শিরোনাম
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ টা
আপলোড : ২০ জানুয়ারি, ২০২০ ২২:০৩

আচরণবিধি কি লঙ্ঘনের জন্য!

গোলাম রাব্বানী

আচরণবিধি কি লঙ্ঘনের জন্য!

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির ভোটের বাকি আর দেড় সপ্তাহ। চলছে জমজমাট প্রচার-প্রচারণা। এ ছাড়া রাতের আঁধারে পোস্টার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠছে দল সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। পোস্টার, ব্যানার, প্রচারণা ও মাইকিংয়ের ক্ষেত্রে কেউ আচরণবিধি মানছে না। প্রতিদিনই আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আসছে ইসিতে। এ নিয়ে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ায় ‘ঘাটতি’ রয়েছে বলে মনে করছেন ইসির কর্মকর্তারাও। সেই সঙ্গে ভোট নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগও করছেন মেয়র প্রার্থীরা। নির্বাচন বিশ্লেষকদের মতে, আচরণবিধি লঙ্ঘন চলছে। আচরণবিধি দেখার কেউ নেই। ইসির কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান হচ্ছে না। তাদের প্রশ্ন, আচরণবিধি কজনে মানছেন? প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় কে? সাদা রঙের পোস্টার না দিয়ে রঙিন পোস্টার কেন? দেওয়ালে কেন পোস্টার? কাউন্সিলরের পোস্টারে দলীয় প্রধানের ছবি কেন? রাস্তাঘাট বন্ধ করে সভা-মিছিল করছেন কেন? সিটি নির্বাচনের প্রচারে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি। এ বিষয়ে সিইসির কাছে চিঠি দিয়েছে দলটি। এদিকে একজন নির্বাচন কমিশনার আচরণবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশও করেছেন। সিইসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছেন তিনি। দুই সিটির সহকারী রিটার্নিং অফিসাররাও বলছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচার চলছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও ব্যবহার করছেন প্রার্থীরা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাইকিং হচ্ছে। রঙিন পোস্টার ঝুলছে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে। মেয়র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকরা প্রার্থীর ছবি ও প্রতীক সংবলিত টি-শার্ট পরছেন। এসবই আচরণবিধির লঙ্ঘন। আচরণবিধি দেখার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনাদের ব্যর্থতাই আমাদের ব্যর্থতা। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ কর্মকর্তারা যদি একটু একসঙ্গে মুভ করেন, তাইলেই আচরণবিধি ভঙ্গের পরিমাণ অনেকখানি কমে যাবে। শুধু এজন্য আপনাদের কাছে চাই আন্তরিকতা। আপনাদের অবস্থান দৃশ্যমান করতে পারলে ৫০ শতাংশ আচরণবিধি প্রতিপালনের কাজ হয়ে যাবে। তার পরও কিছু লোক আচরণবিধি ভাঙ্গবে। তাদের নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা দিয়েই শাস্তির ব্যবস্থা করবেন। গত রবিবার নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ঢাকা উত্তর সিটির আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এসব আলোচনা উঠে আসে।


আপনার মন্তব্য