শিরোনাম
প্রকাশ: ১৩:৩১, সোমবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৫

জঙ্গি দমনে ইসলামিক সামরিক জোট কতখানি কার্যকর হবে

মেজর জেনারেল একে মোহাম্মদ আলী শিকদার পিএসসি (অব.)
অনলাইন ভার্সন
জঙ্গি দমনে ইসলামিক সামরিক জোট কতখানি কার্যকর হবে

১৫ ডিসেম্বর হঠাত্ করে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে জানা গেল, জঙ্গি দমনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের নেতৃত্বে ৩৪টি দেশের সামরিক জোট গঠন করা হয়েছে। জোটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইসলামিক সামরিক জোট’। জোটের সদর দফতর হবে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে। নাম ইসলামিক জোট হলেও ইরানসহ শিয়া মুসলিমপ্রধান অথবা শিয়া সম্প্র্রদায়ের শাসক যেসব দেশে আছেন তাদের জোটে রাখা হয়নি। আবার উগান্ডা, গ্যাবন, বেনিন ও টঙ্গো, যেখানে মুসলমানরা সংখ্যালঘিষ্ঠ তারা এই জোটে আছেন। মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তান জোটে থাকলেও সর্বাধিক মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়া জোটে নেই, যদিও অতীতে বড় আকারের জঙ্গি আক্রমণের শিকার হয়েছে ইন্দোনেশিয়া। ২০০২ সালে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জঙ্গি হামলায় কয়েকশ লোক নিহত হয়, যার বেশিরভাগ ছিল অস্ট্রেলিয়া ও পশ্চিমা বিশ্বের নাগরিক। তাছাড়া জঙ্গি আদর্শে বিশ্বাসী ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর প্রবল উপস্থিতি রয়েছে ইন্দোনেশিয়ায়। সুতরাং ইন্দোনেশিয়া জোটের বাইরে থাকায় প্রাথমিকভাবে জোট প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

সৌদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বিবৃতির মাধ্যমে যতটুকু বোঝা গেছে তাতে জোটের প্রধান উদ্দেশ্য দুটি। এক. জঙ্গি সন্ত্রাসী সব গোষ্ঠীর অশুভ তত্পরতা থেকে ইসলামী রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষায় এ জোট গঠন করা হয়েছে। দুই. এ জোট ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, মিসর ও আফগানিস্তানে জঙ্গি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের উদ্যোগ নেবে। দুই নম্বরে উল্লিখিত উদ্দেশ্যের অর্থ দাঁড়ায় উল্লিখিত দেশসমূহে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে জোট সামরিক অভিযান চালাবে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে আদৌ কি তা সম্ভব হবে? ওই নির্দিষ্ট দেশ কি তাতে সম্মতি দেবে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দু’দুবার সিরিয়ায় সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়ে পিছু হটেছে। সৌদি আরবের ঘোষিত জোটে যোগদানকারী অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিশাম উদ্দিন হুসেন বলেছেন, জোটে মালয়েশিয়ার সামরিক সংশ্লিষ্টতা থাকবে না, তবে এটা হবে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের একটা প্রতিফলন।

হঠাত্ করে এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক জোটের ঘোষণায় বিশ্বের সব প্রান্তের পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকরা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং এর লক্ষ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। জোট গঠনে অন্য কোনো দেশের কোনো ভূমিকা ছিল বলে মনে হয় না। সৌদি আরবের একক ঘোষণার মাধ্যমেই জোট গঠিত হয়েছে। এ ধরনের জোট গঠনের প্রাক্কালে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে ব্যাপক আলোচনার প্রয়োজন হয়। আগে যে কোনো জোট গঠনের সময় তাই দেখা গেছে। জোট গঠনের প্রাক আলোচনায় জোটের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সময়সীমা, কার্যপরিধিসহ সদস্যদের দায়-দায়িত্ব নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং সবার সম্মতিক্রমে জোটের ঘোষণা আসে। কিন্তু এক্ষেত্রে তার কিছু না হওয়ায় সবকিছু গোলমেলে এবং বিভ্রান্তিকর মনে হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে প্রকাশিত তথ্যে যতটুকু জানা গেছে তাতে বোঝা যায় আইএসের বিরুদ্ধে এবং আইএসকে লক্ষ্য করেই জোটের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। গালফরিসার্স সেন্টারের বিশেষজ্ঞ মোস্তফা আলানি দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকায় এক বিশ্লেষণে বলেছেন, সৌদি আরব বুঝতে পেরেছে, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আইএস উত্থানের জন্য তাকে দায়ী করা হচ্ছে। সৌদি আরব মনে করছে, এর পাল্টা প্রচারণা হিসেবে শুধু মুখের কথায় কাজ হবে না, বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিতে হবে। এ কারণেই সৌদি আরব তড়িঘড়ি করে আইএসের বিরুদ্ধে সামরিক জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ মাইকেল স্টিফেনস এ জোট গঠনকে সামরিক অভিযানভিত্তিক কৌশল নয়, বরং এটিকে একটি রাজনৈতিক বার্তা বলে মনে করেন। অন্যদিকে সৌদি কর্তৃপক্ষ বলেছেন, জোটভুক্ত দেশগুলো নিজেদের মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে এবং প্রয়োজনে সামরিক অভিযানে সেনা পাঠাবে। পরবর্তী সময়ে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হবে। আগামীতে কি হবে সেটা দেখার বিষয়, তবে এ পর্যন্ত যা হয়েছে তার সব কিছুই সন্দেহবাদেপূর্ণ। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ৬৫টি দেশের একটি জোট আইএসের বিরুদ্ধে বিমান মিসাইল আক্রমণ চালিয়ে আকাঙ্ক্ষিত কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি। বরং আইএসের গুপ্ত আক্রমণে ক্ষতবিক্ষত হয়েছে ফ্রান্সের প্যারিস এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া। সৌদি আরব, কাতার, তিউনিসিয়া ও পাকিস্তানের শিয়া মসজিদে আক্রমণ চালিয়ে আইএস কয়েকশ নিরীহ নামাজরত মানুষকে হত্যা করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোট যেসব কারণে সফলতা পায়নি সে কারণ তো আছেই, অধিকন্তু সৌদি জোটের জন্য আরও অতিরিক্ত কারণ রয়েছে, যার জন্য নতুন করে গঠিত ইসলামী সামরিক জোটের কার্যকারিতা নিয়ে সবার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। তাই কারণগুলোর ওপর সংক্ষিপ্তভাবে নজর দেওয়া থাক।

এক. সদস্য দেশের তালিকা দেখে মনে হচ্ছে এটা আইএসবিরোধী নয়, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক শিয়াবিরোধী জোট। আইএসের এক নম্বর শত্রু হলো শিয়া সম্প্রদায়। সে কারণে শিয়াপ্রধান রাষ্ট্রের জন্য আইএসকে পরাজিত করা এখন অপরিহার্য। তাই নতুন জোটের লক্ষ্য যদি হয় আইএস দমন, তাহলে ইরানসহ অন্য শিয়াপ্রধান দেশ ও সম্প্রদায়কে জোটে অন্তর্ভুক্ত করা যুক্তিসঙ্গত ছিল এবং তাতে জোট আরও শক্তিশালী হতো। কিন্তু এখানে উল্টো কাজ হওয়ায় বরং ইরানের নেতৃত্বে শিয়া এবং সৌদি আরবের নেতৃত্বে সুন্নি দ্বন্দ্ব আগামীতে আরও প্রকট ও জটিল আকার ধারণ করবে। তাতে আইএস দমন আরও প্রলম্বিত ও বাধাগ্রস্ত হবে।

দুই . গত চার বছর যাবত্ সৌদি আরবসহ মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদকে উত্খাত ও আইএস দমন, এক ঢিলে দুই পাখি মারার কৌশলে কোনোদিকেই সাফল্য পায়নি। তাতে বরং আইএস আরও শক্তিশালী হয়েছে, তাদের বিস্তার ঘটেছে। আসাদের পক্ষে এখন সরাসরি যুদ্ধে নেমেছে রাশিয়া। আর ইরান ও লেবাননের শক্তিশালী মিলিশিয়া গ্রুপ হিজবুল্লাহ তো শুরু থেকে আসাদের পক্ষে আছে। সুতরাং মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তিমূলক নতুন জোট সামরিকভাবে নতুন কোনো সাফল্যের দিক উন্মোচন করতে পারবে না। এতে বরং মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমা বিশ্বের দূরভিসন্ধি বাস্তবায়নের পথ সুগম করবে।

তিন. সৌদি আরব গত কয়েক মাস ধরে ইয়েমেনে শিয়া-সুন্নি গৃহযুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে ঘর্মাক্ত হচ্ছে, এতে তারা তেমন কোনো সাফল্য পায়নি। বরং প্রতিদিন বেসামরিক মানুষের হতাহতের সংখ্যা বেড়েই চলছে। সিরিয়া থেকে ইয়েমেন সংকটের জটিলতা অনেক কম হওয়া সত্ত্বেও সেখানে সর্বাত্মক সামরিক অভিযানের ঝুঁকি সৌদি আরব নিতে পারছে না। সিরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেশি। সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠেছে এ সময়ে বড় শত্রু কারা, শিয়া নাকি আইএস।

চার. ইসলামিক সামরিক জোটে শক্তিশালী সদস্য হিসেবে আছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। এ দুটি দেশের সরকার জঙ্গি উত্থান ও বিস্তারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। প্যান ইসলামইজম মতবাদের আওতায় মুজাহিদ ও জিহাদি তৈরির নামে প্রশিক্ষণ প্রদান, অর্থ সরবরাহসহ বিশ্বের সব প্রান্তের জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান। গত শতকের আশির দশকের শুরুতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের তত্ত্বাবধানে জন্ম হয় আল কায়েদা, তালেবান এবং অন্যান্য বহু নামের জঙ্গি সংগঠনের। তুরস্কের বর্তমান ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট তায়েফ এরদোগানের জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি আদর্শগতভাবে মিসরের ব্রাদারহুডের অনুসারী। অন্যদিকে আইএস-আল কায়েদা ও ব্রাদারহুডের অফসুট বা উপশাখা। এদের সবার গোড়া হলো ওয়াহাবিতন্ত্র, যার প্রবর্তন করেন সৌদি আরবের নেজাদবাসী মুহম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব (১৭০৩-১৭৯২)।

দেশ ও অঞ্চলভেদে এদের ক্ষমতায় যাওয়ার কৌশল ভিন্ন ভিন্ন। এরদোগানের দল কট্টর ওয়াহাবিতন্ত্রের অনুসারী হলেও তুরস্কের সেনাবাহিনীর অতন্দ্র প্রহরার কারণে এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে তায়েফ এরদোগান সবার সঙ্গে আপস করে চলছেন। যার কারণে তিন মেয়াদে তারা ক্ষমতায় আছে, নইলে বহু আগেই মিসরের ব্রাদারহুড নেতা মুহম্মদ মুরসির ভাগ্যবরণ করতে হতো তুরস্কের এরদোগানকে। তুরস্কের এরদোগান সরকারের বাইরে এক আর অন্তরে অন্যরকম হওয়ার কারণে প্রথম তিন বছর তুরস্ক নানা অজুহাতে আইএসের বিরুদ্ধে কোনো অ্যাকশনে যায়নি। বরং পুরো ইউরোপ, আমেরিকা ও অন্যান্য দেশের যোদ্ধারা তুরস্ক হয়ে বিনাবাধায় আইএস বাহিনীতে যোগ দিয়েছে। তুরস্ক বাধা দিলে এত বিদেশি যোদ্ধা আইএস বাহিনীতে যোগ দিতে পারত না। এখন শেষ দিকে ২০১৫ সালে এসে তুরস্ক বাহ্যিকভাবে আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেও বাস্তবে তাদের টার্গেট হচ্ছে উত্তর ইরাক-সিরিয়ার কুর্দি বাহিনী, যারা প্রকৃতপক্ষে সাফল্যের সঙ্গে যুদ্ধ করছে আইএসের বিরুদ্ধে। সুতরাং প্রকারান্তরে তুরস্কের অভিযানে সুবিধা পাচ্ছে আইএস। এহেন তুরস্ক নতুন ঘোষিত ইসলামিক সামরিক জোটের সদস্য হওয়ায় জোটের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সামরিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। এ পর্যন্ত যতটুকু জানা গেছে, তাতে নবগঠিত জোটকে সামরিক জোট বলা হলেও সদস্যভুক্ত দেশগুলোর সামরিক বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা কতখানি থাকবে তা এখনো পরিষ্কার নয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে যতটুকু জানা গেছে তাতে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী আপাতত জোটের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত হবে না। গোয়েন্দা তথ্য, জঙ্গিদের আন্তদেশীয় চলাচল সম্পর্কিত তথ্য আদান-প্রদান এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতা।

যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও তুরস্কের রাজনৈতিক অবস্থান এবং ভূমিকার অস্পষ্টতার কারণে আইএসকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দিন দিন জটিল আকার ধারণ করছে। ইরানকে কাবু করাসহ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করাই যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হওয়ার কারণে আইএস দমন তাদের কাছে সব সময়ই গৌণ হয়ে থাকছে। সৌদি আরবের বেলায়ও একই কথা প্রযোজ্য। আর তুরস্কের বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের আদর্শ এবং আইএসের আদর্শ এক ও অভিন্ন। অনেকেই মনে করছেন নতুন ইসলামিক সামরিক জোটের লক্ষ্য ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের শিয়াদের বিরুদ্ধে এক ধরনের রাজনৈতিক কূটনৈতিক চাপ ব্যতিরেকে অন্য কিছু নয়।

মধ্যপ্রাচ্যের আরব ভূখণ্ডে আইএসের ধ্বংসযজ্ঞ এবং বর্বরতা চলছে প্রায় দুই তিন বছর ধরে। কিন্তু আরব দেশসমূহের জোট আরব লীগ এ পর্যন্ত সংকটের সমাধানে একটি উদ্যোগও নেয়নি বা নিতে পারেনি। সব মুসলমান দেশের সংস্থা ওআইসি একেবারে নীরব ও নিস্তব্ধ। এ দুটি সংস্থা যেসব কারণে অকার্যকর হয়ে আছে সেগুলোর সমাধান ব্যতিরেকে মুসলমান দেশসমূহের নতুন কোনো জোট আদৌ কার্যকর হতে পারবে কিনা সে প্রশ্ন সঙ্গত কারণেই উঠেছে। প্রশ্ন উঠেছে এ জোট কি মুসলমান রাষ্ট্রসমূহকে ঐক্যবদ্ধ করবে, নাকি বিভাজনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেবে। আইএস, আল কায়েদা ধর্মান্ধ জঙ্গি দমনই যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে সবাই এককাতারে আসতে পারছে না কেন? এ প্রশ্নের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত যে জোটই করা হোক না কেন তা খুব একটা কার্যকর হবে বলে মনে হয় না।

     লেখক : কলামিস্ট ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক।

           ই-মেইল : [email protected]

এই বিভাগের আরও খবর
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
নির্বাচন হবে কী হবে না
নির্বাচন হবে কী হবে না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
বৈষম্য থাকলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয় না
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
অপশক্তি রুখতে হবে যে কোনো মূল্যে
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
ফ্যাসিস্ট আমলে গণমাধ্যম, বর্তমান অবস্থা : জনগণের প্রত্যাশা
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
রমরমা মাদক কারবার তারুণ্যের মহাসর্বনাশ
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে অযৌক্তিক সমালোচনা
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
নির্বাচন হোক সংশয়মুক্ত
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
সাংবাদিক বিভুরঞ্জনের খোলা চিঠি
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
এক বছরে কতটা এগোল বাংলাদেশ?
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
ক্ষমতার বৈপ্লবিক রূপান্তর ভিন্ন মুক্তি নেই
সর্বশেষ খবর
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন
সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট করে হাঁটুন

৫৯ মিনিট আগে | জীবন ধারা

শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়
শেষ ওভারে মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কার নাটকীয় জয়

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে
ফেসবুকে বিরক্তিকর ফ্রেন্ড সাজেশন বন্ধ করবেন যেভাবে

২ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫
সিরাজগঞ্জে দুই নৌকার সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

৩ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য
দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে সৃষ্ট সহিংস পরিস্থিতি নিয়ে আইএসপিআরের বক্তব্য

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ
শনিবার সারা দেশে বিক্ষোভ করবে গণঅধিকার পরিষদ, ঢাকায় সমাবেশ

৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব
নুরের ওপর হামলার ঘটনা তদন্ত করা হবে : প্রেস সচিব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি
নুরুল হক নুর ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন
পুরুষতান্ত্রিকতায় দুর্বিষহ নারীজীবন

৬ ঘণ্টা আগে | মুক্তমঞ্চ

গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত
গোপালগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ২ ভাই নিহত

৬ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত
চলন্ত নাগরদোলা ভেঙে ছিটকে পড়ে ৩ শিশু-কিশোর আহত

৭ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান
গুম বন্ধে আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুযায়ী আইন করবে বিএনপি : তারেক রহমান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে নতুন নিয়ম: ফাইল  কম্পিউটারে নয়, স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্লাউডে সেভ হবে

৮ ঘণ্টা আগে | টেক ওয়ার্ল্ড

বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা
বিএনপি ছাড়া কিছু রাজনৈতিক দল চাইছে নির্বাচন পেছাতে : রুমিন ফারহানা

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০
গোবিন্দগঞ্জে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ আহত ১০

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল
গাজায় নিহতের সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়াল

৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা
খাগড়াছড়িতে উদ্বোধন হল মাসব্যাপী তাঁত বস্ত্র প্রদর্শনী ও কুটিরশিল্প মেলা

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত
ছাত্রশিবিরের আয়োজনে ১৩তম ইয়ুথ সামিট অনুষ্ঠিত

৯ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি
সুইয়ের ছিদ্রে উট ঢোকানোর চেয়েও কঠিন হাসিনার রাজনীতিতে ফেরা: রনি

৯ ঘণ্টা আগে | টক শো

ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে
ফেনীর সীমান্ত এলাকায় বাঘের দেখা, আতঙ্ক জনমনে

৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত
চট্টগ্রামের উন্নয়নে সিটির সীমানা বৃদ্ধি প্রয়োজন : মেয়র শাহাদাত

৯ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
ভারত চ্যাম্পিয়ন, সাফ শিরোপা স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ
কলমাকান্দায় জব্দ দুই নৌকার বালু ফেলা হলো বিলে, কৃষকদের ক্ষোভ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির কাছে ১৫ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ
ভালো কাজে স্বীকৃতি পেলেন ফটিকছড়ি থানার ওসি নূর আহমদ

১০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা
বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন প্রধান উপদেষ্টা

১০ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর
দীপিকাকে খুশি রাখতে যা করেন রণবীর

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর
সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা ভারতীয় নারীর

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে
‘দুই বাচ্চার মা’ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ শুভশ্রী, পাল্টা জবাব দেবকে

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’
‘জামায়াতের সঙ্গে ড. ইউনূসের রাতের যোগাযোগ আছে, প্র্যাক্টিক্যালি তারাই দেশ চালাচ্ছে’

১৩ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত: বিবিসি

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি
ভারতের মতো বাকিদেরও একই পরিণতি হবে, মার্কিন সিনেটরের কড়া হুঁশিয়ারি

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কারাগারে

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান
রাকসু ইতিহাসে প্রথম নারী ভিপি প্রার্থী তাসিন খান

৮ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক
আমেরিকার ৯০০ স্থানে বিক্ষোভের ডাক

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা
নবজাতককে ফেলে পালালেন মা, বিপাকে বাবা

১১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ
মাদরাসার জন্য জরুরি নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

১৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার
লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার

২২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে
ইসরায়েলি হামলায় হুথি প্রধানমন্ত্রী নিহত, দাবি রিপোর্টে

১৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার
নারায়ণগঞ্জ আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে বিএনপি প্যানেলের জয়জয়কার

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা
কর্মকর্তার বিদায়ে হাউমাউ করে কাঁদলেন কর্মচারীরা

২০ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি
ইরানের হয়ে ইউরোপকে চীন-রাশিয়ার হুঁশিয়ারি

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও
শুটিং সেটে আয়ুষ্মান-সারার ঝগড়া, মারামারিতে জড়ালেন কলাকুশলীরাও

১৮ ঘণ্টা আগে | শোবিজ

অবসরে যাচ্ছেন মেসি?
অবসরে যাচ্ছেন মেসি?

১৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি
ইরানের পাল হামলায় ইসরায়েলের বহু-বিলিয়ন শেকেল ক্ষতি

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান
ইসলাম ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ: আরএসএস প্রধান

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো
‘কোনোভাবেই’ মার্কিন সৈন্যরা ভেনেজুয়েলায় আক্রমণ করতে পারে না : মাদুরো

১৪ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার
বগুড়ায় হানি ট্র্যাপ চক্রের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি আরও বাড়াচ্ছে ভারত

১৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক
ষড়যন্ত্র করে লাভ নেই, ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে : জয়নুল আবদিন ফারুক

১৫ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)
একনজরে আজকের বাংলাদেশ প্রতিদিন (২৯ আগস্ট)

২৩ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ
ফ্রান্স থেকে ১২৮ বছর পর ফেরত আসছে মাদাগাস্কারের রাজার দেহাবশেষ

১৩ ঘণ্টা আগে | পাঁচফোড়ন

বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান
বসনিয়ার রাভনো মসজিদে ৮৫ বছর পর আজান

২১ ঘণ্টা আগে | ইসলামী জীবন

হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন
হাফ-সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে রিশাদ-সাইফুদ্দিন

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল
যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্ক, পাল্টা পদক্ষেপ নিচ্ছে ব্রাজিল

১৯ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা
শ্রীপুরে পুলিশের ওপর কয়েক দফা হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল দুর্বৃত্তরা

২০ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র
জাতীয় পার্টি-গণঅধিকার পরিষদ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র

প্রথম পৃষ্ঠা

শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ
শিক্ষার্থী পাচ্ছে না দুর্বল মেডিকেল কলেজ

পেছনের পৃষ্ঠা

কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল
কোকেন বাণিজ্যে রাঘববোয়াল

প্রথম পৃষ্ঠা

দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা
দিনাজপুরে বিদেশি ফল চাষে সফলতা

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে
রোহিঙ্গা বাড়ছে ব্যাপকহারে

পেছনের পৃষ্ঠা

মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন
মরুর দুম্বা বাংলাদেশে পালন

শনিবারের সকাল

বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই
বিদেশে ছাপা হবে ৬০০ কোটি টাকার পাঠ্যবই

প্রথম পৃষ্ঠা

সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে
সবজি থেকে মাছ সবই নাগালের বাইরে

নগর জীবন

বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত
বিএনপির দুই নেতা মনোনয়ন দৌড়ে, জামায়াতের চূড়ান্ত

নগর জীবন

বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির
বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়বেন জেলা আমির

নগর জীবন

পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ
পানির সংকটে ৫ লাখ মানুষ

নগর জীবন

জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!
জেলে থেকে ফেসবুকে নির্বাচনি প্রচার!

পেছনের পৃষ্ঠা

ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ
ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল পণ্যের মার্কেটে বাংলাদেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য
শিল্পীর তুলিতে ঢাকার ঐতিহ্য

পেছনের পৃষ্ঠা

চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি
চলচ্চিত্রের সাদা কালো যুগ : গানেই হিট ছবি

শোবিজ

অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের
অনেক প্রত্যাশা শিক্ষার্থীদের

প্রথম পৃষ্ঠা

নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স
নেদারল্যান্ডসকে ছোট করে দেখছেন না সিমন্স

মাঠে ময়দানে

মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী
মোবাইলকাণ্ডে বরখাস্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

থামছেই না নারী পাচার
থামছেই না নারী পাচার

পেছনের পৃষ্ঠা

বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
বিএনপির দুই নেতা-কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

প্রথম পৃষ্ঠা

আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন
আজ চালু হচ্ছে সাত ইন্টারসেকশন

পেছনের পৃষ্ঠা

হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭
হানি ট্র্যাপে ফেলে চাঁদা দাবি, তিন নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

পেছনের পৃষ্ঠা

কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ
কনটেইনারজট কমাতে নিলামের নির্দেশ

পেছনের পৃষ্ঠা

ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক
ফেনীতে লোকালয়ে বাঘ, আতঙ্ক

পেছনের পৃষ্ঠা

ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস
ফ্লাইওভার ব্যবহার করতে পারবে দক্ষিণবঙ্গের বাস

পেছনের পৃষ্ঠা

খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না
খারাপ মানুষকে সংসদে পাঠাবেন না

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি
প্রতিরোধে সোচ্চার সবাই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে ফাঁসি

প্রথম পৃষ্ঠা

নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ
নির্বাচনের অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

সম্পাদকীয়

পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়
পারিবারিক দ্বন্দ্বে আহত যুবকও ‘জুলাই যোদ্ধার’ তালিকায়

নগর জীবন