্বারোপ করা হয়। যদিও সংবিধান প্রণেতাদের মনোজগতে স্থানীয় সরকারকে জনসম্পৃক্ত একটি সংস্থা হিসেবেই চিন্তা করা হয়েছিল। তবে বরাবরই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতৃত্বের চাপ এবং স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে সমূলে বিনাশ করার আমলাতান্ত্রিক উদ্যোগ সফলও হতে থাকে দিনে দিনে।

দুই.

এই প্রথমবারের মতো স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সর্বস্তর অর্থাৎ ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা পরিষদ, পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে ও দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এতদিন দলের সমর্থন প্রবল এবং প্রচণ্ড থাকলেও নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হতো দলীয় পরিচয়ের বাইরে অর্থাৎ নির্দলীয় ভিত্তিতে। গত ১২ অক্টোবর খুবই তাড়াহুড়া করে মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরেই দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইনের অনুমোদন দেওয়া হয়। তাড়াহুড়াটা এমন যে, প্রথমে সরকার অধ্যাদেশ জারি করে। এরপরে সংসদে স্থানীয় সরকার সংশোধনী আইন পাস করা হয়। এখানে একটি বিষয় বলা প্রয়োজন, তাড়াহুড়াটা সেই পর্যায়ে গেছে যাতে এই নভেম্বর মাসেই অধ্যাদেশ জারি করা হয়, সংসদে আইন পাস হয় এবং নির্বাচন কমিশনও আচরণবিধি ঘোষণা করে।

বর্তমান সরকারের অধীনে অতীতে অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকারব্যবস্থার সব নির্বাচনের নজির খুবই ন্যক্কারজনক এবং একই সঙ্গে ভীতিকরও। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়, ভোটারবিহীন, একদলীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে আমাদের যেমন ধারণা ও অভিজ্ঞতা আছে, তেমনি উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন নির্বাচনসহ অন্যান্য যেসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এই সরকারের অধীনে, সে সম্পর্কেও আমরা তিক্ত অভিজ্ঞতায় অভিজ্ঞ। ভোটারবিহীন নজির সৃষ্টিকারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল পাঁচ দফায়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিরোধী দল বিএনপিসহ অন্যান্য দল এতে অংশগ্রহণ করেছিল। এই নির্বাচনটিতেও দলীয় বাহিনীর সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবহারসহ নৈরাজ্যপূর্ণ, তাণ্ডবের এক পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছিল। স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ায় কিছুসংখ্যক মানুষ স্বাভাবিক কারণেই ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে কী ভীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, তাও বোধকরি সবারই মনে আছে। জাতীয় নির্বাচনটি যে সত্যিকার অর্থেই একেবারেই সৃষ্টি ছাড়া খারাপ উদাহরণ সৃষ্টিকারী ঘটনা ছিল, তা আবারও বদ্ধমূলভাবে প্রতিষ্ঠিত করে দেয় উপজেলা নির্বাচন। পরবর্তীকালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনসমূহ আবারও প্রমাণ করে যে, এই সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন তো সম্ভবই নয়, এটা চিন্তা করাও সমীচীন হবে না। কারণ অবাধ, সুষ্ঠু, সব দলের অংশগ্রহণে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠান করা আইনি বিধানসম্মত ও গণতান্ত্রিক চর্চার অন্তর্ভুক্ত ক্ষমতাসীনদের চিন্তা, চেতনা, মনোজগৎসহ সামগ্রিক সংস্কৃতিতে এই বিষয়গুলো আদৌ প্রবহমান ও ক্রিয়াশীল নয়।

ক্ষমতাসীনরা ন্যায্য ও অবাধ নির্বাচনকে তাদের জন্য বিড়ম্বনার বিষয় বলেই মনে করে, এমনটা বিভিন্ন নির্বাচনের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে। সরকার এ কারণেই দলীয় ভিত্তিতে ও প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথটি বেছে নিয়েছে। কারণ ক্ষমতাসীন দলের মনোনয়ন ও প্রতীক ব্যবহার করলে, নির্বাচন অনুষ্ঠানের যেসব পূর্বশর্ত থাকে অর্থাৎ প্রার্থীর যোগ্যতা, দল এবং প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা, দক্ষতা, প্রজ্ঞা ও নেতৃত্বের গুণাবলী সর্বোপরি জনপ্রিয়তা- তার আর কোনো প্রয়োজন হবে না। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার উদাহরণ দেওয়া হচ্ছে, যুক্তরাজ্য, ভারতসহ বহু দেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হয়ে থাকে। তাহলে প্রশ্ন উত্থাপন জরুরি যে, ১. যুক্তরাজ্য, ভারতসহ ওই দেশগুলোতে ৫ জানুয়ারির মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীন, ভোটারবিহীন, একদলীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কিনা বা এমন উদাহরণ তাদের যুগ-যুগান্তরের রাজনৈতিক ইতিহাসে রয়েছে কিনা? ২. ওই সব দেশে বিরোধী দল ধ্বংস ও বিনাশ করে একদলীয় শাসন ও এককের সীমাহীন ক্ষমতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতার নজির রয়েছে কিনা? ৩. স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার আদৌ হস্তক্ষেপ করে কিনা? ৪. এমন নির্বাচন কমিশন ওই সব দেশে আছে কিনা? ৫. যেসব দেশের কথা বলা হয়েছে সেসব দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ পুরো প্রশাসন এমন পক্ষপাতদোষে-দুষ্ট কিনা? ৬. ওই সব দেশে বিরোধী পক্ষের কেউ জাতীয় বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিজয়ী হলে তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলা-মোকদ্দমা দিয়ে, গ্রেফতার করে বরখাস্ত করার নজির রয়েছে কিনা? জবাব যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে দেশবাসী সবাই এই সরকারের সঙ্গে সহমত পোষণ করতে রাজি আছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগেও ক্ষমতাসীনরা বলেছিল, ক্ষমতাসীন দলের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নজির পশ্চিমা দুনিয়াসহ বহু দেশে রয়েছে। তবে বাংলাদেশের নজির তারা ওই সময়ই দেখেছেন।

পৌরসভা নির্বাচনে বিরোধী দল বিএনপি অংশ নেবে এমন সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে বলা যায়। ইতিমধ্যে বিএনপি নিজে বৈঠক করেছে এবং ২০ দলের সঙ্গেও আলোচনা করেছে। এটি বিএনপির পক্ষ থেকে যথাযথ ও বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচনের সময়ে রণেভঙ্গ দিয়ে চলে না গিয়ে তারা মাঠে থাকতেন এবং নির্বাচনে অংশ নিতেন তাহলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত।

বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পক্ষে ইতিবাচক হাওয়া থাকলেও, মামলা-মোকদ্দমা, হয়রানি, নির্যাতন, গ্রেফতারসহ নানা আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীও নির্বাচনে অংশ নিতে ভয় পাচ্ছেন ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। তাছাড়া বহু নেতা-কর্মী হয় জেলে রয়েছেন, না হয় মামলা মাথায় নিয়ে গ্রেফতার হওয়ার ভয়ে পালিয়ে এলাকা ছাড়া অথবা স্থানীয় ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আপসরফা করে নিশ্চুপ। বিএনপির জন্য দাপটের সঙ্গে নির্বাচন অনুষ্ঠান তো দূরের কথা, প্রার্থী খুঁজে পাওয়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে।

স্থানীয় সরকারব্যবস্থার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে অনুষ্ঠানে ক্ষমতাসীনরা সীমাহীন লাভবান হবে এমনটাই তারা ধারণা করছে। কিন্তু বাস্তবে বিএনপিসহ বিরোধী দল যতটা না ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তারচেয়ে ঢের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিকভাবে। কারণ এমনিতেই ক্ষমতাসীন দল হিসেবে তাদের মধ্যকার বড় ধরনের অন্তর্দ্বন্দ্ব বিদ্যমান। দলীয় ভিত্তিতে নির্বাচনে এটি আরও প্রকট এবং ভয়াবহ রূপ নেবে। দলের বর্তমানে বিদ্যমান থাকা নানা উপদলীয় সংঘাত, সহিংসতা, কোন্দল ব্যাপকতর হবে। আর এতে দলের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের সক্রিয়তা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক। সব মিলিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ সংকট ও জটিলতা আরও ব্যাপকতর ও প্রকট হবে। কারণ ক্ষমতাসীনদের আগ্রহী প্রার্থীরা মনে করছেন, দলীয় মনোনয়ন পেলেই তিনি নিশ্চিতভাবে নির্বাচিত হবেন। কাজেই পদ-পদবি আর ক্ষমতার কাছাকাছি গিয়ে তা হাতছাড়া করার এমন মানসিকতা অধিকাংশেই দেখাবে, এটা ভাবা ঠিক হবে না। কোন উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে এটা কার্যকর হবে তা ভাবাও উচিত হবে না। কাজেই ক্ষমতার দ্বন্দ্ব-বিবাদ বিস্তৃত হবে ব্যাপকতর। তারা এক দলে থাকলেও আরও অনৈক্য, আরও দ্বন্দ্ব-বিবাদ, সংঘাত ভবিষ্যতে তাদের পিছু ধাওয়া করবে।

এ কথাটি মনে রাখতে হবে, রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা এবং এ থেকে সৃষ্ট চরম শূন্যতার সময়ে এক দলই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ও সর্বেসর্বা থাকে। সবকিছু নির্ধারিত হয় এক, একক এবং একপক্ষের মাধ্যমেই।  সেখানে অন্য দলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নেই, কারণ তাদের কোনো প্রতিপক্ষই নেই।  দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠান তাই দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে এসব কারণে চরম মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত করার সঙ্গে সঙ্গে দেশের রাজনৈতিক নৈরাজ্য ও সংকটকে যেমন প্রকটতর করবে, তেমনি এটি প্রলম্বিতও হবে। রাজনৈতিক ভারসাম্যহীনতা ও চরম শূন্যতা ক্ষমতাসীনদের সংঘাত, বিবাদকে নিয়ে যাবে চরম থেকে চরমতম পর্যায়ে।

লেখক : সম্পাদক, আমাদের বুধবারডটকম

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

এই মাত্র | রাজনীতি

জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা
জনজীবনে অশ্লীলতার থাবা

৮ মিনিট আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন
নুরুল হক নুরের নাকের হাড় ভেঙে গেছে, মেডিকেল বোর্ড গঠন

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান
সকাল থেকেই কাকরাইলে জাপার কার্যালয়ের সামনে পুলিশের অবস্থান

২৯ মিনিট আগে | জাতীয়

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষ, আহত ২৫

৩৮ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত
ট্রাম্পের বেশির ভাগ শুল্ক অবৈধ: মার্কিন আদালত

৩৯ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক
খাগড়াছড়িতে সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগে মা আটক

৫২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা
ঢাকার বাতাসে মাঝারি দূষণ, শীর্ষে কামপালা

৫৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক
ইসরায়েলের জন্য নিজেদের আকাশসীমা ও বন্দর নিষিদ্ধ করল তুরস্ক

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০
ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ৪ বাসের সংঘর্ষে আহত ২০

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট
মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞার মুখে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার
রাজনীতি ছেড়ে অভিনয়ে ফেরার ইঙ্গিত কঙ্গনার

১ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার
খাদ্য সামগ্রীসহ ৭ পাচারকারী গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো
আল নাসরের জয়ের ম্যাচে নতুন উচ্চতায় রোনালদো

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু
শেরপুরে বিলের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মত্যু

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই
কিশোর গ্যাং ঠেকানোর কার্যকর উদ্যোগ নেই

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২
পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি, আটক ২

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি
টেকসই অর্থনীতি গড়তে হলে ক্ষমতার পুনর্বণ্টন জরুরি

৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা
নুরের ওপর হামলার ঘটনায় মির্জা ফখরুলের নিন্দা

৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা
জাবিতে এখনো হলে হলে মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা, জাকসুর সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা

৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা
ইংল্যান্ড সফরের অনূর্ধ্ব–১৯ দল ঘোষণা

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স
খোলা হয়েছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের
আফগানিস্তানকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভ সূচনা পাকিস্তানের

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি
মহানবী (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের পদ্ধতি

৩ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের
গাজা থেকে ২ জিম্মির দেহাবশেষ উদ্ধারের দাবি ইসরায়েলের

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির
ইসলামী বিধানে সহজীকরণ নীতি ও নজির

৪ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (৩০ আগস্ট)

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সর্বাধিক পঠিত
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

১৩ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

১৪ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৮ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

২৩ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

১০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৯ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি
বাফার জোনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন জেলেনস্কি

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

২০ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা
ঈদে মিলাদুন্নবীর ছুটি আওতার বাইরে যারা

১৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

১৪ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প
কমলা হ্যারিসের নিরাপত্তা সুবিধা বাতিল করলেন ট্রাম্প

৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল
নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে : মির্জা ফখরুল

২২ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির
ইসরায়েলি হামলার পাল্টা প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি হুথির

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

২১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য
১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাল যুক্তরাজ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়