শিরোনাম
প্রকাশ : ৫ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:১২
প্রিন্ট করুন printer

‘ভারত থেকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই টিকা পাবে বাংলাদেশ’

অনলাইন ডেস্ক

‘ভারত থেকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ীই টিকা পাবে বাংলাদেশ’

করোনাভাইরাসের টিকা বাংলাদেশকে সরবরাহ করতে ভারত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভারত সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে ‘দ্য ইকোনমিক টাইমস’।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “টিকা রফতানি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে গণমাধ্যমের খবরে যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে সে বিষয়টি পরিষ্কার করেছে ভারত। ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাংলাদেশকে টিকা সরবরাহে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন- ভারত গোটা মানবজাতির জন্যই টিকা তৈরি করছে এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিশ্রুতি।”

এতে আরও বলা হয়, “বাংলাদেশকেও টিকা সরবরাহে আমাদের নেতৃবন্দ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।”

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৪:৩০
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি, ২০২১ ১৭:০৬
প্রিন্ট করুন printer

ডয়েচে ভেলের প্রতিবেদন

‘অক্সফোর্ডের টিকা বয়স্কদের কাজে আসে না’

অনলাইন ডেস্ক

‘অক্সফোর্ডের টিকা বয়স্কদের কাজে আসে না’
প্রতীকী ছবি

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন নিয়ে ইউরোপে চলছে বিতর্ক। জার্মান মিডিয়ার রিপোর্ট, ৬৫ বছরের বেশি বয়সিদের ক্ষেত্রে এই টিকা মাত্র ৮ শতাংশ কার্যকর।

অ্যাস্ট্রাজেনেকা অবশ্য এই রিপোর্ট উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছে, তাদের ভ্যাকসিন নিরাপদ ও কার্যকর। তাদের দাবি, গত নভেম্বরে তারা সব তথ্য দ্য ল্যানসেটে প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর একশ শতাংশ ক্ষেত্রে বয়স্কদের দেহেও অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। 

অ্যাস্ট্রাজেনেকার দাবি, সংবাদপত্রের রিপোর্ট ভুল। ডয়েচে ভেলেকে লিখিতভাবে সংস্থার মুখপাত্র জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্যের ভ্যাকসিন কমিটি এবং জাতীয় মেডিসিন রেগুলেটার বয়স্কদের এই ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য অনুমোদন দিয়েছে।

জার্মানির দু’টি সংবাদপত্রে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের ক্ষেত্রে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা মাত্র ৮ শতাংশ। দু’টি সংবাদপত্রই জার্মান সরকারের নামবিহীন সূত্রকে উদ্ধৃত করে খবরটা করেছে। হ্যান্ডলসব্যাট-এর রিপোর্ট বলেছে, বয়স্কদের মধ্যে এই ভ্যাকসিন ৮ শতাংশ কার্যকর। আর বিল্ডের রিপোর্ট জানাচ্ছে, তা ১০ শতাংশেরও কম কার্যকর।

দু’টি সংবাদপত্রের রিপোর্টে বলা হয়েছে, জার্মান সরকারের পরিকল্পনা ছিল, যারা সেন্টারে আসতে পারবেন না, তাদের বাড়িতে গিয়ে এই ভ্যাকসিন দেয়া। কারণ, এই ভ্যাকসিন নিয়ে যাওয়া ও রাখা সহজ। ফাইজার-বায়োনটেকের মতো মাইনাস ৭০ ডিগ্রিতে রাখতে হয় না। জার্মানির সরকারি কর্মকর্তারা মনে করছেন, ইউরোপের মেডিসিন এজেন্সি (ইএমএ) বয়স্কদের উপর এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমতি সম্ভবত দেবে না।

এই রিপোর্ট এমন একটা সময়ে এসেছে, যখন অ্যাস্ট্রাজেনেকা ইউরোপে প্রতিশ্রুতি মতো ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে পারছে না। তারা অনেক কম ভ্যাকসিন দিয়েছে ইউরোপকে। এ নিয়ে তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন ইইউ’র হেলথ অ্যান্ড ফুড সেফটির কর্তারা। কবে তারা প্রতিশ্রুতিমতো ভ্যাকসিন দিতে পারবে তা নিয়েই আলোচনা হবে।

গত মাসে অ্যাস্ট্রাজেনেকা তাদের ভ্যাকসিন ইউরোপে চালুর অনুমোদন চেয়েছিল। জার্মানির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে সম্ভবত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে ইএমএ।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ৩ জানুয়ারি, ২০২১ ১৮:১৩
প্রিন্ট করুন printer

খবর বিবিসি বাংলার

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিয়াল এতোটা হিংস্র হয়ে উঠেছে কেন?

অনলাইন ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিয়াল এতোটা হিংস্র হয়ে উঠেছে কেন?
আশুগঞ্জে শিয়ালের আক্রমণে আহত ২২ (ডানে)।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলায় শিয়ালের আক্রমণে ২২জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী একটি শিয়ালকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী রিপন আহমেদ জানান, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে দুটি শিয়াল লোকালয়ে ঢুকে পড়ে এবং ঘরের ভেতরে ঢুকে একটি শিশুকে কামড়ে দেয়।

পরে শিয়াল দুটি হিংস্র হয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করে নারী ও শিশুসহ ২২জনকে মানুষকে কামড়ে আহত করে। এর মধ্যে ছয় দিন বয়সী একটি শিশুও রয়েছে।

সবাই আতঙ্কে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে লোকজন জড়ো হয়ে একটি শিয়ালকে জাপটে ধরে। ধস্তাধস্তি চলাকালে শিয়ালটি বাকিদের কামড়ে দেয়। পরে সবাই মিলে ওই শিয়ালটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে। আহতদের সবাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে আহতদের সবাইকে জলাতঙ্ক রোগের টিকা দেয়া হয়।

বাংলাদেশে শিয়ালের হামলার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর আগে জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শিয়ালের কামড়ে অন্তত ২৭ জন পথচারী আহত হওয়ার ঘটনা। পরে আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

তার আগে নওগাঁ, জয়পুরহাট, বগুড়া, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের কয়েকটি এলাকায় শিয়ালের কামড়ে অন্তত ১০০ জন আহত হওয়ার খবর প্রকাশ হয়েছে।

শিয়ালের এই উৎপাতে আতঙ্ক বিরাজ করছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

তবে শেয়াল কোন হিংস্র প্রাণী নয়, বরং নিশাচর বন্য এই প্রাণীটি লোকালয় থেকে দূরেই থাকে বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলাম।

শুধুমাত্র খাবারের অভাব দেখা দিলেই সন্ধ্যা বা রাতের বেলা লোকালয়ে এদের বিচরণ করতে দেখা যায়। বনে খাবার না পেলে লোকালয়ে হানা দিয়ে হাঁস-মুরগি ধরে নেয়।

আত্মরক্ষা ছাড়া শিয়াল কোন মানুষের ওপর হামলা চালায় না, অবশ্য জলাতঙ্ক রোগ হলে এদের আচরণ কিছুটা বেপরোয়া হয়ে যায় বলে জানান মি. ইসলাম।

আর এই সময়েই মানুষের হাতে এই প্রাণীটির মৃত্যু হয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বেশিরভাগ শেয়ালই পাতিশিয়াল ও ছোট আকারের খেঁকশিয়াল প্রজাতির, যা দেখতে অনেকটা দেশি কুকুরের মতো, গায়ের লোম বাদামি এবং লেজ কালো।

ক্যানিডি পরিবারের স্তন্যপায়ী প্রাণীটিকে বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে।

কিন্তু নির্বিচারে গাছপালা ঝোপঝাড় কাটার পাশাপাশি গর্ত ভরাট করে ফেলায় অন্য সব প্রাণীর মতো শিয়ালের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মি. ইসলাম।

তিনি বলেন, "শিয়ালের বাঁচার উপযুক্ত পরিবেশ যদি থাকতো, তাহলে সে লোকালয়ে আসতো না। কারণ মানুষ তার খাবার নয়। শিয়াল বরং ইঁদুর, পোকামাকড়, মৃত প্রাণী, পচা-গলা এক কথায় সব ধরণের খাবার খেয়ে পরিবেশকে ভালো রাখে। আর এই প্রাণীটি রোগ ছড়ায় না। তাই এই পরিবেশে ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র রক্ষায় শিয়াল অনেক প্রয়োজন।"

এছাড়া, ইঁদুর-পোকামাকড় কমে যাওয়ায় শিয়ালের লোকালয়ে হানা দেয়ার অন্যতম কারণ বলে তিনি জানান।

"এখন আমাদের পরিবেশে ইঁদুর, পোকামাকড় কমে গেছে। খাবারের অভাবেই তারা লোকালয়ে আসে। মানুষ এদের দেখে ভয় পায়, তাড়া করে। মানুষের ভয় দেখে তারাও আতঙ্কিত হয়ে যায় যা এই হিংস্রতাকে উস্কে দিতে পারে। কিন্তু শিয়াল হিংস্র নয়।"

এক্ষেত্রে এই প্রাণীগুলোর উপযুক্ত পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি গ্রামবাসীকে সচেতন করে তোলার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। 

বিডি প্রতিদিন/আরাফাত


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ১২:১৭
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ১৩:২৮
প্রিন্ট করুন printer

ভারতে বাংলাদেশি তরুণীর লিভ টুগেদার, অতঃপর পচাগলা লাশ উদ্ধার; দাবি পুলিশের

অনলাইন ডেস্ক

ভারতে বাংলাদেশি তরুণীর লিভ টুগেদার, অতঃপর পচাগলা লাশ উদ্ধার; দাবি পুলিশের
লিপি সাগর শেখ ওরফে রিনা শেখ। ছবি : সংগৃহীত

ভারতের মুম্বাইয়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে বাংলাদেশি এক তরুণীর পচেগলে যাওয়া মৃতদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। তার নাম লিপি সাগর শেখ ওরফে রিনা শেখ।

হত্যার প্রায় তিন সপ্তাহ পর লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, রিনা তার প্রেমিকের সঙ্গে টুগেদার করছিলেন। তিনিও বাংলাদেশি। রিনাকে হত্যার পর লাশ বাসার ভিতর রেখে বাইরে থেকে তালা আটকে দেয় ওই প্রেমিক। অবশ্য, পুলিশ বাংলাদেশি ওই প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে। খবর মুম্বাই মিরর, মিড-ডেদ্য হোম নিউজের

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রিনা ও তার প্রেমিক যুবক (নাম জানা যায়নি) দু’জনই ছিলেন অবৈধ অভিবাসী। কিন্তু অন্য পুরুষের সঙ্গে রিনার সম্পর্ক থাকার সন্দেহে তার প্রেমিক তাকে হত্যা করে।

জানা গেছে, ঘটনাটি ঘটেছে নাভি মুম্বাইয়ে। সেখানকার কালামবোলি এলাকায় রিনা অন্য দুই বাংলাদেশি নারীর সঙ্গে একই বাসায় বসবাস করছিলেন। কিন্তু করোনাভাইরাস সঙ্কটে তারা কর্মহীন হয়ে পড়েন। এ অবস্থায় অন্য দুই নারী বাংলাদেশে চলে আসেন। তারা নাভি মুম্বাইয়ে সেবাখাতে কাজ করতেন। তারা দেশে ফিরে আসার পর রিনা ও তার প্রেমিক শুরু করেন লিভ টুগেদার। একই বাসায়, একই ছাদের নিচে বিবাহ ছাড়াই বসবাস শুরু করেন রিনা ও তার প্রেমিক। সম্প্রতি বাংলাদেশি ওই দুই নারী আবার মুম্বাই ফিরে যান নতুন কাজ পাওয়ার আশায়। তারা বাসায় ফিরেই দেখতে পান দরজার বাইরে থেকে তালা দেওয়া। রিনাকে ফোন করেন। কিন্তু তার ফোন তখন বন্ধ ছিল। এ অবস্থায় তারা যোগাযোগ করেন বাড়ির মালিকের সঙ্গে। তার কাছে চাবি চান। কিন্তু রিনা শেখ সেখানে বসবাস করছিলেন বলে ওই বাসার চাবি বাড়িওয়ালার কাছে ছিল না। এ অবস্থায় তারা বাড়িটির ব্রোকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাদের কাছে দরজা খোলার বিকল্প চাবি ছিল। ইতোমধ্যে যোগাযোগ করা হয় পুলিশে। পুলিশ গিয়ে দরজা খুলে দেখতে পায় রিনা শেখের অর্ধগলিত লাশ।

অবশ্য পুলিশ ওই প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে। এরপর জিজ্ঞাসাবাদে তিনি রিনার সঙ্গে প্রেমের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। 

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাবাসাবাদে তিনি জানান- রিনা প্রেমের নামে তার সঙ্গে প্রতারণা করছিল। তার অন্য একটি সম্পর্ক ছিল। তাই রাগে ক্ষোভে তাকে গলা টিপে ধরে হত্যা করে দরজায় তালা দিয়ে পালিয়ে যান তিনি।

এদিকে, অন্য দুই নারী অবৈধভাবে ভারতে অবস্থান করায় কারণে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় পুলিশ।

বিডি প্রতিদিন/কালাম


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ২৯ নভেম্বর, ২০২০ ১৪:৫৬
আপডেট : ২৯ নভেম্বর, ২০২০ ১৫:১৭
প্রিন্ট করুন printer

সানডে গার্ডিয়ান লাইভের নিবন্ধ

‘বিশ্বকে বিবর্ণ ভবিষ্যতের দিকে নিতে চায় চীন’

অনলাইন ডেস্ক

‘বিশ্বকে বিবর্ণ ভবিষ্যতের দিকে নিতে চায় চীন’
প্রতীকী ছবি

ভারতীয় সংবাদপত্র সানডে গার্ডিয়ান লাইভে 'China set for a dark, turbulent, ostracized and bleak future' শিরোনামের একটি নিবন্ধ লিখেছেন অভিনব পান্ডিয়া (Abhinav Pandya)। তিনি ভারত ভিত্তিক ভূ-রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা বিষয়টি থিং ট্যাংক ওসানাস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী। 'রেডিক্যালাইজেশন ইন ইন্ডিয়া: এন এক্সপ্লোরেশন' শিরোনামে একটি বইও তিনি লিখেছেন। অভিনব পান্ডিয়ার লেখা 'China set for a dark, turbulent, ostracized and bleak future' গত ২৮ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছে। এতে তিনি বিশ্বে চীনের মোড়ল হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। 

অভিনব পান্ডিয়া লিখেছেন, বেইজিংয়ের নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতির (wolf-warrior diplomacy) বৈশিষ্ট্য হলো করোনাভাইরাস মহামারীর উৎসে এ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নকারীদের ওপর বলপ্রয়োগ এবং হুমকি প্রদান। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের আগ্রাসন, লাদাখ সীমান্তে আগ্রাসন ও হংকংয়ের বিষয়ে চীনের নীতির তীব্র সমালোচনাও করেছেন তিনি। 

তিনি লিখেছেন, চীন বিশ্ব ব্যবস্থা, বিশ্ব মানচিত্রকে পাল্টে দিতে চায়। মধ্যযুগীর গৌরব দাবি করতে গিয়ে বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর করে দিতে চায়। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ থেকে চীনকে বহিষ্কারের পক্ষেও যুক্তি তুলে ধরেছেন তিনি।

গত নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের জয় এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের হারে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অভিনব পান্ডিয়া। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ মেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনার অভাব, অগ্রাধিকারের বিষয় নির্বাচনে ভুল এবং নিরর্থক বিনিয়োগের কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়েছে। বাইডেনের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র তার চেনা রূপে ফিরবে বলেও অভিনব পান্ডিয়ার প্রত্যাশা।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

প্রকাশ : ১ নভেম্বর, ২০২০ ১০:০২
প্রিন্ট করুন printer

ইন্দিরা গান্ধী পাশে না থাকলে নয় মাসে যুদ্ধ জয় অসম্ভব ছিল: হানিফ

অনলাইন ডেস্ক

ইন্দিরা গান্ধী পাশে না থাকলে নয় মাসে যুদ্ধ জয় অসম্ভব ছিল: হানিফ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, ইন্দিরা গান্ধী পাশে না থাকলে নয় মাসে যুদ্ধ জয় অসম্ভব ছিল। তিনি শুধু এক কোটি বাংলাদেশিকে আশ্রয় ও খাওয়া-পরার ব্যবস্থাই করেননি, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করেন। আর বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক বিশ্বের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালিয়েছেন। এমনকি মার্কিন রক্তচক্ষুর বিপরীতে এক অনন্য অবস্থানও নেন তিনি। 

শনিবার রাত ৮টায় জাগরণ টিভি ও বিবার্তা আয়োজিত ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। ইন্দিরা গান্ধীর ৩৬তম প্রয়াণ দিবসের স্মরণ ও শ্রদ্ধা উপলক্ষ্যে জাগরণ টিভি- বিবার্তা সংলাপ শিরোনামের ওই ভার্চুয়াল আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন গৌরব ৭১ এর সাধারণ সম্পাদক এফএম শাহীন। 

হানিফ আরেও বলেন, ইন্দিরা গান্ধীর রাজনৈতিক শিক্ষা শুরু হয় তাঁর পিতা জওহরলাল নেহেরু হাত ধরেই। তিনি বাবার পাশে থেকেই কীভাবে দেশ পরিচালনা করতে হয়, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হয় সেটা শিখেছিলেন। সেটার প্রতিফলন আমরা নেহেরুর মৃত্যুর পরে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দেখতে পাই। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সরাসরি সমর্থন ও সহায়তা ছিল। তিনি প্রণব মুখার্জীর নেতৃত্বে ইন্টার পার্লামেন্টারি কমিটি করে সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তুলেছিলেন।

তিনি বলেন, ২৫ মার্চের পরে লাখ লাখ অসহায় মানুষ ভারতে আশ্রয় নিতে ছুটে যাচ্ছিলো এবং ইন্দিরা গান্ধী সেসময় বাঙালিদের জন্য মানবতার দ্বার খুলে দিয়েছিলেন। সেসময় ভারতও অর্থনৈতিকভাবে তেমন শক্তিশালী ছিল না, তবুও আমাদের দেড় কোটি মানুষকে তারা ঠাঁই দিয়েছিলো। এমন মহৎ আচরণ কবে কোন দেশ দেখিয়েছে আমার জানা নাই, তবে ইন্দিরা সরকার আমাদের প্রতি এতটাই আন্তরিক ছিলেন। আমাদের সহায়তা করার জন্য ভারত সরকার ও তাঁর জনগণকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত অতিরিক্ত সারচার্জ, ট্যাক্স দিতে হয়েছে, যা সম্ভব হয়েছে শুধু শ্রীমতী গান্ধীর জন্য। উনার সহায়তা না থাকলে কোনোভাবেই আমরা পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র নয় মাসের যুদ্ধে জয় করতে পারতাম না। উনার তুলনা উনি নিজেই। আমার মনে হয়, উনি উপমহাদেশের আয়রণ লেডি। 

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ব্যাপারে দুটি চিরন্তন সত্য আছে, যার একটি, বঙ্গবন্ধু না থাকলে যেমন বাংলাদেশ স্বাধীন হত না, তেমনি ইন্দিরা গান্ধী তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী না থাকলে নয় মাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সম্ভব ছিল না। আরো অনেক বেশি সময় লাগত, আরো অনেক বেশি রক্ত ঝরত। এই ঋণ, এই কৃতজ্ঞতা আমরা কোনোদিন বলে শোধ করতে পারব না। 

তিনি বলেন, আমরা অকৃতজ্ঞ জাতি নই, বঙ্গবন্ধুর তৈরি করা ইন্দিরা মঞ্চ খুনি জিয়া ক্ষমতায় আসার পরপরই ভেঙ্গে দিয়েছিলো। আমি তার এই কাজের চরম ধিক্কার জানাই। তবে আজকের দিনের বড় খবর হচ্ছে সেই রেসকোর্স ময়দানে একই সাথে মুজিব মঞ্চ, ইন্দিরা মঞ্চ হবে। 

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ইন্দিরা গান্ধীর কথা বারবার মনে করিয়ে দেবার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নাম ইন্দিরা গান্ধীর নামে করা উচিত। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অন্তর্জাতিক জনমত আদায় করার জন্য তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। 

রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক স্বদেশ রায় বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ইন্দিরা গান্ধীর অবদান প্রতিটি বিন্দুতে বিন্দুতে। ১৯৭৫ সালে যেমন ১৫ আগস্ট ঘটেছে, ১৯৭১ সালেও তেমন একটি ১৫ আগস্ট ঘটতে পারত। ইয়াহিয়া খান চেয়েছিলো মাত্র ২০ দিনে মার্শাল কোর্টে বঙ্গবন্ধুর বিচার করে ফাঁসি দিয়ে দেয়া। কিন্তু ইন্দিরা তাঁর কূটনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে সেটা রুখে দিতে পেরেছিলেন, ভারতের পার্লামেন্টে তিনি এটার নিন্দা করেন। ফলে পাকিস্তান তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়। ভারতীয় জনগণ যে বঙ্গবন্ধুকে অকুণ্ঠ ভালবাসা দেখিয়েছে, সেটার পিছনেও ইন্ধিরা গান্ধীর কৃতিত্ব ছিল। তিনি প্রায় শতাধিক দেশের কাছে চিঠি লিখেন বাংলাদেশের পক্ষে, বঙ্গবন্ধুর পক্ষে। ৭৫ এর পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে ইন্দিরা গান্ধী রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিলেন।

বিডি প্রতিদিন/ফারজানা


আপনার মন্তব্য

পরবর্তী খবর

এই বিভাগের আরও খবর