পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আমন ধানের চারা রোপণে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভায় এ বছর ৩০ হাজার ৮৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আবাদ হবে। কৃষকরা জমি তৈরি, বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন ও রোপণের কাজ শুরু করেছেন পুরোদমে। ইতোমধ্যে ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টরে চারা রোপণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিছু দিনের মধ্যে শতভাগ রোপণ সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে কৃষি অফিস। সরেজমিন দেখা গেছে, কোথাও ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ, কোথাও আগাছা পরিষ্কার, আবার কোথাও দলবদ্ধভাবে চারা রোপণ চলছে। দেশি ধানের পরিবর্তে এখন কৃষকরা বেশি চাষ করছেন ব্রি-১১ ধান, ব্রি-৪৯ ধান, ব্রি-৫১ ধান, ব্রি-৫২ ধান এবং দেশি গুটি স্বর্ণা, সাদা মোটা, জিরা বাদামসহ হাইব্রিড জাত। তবে গত কয়েক বছরের তুলনায় চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধান রোপণে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষিরা। সূত্রে জানা গেছে, দেশি ধানের পরিবর্তে এখন অনেকে হাইব্রিড জাতের ধান চাষ করছেন। এতে খরচ কম, উৎপাদনও বেশি হয়। তাই উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষে ঝুঁকছেন অনেকে। এ ছাড়া পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে এ বছর কোনো সেচের ব্যবস্থা করতে হয়নি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত বলেন, ‘প্রতিদিন কৃষকের কাছে গিয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। প্রথমদিকে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের সার ও বীজ প্রদান করা হয়েছে। এ বছর এই উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আমন রোপণ হবে।’
বিডি প্রতিদিন/এমআই