শিরোনাম
প্রকাশ : শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২২:৫৯

উইকেটে গতির সঙ্গে থাকছে বাউন্সও

ক্রীড়া প্রতিবেদক

উইকেটে গতির সঙ্গে থাকছে বাউন্সও

মিরপুরের সর্বশেষ দুই টেস্টেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে ২১৮ রানে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ইনিংস ও ১৮৪ রানে হারানোর নায়ক ছিলেন স্পিনাররা। দুই টেস্টের ৪০ উইকেটের ৩৫টির শিকারিই ছিলেন সাকিব, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুলরা। মিরপুরে আজ ২০ নম্বর টেস্টে ষষ্ঠ জয়ের সন্ধানে খেলবে বাংলাদেশ। টানা তিন জয় পেতে কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ও অধিনায়ক মুমিনুল হক কি স্পিননির্ভর উইকেট সাজাবেন? পরিষ্কার নয়। আগের দুই টেস্টের নায়ক সাকিব ও মিরাজ খেলছেন না। তাদের অনুপস্থিতিতে পরিবর্তন আসছে একাদশে। আজ হয়তো একাদশে দুই স্পিনার তাইজুল ও নাঈমের সঙ্গে দেখা যেতে পারে দুই পেসার আবু জায়েদ রাহী এবং তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনের যে কোনো একজনকে। দুই পেসারের অন্তর্ভুক্তিই ইঙ্গিত দিচ্ছে, উইকেটে বাড়তি বাউন্স ও গতি থাকবে।

২০০৭ সালে মিরপুরের টেস্ট অভিষেক। সর্বশেষ টেস্ট ২০১৮ সালে। এখানে টাইগারদের জয় ৫টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টটি টাইগাররা জিতেছিল ইনিংস ও ১৮৪ রানে। এছাড়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি, ৩ উইকেটে ও ২১৮ রানে এবং ইংল্যান্ডকে ১০৮ রানে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২০ রানে জয়। এই মাঠে পেসারদের তুলনায় স্পিনারদের সাফল্যই বেশি। সর্বোচ্চ তিন উইকেট শিকারিই স্পিনার। ১৭ টেস্টে সাকিব ৬৩ উইকেট, মিরাজ ৫ টেস্টে ৩৯ উইকেট এবং তাইজুল ৭ ম্যাচে ৩৮ উইকেট শিকার করেছেন। চার নম্বরে ভারতীয় পেসার জহির খানের উইকেট ২ টেস্টে ১৭ উইকেট। ইনিংসে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং পারফরম্যান্স তাইজুলের ৩৯ রানে ৮ উইকেট। এসব পরিসংখ্যানই স্পষ্ট করে দেয়, মিরপুরে স্পিনাররাই বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন। কিন্তু এপ্রিলে করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি নিতেই পেসারদের সহায়ক বাউন্স ও গতিশীল উইকেট বানিয়েছেন কিউরেটর গামিনি।


আপনার মন্তব্য