শিরোনাম
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২৩:০৬

সাদা বলে দুই দলের দ্বৈরথ

সাদা বলে দুই দলের দ্বৈরথ

সাদা বলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রিয় প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে। এই দলটির বিরুদ্ধে টাইগাররা এ পর্যন্ত মোট ৭২ ম্যাচ খেলেছে। তার মধ্যে জয় ৪৪ এবং হার ২৮টি। আবারও দুই দল তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে সিলেটে মুখোমুখি হচ্ছে। দুই দলের লড়াইয়ের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিয়েই এই প্রতিবেদন। লিখেছেন - মেজবাহ্-উল-হক

 

সাকিবের সর্বোচ্চ রান ১৪০৪

দুই দলের দ্বৈরথে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। ৪৫ ওয়ানডেতে তিনি করেছেন ১৪০৪ রান। গড় ৪০.১১। সাকিব ৮৬.৯৮ স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করে তিনটি সেঞ্চুরি ও সাতটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। তবে নিষেধাজ্ঞার কারণে বাংলাদেশের এই সেরা তারকা এই সিরিজে খেলতে পারছেন না। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলরের। ৫০ ম্যাচে তিনি করেছেন ১৩৭৭ রান।

 

সাকিব-নাফিসের ৩ সেঞ্চুরি

সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি শাহরিয়ার নাফিস ও সাকিব আল হাসানের। বাংলাদেশের দুই ব্যাটসম্যানই তিনটি করে সেঞ্চুরি করেছেন। এছাড়া দুটি করে সেঞ্চুরি আছে মুশফিকুর রহিম, ইমরুল কায়েস ও ব্রেন্ডন টেলরের।

 

উইকেট শিকারেও সেরা সাকিব ৭৪

ব্যাট হাতে যেমন সেরা সাকিব, তেমনি বল হাতেও তিনিই সেরা! ৪৫ ম্যাচে বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার নিয়েছেন ৭৪ উইকেট। তার সেরা বোলিং ৪৭ রানে ৫ উইকেট। গড় ২১.১০। জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সাকিবের ইকোনোমি রেটও দুর্দান্ত। ওভারপ্রতি ৩.৯৩।

 

শাহরিয়ার নাফিসের গড় ৫৫.৫০

প্রতিপক্ষ হিসেবে জিম্বাবুয়েকে যেন একটু বেশিই পছন্দ করতেন শাহরিয়ার নাফিস। তাই মাত্র ১৭ ম্যাচ খেলে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ৩টি সেঞ্চুরি ও ৩টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। তার গড় ছিল ৫৫.৫০। দুই দলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দ্বৈরথে তার গড়ই সবচেয়ে বেশি।

 

জুটিতে ইমরুল-সৌম্যর ২২০

২০১৮ সালে চট্টগ্রামে ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকার মিলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে করেছিলেন ২২০ রান। এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি শাহরিয়ার হোসেন ও মেহেরাব হোসেনের ১৭০ রান, ১৯৯৯ সালে।

 

এক সিরিজে বেশি রান ইমরুলের ৩৪৯

এক সিরিজে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন বাংলাদেশের ইমরুল কায়েস। তিন ম্যাচের সিরিজে তিনি করেছিলেন ৩৪৯ রান। ওই সিরিজে ইমরুলের গড় ছিল ১১৬.৩৩। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তামিম ইকবালের। ৫ ম্যাচের সিরিজে তিনি করেছিলেন ৩০০ রান।

 

৬/২০ সেরা বোলিং ব্রায়ান স্ট্রাংয়ের 

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাত্র ২০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ব্রায়ান স্ট্রাং। ১৯৯৭ সালে কেনিয়ার নাইরোবিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এই রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। দুই দলের দ্বৈরথে আর কোনো বোলার ৬ উইকেট নিতে পারেননি। তবে ৫টি করে উইকেট নিয়েছেন আবদুর রাজ্জাক রাজ (৩ বার), ব্রায়ান ভেটরি (২ বার), সাকিব আল হাসান, জিয়াউর রহমান, মুস্তাফিজুর রহমান।

 

বাজে বোলিং মাহবুবুলের

সবচেয়ে বাজে বোলিং ফিগার হচ্ছে বাংলাদেশের মাহবুবুল আলমের। ২০০৯ সালে ৯ ওভারে দিয়েছিলেন ৮৪ রান। এছাড়া মোহাম্মদ রফিক একবার ১০ ওভারে দিয়েছিলেন ৮২ রান।

 

মুশফিকের ৬৩ ডিসমিশাল

সবচেয়ে বেশি ৬৩টি ডিসমিশাল করেছেন বাংলাদেশের মুশফিকুর রহিম, ৪৬ ম্যাচে। তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেও জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক ব্রেন্ডন টেলরের বল তালুবন্দী করেছেন ৪৩ বার। তিনি খেলেছেন ৫০ ম্যাচ। তৃতীয় স্থান রয়েছেন খালেদ মাসুদ পাইলট, ৩৬টি ডিসমিশাল।

কভেন্ট্রির অপরাজিত ১৯৪

২০০৯ সালের ১৬ আগস্ট বুলাওয়েতে ১৯৪ রানের হার না মানা এক ইনিংস খেলেছেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যান চার্লস কভেন্ট্রি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তামিম ইকবালের ১৫৪। সেই একই ম্যাচে ড্যাসিং ওপেনার খেলেছিলেন ইনিংসটি। তবে সেই কভেন্ট্রির এখন জিম্বাবুয়ে দলের হারিয়ে যাওয়া নাম, কিন্তু তামিম এখনো খেলছেন। তৃতীয় সর্বোচ্চ ইমরুল কায়েসের ১৪৪। ঘরের মাঠে ২০১৮ সালে অসাধারণ এই ইনিংসটি খেলেছিলেন ইমরুল।

 

০-তে সেরা টেলর!

দুই দলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ‘ডাক’ (০ রান) মারার রেকর্ডে উপরের দিকের তালিকায় সব জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানদের নাম। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ৫ বার ০ রানে আউট হয়েছেন ব্রেন্ডন টেলর। এছাড়া ৪ বার করে ডাক মারার রেকর্ড আছে জিম্বাবুয়ের তিন ব্যাটসম্যান তাতেন্ডা তাইবু, প্রোস্পার উতসেয়া ও এল্টন জিগুম্বুরা।

 


আপনার মন্তব্য