শিরোনাম
প্রকাশ : ১৬ মার্চ, ২০১৯ ১৬:০০

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাফল্যের কাহন

হাসিনা আকতার নিগার

বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাফল্যের কাহন

হাঁটি হাঁটি পা পা করে 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' ১০ বছর পূর্ণ করলো। সংবাদ জগতে নবধারা সৃষ্টিকারী এ পত্রিকার জন্য রইল অফুরন্ত শুভেচ্ছা। 

সময়ের কাঁটাতে ১০ বছর অনেকটা সময় হলেও মনে হয় এই তো সেদিন বাজারে এসে সাড়া জাগিয়েছিল বাংলাদেশ প্রতিদিন।

বসুন্ধরা গ্রুপের গণমাধ্যম জগতে আত্মপ্রকাশ নিয়ে প্রত্যাশাও ছিল অনেক বেশি। আর সে প্রত্যাশাকে কর্পোরেট জগতের সমাদৃত প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা পূরণ করে যাচ্ছে শতভাগ। প্রিন্ট ও অনলাইন, ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে নিজেদের সফলতাকে প্রমাণ করে দিয়েছে নান্দনিকভাবে।    

একটা সময়ে পাঠক মূল্যমানের কারণে পত্রিকা কিনে পড়ার মানসিকতা হারাচ্ছিল। তখন মাত্র ২ টাকা মূল্যে সংবাদপত্র 'বাংলাদেশ প্রতিদিন' বাজারে নিয়ে আসে বসুন্ধরার ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেড। নামমাত্র মূল্যে দেশের মানুষকে নিত্য দিনের খবর পৌঁছে দিতে এমন উদ্যোগ ব্যবসায়িকভাবে অতি মাত্রার সাহকিতার কাজ- তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১০ বছর আগে পাঠক হিসেবে অনেকেই হতবাক হয়েছে বিষয়টি দেখে। এর পিছনে যারা শ্রম দিয়েছে আজ হয়তো আজ তারা পাঠকদের ভালোবাসাতে নিজের সার্থকতার আনন্দটা অনুভব করতে পারে।

'আমরা জনগণের পক্ষে'- এ শ্লোগানকে সামনে নিয়ে যে মানুষটি বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার কাণ্ডারি-  তিনি হলেন সাংবাদিক 'নঈম নিজাম'। এ মানুষটির তুলনা বোধ করি কোন কিছুর সাথে করা সম্ভব নয়। কারণ উনার তুলনা উনি নিজেই। সংবাদ জগতে চমক দেবার মত নব সৃষ্টির ইতিহাস উনার জীবনে যদিও নতুন কিছু নয়।

মেধা আর প্রজ্ঞা দিয়ে যেমন তিনি লেখনীতে অল্প কথায় অনেক কিছু বলে দেন। তেমনিভাবে অত্যন্ত সুনিপুণভাবে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে প্রতিষ্ঠান তৈরিতে রয়েছে তার নিরলস প্রচেষ্টা। এটিএন বাংলা, বাংলাদেশ প্রতিদিন, নিউজ ২৪ এর সাথে জুড়ে আছে 'সাংবাদিক নঈম নিজাম' নামটি।

বিশাল পরিসর কিংবা বাহুল্যতাকে পরিহার করে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে পাঠকের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ধরে রাখে নিত্যদিনের কাজ। আর এ কাজটি করতে হলে একজন সম্পাদককে কতটা শ্রম দিতে হয় তা কেবল জানে সংবাদ জগতের মানুষরা।  

সাধারণ মানুষরা হয়ত বা মনে করে একজন বিত্তশালী চাইলেই পত্রিকা বের করতে পারে। কিন্তু ধারনাটি সম্পূর্ণ ঠিক না। একটি পত্রিকার জন্ম দিতে সবার আগে প্রয়োজন একজন প্রজ্ঞাবান সম্পাদক। যিনি পাঠকের চাহিদাকে চিন্তাতে রেখে সাজিয়ে তুলেন পত্রিকার পাতা।
 
আর বর্তমান সময়ে সংবাদ জগতে প্রতি মুহূর্তের খবর মানুষ পায় অনলাইন, সামাজিক ও চ্যানেলের মাধ্যমে। বলতে গেলে সকালে হকারের দেয়া পেপারটি হয়ে যায় বাসি খবর। চ্যালেঞ্জিং এ সময়ে বাংলাদেশ প্রতিদিন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশে প্রকাশিত হচ্ছে। এমন প্রকাশনায় দাপটের সাথে কাজের প্রতি নিষ্ঠা থাকার জন্য বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক সাংবাদিক নঈম নিজামকে স্যালুট ।  

বাংলাদেশ প্রতিদিনের ১০ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিক নঈম নিজামের সাফল্যের কিঞ্চিৎ লেখা দুঃসাহসিক একটা বিষয়। তবু লেখালেখির জগতে যারা আছে আমার মতো তাদেরও হয়ত মনে হয় সাংবাদিক নঈম নিজামের থেকে অনেক কিছু শিক্ষনীয় আছে আমাদের। সে সাথে এটাও বলবো যারা তার সান্নিধ্যে থেকে কাজ শেখার সুযোগ পেয়েছে তারা সত্যি সৌভাগ্যবান। 

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সম্পাদক নঈম নিজাম ও প্রতিদিনের পরিবারের কাছে প্রত্যাশা
'জনগণের পক্ষে 
বাংলাদেশ প্রতিদিন পরিবার
বলবে কথা কলমে
নিত্যদিন।'

লেখক - কলামিস্ট

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা 


আপনার মন্তব্য