শিরোনাম
প্রকাশ: ১০:৪৫, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৫ আপডেট:

গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ

অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত
অনলাইন ভার্সন
গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ

১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সাল। নবম শ্রেণি থেকে এমবিবিএস প্রথম বর্ষ। পাঁচটি বছর, অনেক রোমাঞ্চকর মুহূর্ত। ১৯৬৮ সাল আইয়ুব শাসনের অবসান, ইয়াহিয়া খানের গণতন্ত্রের এবং নির্বাচনের বয়ান দিয়ে। নতুন সামরিক শাসন। আমরাই এক প্রজন্ম, যারা সামরিক সরকারের স্বাদ-আহ্লাদ পুরোপুরি ভোগ করেছি। অর্থাৎ ১৯৬৮-তে এসএসসি আইয়ুবের মার্শাল লতে, এইচএসসি ইয়াহিয়ার সামরিক শাসনে ১৯৭০ সালে এবং সর্বশেষ ১৯৭৬-এ এমবিবিএস, জিয়ার শাসন অর্থাৎ অবাঞ্ছিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত সামরিক শাসনে।

এই পাঁচ বছর ছিল দুঃস্বপ্নের এবং রোমাঞ্চের। ’৭০-এর ১২ নভেম্বরের জলোচ্ছ্বাস, ১৩ নভেম্বর দুঃসংবাদের মতো রেডিও খবরে কানে এসে পৌঁছল। তখনো বুঝতে পারিনি কী ভয়াবহ ধ্বংসলীলা ঘটে গেছে। আস্তে আস্তে সব পরিষ্কার হলো। বয়সের কারণে একটু স্বস্তিতে ছিলাম। মেডিকেল কলেজ এই দুর্যোগের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ছুটি পেলাম, বাড়ি যাব, বিশাল আনন্দ। ১৪ তারিখের ‘সংবাদ’ পত্রিকাটি বাবার মারফত বাড়িতে বসে পাই। তার শিরোনাম ‘ভিক্ষা দাও গো পুরোবাসী’ দেখে এবং তার গভীরে গিয়ে বুঝতে পারলাম, কী বিশাল ক্ষতি হয়ে গেল পূর্ব পাকিস্তানের। পরবর্তীতে ওই অঞ্চলগুলোতে নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হলো।

বিশাল রোমাঞ্চ অনুভব করলাম, যখন রেডিওতে ’৭০-এর নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হতে লাগল। হোস্টেলের টেলিভিশনের সামনের সিনিয়র ভাইয়েরা, তাই রেডিও একমাত্র তথ্য পাওয়ার মিডিয়া। বিবিসির মন্তব্য ‘ক্ষমতার কাছাকাছি শেখ মুজিবের আওয়ামী লীগ।’ পাকিস্তানি স্বৈরশাসক গোষ্ঠীর একমাত্র লক্ষ্য শুরু হলো নতুন বছরের শুরু থেকে। কী করে বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বাইরে রাখা যায়। বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে অর্থাৎ বাঙালি বঞ্চিত। বঙ্গবন্ধুর ডাকে হরতাল। রাষ্ট্র নামে মাত্র পাকিস্তান। পূর্ব বাংলায় সব কিছুই বঙ্গবন্ধুর অঙ্গুলি হেলনে চলছে। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, বাঙালি বিহারি সংঘাত, অসহযোগ আন্দোলন, সর্বশেষ রোমাঞ্চে আন্দোলিত ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ। যেই ঐতিহাসিক ভাষণ সম্পর্কে ভারতীয় মাউন্টেইন ব্রিগেডের তৎকালীন ব্রিগে. জেনারেল ওভানের ভাষায়, ‘I have never heard such a historical, political & spiritual speech and such a mighty word like ‘Insallah’.’  

১৯৪৭ সালের পাক ভারত স্বাধীনতার সময়ের প্রাক্কালে দুর্ভিক্ষে ১৫ লাখ থেকে ৪০ লাখ লোকের মৃত্যু হয়েছিল যা ১৯৪৩ সালের। ১৯৭৪ এ যুদ্ধ বিধ্বস্ত এ দেশে কিন্তু ওই তুলনায় কিছুই হয়নি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী মৃতের সংখ্যা ২৭ হাজার। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর উদার মনোভাব ও গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে অনেক বেশি প্রচার পেয়েছিল জাসদের ‘গণকণ্ঠ’ ও মওলানা ভাসানীর ‘হক কথার’ বদৌলতে। তখন ওই সব পত্রিকা হাতে নিলে মনে হতো সারি সারি লাশের জন্য বাংলাদেশের রাস্তায় হাঁটা যাচ্ছে না। ভারতের স্বাধীনতার প্রাক্কালে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনকালে ও গণতান্ত্রিক ভারতবর্ষকে স্বাগত জানিয়ে জওহরলাল নেহেরুর উদাত্ত বেতার ভাষণ ভারতের নিয়তির অভিসারের কথা বলে। তার ভাষণে ভবিষ্যতের কাজগুলো ছিল দারিদ্র্যমোচন; অবহেলা, রোগভোগ ও সুযোগের বৈষম্য দূর করা ইত্যাদি। কৃষি অর্থনীতিই ছিল তখন মূল প্রতিপাদ্য। এ ব্যাপারে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বলেন, তারপর অর্ধশতাব্দী অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। নিয়তির ‘অভিসার’ থেকে কী পাওয়া গেছে ও সেই সময়কার ভবিষ্যৎ কর্তব্যগুলো কতদূর সাধিত হয়েছে এরকম প্রশ্ন করার জন্য সময়ের এই অন্তরালটি কিছু কম নয়। এর উত্তরটিও খুব সরল নয়। নেহরুর নির্দেশিত পথ অনুসারে এই মূল্যায়নকে আমরা তিনটি প্রশস্ত ক্ষেত্রে ভাগ করতে         পারি : (১) গণতন্ত্রের অনুশীলন, (২) অনগ্রসরতা ও সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং (৩) অর্থনৈতিক প্রগতি ও সমতা অর্জন। এসব ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রের সাফল্য ও ব্যর্থতা কীভাবে আন্তঃসম্পর্কযুক্ত সে প্রশ্নটিও আমাদের করতেই হবে।’

প্রথম ক্ষেত্রটিতে সন্তুষ্টির অনেক কারণ আছে। ১৯৬৭ সালে ‘দি টাইমস’-এর সাংবাদিক দৃঢ় নিশ্চয়তার সঙ্গে লিখেছিলেন যে, তিনি ভারতের শেষতম সাধারণ নির্বাচনের সাক্ষী হয়ে থাকলেন। তিনি নিশ্চয়তার সঙ্গে বলেছিলেন ভারতীয় গণতন্ত্র অন্তিমলগ্নে পৌঁছে গেছে। কিন্তু সেই সর্বনাশের ভবিষ্যদ্বাণী সফল হয়নি। ভারতে নিয়ম করেই এবং মোটের ওপর নিরপেক্ষভাবেই নির্বাচন হয়ে আসছে। রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে জিতেই ক্ষমতায় এসেছে এবং পরাজিত হলে তাদের ক্ষমতা ছেড়ে দিতে হয়েছে। গণমাধ্যমগুলোর ‘স্বাধীনতা’ও অনেক দূর পর্যন্ত বজায় থেকেছে এবং সংবাদপত্রগুলো স্বাধীনভাবে সংবাদ পরিবেশন, খোঁজখবর ও প্রতিবাদ করে আসছে। নাগরিক অধিকারের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়েছে এবং তা বিঘ্নিত হলে বিচার ব্যবস্থা সাধারণভাবে সক্রিয় ভূমিকাই পালন করেছে। সেনাবাহিনী প্রধানত ছাউনির ভিতরেই অবস্থান করে আসছে।

মোটামুটিভাবে এটিই হলো সাফল্যের কাহিনী। কিন্তু তা সত্ত্বেও ভারতীয় গণতন্ত্র এখনো পূর্ণ সাফল্য অর্জন থেকে অনেক দূরে। রাজনৈতিক আন্দোলনগুলো কিছু ত্রুটির ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী ভূমিকা রাখলেও অনেক ত্রুটিই দূর করা যায়নি, এমনকি সেগুলোকে নিয়ে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করার ব্যাপার আদৌ গুরুত্ব পায়নি। ভারতীয় গণতন্ত্রের টিকে থাকাটাই শেষ কথা নয়, কেননা, এটি স্বতই (নিজ থেকে) কোনো আশীর্বাদ হিসাবে দেখা দেয় না; উদ্দেশ্য সাধনের পথ হিসেবেই এটি সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তার প্রাপ্য প্রশংসা আমাদের অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু ভারতীয় গণতন্ত্রকে, গণমত প্রকাশের ক্ষমতা ও বিস্তৃতি এবং তার প্রকৃত সাফল্য অর্জনের নিরিখে বিচার করতে হবে। পক্ষান্তরে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বীরদর্পে মুক্ত স্বাধীন দেশে পা রেখেই বঙ্গবন্ধু আবেগ আপ্লুত হয়ে বলেছিলেন কবিগুরুর সেই বিখ্যাত উক্তি ‘সাত কোটি সন্তানেরে হে মুগ্ধ জননী রেখেছে বাঙালি করে মানুষ করনি’ সেই উক্তিই স্বাধীনতার কবি ও দার্শনিক সমবেত মুক্তিযোদ্ধাসহ সর্বস্তরের জনগণকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শুনিয়েছিলেন। ২৬ মার্চ হতে ১৬ ডিসেম্বর মাত্র ২৬৫ দিনের ব্যবধানে কী বিশাল প্রাপ্তি ও অর্জন। আনন্দ অশ্রু নিয়ে জাতির জনক বলেছিলেন কবিগুরু দেখ, ‘তোমার বাঙালি মানুষ হয়েছে, স্বাধীন হয়েছে।’ বঙ্গবন্ধুর সামনে তখন প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিল, ধ্বংসযজ্ঞ থেকে রাস্তাঘাট, সেতু পুনর্নির্মাণ, বন্দরে পুঁতে রাখা সমুদ্র মাইন অপসারণ করে বন্দরকে কার্যক্ষম করে তোলা। অর্থাৎ সম্পূর্ণ ধ্বংসের ওপর পুনর্নির্মাণ। ট্রেজারি শূন্য। না বৈদেশিক মুদ্রা, না দেশীয় অর্থ। টাকা ছাপানোর মতো নেই টাঁকশাল। চারদিকে পঙ্গু ও আহত মুক্তিযোদ্ধার আর্তচিৎকার, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা। হাসপাতাল গজ, ব্যান্ডেজ শূন্য। নেই জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। দেশ স্বাধীনের অব্যবহিত পরেই প্রথম যেই অ্যান্টিবায়োটিক পেলাম সেটা হলো অনুদান হিসেবে বুলগেরিয়ান পেনিসিলিন ইনজেকশন। সরকারি পর্যায়ে বর্বর পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক ধ্বংসস্তূপে পরিণত বাড়িঘর পুনর্নির্মাণের ইচ্ছা আছে, কিন্তু সরকারের নেই সামর্থ্য। তারপরেও অনেক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাকে সমাজতান্ত্রিক বিশ্বের ভালো ভালো জায়গায় পাঠালেন চিকিৎসার জন্য। কিছু অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞকে পূর্ব বার্লিনে পাঠিয়ে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ দিলেন। সোভিয়েত সরকারের সহায়তায় চট্টগ্রাম বন্দরের মাইন অপসারিত হলো। পাকিস্তানি নরপশু কর্তৃক অবৈধ গর্ভধারিণীদের সব রকম সহযোগিতা ও পুনর্বাসন করা হলো। সরকারকে সহযোগিতার পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের নামে ছাত্রলীগ দ্বিধাবিভক্ত হলো। ছাত্রলীগের একটা মেধাবী অংশ জাসদ হয়ে সিরাজ সিকদারের মতো গুপ্ত হত্যায় মেতে উঠল। স্বাধীন বাংলাদেশের শুরুতে এটা ছিল বঙ্গবন্ধু তথা জাতির ওপর প্রথম আঘাত। তারপরেও রাজনীতির দার্শনিক জাতির জনক ধীরস্থিরভাবে অবিচল থেকে মহানায়কের মতো এগিয়ে চললেন।

’৭৩ এর শেষ এবং ’৭৪ এর মন্দা যখন কাটিয়ে উঠলেন, রাষ্ট্র যখন উন্নতির দিকে এগিয়ে যেতে লাগল তখনই শুরু হলো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। বাঙালি এবং বাংলাদেশের প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং দুর্বলতা, তাকে কেউ নৃশংসভাবে খুন করতে পারে, এ বিশ্বাস কখনো জন্মাতে দেয়নি। শুধু মানুষ নয় একজন দার্শনিক মহামানবের বিশ্বাসভঙ্গ কত বড় পাপ তা খুনিরা কখনো বুঝবে না, কিন্তু শাস্তি ভোগ করবে।

৭৫ থেকে ৮১, ৮১ থেকে ৯০ দুই সামরিক শাসকের নির্বাচনী খেলা দেখে আন্তর্জাতিক অনেক পত্র-পত্রিকার মন্তব্য ছিল— বাংলাদেশে গণতন্ত্রের কবর হয়ে গেছে এবং বাংলাদেশ নব্য স্বাধীন দেশ হলেও পাকিস্তানের বরপুত্র হয়ে গেছে। যেমনটি ভারতের ১৯৬৭ সালের নির্বাচনের পরে দি টাইমস এর সাংবাদিক লিখেছেন। ’৮১ থেকে ’৯০ বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরশাসন নির্মূল করে দেশরত্ন শেখ হাসিনা আস্তে আস্তে যেভাবে গণতন্ত্রকে কবর থেকে তুলে এনে জনগণের গণতন্ত্রে রূপ দিলেন, তাতে করে নিঃসন্দেহে বলা যায় বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল, অস্তমিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। জয়তু: গণতন্ত্র।


লেখক : সাবেক উপাচার্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

 


বিডি-প্রতিদিন/ ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৫/ রশিদা

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন