শিরোনাম
প্রকাশ: ১৬:৩২, মঙ্গলবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

হুমকির মুখে কুতুবদিয়ার জীববৈচিত্র্য

মিজানুর রহমান, কুতুবদিয়া
অনলাইন ভার্সন
হুমকির মুখে কুতুবদিয়ার জীববৈচিত্র্য

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত উপজেলা কুতুবদিয়ায় রয়েছে ৫৪টি গ্রাম। এরমধ্য প্রাকৃতিক কারণে খুদিয়ারটেক নামক গ্রামটি মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হলেও বনায়নে ভরপুর ছিল। কিন্তু এখন ওই বনায়নও রক্ষণাবেক্ষণার অভাবে বিলুপ্ত হতে চলেছে। 

এছাড়াও উপজেলার উত্তরচর ধূরুংসহ ৬টি ইউনিয়নের পূর্ব-পশ্চিমের কয়েকটি স্থানে বেড়িবাঁধের বাইরে গড়ে উঠা আকাশ ছুঁই ছুঁই সারি-সারি গাছের সেই নিবিড় বনায়ন এখন শুধুই স্মৃতি আর স্মৃতি। কালের পরিক্রমায় বর্তমানে বনায়নের সাথে হারিয়ে যাচ্ছে গাছে বাসা তৈরি করে অবস্থান করা হাজার হাজার পাখির কিচির-মিচির ডাকের মনোরম দৃশ্য। এসব বনায়ন ধ্বংসে কুতুবদিয়া দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই জীববৈচিত্র্য নিরাপত্তা জোরদার করতে সংশ্লিষ্টদের সঠিক উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানিয়েছেন দ্বীপবাসী। 

এদিকে, খুদিয়ারটেক ও চর ধুরুং এলাকায় বনায়ন প্রায় সম্পূর্ণ সাগর গর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়াও প্রতি বছর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। যে সকল প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট কারণে বনায়ন বিলুপ্ত হয়েছে ওই সব এলাকায় বনায়নের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর (অব.) ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের সহযোগিতা নেয়া হচ্ছে। মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার নির্দেশনা পেলেই তা বাস্তবায়নের জন্য পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান কুতুবদিয়ার বন কর্মকর্তা মো. আব্দু রাজ্জাক। 

পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতীয় সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) কুতুবদিয়া উপজেলা আহবায়ক এম. শহীদুল ইসলাম বলেন, জীববৈচিত্র্য হলো পৃথিবীর জীবনের পরিবর্তনশীলতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে জীববৈচিত্র্য বিলুপ্ত হচ্ছে। এর পেক্ষিতে কুতুবদিয়া উপকূলে জীববৈচিত্র্য ভয়ানক ভাবে হ্রাস পাচ্ছে। পাশাপাশি খরা, লবনাক্ততার আধিক্য এবং প্রাকৃতিক নানা দুর্যোগের কারণে জীববৈচিত্র্য হারিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও ম্যানগ্রোভ বন উজাড়, খালবিল, নদ-নদী এবং সাগর বিভিন্ন আবর্জনাসহ প্লাস্টিকের যত্রতত্র ব্যবহারে মাত্রাতিরিক্ত দূষনের শিকার। এতে সমুদ্র কেন্দ্রীক জীববৈচিত্র্য বাস্তুতন্ত্র হারিয়ে বিলীন হচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, একসময়ে দ্বীপের সমুদ্র তটিনীতে মৌসুমী পাখিদের কোলাহল শোনা যেতো, বিশাল বালিয়াড়ির তীরে মা কাছিম ডিম দিতো আসতো। বর্তমানে এসবের দেখা মিলেনা। এ জন্য বন্যপ্রাণি এবং উদ্ভিদগুলির প্রতি গণসচেতনা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি নদী ও জলাভূমির সংরক্ষণ দরকার। সবুজ উৎপাদনব্যবস্থা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর (অব.) ড. মোহাম্মদ কামাল হোসাইন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কুতুবদিয়ার মানুষ আগামী দশ বছর পর বসবাস করতে পারবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাগরের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে। এছাড়াও দ্বীপের চারিপাশে পর্যাপ্ত পরিমাণ বনায়ন না থাকায় আরও বেশি ক্ষতি হতে পারে। 

তিনি আরও বলেন, কুতুবদিয়ার উত্তরে বাঁশখালী গন্ডামারা ও দক্ষিণে মহেশখালী মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুত রয়েছে। এ দুই বিদ্যুতের বায়ু দুষণে কুতুবদিয়ার মানুষের ভবিষ্যত অন্ধকারে পরিণত হতে পারে। কারণ উত্তর দিকের বাতাস হলে বিদ্যুতের দুষণ গুলো কুতুবদিয়া আসবে এবং দক্ষিণ দিকে বাতাস হলে তাও দুষণ গুলো কুতুবদিয়া উপকূলে আসবে। ফলে, কুতুবদিয়া জীব বৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে। একদিকে নাই বনায়ন, অন্যদিকে কয়লাবিদ্যুৎ গুলোর বায়ু দুষণের কারণে কুতুবদিয়ার মানুষের ভবিষ্যত আগামীতে অন্ধকার হবে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কুতুবদিয়ার উত্তর পাশে বাঁশখালী গন্ডামারা কয়লা বিদ্যুৎ সম্পর্কে অবগত নই। তবে তিনি মহেশখালীর মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ পরিদর্শন করেছেন। সেখানে জাপান থেকে উন্নতমানের সার্কিট বসানো হয়েছে। তাই বায়ু দূষিত হয় এমন কোনও ক্ষতিকারক কিছুই পাওয়া যায়নি। সুতরাং কুতুবদিয়া দ্বীপের মানুষের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা নেই।


বিডি-প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ

এই বিভাগের আরও খবর
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
মৎস্যচাষে বৈশ্বিক স্বীকৃতি, শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ
ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে বদলেছে অনেকের ভাগ্য
ভার্মি কম্পোস্ট উৎপাদনে বদলেছে অনেকের ভাগ্য
হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফল
হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ফল
সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী নিধনে চিহ্নিত ১৫০ শিকারী, তালিকা গোয়েন্দা সংস্থার হাতে
সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী নিধনে চিহ্নিত ১৫০ শিকারী, তালিকা গোয়েন্দা সংস্থার হাতে
লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়
লক্ষ্মীপুরে অদ্ভুত প্রাণীর বিচরণে বিস্ময়
টেকনাফে বন্যহাতি চলাচলের পথে দেয়াল নির্মাণ, উদ্বেগ পরিবেশকর্মীদের
টেকনাফে বন্যহাতি চলাচলের পথে দেয়াল নির্মাণ, উদ্বেগ পরিবেশকর্মীদের
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর
বোয়ালমারীতে আলুবোখারা চাষ করে সাড়া ফেলেছেন হাবিবুর
উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষের মাঠ দিবস, চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষের মাঠ দিবস, চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বর্ষার ফুল
প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে বর্ষার ফুল
নওগাঁয় ফ্রুট ব্যাগের সংকট, বিপাকে আম চাষিরা
নওগাঁয় ফ্রুট ব্যাগের সংকট, বিপাকে আম চাষিরা
এবার ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে আষাঢ় মাস
এবার ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে আষাঢ় মাস
বাসাইলে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ
বাসাইলে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ
সর্বশেষ খবর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল

২ সেকেন্ড আগে | দেশগ্রাম

লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর
লালমনিরহাটে বজ্রপাতে প্রাণ গেল মাদরাসা শিক্ষার্থীর

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ও রোগীদের খোঁজখবর নিলেন এমপি মাসুদ সাঈদী

৪ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
শ্রীপুরে বহিরাগত শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

৬ মিনিট আগে | নগর জীবন

আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ
আমিরাতে বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

৯ মিনিট আগে | পরবাস

রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ
রায়পুরের ৫ খুন: কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা, তদন্তে গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৭ জনের লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ

১৪ মিনিট আগে | জাতীয়

মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার
মহেশপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

২৭ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি
মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে ফিফা সভাপতির ভয়াবহ রাজনীতি

২৯ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ফেলে কলেজ শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় গ্রেফতার ১

৩০ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬
চট্টগ্রামে পৃথক অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৬

৩২ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা
ইংল্যান্ডের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ, সম্মান বাঁচাতে মাঠে নামবে পানামা

৩২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান
অন্তর্বর্তী সরকারের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন ও জবাবদিহির আহ্বান

৩৯ মিনিট আগে | মুক্তমঞ্চ

ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ
ব্যাংক থেকে ১২ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে মা-ছেলে নিখোঁজ

৪২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১
পটিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু, আহত ১

৪৪ মিনিট আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর
ইসরায়েল ও লেবাননের চুক্তি ভিত্তিহীন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা হিজবুল্লাহর

৪৭ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন
ডুয়েটে সিএসই কার্নিভাল সম্পন্ন

৫২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?
রোনালদো নাকি মেসি, কে বেশি ধনী?

৫২ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে
মক্তবে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মুয়াজ্জিন কারাগারে

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জে ডাকাত চক্রের সদস্য গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান
এবার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল আফগানিস্তান

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান
শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যেতে চায় জর্ডান

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার
মুন্সীগঞ্জে গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন
ব্লু সামুরাইতে কাটা পড়বে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ
রংপুরে পুকুরে মিললো তরুণীর মরদেহ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ
দিনাজপুরে আনসার-ভিডিপির জব ফেয়ার, চাকরি পেলেন ১২৬ তরুণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?
নেতানিয়াহুর কি রাজনৈতিক অধ্যায়ের তিক্ত সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে?

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু
গোবিন্দগঞ্জে পুকুরে গোসল করতে নেমে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
গাইবান্ধায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস
শেরপুরে হাজারো দরিদ্র পরিবার পেল গরুর মাংস

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

সর্বাধিক পঠিত
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে
নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতিহাস গড়া কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা
ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র জরুরি বার্তা

১২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব
বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে জনপ্রতি ট্যাক্স নেওয়ার প্রস্তাব

৫ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ
নকআউট নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা প্রশ্নে যা বললেন কেপ ভার্দে কোচ

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি
এনআইডি নবায়ন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনায় ইসি

১১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়
গোলরক্ষকের ভুলে বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের বিদায়

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী
জর্ডানের বিপক্ষে একাদশে খেলবেন না মেসি, কারণ কী

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট
ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় বাহরাইনের ঘাঁটি ছেড়ে পালিয়েছিল মার্কিন সেনারা: রিপোর্ট

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না
এমবাপে-হালান্ড কেন কখনোই মেসি-রোনালদোর উচ্চতায় পৌঁছাতে পারবেন না

২০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল
আইসিসির কাছে বিসিবির অর্থায়ন বন্ধের আবেদন, আলোচনায় বুলবুল

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা
হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত
বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে
যে তিন কারণে হালান্ডকে খেলাচ্ছে না নরওয়ে

১৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি
নতুন হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘পিছু হটা ও অনুতাপের’ কারণ হবে: ইরানি এমপি

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

৭ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা
ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে কেপ ভার্দে

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের
৭২ বছরে বিশ্বকাপে দ্রুততম হ্যাটট্রিক দেম্বেলের

১৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর
দাপুটে জয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম, ইরানের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় মিশর

৯ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস
ভারতকে প্রথমবারের মতো হারিয়ে আয়ারল্যান্ডের ইতিহাস

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু
দেশের হয়ে ইতিহাস গড়লেন লুকাকু

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান
রামিনের গোলে সমতায় ফিরল ইরান

১১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা
কেইনের ওপর থেকে ‘কালো জাদু’ তুলে নিয়ে ঘানার তান্ত্রিকের বার্তা

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা
ন্যাটোর ঐক্য পরীক্ষায় ইউরোপের কয়েকটি দেশে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড হামলার’ আশঙ্কা

২২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান
মিশরের ৯২ বছরের অপেক্ষা শেষ হবে, নাকি ইতিহাস গড়বে ইরান

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প
চুক্তির পরও হরমুজে ড্রোন হামলাকে ‘কাণ্ডজ্ঞানহীন’ বললেন ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের
ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় আয়ারল্যান্ডের

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
যুদ্ধের নতুন কৌশল, ৫ লাখ সেনার হাতে ড্রোন তুলে দিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

২১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

প্রিন্ট সর্বাধিক