শিরোনাম
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল, ২০২০ ১৬:০৬

অনেক কৃষক একবেলা খেয়ে দিন পার করছেন

রবিউল ইসলাম

অনেক কৃষক একবেলা খেয়ে দিন পার করছেন
প্রতীকী ছবি

বর্তমানে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়া এক আতঙ্কের নাম করোনাভাইরাস। মহামারী করোনাভাইরাস যা প্রায় বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। লাখ লাখ কলকারখানা, স্কুল-কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়, অফিস-আদালত এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান করোনাভাইরাসের কারণে বন্ধ থাকায় আক্রান্ত দেশের অর্থনীতির চাকা অচল হওয়ার পথে। 

করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়নি কোন দেশ। অনেক দেশের বিভিন্ন সংস্থা দিনরাত পরিশ্রম করে ওষুধ বের করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এখনো কেউ সফল হতে পারেনি। বাংলাদেশে এই মহামারি ভাইরাস এর সময় ছোট বড় অনেক ঘটনা ঘটে গেছে। যেমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় লুডু খেলা নিয়ে ২ পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষসহ আরও কিছু ঘটনা ঘটেছে। 

এদিকে, অনেক ফ্যামিলিতে খাবারের অভাব, অনেকের চাকরি করতেন কিন্তু এখন সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে বেতন পাচ্ছেন না, অনেক কৃষক একবেলা খেয়ে দিন পার করছেন। সামনের দিনগুলো কীভাবে পার করবেন তার কোনো নিশ্চয়তা তাদের নেই। এদেশের অনেক হতদরিদ্র পরিবার আছে, যাদের  কাছে পৌঁছেনি সরকারের কাছ থেকে অথবা ধনী ব্যক্তির কাছ থেকে কোন ত্রাণসামগ্রী। আসলে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি অসহায় পরিবারকে যদি এক মাসের খাবার দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়, তাহলে এই মহামারী করোনা থেকে খুব দ্রুত আমরা মুক্তি পাবো। 

সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তা অনেক দেরিতে নিয়েছে। যার ফলে দেশের অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। সরকার যদি ১৪৪ ধারা জারির মতো কঠোর প্রদক্ষেপ না নেই, তাহলে দেশের জন্য আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে।

এই ভাইরাসের ওষুধ যেহেতু এখনো বাজারে আসেনি তাই আমাদের কিছু বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।

কিছু উল্লেখযোগ্য ঘটনা হলো, সরকারের ত্রাণের জন্য রাস্তা অবরোধ এবং মানববন্ধন করার মতো ঘটনা ঘটছে। এটিই সত্যিই অত্যন্ত দুঃখজনক।

পরিশেষে বলবো, সবাই সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদ স্থানে থাকবেন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক।

লেখক : দৃষ্টিহীন ছাত্র, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য